‘তোমার বাহুবন্ধনে শান্তি পাই’, অঙ্কিতাকে বিবাহবার্ষিকীর শুভেচ্ছা মিলিন্দের

অঙ্কিতার সঙ্গে মিলিন্দের বয়সের পার্থক্য অনেকটাই। প্রায় ২৯ বছর। তাই বিয়ের সময় চর্চায় ছিল এই জুটির বয়স। রীতিমতো ট্রোলড হতে হয় তাঁদের। ট্রোলিংয়ে যদিও কোনওদিনই পাত্তা দেন না মিলিন্দ।

  • TV9 Bangla
  • Published On - 17:23 PM, 27 Feb 2021
‘তোমার বাহুবন্ধনে শান্তি পাই’, অঙ্কিতাকে বিবাহবার্ষিকীর শুভেচ্ছা মিলিন্দের
দম্পতি।

মিলিন্দ সোমন (Milind Soman) এবং অঙ্কিতা কোনওয়ার (Ankita Konwar)। বলিউডের (bollywood) অন্য ধারার সেলেব দম্পতি। অন্যধারার, কারণ কোনও কিছুকে পাত্তা না দিয়ে কীভাবে নিজেদের মতো ভাল থাকা যায়, তা শিখিয়েছেন মিলিন্দ এবং অঙ্কিতা। একসঙ্গে থাকার সাতটা বছর পেরিয়ে গেলেন তাঁরা। সোশ্যাল মিডিয়ায় অঙ্কিতার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ একটি ছবি পোস্ট করে স্ত্রীকে বিবাহবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মিলিন্দ।

ছবিতে দেখা যাচ্ছে অঙ্কিতার বাহুবন্ধনে রয়েছেন মিলিন্দ। ক্যাপশনে মডেল তথা অভিনেতা লিখেছেন, ‘সাত বছর ধরে প্রায় গোটা পৃথিবী ঘুরেছি। সমুদ্রের গহীনে গিয়েছি। পাহাড় চড়েছি একসঙ্গে। বহু দেশ দৌড়েছি। জঙ্গল আবিষ্কার করেছি নতুন ভাবে। দেখেছি মরুভূমি, আগ্নেয়গিরি, কিন্তু এখনও আমার প্রিয় জায়গা এটাই। তোমার বাহুবন্ধনে ঘুমিয়েই সব থেকে বেশি শান্তি পাই… বিবাহবার্ষিকী যা শেষ হওয়ার নয়…।’

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Milind Usha Soman (@milindrunning)

শুক্রবারই নিজের ইনস্টাগ্রামে ছবি পোস্ট করে মিলিন্দকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন অঙ্কিতা। তিনি লিখেছিলেন, ‘সাত বছর কেটে গিয়েছে। কিন্তু এখনও মনে হয়, শুধুমাত্র একটা মুহূর্ত। আশা করি এমন মুহূর্ত সব সময়ই পাব আমরা। অনেক ধন্যবাদ আমার ভালবাসা…।’

অঙ্কিতার সঙ্গে মিলিন্দের বয়সের পার্থক্য অনেকটাই। প্রায় ২৯ বছর। তাই বিয়ের সময় চর্চায় ছিল এই জুটির বয়স। রীতিমতো ট্রোলড হতে হয় তাঁদের। ট্রোলিংয়ে যদিও কোনওদিনই পাত্তা দেন না মিলিন্দ। তাঁরা দুজনেই ফিটনেস ফ্রিক। কখনও দৌড়, কখনও বা যোগার ভিডিও তাঁরা শেয়ার করেন সোশ্যাল ওয়ালে। ফিটনেস রুটিনে কখনও বা তাঁদের সঙ্গী মিলন্দের মা ঊষা সোমনও।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by Ankita Konwar (@ankita_earthy)

মডেলিং দিয়ে কেরিয়ার শুরু করা মিলিন্দ বারবার নিজের অভিনয় দক্ষতার প্রমাণ দিয়েছেন। ট্রোলিং নিয়ে তাঁর কোনও মাথাব্যথা নেই। কাজ এবং পরিবারের বাইরে অন্য কিছুতেই ফোকাস করতে রাজি নন মিলিন্দ। বরং কীভাবে কাছের মানুষদের নিয়ে ভাল থাকা যায়, তা বারবার দেখিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন, খারাপ সময় না এলে ভাল সময়ের মূল্য বোঝা যায় না: শ্রাবন্তী