করোনা কালে একধাক্কায় বাড়তে পারে স্বাস্থ্য বীমার প্রিমিয়াম, পলিসি পেতেও হতে পারেন নাজেহাল

আজকের পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য বীমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। চাহিদা তুঙ্গে। তাই যত দ্রুত সম্ভব বীমা করিয়ে নেওয়াই ভালো।

করোনা কালে একধাক্কায় বাড়তে পারে স্বাস্থ্য বীমার প্রিমিয়াম, পলিসি পেতেও হতে পারেন নাজেহাল
প্রিমিয়াম বাড়তে পারে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ

নয়া দিল্লি : স্বাস্থ্য বীমা করার ক্ষেত্রে দ্বিধা থাকে অনেকেরই। বছর বছর প্রিমিয়ামের টাকা শুধু শুধু দিতে হয় বলে বীমা করানোর ক্ষেত্রে অনীহা আছে কারও কারও। কিন্তু বর্তমানে করোনার প্রকোপে হাসপাতালের খরচ যখন ঘর-বাড়ি বিক্রি করতে বাধ্য করছে, তখন বহু মানুষ স্বাস্থ্য বীমা সম্পর্কে সচেতন হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে অনেকেই বীমা করাতে ছুটছেন। কিন্তু অদূর ভবিষ্যতে সেই বীমা মহার্ঘ হয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সাম্প্রতিককালে বীমা করানোর প্রবণতা বেড়েছে অনেকটাই। তবে, করোনায় মৃতের সংখ্যা এত বাড়ছে যে চাপ পড়ছে বীমা সেক্টরেও। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, নতুন পলিসি করাতে বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে। এমনকি করোনা থেকে সেরে উঠেছেন, এমন ব্যক্তিরাও বীমা করাতে পারছেন না।

রিপোর্ট বলছে, শেষ আর্থিক বছরের শেষে অর্থাৎ গত ৩১ মার্চ পর্যন্ত শুধু করোনা চিকিৎসার জন্য ৯.৯ লক্ষ স্বাস্থ্য বীমার টাকা মেটাতে হয়েছে বীমা সংস্থাকে। যার মূল্য মোট ১৪,৫৬১ কোটি টাকা। ৪ মে অবধি সেই টাকা বেড়ে হয় ২২,৯৫৫ কোটি। মাত্র ৪৪ দিনে ৮,৩৮৫ কোটি টাকা মেটাতে হয়েছে। গত বছর যে পরিমাণ বীমার টাকা মেটানো হয়েছিল, এবার ৪ মে পর্যন্ত তার ৫৭ শতাংশ টাকা মিটিয়েছে সংস্থা।

এই পরিস্থিতিতে নতুন পলিসি কেনার ক্ষেত্রে অনেক নিয়ম বেঁধে দিচ্ছে সংস্থাগুলি। যার ফলে নতুন করে যাঁরা আবেদন করছেন, তাঁদের অনেককেই ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সব শর্ত পূরণ না হলে বীমা করানো যাচ্ছে না।

আরও পড়ুন: কোভিডে ইতিমধ্যেই মৃত্যু হয়েছে ১২০০ ব্যাঙ্ককর্মীর, চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট

চলতি অর্থবর্ষের শুরুতেই অন্তত ৬টি বীমা সংস্থা প্রিমিয়ামের দাম বাড়িয়েছে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ। তবে এলআইসি বা জীবন বীমা নিগম এখনও পর্যন্ত কোনও দাম বাড়ায়নি। তাই বীমা করানো আরও কঠিন হওয়ার আগে বীমা করিয়ে নেওয়া উচিত প্রত্যেকেরই। সব স্বাস্থ্য বীমাতেই সাধারণত হাসপাতালে থাকার খরচ দেওয়া হয়। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পরও ওষুধ, ডাক্তারের ফি ও টেস্টের খরচও দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: হাসপাতালের খরচ মেটাতে ধার? ২০ হাজারের বেশি নগদ নিলেই পড়তে পারেন আইনি প্যাঁচে