<urlset xmlns:xsi="http://www.w3.org/2001/XMLSchema-instance" xmlns:image="http://www.google.com/schemas/sitemap-image/1.1" xsi:schemaLocation="http://www.sitemaps.org/schemas/sitemap/0.9 http://www.sitemaps.org/schemas/sitemap/0.9/sitemap.xsd http://www.google.com/schemas/sitemap-image/1.1 http://www.google.com/schemas/sitemap-image/1.1/sitemap-image.xsd" xmlns="http://www.sitemaps.org/schemas/sitemap/0.9"><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/indias-pani-puri-capital-this-mega-city-eats-25-lakh-plates-daily-1343076.html</loc><lastmod>2026-08-31T09:59:39+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/happy-fuchka.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Happy Fuchka ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/happy-fuchka.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বাঙালিরা বুক ফুলিয়ে যতই বলুন ‘ফুচকায় কলকাতাই সেরা’, রিপোর্ট কিন্তু একেবারে আলাদা খবর দিচ্ছে। দিল্লি কিংবা কলকাতাকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে ফুচকা খাওয়ার আসল চ্যাম্পিয়ন হয়ে বসেছে মায়ানগরী। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/yumm-Fuchka.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ খাবারের সমীক্ষায় চোখ রাখলে আপনার চোখ কপালে উঠতে বাধ্য! মুম্বই শহরের ভোজনরসিকরা প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৫ থেকে ২৫ লাখ প্লেট পানি পুরি স্রেফ গায়েব করে দেন। এমন চোখ ধাঁধানো সংখ্যার জোরেই ফুচকার রাজধানী হিসেবে মুকুট উঠেছে তাদের মাথায়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/girlphuchka.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ নামে কী-বা আসে যায়, ফুচকা পেলেই হল! এই খাবারই দিল্লিতে ‘গোলগাপ্পা’, বাংলায় আমাদের প্রিয় ‘ফুচকা’, ওড়িশা কিংবা ছত্তীসগঢ়ে ‘গুপচুপ’ আর মুম্বইয়ের গলিতে ‘পানি পুরি’ নামেই রাজত্ব করছে। জায়গা বদলালেও প্লেট শেষ করে ‘আরেকটু ফাউ, আর টক জল’ চাওয়ার লোভ কিন্তু সর্বত্র একই! Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/young-fuchka.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আলু সেদ্ধ, ঘুগনি, ভেজানো ছোলা আর চাটনির জমজমাট মশলা পুরে ঢোকে মচমচে পুরির ভেতর। তারপর পুদিনা, ধনেপাতা, তেঁতুল আর বিটনুন মেশানো স্পেশ্যাল টক জলে ডুবিয়ে মুখে পুরলেই নিমেষে স্বর্গসুখ! এমন খাঁটি সুখের লোভ সামলানো কি মুখের কথা? Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/male-fuchka.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মুম্বইয়ের এক এক গলির স্বাদের নাটকীয়তাও দেখার মতো। কোথাও যদি মিষ্টি তেঁতুল জলের আধিপত্য চলে, তো পাশের মোড়েই মিলবে পুদিনা আর রসুনের ঝাঁঝালো জল। ঝালে চোখ দিয়ে জল গড়ালেও ‘দাদা, আরেকটা দিন না’ বলা মানুষের অভাব নেই সেখানে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/fuchkas.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ লোকাল ট্রেনের তাড়া হোক বা অফিসের হাজার কাজের চাপ, দাঁড়িয়ে চটপট পেটের ক্ষিদে মেটাতে এর চেয়ে সেরা আর কী হতে পারে! স্টেশন চত্বর, বাজার, সমুদ্রের ধার থেকে শপিং মল, যেদিকেই চোখ যায়, শুধুই হাজার হাজার ঠেলাগাড়ির সামনে মানুষের হাঁ মুখ আর লম্বা লাইন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/tetul-phuchka.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ খাবারের এক্সপেরিমেন্টেও এই শহর কাউকে রেয়াত করে না। গরম গরম রগড়া পুরি তো ছিলই, এখন জেন-জিদের দৌলতে চিজ পানি পুরি থেকে শুরু করে চকোলেট পানি পুরির মতো অদ্ভুত সব খাবারও রমরমিয়ে বিকোচ্ছে। স্বাদ যাই হোক, খাওয়ার জোশে কোনও ঘাটতি নেই! Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/red-fuchka.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ভাদাপাও কিংবা পাভ ভাজিকে পেছনে ফেলে রোজকার আড্ডায় এখন পানি পুরির দাপটই সবচেয়ে বেশি। প্রতিদিনের এই লাখ লাখ প্লেটের বিরাট বিক্রিই প্রমাণ করে দিয়েছে, কাজ যতই থাকুক না কেন, পেটপুজোর ব্যাপারে বিন্দুমাত্র আপস করতে রাজি নন মুম্বইয়ের মানুষ! Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/is-charging-your-smartphone-to-100-bad-know-what-it-really-does-to-your-battery-1343010.html</loc><lastmod>2026-08-30T18:35:53+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/03-8.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ 03 ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/01-7.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ স্মার্টফোনের ব্যাটারি ১০০% চার্জ না করে ৮০% করে খুলে রাখা উচিত - এমন কথা অনেকেই শুনেছেন। কিন্তু ১০০% চার্জ না দেওয়া কি সত্যিই ফোনের স্বাস্থ্য ভাল রাখে, নাকি এটা শুধুই একটি প্রচলিত ধারণা? (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/08-5.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বর্তমানে বেশিরভাগ স্মার্টফোনে লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়। এই ব্যাটারির আয়ু চার্জিং সাইকেলের সঙ্গে সম্পর্কিত। ০% থেকে ১০০% অবধি ব্যবহৃত চার্জ একটি সাইকেল বা পূর্ণচক্র। সাইকেল যত বাড়বে, ব্যাটারির ধারণক্ষমতা তত কমবে। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/07-5.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ব্যাটারি সবসময় ১০০% চার্জ দিয়ে দীর্ঘ সময় রেখে দিলে ব্যাটারির সময় চাপ পড়ে। তাই সাধারণভাবে ২০-৮০% এর মধ্যে ফোনের চার্জ রাখলে ব্যাটারির উপর চাপ কম থাকে। এতে দীর্ঘক্ষণ ফোনের ভাল পারফরম্যান্স আশা করা যায়। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/05-6.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেকে ফোন ১০০% চার্জ হয়ে যাওয়ার পরেও চার্জারে ফোন লাগিয়ে রাখেন। এতে বিশেষ কোনও ক্ষতি না হলেও ব্যাটারির দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য কিছুটা কমে যায়। ফোন গরম থাকলে ব্যাটারির উপর চাপ বাড়ে। যদি আপনি মোবাইল কোম্পানির চার্জার/কেবল/অ্যাডাপ্টর ব্যবহার না করে সস্তা কেবল ব্যবহার করেন, তাহলে ঝুঁকি বেশি। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/06-5.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ যদিও, বর্তমানে সব ফোনেই স্মার্ট চার্জিং-এর ব্যবস্থা থাকে। ফোন ১০০% চার্জ হয়ে গেলে চার্জ নেওয়া নিয়ন্ত্রন করে। মানে, ফুল চার্জ হয়ে গেলে আপনা থেকেই চার্জিং বন্ধ হয়ে যায়, সে চার্জার অন থাকুক বা না থাকুক। তবে ফোনকে সারাক্ষন ১০০% চার্জ দিয়ে না রাখাই ভাল। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/04-7.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ব্যাটারির জন্য সবথেকে খারাপ হল অতিরিক্ত ফোন গরম হওয়া। চার্জ দেওয়ার সময় ফোন কখনও বালিশ বা কম্বলের নীচে রাখবেন না। চেষ্টা করবেন খোলা জায়গায় চার্জ দেওয়ার। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/03-7.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ব্যাটারির চার্জ বারবার শূন্যের কাছাকাছি নামিয়ে ফেলাও উচিত নয়। সম্ভব হলে ২০%-এর কাছাকাছি থাকতেই ফোন চার্জ দেওয়া ভাল। নিয়মিত ভাবে ২০-৮০% এর মধ্যে ফোন চার্জ রাখলে ব্যাটারির ওপর চাপও কমে ও ফোন দীর্ঘদিন ভাল পারফরম্যান্স দেয়। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/02-7.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সবশেষে বলা যায়, সর্বক্ষণ ৮০% এর নিয়ম মেনে চলা সম্ভব নয়। প্রয়োজন হলে ১০০% চার্জ দিন। তবে ফোনকে দীর্ঘ সময় ১০০% বা চার্জারে লাগিয়ে রাখবেন না। অতিরিক্ত হিট এড়িয়ে চড়ুন। এতে ব্যাটারি দীর্ঘদিন ভাল থাকবে। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/fed-up-with-house-lizard-problem-learn-how-to-keep-out-lizards-in-natural-way-1342953.html</loc><lastmod>2026-08-30T14:51:11+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/lizard.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Lizard ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/lizard-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বাড়িতে টিকটিকির উপদ্রব নিয়ে অনেকেই বিরক্ত। রান্নাঘর, ডাইনিং হলের দেওয়ালে সারাক্ষণ ঘুরে বেড়াচ্ছে। খাবারে টিকটিকি পড়লে তো আরও সর্বনাশ। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/lizard-3.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ টিকটিকির উপদ্রব থেকে মুক্তি পাওয়া কিন্তু খুব একটা কঠিন কাজ নয়। সহজেই ঘরোয়া কিছু টোটকায় ঘর থেকে টিকটিকি তাড়ানো সম্ভব। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/lizard-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বাড়ি থেকে টিকটিকি দূরে রাখার জন্য এটি সবচেয়ে পুরোনো এবং কার্যকরী উপায় হল ডিমের খোসা। ঘরের কোণায় বা জানালার কাছে  ডিমের খোসা রাখা উচিত, যেখানে টিকটিকির আনাগোনা বেশি হয়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/lizard-4.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ডিমের খোসার তীব্র গন্ধ টিকটিকি টিকতে পারে না। তবে প্রতি ২-৩ সপ্তাহ পর পর এই খোসাগুলো বদলে দেওয়া উচিত। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/lizard-5.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ টিকটিকি পেঁয়াজ ও রসুনের তীব্র গন্ধ একদম সহ্য করতে পারে না। রসুনের কোয়া বা পেঁয়াজের টুকরো কেটে দরজা ও জানালার কাছে ঝুলিয়ে রাখলে টিকটিকি আসবে না। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/lizard-10.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এছাড়া জলে পেঁয়াজ ও রসুনের রস মিশিয়ে একটি স্প্রে বোতলে ভরে, টিকটিকি যেখানে ঘোরাফেরা করে, সেই সব দেওয়ালের কোণে স্প্রে করলে দেখবেন টিকটিকি সঙ্গে সঙ্গে পালিয়ে যাবে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/lizard-8.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ টিকটিকি তাড়াতে গোলমরিচের গুঁড়ো খুব ভালো কাজ করে। জলে সামান্য গোলমরিচের গুঁড়ো এবং লঙ্কা গুঁড়ো মিশিয়ে ভালোভাবে নাড়ুন। এই মিশ্রণটি সেইসব জায়গায় স্প্রে করুন, যেখানে টিকটিকি সবচেয়ে বেশি লুকিয়ে থাকে গোলমরিচের তীব্র গন্ধ টিকটিকির চোখ ও চামড়ায় জ্বালা সৃষ্টি করে, যার ফলে তারা সেই জায়গা ছেড়ে চলে যায়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/lizard-9.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এছাড়া সমান পরিমাণ কফির গুঁড়ো ও তামাকের গুঁড়ো নিয়ে সামান্য জলের সঙ্গে মিশিয়ে ছোট ছোট বল তৈরি করে যদি সেগুলি একটি দেশলাই বাক্স বা টুথপিকে লাগিয়ে টিকটিকি ঘুরে বেড়ায়, এমন জায়গায় রেখে দিন। এই গন্ধটি টিকটিকির জন্য বিষাক্ত। তারা ওই জায়গা থেকে দূরে থাকে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/lizard-7.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ টিকটিকি শীতল রক্তবিশিষ্ট প্রাণী। তাপমাত্রার হঠাৎ পরিবর্তন হলে তারা শরীর নাড়াতে পারে না। যদি টিকটিকির গায়ে খুব ঠান্ডা জল লাগে, তাহলে সেটি সাময়িকভাবে নড়াচড়া করতে পারবে না। তখন সহজেই এটিকে ধরে বাড়ির বাইরে ফেলে দিতে পারবেন। এই সহজ প্রাকৃতিক উপায়গুলো অনুসরণ করে বাড়িকে টিকটিকিমুক্ত রাখতে পারেন। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/jadavpur-university-graffiti-and-slogans-erased-from-campus-walls-familiar-scene-changes-after-cm-suvendu-adhikaris-order-1342860.html</loc><lastmod>2026-08-30T09:36:42+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/JU-1.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Ju 1 ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/JU-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ালে চুনকাম। পড়ল সাদা রং।  মোছা হল দেশবিরোধী ও আপত্তিকর স্লোগান! ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/JU-.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশেই সাদা রঙ করা হয়েছে, দাবি অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (ABVP)-র কর্মী-সমর্থকদের। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/JU-3.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ যাদবপুরে বন্দেমাতরম অনুষ্ঠান এসে বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখা দেশ বিরোধী স্লোগান নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বলেছিলেন, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/JU-4-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সেই মতোই কাজ হল। শনিবার দেখা গেল, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন জায়গায় যে স্লোগান লেখা ছিল, সেগুলি সাদা রং করে মুছে ফেলা হয়েছে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/JU-5.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ABVP ছাত্র সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই নকশালপন্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন ধরনের দেশবিরোধী স্লোগান লিখে রাখত। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/JU-6-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সংগঠনের অভিযোগ, ক্যাম্পাসের একাধিক জায়গায় এমন লেখা থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তবে এবার কর্তৃপক্ষের তরফে সেই স্লোগানগুলি মুছে ফেলা হয়েছে, কিন্তু আংশিক ভাবে! ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/JU-7-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মোছা হল দেওয়াল ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/pizza-why-is-a-round-pizza-packed-in-a-square-box-know-the-real-reason-1342759.html</loc><lastmod>2026-08-29T16:11:34+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/pizza-3.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Pizza 3 ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/pizza-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পিৎজা খেতে অনেকেই ভালোবাসেন। ইটালিয়ান এই পদ এখন সকলের চেনা। তবে পিৎজা খেতে গিয়ে কখনও এটা ভেবেছেন যে পিৎজার আকৃতি তো গোল, তাহলে তা কেন চৌকো বাক্সে তা পরিবেশন করা হয়? তাছাড়া গোল পিৎজা কেন ত্রিভূজ আকৃতিতে কাটা হয়?    ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/pizza-3.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অদ্ভুত লাগলেও, এর পিছনে রয়েছে বেশ কিছু কারণ। এর অন্যতম কারণ হল, পিৎজার জন্য চৌকো বাক্স তৈরি করা, রাখা এবং এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া অনেক সহজ। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/pizza-4.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সাধারণ পিৎজা বাক্স তৈরি হয় শক্ত কার্ডবোর্ড দিয়ে। প্রথমে একটি বড় সমতল কার্ডবোর্ড কেটে নেওয়া হয়। তারপর নির্দিষ্ট জায়গা থেকে সেটি ভাঁজ করলেই তৈরি হয়ে যায় বাক্স। অর্থাৎ আলাদা করে অনেকগুলি অংশ জুড়ে বাক্স তৈরি করতে হয় না। একটি কার্ডবোর্ডের টুকরো ভাঁজ করেই পুরো বাক্স তৈরি করা যায়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/pizza-5.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ প্রতিদিন যেহেতু প্রচুর পরিমাণে পিৎজা ডেলিভারি হয়, তাই কম সময়ে এবং কম খরচে বাক্স তৈরি করতে পারা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই দিক থেকে চৌকো বাক্স অনেক বেশি সুবিধাজনক। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/pizza-6.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ চৌকো বাক্সের আরও একটি বড় সুবিধা হল, এগুলি সহজেই একটির উপর আরেকটি রাখা যায়। রেস্তোরাঁয় অনেকগুলি খালি বাক্স একসঙ্গে রাখলেও বেশি জায়গা লাগে না। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/pizza-7.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আবার পিৎজা তৈরি হয়ে যাওয়ার পরও বাক্সগুলি একটির উপর আরেকটি সাজিয়ে রাখা যায়। কিন্তু গোল বাক্স হলে মাঝখানে এবং চারপাশে ফাঁকা জায়গা তৈরি হত। ফলে একই জায়গায় তুলনামূলকভাবে কম বাক্স রাখা যেত। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/pizza-8.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পিৎজা ডেলিভারির সময় বাইক বা গাড়িতে করে যাওয়ার সময় যাতে পিৎজা নষ্ট না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হয়। চৌকো বাক্স একটির উপর আরেকটি রাখলে সহজে নড়ে যায় না। শক্ত কার্ডবোর্ডের কারণে পিৎজাও কিছুটা সুরক্ষিত থাকে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/pizza-9.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ চৌকো বাক্সের চার কোণে পিৎজা থাকে না। তাই মনে হতে পারে, এই জায়গাগুলি নষ্ট হয়। কিন্তু আসলে বাক্সটি পিৎজার থেকে একটু বড় হওয়াই দরকার। কারণ বাক্সের ঢাকনা বা চারপাশ যাতে সরাসরি পিৎজার উপর চাপ না দেয়, তার জন্য কিছুটা অতিরিক্ত জায়গা প্রয়োজন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/pizza-10.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পিৎজা যাতে বাক্সের ভিতরে বেশি নড়াচড়া না করে, তার জন্য বিভিন্ন ধরনের বাক্সের নকশা নিয়েও পরীক্ষা হয়েছে। গোল বা অন্য ধরনের বাক্স তৈরির ভাবনাও করা হয়েছে। তবে সাধারণ চৌকো বাক্সই সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/pizza-12.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পিৎজা ওভেন থেকে বের করার পর খুব গরম থাকে। তখন পিৎজা থেকে বাষ্প বের হয়। এই বাষ্প যদি বাক্সের ভিতরে আটকে যায়, তাহলে পিৎজার ক্রাস্ট নরম ও স্যাঁতসেঁতে হয়ে যেতে পারে। তাই অনেক পিৎজা বাক্সে ছোট ছোট ছিদ্র রাখা হয়, যাতে অতিরিক্ত বাষ্প বেরিয়ে যেতে পারে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/pizza-15.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অর্থাৎ, পিৎজা বাক্সের কাজ শুধু পিৎজাকে ঢেকে রাখা নয়। পিৎজাকে গরম এবং যতটা সম্ভব ভালো অবস্থায় গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেওয়াও এর অন্যতম কাজ। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/pizza-14.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আর পিৎজার টুকরো ত্রিভুজ কেন? সেটাও আসলে গোল পিৎজাকে সহজে ভাগ করে খাওয়ার সবচেয়ে সুবিধাজনক উপায়।  ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/why-birthday-cakes-and-candles-8-fascinating-facts-revealed-1342528.html</loc><lastmod>2026-08-28T13:02:58+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/super-happy-birthday.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Super Happy Birthday ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/super-happy-birthday.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ জন্মদিন এলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে সুন্দর কেক আর তার ওপর জ্বলতে থাকা একগুচ্ছ রঙিন মোমবাতি। আলো নিভিয়ে গান গাওয়া আর এক ফুঁয়ে মোমবাতি নিভিয়ে কেক কাটা আজ গোটা দুনিয়ার অন্যতম প্রধান রেওয়াজ। কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছেন কি, মিষ্টি খাবার হিসেবে কেক আর মোমের আলো নেভানোর এই অদ্ভুত নিয়ম ঠিক কোথা থেকে এল? Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/mom-son-candle.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ইতিহাসবিদদের মতে, বিশেষ দিন উদযাপনের এই চমৎকার ভাবনার প্রথম সূচনা হয়েছিল প্রাচীন মিশরের হাত ধরে। সেখানে সাধারণ মানুষের জন্য নয়, বরং ফারাও বা রাজাদের যেদিন মাথায় রাজমুকুট পরানো হত, সেদিনটিকে বিশেষ মর্যাদায় পালন করা হত। মিশরীয়রা বিশ্বাস করত, রাজ্যাভিষেকের পর রাজা মানুষ থেকে ঈশ্বরে পরিণত হন এবং এটিই তাঁদের আসল নতুন জন্মের দিন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/chocolate-cake.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মিশরীয়দের এই রাজকীয় ধারণার সঙ্গে পরবর্তী সময়ে মিষ্টি কেকের সংযোগ ঘটিয়েছিল প্রাচীন গ্রিসের মানুষ। তারা তাদের চাঁদের দেবী ‘আর্টেমিস’-কে খুশি করার জন্য গোল চাঁদের মতো দেখতে বিশেষ ধরনের কেক তৈরি করত। খাঁটি মধু আর ময়দা দিয়ে তৈরি এই গোল কেক দেবীর মন্দিরে নৈবেদ্য হিসেবে উৎসর্গ করার মাধ্যমেই কেকের আসল চল শুরু হয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/moon-shaped-cake.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ গ্রিকরাই প্রথম সেই চাঁদের আকৃতির কেকের ওপর জ্বলন্ত মোমবাতি বসানোর রীতি চালু করেছিল। চাঁদের স্নিগ্ধ ও উজ্জ্বল আলোর রূপ ফুটিয়ে তোলাই ছিল কেকের ওপর মোমবাতি জ্বালিয়ে রাখার মূল উদ্দেশ্য। এর পাশাপাশি তাদের দৃঢ় বিশ্বাস ছিল, জ্বলন্ত এই পবিত্র শিখা মানুষের মনের ভক্তি ও সব প্রার্থনা সরাসরি স্বর্গের দেবতাদের কাছে পৌঁছে দেয়। Pexel ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/sparkle.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মোমবাতি ফুঁ দিয়ে নেভানোর পেছনের রহস্যটিও গ্রিকদের তৈরি করা এক চমৎকার বিশ্বাসের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। তাদের ধারণা ছিল, মোমবাতি নেভানোর ঠিক পরমুহূর্তে যে ধোঁয়া সোজা আকাশের দিকে উড়ে যায়, তা মানুষের মনের সুপ্ত ইচ্ছেকে ভগবানের কাছে নিয়ে যায়। এই প্রাচীন ভাবনা থেকেই আজকের দিনে মোমবাতি নেভানোর আগে চোখ বন্ধ করে ‘উইশ’ করার নিয়ম চালু হয়েছে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/many-candle.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অন্যদিকে জার্মানির ‘কিন্ডারফেস্ট’ নামের এক প্রাচীন প্রথা থেকে জন্মদিনের মোমবাতি আরও বেশি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। সেখানে শিশুদের জন্মদিনে বিশেষ ধরনের কেক বা রুটির ঠিক মাঝখানে একটি বড় মোমবাতি সারাদিন জ্বালিয়ে রাখা হত। এই একটি জ্বলন্ত শিখা ছিল মানুষের জীবনের আলো ও সুন্দর ভবিষ্যতের প্রতীক, যা আজ সংখ্যা অনুযায়ী বসানো হয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/whole-family-happy.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ইউরোপের মধ্যযুগে বিশ্বাস করা হত যে, জন্মদিনের দিনে মানুষের ওপর অশুভ আত্মা বা খারাপ শক্তির কড়া নজর থাকে। তাই খারাপ শক্তিকে ভয় দেখিয়ে দূরে রাখার জন্য সারাদিন মোমবাতির আগুন জ্বালিয়ে রাখা হত। পাশাপাশি বন্ধু ও আত্মীয়রা সবাই মিলে খুব চিৎকার-চেঁচামেচি, গান ও আনন্দ করত, যাতে শব্দ শুনে কোনও অশুভ ছায়া কাছে ঘেঁষতে না পারে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/cake-candle.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এককালে শুধু সমাজের রাজা, ধনী বা ক্ষমতাশালী অভিজাত পরিবারের মানুষরাই ঘটা করে নিজেদের জন্মদিনের আনন্দ উদযাপনের সুযোগ পেতেন। সাধারণ মানুষ তখন কেবল সন্তদের দিন পালন করত, কিন্তু সময়ের নিয়মে সমস্ত ভেদাভেদ মুছে গিয়ে আজ তা সবার উৎসবে পরিণত হয়েছে। তাই পরের বার যখন জন্মদিনে মোমবাতি নেভাবেন, মনে রাখবেন আপনি কিন্তু হাজার বছরের পুরনো ঐতিহ্যের সঙ্গেই পা মেলাচ্ছেন। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/which-city-is-the-kachori-capital-of-india-1342365.html</loc><lastmod>2026-08-27T15:26:19+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/plate-kachori.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Plate Kachori ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/round-kachori.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ যেকোনও কড়া ডায়েটের দফা-রফা করতে এক প্লেট গরম, ফোলা খাস্তা কচুরি আর পাশে ঝাল-ঝাল আলুর তরকারির জুড়ি মেলা ভার! পিৎজা-বার্গারের রমরমা জমানাতেও মুচমুচে দেশি কচুরির প্রতি ভোজনরসিকদের এই আজন্ম দুর্বলতা আজও এক ফোঁটাও কমেনি। পকেটসই দামে এমন স্বর্গীয় তৃপ্তি আর রসনাতৃপ্তির ডবল ধমাকা সত্যিই অন্য কোনও খাবারে খুঁজে পাওয়া অসম্ভব! Getty images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/kachori-curry.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কলকাতার অলিগলি থেকে শুরু করে দেশের যে কোনও প্রান্তেই এই মুখরোচক খাবারটি অত্যন্ত সহজলভ্য। কিন্তু আপনি কি জানেন, গোটা ভারতের বুকে এমন একটি বিশেষ শহর রয়েছে যার আসল পরিচয় গড়ে উঠেছে এই খাবারের হাত ধরে? স্বাদের বৈচিত্র্য আর শতাব্দীপ্রাচীন ঐতিহ্যের কারণে সেই শহরটি খাদ্যপ্রেমীদের কাছে পেয়ে গিয়েছে এক বিশেষ মুকুট। Getty images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/round-kachorii.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ উত্তর ভারতে অবস্থিত রাজস্থানের ঐতিহ্যবাহী ভরতপুর শহরকেই দেশজুড়ে একবাক্যে বলা হয় ভারতের &#039;কচুরির রাজধানী&#039;। ভোজনরসিকদের কাছে এই শহরটির প্রতিটি সকাল যেন এক রাজকীয় স্বাদের উৎসব দিয়ে শুরু হয়। Getty images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/black-kachori.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ভোরের আলো ফুটতে না ফুটতেই ভরতপুরের প্রতিটি দোকানে কড়াইয়ে ফুটন্ত তেলের ছ্যাঁকছোঁক শব্দ আর অপূর্ব সুবাস ছড়িয়ে পড়ে। সোনালি রঙের খাস্তা কচুরির গন্ধে নিমেষেই ঘুম ভাঙে গোটা শহরের। কর্মব্যস্ত দিন শুরুর আগেই ধোঁয়া ওঠা গরম খাবারের স্বাদ নিতে ভোর থেকেই দোকানগুলিতে উপচে পড়ে সাধারণ মানুষের ভিড়। Getty images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/full-plate-kachori.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ভরতপুরে সকালের জলখাবার মানেই এক প্লেট গরম হিঙের কচুরি আর সঙ্গে মাটির ভাঁড়ের এক কাপ খাঁটি আদা চা। সাধারণ অফিসযাত্রী থেকে শুরু করে দূরদূরান্তের পর্যটক, সবার সকালের এনার্জি লুকিয়ে থাকে এই সাধারণ অথচ রাজকীয় থালিতে। কচুরির সঙ্গে পরিবেশন করা বিশেষ মশলাদার আলু ও জিলিপির যুগলবন্দি এখানকার সকালের স্বাদকে আরও অনন্য করে তোলে। Getty images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/special-kachori.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এই শহরের বাসিন্দাদের কাছে কচুরি খাওয়ার জন্য আলাদা কোনও ছুটির দিন বা বিশেষ উৎসবের একেবারেই প্রয়োজন পড়ে না। প্রতিদিনের ডায়েটে নিয়ম করে কচুরি খাওয়া এখানকার মানুষের রক্তে মিশে থাকা এক আজন্ম ভালোবাসা ও চিরন্তন অভ্যাস। স্থানীয় মানুষের এই ভালোবাসাই ভরতপুর শহরটিকে এনে দিয়েছে দেশের বুকে এই অনন্য গৌরবের খেতাব। Getty images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/plate-kachori.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ভরতপুরের কচুরির আসল রহস্য লুকিয়ে রয়েছে এখানকার বিশেষ রন্ধনশৈলী এবং বংশপরম্পরায় চলে আসা খাঁটি মশলার অনুশাসনে। অন্যান্য জায়গার তুলনায় এখানকার খাস্তা পুর, মসুর ডালের মিশ্রণ এবং মুচমুচে আবরণের টেক্সচার সম্পূর্ণ আলাদা। এক কামড় দিলেই মুখে যে স্বর্গীয় স্বাদ অনুভূত হয়, তার টানে বারবার ছুটে আসেন ভারতের নানা প্রান্তের ভোজনরসিকরা। Getty images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/hing-kachori.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ঐতিহাসিক কেল্লা কিংবা পক্ষী অভয়ারণ্য দেখার পাশাপাশি ভরতপুরের এই বিখ্যাত পদের স্বাদ না নিলে রাজস্থান সফর একেবারেই অসম্পূর্ণ থেকে যায়। আতিথেয়তা আর ঐতিহ্যের স্বাদ একসঙ্গে উপভোগ করতে এই শহরে পা রাখা সত্যিই এক দারুণ অভিজ্ঞতা। তাই পরের বার রাজস্থান ভ্রমণের তালিকায় ভরতপুর থাকলে এখানকার ঐতিহ্যবাহী কচুরির স্বাদ নিতে কিন্তু একদম ভুলবেন না! Getty images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/how-to-speed-up-slow-smartphone-simple-tricks-to-boost-android-phone-performance-1342290.html</loc><lastmod>2026-08-27T12:09:31+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/data-loading-problem.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Data Loading Problem ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/data-loading-problem.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পুরনো স্মার্টফোন একটানা দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে তার গতি কমে যাওয়া কিংবা মাঝেমধ্যে হ্যাং হওয়া অত্যন্ত সাধারণ একটি বিষয়। ডিভাইসে অজস্র অ্যাপ, জমা হওয়া ফাইল এবং ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকা নানা প্রক্রিয়ার কারণে প্রসেসরের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়। তবে নতুন হ্যান্ডসেট কেনার আগে কয়েকটি সহজ কৌশল কাজে লাগালে পুরনো ফোনের কর্মক্ষমতা অনেকটাই আগের মতো ফিরিয়ে আনা সম্ভব। Pexel ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/black-sad-problem.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ফোনে এমন বহু অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করা থাকে যা মাসের পর মাস কোনও কাজেই লাগে না। এই ধরনের অপ্রয়োজনীয় ভারী অ্যাপ বা গেম ব্যাকগ্রাউন্ডে গোপনে সক্রিয় থেকে ফোনের র‍্যাম ও ব্যাটারির অপচয় ঘটায়। তাই ডিভাইসের ওপর থেকে বাড়তি চাপ কমাতে অবিলম্বে অব্যবহৃত অ্যাপগুলি চিহ্নিত করে সম্পূর্ণভাবে মুছে ফেলা উচিত। Pexel ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/white-phone-search-problem.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ফোনের অভ্যন্তরীণ মেমোরি বা ইন্টারনাল স্টোরেজ প্রায় সম্পূর্ণ ভরে গেলে অপারেটিং সিস্টেমের স্বাভাবিক কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। এর ফলে ছবি, ভিডিয়ো, ডাউনলোড করা ভারী ফাইল বা অপ্রয়োজনীয় নথি মুছে ফোন মেমোরিতে পর্যাপ্ত জায়গা খালি রাখা প্রয়োজন। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ক্লাউড স্টোরেজ অথবা মেমোরি কার্ডে ব্যাকআপ হিসেবে সরিয়ে রাখলে ফোন অনেক হালকা থাকে। Pexel ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/black-phone.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ প্রতিটি অ্যাপ্লিকেশন নিয়মিত ব্যবহারের ফলে ডিভাইসের অভ্যন্তরে প্রচুর অস্থায়ী ডেটা বা ক্যাশ ফাইল জমা হতে শুরু করে। সেটিংসে গিয়ে নির্দিষ্ট অ্যাপের ক্যাশ পরিষ্কার করলে ফোনের ইন্টারনাল মেমোরি খালি হয় এবং প্রক্রিয়াকরণের গতি দৃশ্যমানভাবে বৃদ্ধি পায়। তবে অ্যাপ্লিকেশন ক্লিয়ার ডেটা করার সময় সতর্ক থাকা উচিত, কারণ এতে লগইন তথ্য মুছে যেতে পারে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/three-slow.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ডিসপ্লেতে চলমান লাইভ ওয়ালপেপার, অতিরিক্ত উইজেট এবং আকর্ষণীয় অ্যানিমেশন পুরনো প্রসেসরের ওপর প্রচণ্ড কাজের চাপ সৃষ্টি করে। ফোনের ডিসপ্লে সাধারণ রাখা এবং ডেভেলপার অপশন থেকে ট্রানজিশন অ্যানিমেশন স্কেল কমিয়ে দিলে হ্যান্ডসেট তাৎক্ষণিকভাবে দ্রুত কাজ করা শুরু করে। এক সঙ্গে একাধিক ভারী কাজ না করে অব্যবহৃত ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ্লিকেশন বন্ধ রাখাও জরুরি। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/insta-happy.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ স্মার্টফোনের অপারেটিং সিস্টেম ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় অ্যাপ্লিকেশনের লেটেস্ট সফটওয়্যার আপডেট রয়েছে কি না তা নিয়মিত পরীক্ষা করা জরুরি। প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি প্রায়ই সফটওয়্যার আপডেটের মাধ্যমে ফোনের পুরনো বাগ ও সিস্টেমের পারফরম্যান্সের দুর্বলতা ঠিক করে দেয়। প্রতি সপ্তাহে অন্তত এক বা দু’বার ফোন রিস্টার্ট করলে ডিভাইসের মেমোরি রিফ্রেশ হয়ে যায়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/yellow-happy.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সব ক’টি উপায় প্রয়োগ করার পরেও যদি ফোনের কার্যক্ষমতা আশানুরূপ না হয়, তবে ফ্যাক্টরি ডেটা রিসেট করতে পারেন। এটি ফোনকে একদম প্রাথমিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনে এবং সমস্ত ত্রুটিপূর্ণ ফাইল এক লহমায় স্থায়ীভাবে মুছে দেয়। তবে এই পদক্ষেপ নেওয়ার আগে ডিভাইসের সমস্ত দরকারি তথ্যের পূর্ণাঙ্গ ব্যাকআপ সংগ্রহ করে রাখা আবশ্যক। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/lagging-smart-phone.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেক সময় দীর্ঘদিনের পুরনো ব্যাটারির স্বাস্থ্য দুর্বল হয়ে পড়লেও স্মার্টফোনের পারফরম্যান্স উল্লেখযোগ্যভাবে ধীর হয়ে যেতে শুরু করে। সিস্টেমের যাবতীয় কৌশল কাজে লাগানোর পরেও সমস্যা না মিটলে সার্ভিস সেন্টারে গিয়ে হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করানোই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। সঠিক সময় ব্যাটারি বদল বা অভ্যন্তরীণ মেরামতির মাধ্যমেই পুরনো হ্যান্ডসেট আবারও দীর্ঘদিন মসৃণভাবে সচল রাখা যায়। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/lifestyle/white-vinegar-towel-hack-easy-way-to-soften-stiff-towels-and-remove-bad-smell-1341739.html</loc><lastmod>2026-08-24T13:40:36+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/roll-towel.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Roll Towel ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/roll-towel.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ স্নান সেরে নরম তোয়ালে দিয়ে গা মুছতে কার না ভালো লাগে! কিন্তু কয়েকবার কাচার পরেই দেখা যায় তোয়ালে একদম খসখসে ও শক্ত হয়ে গিয়েছে এবং এক অদ্ভুত ভ্যাপসা গন্ধ ছাড়ছে। এই সমস্যার সহজ সমাধান হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন সাধারণ সাদা ভিনিগার। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/box-fold-towel.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বারবার ডিটারজেন্ট দিয়ে কাচার ফলে তোয়ালের সুতোর খাঁজে সাবান ও জলের খনিজ জমে যায়, যার কারণে তোয়ালে খসখসে লাগে। সাদা ভিনিগারে থাকা প্রাকৃতিক উপাদান সেই জমে থাকা পুরনো সাবানের আস্তরণ ধুয়ে পরিষ্কার করে দেয়। ফলে তোয়ালে শুধু নরমই হয় না, আগের মতো দারুণভাবে জলও শুষে নিতে পারে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/fold-towel.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তোয়ালে কাচার একদম শুরুতে ডিটারজেন্টের সঙ্গে ভিনিগার মেশানোর প্রয়োজন নেই। সবচেয়ে ভালোভাবে ব্যবহার করতে চাইলে ওয়াশিং মেশিনের সফটনারের জায়গায়, অর্থাৎ কাপড় শেষবার জল দিয়ে ধোওয়ার সময় ভিনিগার ব্যবহার করতে পারেন। এতে কাপড়ে জমে থাকা ডিটারজেন্টের অবশিষ্টাংশ দূর করতে সাহায্য করতে পারে এবং ভ্যাপসা গন্ধও কমতে পারে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/cotton-towel.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এই সহজ ঘরোয়া টোটকাটি রোজ রোজ বা প্রতিবার কাপড় কাচার সময় ব্যবহার করার কোনও প্রয়োজন নেই। মাসে মাত্র একবার সঠিক নিয়মে ভিনিগার দিয়ে তোয়ালে ধুয়ে নিলেই দারুণ কাজ দেয়। এর ফলে তোয়ালের সুতো অনেকদিন ভালো থাকে এবং স্যাঁতসেঁতে গন্ধের হাত থেকেও পুরোপুরি মুক্তি মেলে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/rack-towel.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সাদা তোয়ালে পরিষ্কার রাখতে অনেকে ব্লিচ ব্যবহার করেন, তবে ব্লিচের সঙ্গে ভুলেও ভিনিগার মেশাবেন না। এই দুটো জিনিস একসঙ্গে মিশে গেলে ক্ষতিকর বিষাক্ত গ্যাস তৈরি হতে পারে, যা শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। তাই যে বার ব্লিচ দিয়ে কাপড় কাচবেন, সে বার ভিনিগার দেওয়া একদম বন্ধ রাখুন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/hand-towel.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ঘর পরিষ্কারের জন্য ভিনিগার আর বেকিং সোডা দারুণ হলেও কাপড় কাচার সময় দুটো একসঙ্গে মেশানো উচিত নয়। একসঙ্গে দিলে তাদের নিজস্ব গুণ নষ্ট হয়ে যায় এবং তোয়ালে ঠিকমতো পরিষ্কার হয় না। দুর্গন্ধ বেশি থাকলে আগে বেকিং সোডা দিয়ে কাচুন, আর সবশেষে জল দিয়ে ধোওয়ার সময় ভিনিগার ব্যবহার করুন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/four-towel.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ যেসব তোয়ালে বা কাপড়ের মধ্যে ইলাস্টিক লাগানো থাকে, সেগুলোতে বারবার ভিনিগার দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। অ্যাসিডের নিয়মিত সংস্পর্শ পেলে ইলাস্টিক ধীরে ধীরে ঢিলে হয়ে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই কোনও বিশেষ তোয়ালে ধোওয়ার আগে কাপড়ের ট্যাগ বা ওয়াশ কেয়ার লেবেল ভালো করে দেখে নেওয়া দরকার। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/towel.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ দামি রাসায়নিক পণ্য ব্যবহার না করেও সামান্য সাদা ভিনিগারের সাহায্যে তোয়ালেকে রাখা যায় একদম নতুনের মতো। এটি কাপড় নরম করার পাশাপাশি ভেজা ভ্যাপসা গন্ধও পুরোপুরি দূর করে দেয়। সহজ এই ঘরোয়া যত্নে প্রতিদিন স্নানের পর ফিরে পান একদম নরম ও আরামদায়ক অনুভূতি। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/who-tied-the-first-rakhi-the-fascinating-history-and-legends-behind-raksha-bandhan-1341654.html</loc><lastmod>2026-08-24T14:12:51+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/red-dress-rakhi.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Red Dress Rakhi ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/red-dress-rakhi.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ভাই-বোনের মিষ্টি সম্পর্ক আর ভালোবাসার এক উৎসব হল রাখিবন্ধন। এই দিনে দিদি বা বোনেরা ভাইয়ের হাতে পবিত্র সুতো বেঁধে দেয় আর ভাইয়েরাও সারাজীবন পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেয়। তবে মনে কখনও প্রশ্ন জেগেছে কি, ঠিক কীভাবে শুরু হয়েছিল এই রাখি বাঁধার চল আর কেই বা প্রথম বেঁধেছিলেন এই সুরক্ষাসূত্র? Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/rakhi-cotton.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ভবিষ্য পুরাণের একটি প্রচলিত কাহিনি অনুযায়ী রাখির প্রথম সূচনা কিন্তু কোনও ভাই-বোনের মধ্যে হয়নি। অসুরদের সঙ্গে যুদ্ধে দেবরাজ ইন্দ্র যখন বিপদে পড়ছিলেন, তখন তাঁর সুরক্ষার জন্য স্ত্রী শচী দেবী এগিয়ে আসেন। তিনি মন্ত্র পড়ে একটি লাল সুতো ইন্দ্রের ডান কবজিতে বেঁধে দেন। কাহিনি অনুযায়ী, এরপর যুদ্ধে জয়লাভ করেন ইন্দ্র। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/hanging-rakhi.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আরেকটি খুব সুন্দর পৌরাণিক কাহিনি রয়েছে দেবী লক্ষ্মী আর অসুররাজ বলিকে নিয়ে। বিষ্ণু যখন পাতালপুরীতে বলির পাহারা দিতে গিয়ে বৈকুণ্ঠে আর ফিরছিলেন না, তখন লক্ষ্মী এক ছদ্মবেশ ধরেন। তিনি সাধারণ নারীর বেশে পাতালে গিয়ে বলির হাতে সুতো বেঁধে তাঁকে নিজের ভাই বানিয়ে নেন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/red-back-rakhi.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বোনকে উপহার দেওয়ার কথা বলতেই দেবী লক্ষ্মী তাঁর আসল পরিচয় জানান এবং শ্রীবিষ্ণুকে বৈকুণ্ঠে ফিরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেন। পৌরাণিক কাহিনি অনুযায়ী, পাতালরাজ বলিও রাখির মর্যাদা রাখতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করেননি। তিনি তৎক্ষণাৎ বিষ্ণুকে মুক্তি দিয়ে তাঁর বোনের সঙ্গে স্বর্গে পাঠিয়ে দেন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/rakhii.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সবচেয়ে জনপ্রিয় কাহিনিটি হল শ্রীকৃষ্ণ আর দ্রৌপদীর গভীর স্নেহের সম্পর্ক। একবার কৃষ্ণের আঙুল কেটে রক্ত পড়তে দেখে দ্রৌপদী এক মুহূর্তও না ভেবে নিজের নতুন শাড়ির আঁচল ছিঁড়ে কৃষ্ণের আঙুলে বেঁধে দিয়েছিলেন। প্রচলিত কাহিনি অনুযায়ী, পরবর্তীকালে ভরা রাজসভায় দ্রৌপদীর সম্মান রক্ষা করেছিলেন শ্রীকৃষ্ণ। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/rakhi-pradeep.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি জনপ্রিয় কাহিনিতেও রাখির উল্লেখ পাওয়া যায়। মেওয়ারের রানি কর্ণাবতী বিপদে পড়ে মুঘল সম্রাট হুমায়ুনের কাছে সাহায্যের আর্জি জানিয়ে একটি রাখি পাঠিয়েছিলেন বলে প্রচলিত রয়েছে। সেই কাহিনি অনুযায়ী, হুমায়ুনও রাখির মর্যাদা দিয়ে হিন্দু রানির ডাকে নিজের সেনাবাহিনী নিয়ে মেওয়ার বাঁচাতে রওনা দিয়েছিলেন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/flower-rakhi.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আরেকটি পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী যমরাজ আর তাঁর বোন যমুনার সম্পর্ক থেকেও রাখির শুরু। যমুনা ভালোবেসে ভাই যমরাজের কপালে তিলক পরিয়ে হাতে বেঁধে দিয়েছিলেন পবিত্র সুতো। বোনের এই ভালোবাসায় মুগ্ধ হয়ে যমরাজ বর দেন, যে ভাই বোনের থেকে এমন রাখি পরবে সে দীর্ঘায়ু লাভ করবে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/dev-rakhi.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আসলে কে প্রথম রাখি বেঁধেছিলেন, তার কোনও নির্দিষ্ট একটি উত্তর কিন্তু ইতিহাসে নেই। বিভিন্ন পৌরাণিক গল্প, লোকবিশ্বাস আর ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা কাহিনি থেকে জানা যায় এই উৎসবের মূল কথা একটাই। তা হল একে অপরের বিপদে পাশে দাঁড়ানো এবং নিঃস্বার্থ ভালোবাসা দিয়ে সম্পর্ককে আগলে রাখা। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/how-to-store-ginger-garlic-paste-fresh-for-months-easy-kitchen-hack-1341508.html</loc><lastmod>2026-08-23T15:56:36+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/ginger-garlic-sheel.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Ginger Garlic Sheel ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/above-towel-jar.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ভারতীয় রান্নায় আদা-রসুন বাটা ছাড়া সুস্বাদু পদ ভাবাই যায় না, অথচ প্রতিদিন রান্নার আগে খোসা ছাড়িয়ে বাটা বেশ সময়সাপেক্ষ। একসঙ্গে অনেকখানি বেটে রাখলে কিছু দিনের মধ্যেই তা কালচে হয়ে গন্ধ নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। সঠিক উপায়ে সংরক্ষণ করলে এই সমস্যা যেমন দূর হয়, তেমনই রান্নাও হয় অনেক বেশি সহজ ও দ্রুত। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/ginger-paste.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আদা-রসুন বাটা বেশি দিন টাটকা রাখতে জলের বদলে তিনটি সহজ ঘরোয়া উপাদান ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি। ২০০ গ্রাম আদা এবং ২০০ গ্রাম রসুনের জন্য প্রয়োজন হবে ৩ থেকে ৪ টেবিল চামচ সর্ষের তেল, আধ চা-চামচ হলুদ গুঁড়ো এবং ১ চা-চামচ নুন। এই উপকরণগুলি পেস্ট সংরক্ষণে সাহায্য করে এবং দীর্ঘদিন ভালো রাখতে সহায়ক। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/garlic-paste.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ প্রথমে আদা ও রসুনের খোসা পরিষ্কার করে ছাড়িয়ে নিয়ে ভাল করে জলে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে। ধোয়ার পর কোনও সুতির কাপড়ের উপর মেলে দিয়ে সম্পূর্ণ জল শুকিয়ে নেওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। সামান্য আর্দ্রতা বা জলীয় ভাব থেকে গেলে ছত্রাকের কারণে পেস্ট দ্রুত পচে যেতে বা কালচে হয়ে যেতে পারে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/spoon-ginger-garlic.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শুকনো আদা ও রসুন ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিয়ে মিক্সার গ্রাইন্ডারের জারে একসঙ্গে দিতে হবে। প্রথমে কোনও জল না দিয়ে শুকনো অবস্থাতেই এক বার মিক্সার ঘুরিয়ে আধ-বাটা করে নেওয়া দরকার। এর ফলে মিশ্রণটি সমানভাবে চূর্ণ হয় এবং সহজেই মসৃণ পেস্ট তৈরি করা যায়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/short-jar.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এবার আধ-বাটা মিশ্রণে নির্দিষ্ট পরিমাণ সর্ষের তেল, নুন ও হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে ফের ভাল করে ব্লেন্ড করে নিন। পেস্ট পুরোপুরি মিহি ও মসৃণ না হওয়া পর্যন্ত মিক্সার ঘোরান, প্রয়োজন হলে আরও এক চামচ সর্ষের তেল যোগ করা যেতে পারে। তেল ও নুন পেস্টটিকে দীর্ঘদিন সংরক্ষণে সাহায্য করে এবং এর স্বাদ ও গন্ধ বজায় রাখতে সহায়ক। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/in-jar-ginger-garlic.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পেস্ট তৈরি হয়ে গেলে তা পরিষ্কার, শুকনো এবং বায়ুরোধী কাচের পাত্রে ভরে সংরক্ষণ করতে হবে। পাত্রের ভিতরে যেন কোনও ভাবেই এক ফোঁটা জল বা আর্দ্রতা না থাকে, সে দিকে কড়া নজর রাখা প্রয়োজন। কাচের বয়াম ব্যবহার করে ফ্রিজে রাখলে পেস্টের স্বাদ ও গন্ধ ভালোভাবে বজায় রাখা যায়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/slice-ginger-garlic.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বয়ামে পেস্ট ভরার পর উপর থেকে আরও আধ চামচ সর্ষের তেল ঢেলে দিলে বাতাসের সরাসরি সংস্পর্শ কিছুটা কমে। ফ্রিজ থেকে বের করে ব্যবহারের সময়ে সব সময় সম্পূর্ণ পরিষ্কার ও শুকনো চামচ ব্যবহার করা আবশ্যক। সামান্য ভেজা চামচ পাত্রে দিলে ভিতরে ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাস জন্ম নিয়ে পুরো পেস্ট দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/ginger-garlic-sheel.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ দীর্ঘদিন বাটা মসলা সংরক্ষণ করতে চাইলে আইস কিউব ট্রে ব্যবহার করা একটি কার্যকর বিকল্প। পেস্ট ছোট ছোট কিউবের আকারে বরফের ট্রেতে জমিয়ে জিপলক পাউচে ভরে ডিপ ফ্রিজে রেখে দিলে দীর্ঘদিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। রান্নার প্রয়োজন অনুযায়ী ঠিক একটি বা দুটি কিউব সরাসরি কড়াইতে দিয়ে রান্না করে নিতে পারবেন। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/what-is-payesh-called-in-english-the-fascinating-story-of-its-global-name-1341481.html</loc><lastmod>2026-08-23T14:20:04+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/payesh.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Payesh ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/green-pot-payesh.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বাঙালির যে কোনও শুভ দিনে এক বাটি পায়েস মন ভরিয়ে দেয়। জন্মদিন, অন্নপ্রাশন কিংবা উৎসব, যে কোনও আনন্দের মুহূর্তেই এই মিষ্টি পদটির কদর রয়েছে। তবে রসনাতৃপ্তির পাশাপাশি কখনও কি ভেবে দেখেছেন, আমাদের প্রিয় পায়েসকে ইংরেজিতে ঠিক কী নামে ডাকা হয়? Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/payesh.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ গোবিন্দভোগ চাল, দুধ আর চিনি বা গুড় দিয়ে তৈরি এই চেনা পদটির ইংরেজি নাম জানতে গেলে অনেকেই হয়তো একটু ভাবনায় পড়ে যাবেন। কারণ পায়েসের জন্য ব্যবহৃত ইংরেজি শব্দটি সরাসরি কোনও একক অনুবাদ নয়। খাবারটির ধরন বোঝাতে ইংরেজিতে একটি বেশ পরিচিত শব্দবন্ধ ব্যবহার করা হয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/almond-payesh.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ইংরেজিতে পায়েসকে সাধারণত ‘Rice Pudding’ বলা হয়। চাল ও দুধ দিয়ে তৈরি মিষ্টি পদ হিসেবে পায়েসের সঙ্গে এই নামের যথেষ্ট মিল রয়েছে। তবে মনে রাখতে হবে, ‘Rice Pudding’ পায়েসের কোনও সরকারি বা একমাত্র ইংরেজি নাম নয়, বরং খাবারটির ধরন বোঝানোর একটি প্রচলিত ইংরেজি শব্দবন্ধ। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/kheer.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ‘Rice Pudding’ নামটি শুনলেই আসলে বোঝা যায় খাবারটি কী ধরনের। ‘Rice’ অর্থাৎ চাল এবং ‘Pudding’ বলতে সাধারণত নরম, মিষ্টি ধরনের একটি ডেজার্ট বোঝানো হয়। তাই দুধে চাল রান্না করে তৈরি পায়েসকে ইংরেজিতে সহজে বোঝাতে ‘Rice Pudding’ বলা হয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/white-payesh.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তবে পায়েস আর বিশ্বের অন্যান্য Rice Pudding একেবারে একই রেসিপির খাবার নয়। কোথাও এতে চিনি, কোথাও গুড়, আবার কোথাও এলাচ, কিশমিশ, কাজু বা অন্য উপকরণ ব্যবহার করা হয়। তাই ইংরেজিতে বোঝানোর সময় ‘Rice Pudding’ বলা হলেও বাঙালির পায়েসের নিজস্ব স্বাদ ও ঐতিহ্য আলাদা। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/kheer-dessert.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আমাদের বাংলায় যা পায়েস, উত্তর ভারতের অনেক জায়গায় তা ক্ষীর (Kheer) এবং দক্ষিণ ভারতে পায়সম (Payasam) নামে পরিচিত। উপকরণ ও রান্নার পদ্ধতিতে কিছুটা পার্থক্য থাকলেও দুধ, চাল বা অন্য শস্য এবং মিষ্টির ব্যবহারে বেশ কিছু মিল রয়েছে। ইংরেজিতে এগুলিকে রেসিপি অনুযায়ী Rice Pudding বা মূল নামেই উল্লেখ করা হয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/soil-pot-dessert.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বিদেশে ভারতীয় খাবারের পরিচিতি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে Payesh নামটিও ব্যবহার করা হয়, বিশেষ করে বাঙালি খাবারের প্রসঙ্গে। তবে কেউ যদি পায়েস কী ধরনের খাবার তা ইংরেজিতে সহজ করে বোঝাতে চান, ‘Rice Pudding’ বলা সবচেয়ে সহজ উপায়। অর্থাৎ এটি মূলত খাবারটির একটি English description, সরাসরি নামের অনুবাদ নয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/wine-glass-payes.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তাই এবার থেকে উৎসবের দিনে প্রিয় পায়েসের বাটি হাতে নিলে এই তথ্যটি মনে রাখতে পারেন। ইংরেজিতে পায়েসকে সাধারণত ‘Rice Pudding’ বলা হয়, যদিও এটিকে পায়েসের একমাত্র বা সরকারি ইংরেজি নাম বলা ঠিক নয়। বন্ধুদের আড্ডায় এই ছোট্ট তথ্যটি শেয়ার করে চমকেও দিতে পারেন। স্বাদের সঙ্গে একটু নতুন তথ্য, মন্দ কী! Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/what-happens-if-you-consume-rotten-eggs-how-to-identify-good-egg-rotten-egg-1341219.html</loc><lastmod>2026-08-22T10:59:58+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/eggs-8.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Eggs 8 ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/eggs-.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ডিম খেতে অনেকেই ভালোবসেন। দিনে দুটো-তিনটে ডিম চাই-ই চাই। ভালো প্রোটিনের উৎস ডিম। তবে ডিম যে সবসময় ভালো হয়, তা নয়। অনেক সময় পচা ডিমও বিক্রি হয় বাজারে। ছবি: Pexels ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/eggs-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ খালি চোখে দেখে বোঝার উপায় থাকে না, ভালো ডিম কোনটা, আর বাজে বা পচা ডিম কোনটা। জানেন, পচা ডিম খেলে শরীরে কী হয়?  ছবি: Pexels ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/eggs-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পচা ডিমে সালমোনেলার মতো ব্যাকটেরিয়া বাসা বাঁধতে পারে। এর ফলে খাবারে বিষক্রিয়া পর্যন্ত হতে পারে।   ছবি: Pexels ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/eggs-3.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ যদি কেউ পচা ডিম খেয়ে ফেলেন, তবে প্রাথমিক প্রতিক্রিয়াতেই বমি, ডায়ারিয়া, পেটে ব্যথা এবং জ্বরের মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।  ছবি: Pexels ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/eggs-5.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পচা ডিম খেলে পেটে গ্যাস , পেট ফাঁপা, ভারী ভাব অনুভব হতে পারে। অন্ত্রে প্রদাহও হতে পারে।   ছবি: Pexels ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/eggs-4.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ডিমে এমন কিছু ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে, যার কারণে শরীরে নানা সংক্রমণ হতে পারে।  ছবি: Pexels ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/eggs-6.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কীভাবে ভালো ডিম-পচা ডিম বুঝবেন? ডিম ভালো নাকি খারাপ, তা বোঝার সবথেকে সহজ উপায় হল, কোনও ডিমকে জলে রাখলে যদি সেটি ডুবে যায়, তাহলে সেটি তাজা বা ভালো ডিম।   ছবি: Pexels ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/eggs-7.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ যদি ডিম জলে ডুবে যায়, তাহলে সেটি পচা ডিম হতে পারে। যদি কোনও ডিম ফাটানোর পর তার গন্ধ বা রঙ অস্বাভাবিক হয়, তবে সেই ডিম না খাওয়াই উচিত।   ছবি: Pexels ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/eggs-10.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ যদি কেউ প্যাকেটজাত ডিম কেনেন, তবে প্যাকেজিংয়ের তারিখ ও সংরক্ষণের নিয়ম ভালোভাবে পড়ে নেওয়া উচিত।   ছবি: Pexels ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/how-to-check-purity-of-rasgulla-at-home-easy-tips-to-spot-adulterated-sweets-1341073.html</loc><lastmod>2026-08-21T14:23:10+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/haddi-rassgulla-1.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Haddi Rassgulla ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/rosogolla-in-plate.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ উৎসবের মরসুমে মিষ্টির চাহিদা বাড়তেই বাজারে সক্রিয় হয়ে ওঠে অসাধু চক্র। সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের সম্ভলে প্রায় ৪৫০০ কেজি ভেজাল রসগোল্লা বাজেয়াপ্ত হওয়ার ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। তাই দোকান থেকে কেনা মিষ্টি খাওয়ার আগে তার বিশুদ্ধতা যাচাই করে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/haddi-rassgulla-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ রসগোল্লার খাঁটি ভাব বোঝার সবচেয়ে প্রাথমিক এবং সহজ উপায় হল স্পঞ্জ টেস্ট। রসগোল্লাটি হাত দিয়ে আলতো চেপে সম্পূর্ণ রস বের করে পাত্রে রেখে দিন। যদি মিষ্টিটি কিছুক্ষণ পর নিজে থেকেই আগের গোল আকারে ফিরে আসে, তবে তা আসল; কিন্তু চুপসে বা ভেঙে গেলে তা ভেজাল। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/palace-rasgulla-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মিষ্টির বাহ্যিক রং দেখেও আসল ও নকলের ফারাক বোঝা সম্ভব। খাঁটি ছানার তৈরি রসগোল্লার রং সাধারণত হালকা দুধ-সাদা বা মৃদু ক্রিম রঙের হয়ে থাকে। অতিরিক্ত কৃত্রিম চকচকে সাদা কিংবা অস্বাভাবিক হলদেটে ভাব থাকলে বুঝতে হবে তাতে কেমিক্যাল বা ব্লিচিং উপাদান মেশানো হয়েছে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/kesar-rassgulla-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ রসগোল্লায় স্টার্চ বা ময়দার ভেজাল ধরতে সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হল আয়োডিন টেস্ট। মিষ্টির কিছুটা অংশ জলে ফুটিয়ে নিয়ে তাতে কয়েক ফোঁটা আয়োডিন দ্রবণ মেশান। রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে যদি জলের রং বদলে গাঢ় নীল বা কালচে হয়, তবে নিশ্চিত থাকুন তাতে স্টার্চ বা ভেজাল রয়েছে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/six-rasagulla-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ জলের পরীক্ষার মাধ্যমেও খুব সহজে ভেজাল মিষ্টি চিহ্নিত করা যায়। একটি কাচের গ্লাসে পরিষ্কার জল নিয়ে তাতে রসগোল্লার টুকরো ফেলে দিন। খাঁটি মিষ্টি জলে ধীরে ভাসবে ও শক্ত থাকবে, কিন্তু ভেজাল রসগোল্লা জলে পড়লেই দ্রুত ভেঙে চারদিকে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করবে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/five-rassgulla-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মিষ্টির টেক্সচার বা স্পর্শ পরীক্ষা করেও এর সত্যতা যাচাই করা সম্ভব। খাঁটি রসগোল্লার বাইরের স্তর হালকা ও স্বাভাবিক হলেও, কৃত্রিম উপাদানে তৈরি ভেজাল মিষ্টির উপরিতল অতিরিক্ত আঠালো হয়। নকল মিষ্টিতে ঘন চিনির প্রলেপ ও কৃত্রিম সিরাপের কারণে হাতে ধরলেই আঙুল চটচট করে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/two-rassagulla-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ঘ্রাণ ও স্বাদের সূক্ষ্ম পার্থক্য লক্ষ্য করলেই নকল মিষ্টি ধরা পড়ে যায়। আসল রসগোল্লা থেকে তাজা দুধ ও এলাচের মিষ্টি সুবাস এবং পাতলা রসের স্বচ্ছ স্বাদ পাওয়া যায়। রসগোল্লা মুখে দিয়ে যদি অতিরিক্ত রাসায়নিক ঝাঁজ বা অস্বস্তিকর কৃত্রিম গন্ধ মেলে, তবে তা একেবারেই নকল। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/plain-rasagulla-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অতিরিক্ত ভেজাল মিষ্টি পেটের মারাত্মক ক্ষতি ও নানাবিধ সংক্রমণের কারণ হতে পারে। তাই উৎসবের কেনাকাটায় নামী ও বিশ্বাসযোগ্য দোকান থেকেই ছানার মিষ্টি কেনা উচিত। খাবার আগে এই সাধারণ পরীক্ষাগুলো মেনে চললে স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়িয়ে মনের আনন্দে উপভোগ করুন সাধের রসগোল্লা। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/how-to-clean-dirty-plastic-chairs-easy-home-hacks-to-make-them-shine-like-new-1341022.html</loc><lastmod>2026-08-21T11:30:24+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/dirty-chair.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Dirty Chair ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/dirty-chair.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বারান্দা বা ছাদের সাধের প্লাস্টিকের চেয়ারগুলো কি রোদে-জলে পড়ে থেকে একদম হলদেটে আর ম্যাড়মেড়ে হয়ে গিয়েছে? একঝলক দেখলেই মনে হয় কত পুরনো, তাই না? নতুন চেয়ার কেনার কথা ভাবার আগে একটু থামুন। রান্নাঘরের মাত্র কয়েকটি সাধারণ জিনিস দিয়েই কিন্তু এগুলো অনেকটাই পরিষ্কার করে নেওয়া সম্ভব! Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/very-dirty-chair.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ চেয়ারের কোণে জমে থাকা কালচে আর জেদি দাগ কিছুতেই উঠছে না? আপনার মুশকিল আসান করতে পারে বেকিং সোডা! জলের সঙ্গে বেকিং সোডা মিশিয়ে একটা ঘন পেস্ট তৈরি করে দাগের ওপর লাগিয়ে কয়েক মিনিট রেখে দিন। তারপর নরম স্পঞ্জ দিয়ে আলতো করে ঘষে ধুয়ে ফেললেই দাগ অনেকটাই হালকা হয়ে যেতে পারে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/within-leaf-chair.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সাদা প্লাস্টিকের চেয়ারে পড়া বিশ্রী হলদে ছোপ দূর করতে পাতিলেবু আর নুনের টোটকা ট্রাই করেছেন কখনও? অর্ধেকটা পাতিলেবুতে সামান্য নুন লাগিয়ে চেয়ারের হলদেটে অংশে আলতো করে ঘষে নিন। কিছুক্ষণ পর জল দিয়ে ধুয়ে ছায়ায় শুকোতে দিন। তবে পুরো চেয়ারে ব্যবহারের আগে ছোট কোনও অংশে এই পদ্ধতিটি পরীক্ষা করে নিন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/clean-chair.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ চেয়ারে কি শুধুই রোজকার ধুলোবালি আর তেলচিটে ময়লার আস্তরণ পড়েছে? এর জন্য আলাদা ঝক্কির প্রয়োজন নেই। সামান্য হালকা গরম জলে পছন্দের ডিটারজেন্ট গুলে নিন। নরম সুতির কাপড় বা স্পঞ্জ সেই সাবান জলে ভিজিয়ে পুরো চেয়ার মুছে নিলেই ধুলো-ময়লা অনেকটাই সাফ হয়ে যাবে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/throw-chair.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তাড়াতাড়ি পরিষ্কার করতে গিয়ে শক্ত তারের জালি বা ঘষুনি ব্যবহারের ভুলটি করছেন না তো? এতে প্লাস্টিকের মসৃণ ভাব নষ্ট হয়ে সূক্ষ্ম আঁচড় তৈরি হতে পারে, যার মধ্যে পরবর্তীকালে আরও সহজে ময়লা জমতে পারে। তাই সবসময় নরম স্পঞ্জ, সুতির কাপড় বা সফট ব্রাশ ব্যবহার করাই বুদ্ধিমানের কাজ। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/dining-chair.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পরিষ্কার করার পর চেয়ার কিন্তু ভেজা অবস্থায় ফেলে রাখবেন না। শুকনো কাপড় দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে মুছে ফেলা ভালো। এছাড়া কড়া রোদ আর টানা বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচাতে ব্যবহার না থাকলে চেয়ারগুলো ঢাকা জায়গায় বা ছায়ায় রাখুন। এই ছোট্ট অভ্যাসে আপনার সাধের আসবাব পরিষ্কার ও ভালো অবস্থায় রাখতে সুবিধা হবে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/chair-white.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেক ঘষাঘষির পরেও কি দেখছেন, প্লাস্টিক একদম খসখসে হয়ে গিয়েছে কিংবা গায়ে সরু ফাটল দেখা যাচ্ছে? তাহলে বুঝতে হবে দীর্ঘদিন রোদে থাকার কারণে প্লাস্টিক দুর্বল হয়ে যেতে পারে। পরিষ্কার করলে দেখতে হয়তো ভালো লাগবে, তবে এই ধরনের ভঙ্গুর চেয়ারে ভারী কাউকে বসতে দেবেন না। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/stylish-chair.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পুরনো প্লাস্টিক একবার ভেতর থেকে ভঙ্গুর হয়ে গেলে তা যেকোনও সময় ভেঙে পড়ে বিপদ ঘটাতে পারে। তাই নিয়মিত ঘরোয়া উপায়ে যত্ন নিন যাতে চেয়ার পরিষ্কার থাকে। তবে অতিরিক্ত নষ্ট হয়ে গেলে বা ফাটল দেখা দিলে নিরাপত্তার কথা ভেবে সেটিকে বদলে ফেলুন। আজ থেকেই এই সহজ টিপসগুলো মেনে আসবাবের যত্ন নেওয়া শুরু করছেন তো? Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/what-is-rasgulla-called-in-english-the-fact-behind-the-sweet-name-1340758.html</loc><lastmod>2026-08-20T10:53:53+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/five-rassgulla.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Five Rassgulla ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/haddi-rassgulla.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ রসগোল্লা শুধুই একটা মিষ্টি নয়, বাঙালির কাছে এটি খাঁটি ভালোবাসা আর চরম এক আবেগ। শেষ পাতে একটা তুলতুলে রসগোল্লা মুখে দিয়ে চোখ বুজে রসটুকু উপভোগ না করলে বাঙালির কোনও উৎসবই যেন পূর্ণতা পায় না। কিন্তু এই রাজকীয় মিষ্টিটাকে ইংরেজিতে কী বলে, সেই খোঁজ কি কখনও রেখেছেন? Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/palace-rasgulla.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ জিভে জল আনা এই গোলগাল ছানার মিষ্টিকে আমরা সবাই ভালোবেসে রসগোল্লাই বলি। তবে ইংরেজিতে এর নাম কী, তা নিয়ে অনেকেরই কৌতূহল রয়েছে। আসলে রসগোল্লার কোনও একটিমাত্র প্রচলিত ইংরেজি নাম নেই। ইংরেজিতেও সাধারণত Rasgulla বা Rosogolla নামেই এই মিষ্টিকে চেনা হয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/kesar-rassgulla.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তবে রসগোল্লাকে কেউ যদি ইংরেজিতে বুঝিয়ে বলতে চান, তাহলে এর উপাদান ও তৈরির পদ্ধতি ধরে বর্ণনা করা যায়। যেমন, একে &#039;Cottage cheese dumplings soaked in sugar syrup&#039; বা &#039;Soft cheese balls in sugar syrup&#039; বলা যেতে পারে। তবে এগুলি রসগোল্লার নির্দিষ্ট ইংরেজি নাম নয়, শুধুমাত্র মিষ্টিটির বর্ণনা। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/six-rasagulla.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কারণ রসগোল্লার মতো ঐতিহ্যবাহী খাবারের নাম অনেক সময় অনুবাদ না করে মূল নামেই ব্যবহার করা হয়। যেমন ইংরেজি লেখাতেও &#039;Rasgulla&#039; নামটিই বহুল ব্যবহৃত। আর খাবারটি কী দিয়ে তৈরি বা কেমন স্বাদের, তা বোঝাতে আলাদা করে তার বর্ণনা দেওয়া হয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/yellow-golla.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বিদেশিদের রসগোল্লা বোঝাতে তাই দীর্ঘ ইংরেজি &#039;description&#039; ব্যবহার করা গেলেও, এই মিষ্টিকে একটি ছোট ইংরেজি শব্দে অনুবাদ করা বেশ কঠিন। কারণ রসগোল্লা শুধুই কোনও সাধারণ ডাম্পলিং নয়। ছানা দিয়ে তৈরি নরম গোলাগুলি চিনির রসে ফুটিয়ে তৈরি হয় এই মিষ্টি। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/five-rassgulla.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তাই ইংরেজিতেও &#039;Rasgulla&#039; নামটিই সবচেয়ে স্বাভাবিক ও পরিচিত। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক লেখা ও খাবার সংক্রান্ত আলোচনায় এই নামেই মিষ্টিটির উল্লেখ পাওয়া যায়। অর্থাৎ রসগোল্লার কোনও আলাদা সরকারি বা সর্বজনস্বীকৃত &#039;English translation&#039; নেই। নাম বদলে দেওয়ার বদলে তার নিজস্ব পরিচয়টিই ধরে রাখা হয়েছে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/two-rassagulla.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বাংলার রসগোল্লার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে আলাদা ঐতিহ্যও। বাংলার রসগোল্লা ২০১৭ সালে জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন বা GI Tag পায়। ফলে এই মিষ্টির সঙ্গে বাংলার ঐতিহ্য ও পরিচয়ের যোগ আরও দৃঢ় হয়। বিশ্বদরবারেও তার পরিচয় তৈরি হয়েছে নিজের নামেই, রসগোল্লা। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/plain-rasagulla.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পরের বার আড্ডার টেবিলে কেউ রসগোল্লার ইংরেজি নাম জানতে চাইলে একটা কথাই মনে রাখবেন—এর আলাদা কোনও প্রচলিত English name নেই, ইংরেজিতেও একে Rasgulla বা Rosogolla-ই বলা হয়। তবে মিষ্টিটির বর্ণনা দিতে চাইলে বলতে পারেন, &#039;cottage cheese dumplings soaked in sugar syrup&#039;। অর্থাৎ পৃথিবীর যে প্রান্তেই যাক না কেন, রসগোল্লা আসলে রসগোল্লাই! Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/how-a-melted-chocolate-bar-accidentally-led-to-the-invention-of-the-microwave-oven-1340738.html</loc><lastmod>2026-08-20T10:11:46+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/knob-control.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Knob Control ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/knob-control.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আজকাল বাসি খাবার গরম করা থেকে শুরু করে চটজলদি রান্না, অনেকের বাড়িতেই মাইক্রোওয়েভ ওভেন নিত্যদিনের সঙ্গী। কিন্তু জানেন কি, এই অত্যন্ত প্রয়োজনীয় রান্নাঘরের যন্ত্রটির আবিষ্কারের পিছনে রয়েছে একেবারে অপ্রত্যাশিত একটি ঘটনা? একটি চকোলেট বার গলে যাওয়াই বদলে দিয়েছিল রান্নার দুনিয়া! Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/cup-hot.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ গল্পটা ১৯৪৫ সালের। আমেরিকান ইঞ্জিনিয়ার পার্সি স্পেনসার তখন রেথিয়নে কাজ করছিলেন এবং রাডারের জন্য ব্যবহৃত ম্যাগনেট্রন নিয়ে গবেষণা করছিলেন। একদিন একটি সক্রিয় ম্যাগনেট্রনের কাছে কাজ করার সময় হঠাৎ তাঁর পকেটে থাকা একটি চকোলেট বার গলে যায়। শরীর গরম না থাকা সত্ত্বেও চকোলেট কেন গলল, তা নিয়ে স্পেনসারের কৌতূহল জাগে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/like-locker.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ঘটনাটিকে কাকতালীয় বলে উড়িয়ে না দিয়ে পরীক্ষা করে দেখার সিদ্ধান্ত নিলেন স্পেনসার। প্রথমে তিনি ম্যাগনেট্রনের কাছে কিছু ভুট্টার দানা রাখলেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই দানাগুলি ফুটে তৈরি হয়ে গেল পপকর্ন! এতে তাঁর ধারণা আরও জোরালো হল যে ম্যাগনেট্রন থেকে নির্গত মাইক্রোওয়েভ খাবারকে দ্রুত গরম করতে পারে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/sandwich-make.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এরপর আরও পরীক্ষা করতে গিয়ে স্পেনসার ডিম নিয়েও পরীক্ষা করেন। মাইক্রোওয়েভের তাপে ডিমের ভিতরে চাপ তৈরি হয়ে সেটি ফেটে যায়। একের পর এক পরীক্ষার পর তিনি বুঝতে পারলেন, এই তরঙ্গকে নিয়ন্ত্রিতভাবে ব্যবহার করে খাবার রান্না বা গরম করা সম্ভব। এখান থেকেই জন্ম নিতে শুরু করল মাইক্রোওয়েভ ওভেন তৈরির ধারণা। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/half-pizza.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এরপর রেথিয়নের সঙ্গে কাজ করে স্পেনসার মাইক্রোওয়েভে খাবার রান্নার প্রযুক্তি আরও উন্নত করেন। ১৯৪৫ সালের ৮ অক্টোবর এই প্রযুক্তির জন্য পেটেন্ট আবেদন করা হয়। পরে ১৯৪৭ সালে &#039;Radarange&#039; নামে প্রথম বাণিজ্যিক মাইক্রোওয়েভ বাজারে আসে। তবে আজকের ছোট্ট ওভেনের সঙ্গে তার চেহারার কোনও মিল ছিল না, প্রায় ৬ ফুট লম্বা, ৭৫০ পাউন্ড বা প্রায় ৩৪০ কেজি ওজনের সেই যন্ত্র ছিল বিশালাকার। দামও ছিল প্রায় ৫,০০০ ডলার। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/slap-oven.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এত বড় আকার আর বিপুল দামের কারণে প্রথম দিকে সাধারণ বাড়িতে মাইক্রোওয়েভের ব্যবহার খুব একটা জনপ্রিয় হয়নি। প্রথম দিকের Radarange মূলত রেস্তরাঁ ও বাণিজ্যিক জায়গায় ব্যবহৃত হত। পরে প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে যন্ত্রের আকার ছোট হতে থাকে এবং দামও কমে আসে। ১৯৬০-এর দশকের শেষদিকে তুলনামূলক ছোট countertop মডেল বাজারে আসার পর ঘরোয়া ব্যবহারের পথ আরও সহজ হয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/timer-set.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আজ মাইক্রোওয়েভ শুধু খাবার গরম করার যন্ত্র নয়, রান্না ও বেকিংয়ের নানা কাজেও ব্যবহার করা হয়। আর এই প্রযুক্তির পিছনে থাকা পার্সি স্পেনসারের সেই অদ্ভুত আবিষ্কারের গল্প আজও বিজ্ঞান ইতিহাসে অন্যতম জনপ্রিয় &#039;accidental discovery&#039; হিসেবে পরিচিত। তাঁর জীবদ্দশায় ১৫০-রও বেশি পেটেন্ট ছিল এবং ১৯৯৯ সালে তাঁকে &#039;National Inventors Hall of Fame&#039;-এ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/microwave-hot.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ভাবুন তো, কাজ করতে গিয়ে পকেটের একটা চকোলেট বার গলে না গেলে হয়তো স্পেনসার এই অদ্ভুত ঘটনাটিকে গুরুত্বই দিতেন না! কিন্তু সেই ছোট্ট ঘটনাই তাঁকে পরীক্ষা করতে উৎসাহিত করেছিল এবং শেষ পর্যন্ত বদলে দিয়েছিল রান্নার দুনিয়া। তাই এবার থেকে মাইক্রোওয়েভে খাবার গরম করার সময় মনে রাখবেন, এর পিছনে রয়েছে একটি গলে যাওয়া চকোলেট বারের অবাক করা গল্প! Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/kolkata/helping-hand-announces-numaish-2026-celebrating-social-impact-and-community-support-1340628.html</loc><lastmod>2026-08-19T17:43:49+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/numaish.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Numaish ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/02-4.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ২০১৪ সালে একদল স্কুলপড়ুয়ার হাত ধরে শুরু হয়েছিল স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা হেল্পিং হ্যান্ড (Helping Hand)-এর। একটি প্রতিবাদ আন্দোলন থেকে শুরু হওয়া সেই উদ্যোগ সময়ের সঙ্গে পাল্টে রূপান্তরিত হয়েছে একটি সংগঠনে, যাঁদের মূল উদ্দেশ্য সামাজিক পরিবর্তন করা ও সমাজের উন্নয়ন করা। (Pic - TV9 Bangla) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/06-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বর্তমানে কলকাতা, কোন্নগর ও ঝাড়খালিতে তিনটি আলাদা আলাদা প্রজেক্টে কাজ করছে হেল্পিং হ্যান্ড। শিক্ষা, কার্য দক্ষতা, স্বাস্থ্য, সামাজিক উন্নয়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে এই সংস্থাটি। এর ফলে বহু মানুষ সাহায্যও পাচ্ছেন। (Pic - TV9 Bangla) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/05-3.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ হেল্পিং হ্যান্ডের অন্যতম প্রধান ফান্ডরেইজিং অনুষ্ঠান হল Numaish । সংস্থার কাছে এটি স্রেফ অর্থ সংগ্রহের অনুষ্ঠান নয়, বরং তাদের দীর্ঘ পথচলার এক গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গী। Numaish থেকে পাওয়া অর্থ বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে ব্যবহার করা হয়। (Pic - TV9 Bangla) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/08-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ গত বছরও এই অনুষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত অর্থ সামাজিক উন্নয়নে ব্যবহার করা হয়েছিল। দুর্গাপুজোর সময় শিশুদের মধ্যে ১৫০টি নতুন পোষাক বিতরণ করেছিল হেল্পিং হ্যান্ড। যেখানে মানুষের দরকার, সেখানেই সাহায্যের হাত বাড়ায় হেল্পিং হ্যান্ড। (Pic - TV9 Bangla) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/07-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এবার আবার আয়োজন করা হচ্ছে Numaish ২০২৬। এবারের থিম &#039;Together Towards Tomorrow&#039;। এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য, একসঙ্গে আগামীর দিকে পথ চলা। শিক্ষার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে এই বছর। (Pic - TV9 Bangla) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/03-4.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ দুই দিনের এই প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে মেনকা সিনেমার কাছে, গ্যালারি গোল্ডে। আগামী ১৯ ও ২০ সেপ্টেম্বর হবে এই প্রদর্শনী। এখানে পাওয়া যাবে নানা ধরণের খাবার, গয়না, পোশাক ও থাকবে নানা রকম অ্যাক্সেসরিজের স্টল। (Pic - TV9 Bangla) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/09-3.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তবে শুধুই বিনোদন নয়, সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতেও এই অনুষ্ঠানের বিশেষ ভূমিকা আছে। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানিয়ে সম্মানিত করা হবে এমন ব্যক্তিত্বদের, যাঁরা সমাজে নানাভাবে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে বদ্ধপরিকর। (Pic - TV9 Bangla) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/04-4.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ হেল্পিং হ্যান্ডের তরফে সাধারণ মানুষকে Numaish 2026 এ আসার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। তারা আশা করছে, এবারেও এই অনুষ্ঠান মানুষের ভালবাসা ও সহযোগিতা পাবে এবং তাদের অনুষ্ঠান যাতে সফল হয়, সেই উদ্দেশ্যে সাধারণ মানুষের সমর্থন পাবে। Numaish 2026-এর মাধ্যমে আরও একবার সমাজের জন্য উন্নয়নমূলক কিছু করার এবং আগামী দিনের জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার বার্তা দিতে চাইছে হেল্পিং হ্যান্ড। (Pic - TV9 Bangla) ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/what-is-fuchka-called-in-english-the-secret-name-will-surprise-you-1340472.html</loc><lastmod>2026-08-19T10:25:39+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/pour-water.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Pour Water ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/pour-water.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পাড়ার মোড়ে ফুচকাওয়ালার ডাক শুনলে ডায়েট ভুলে দৌড়ে যান না, এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া রীতিমতো মুশকিল। মনখারাপের ওষুধ থেকে শুরু করে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডার সঙ্গী—আমাদের সকলের প্রিয় এই ফুচকার জুড়ি মেলা ভার। কিন্তু কখনও কি ভেবে দেখেছেন, বাঙালির এই চরম ইমোশনকে ইংরেজিতে ঠিক কী নামে ডাকা হয়? Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/fuchka.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেকেই হয়তো ভাবছেন, ফুচকার আবার ইংরেজি নাম কীসের! এটি তো আদ্যোপান্ত আমাদের দেশি খাবার। আসলে ফুচকার কোনও একটিমাত্র নির্দিষ্ট ইংরেজি নাম নেই। ইংরেজিতেও Phuchka বা Puchka, আবার Pani Puri এবং Golgappa নামগুলি ব্যবহার করা হয়। অঞ্চলভেদে নাম বদলালেও খাবারটি একই। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/tasty-puri.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তবে ইংরেজিতে ফুচকাকে বর্ণনা করতে বেশ কিছু শব্দবন্ধ ব্যবহার করা হয়। যেমন, এর আকৃতি ও উপকরণের ভিত্তিতে একে &#039;Crispy fried balls filled with spiced water&#039; বা &#039;Fried dough balls filled with spiced water&#039;-এর মতো করে বর্ণনা করা হয়। এগুলি ফুচকার কোনও নির্দিষ্ট ইংরেজি নাম নয়, বরং খাবারটির গঠন, উপকরণ ও স্বাদ বোঝানোর জন্য ব্যবহৃত বর্ণনামূলক শব্দবন্ধ। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/hygin.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এখানেই রয়েছে মজার তথ্য। ফুচকার জন্য &#039;Water Balls&#039; শব্দটিও কোথাও কোথাও ব্যবহার করা হয়। বিশেষ করে ব্রিটেনে এই অনুবাদটির ব্যবহার দেখা যায়। তবে এটিকে ফুচকার একমাত্র বা সরকারি ইংরেজি নাম বলা ঠিক হবে না। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে Pani Puri নামটিই বেশি পরিচিত।  Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/decorated.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ফুচকার ইংরেজি নাম নিয়ে তাই নানা ধরনের উত্তর দেখতে পাওয়া যায়। Water Balls, Fried Puff-Pastry Balls বা Crispy Spheres Filled With Spiced Water—এগুলি মূলত খাবারটির গঠন ও উপাদান বোঝানোর বর্ণনা। আর নাম হিসেবে Pani Puri, Phuchka বা Golgappa-ই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/curd-puri.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ভারতবর্ষের নানা প্রান্তে অঞ্চলভেদে এই মুখরোচক খাবারটির অবশ্য আরও অনেক নাম রয়েছে। কলকাতা ও পশ্চিমবঙ্গে এটি ফুচকা, আবার দেশের বিভিন্ন জায়গায় পানিপুরি, গোলগাপ্পা বা গুপচুপ নামে পরিচিত। নাম আলাদা হলেও মুচমুচে পুরির মধ্যে পুর আর টক-ঝাল জল, সাধারণত এই স্বাদটাই সব জায়গায় ধরে রাখা হয়। যদিও অনেক রকমের ফ্লেভার ফুচকারও দেখা মেলে আজকাল।  Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/with-turmarind.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বর্তমানে এই জনপ্রিয় স্ট্রিট ফুড দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও পৌঁছে গিয়েছে। ভারতীয় রেস্তরাঁ থেকে শুরু করে বিদেশের নানা জায়গাতেও Pani Puri নামে এই খাবার পাওয়া যায়। তবে বিদেশে পরিবেশনের সময় স্থানীয় মানুষের স্বাদ অনুযায়ী ঝাল, টক বা মশলার পরিমাণে কিছুটা পরিবর্তন করা হতে পারে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/gogappa.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ রোজকার জীবনের এই ছোটখাটো ব্যাপারগুলোর সঙ্গেও এমন অনেক অজানা তথ্য জড়িয়ে থাকে, যা আমাদের অবাক করে। এবার থেকে বন্ধুদের সঙ্গে ফুচকা খেতে গেলে এই তথ্যটি অবশ্যই শেয়ার করে তাঁদের চমকে দিতে পারেন। আর মনে রাখবেন, ফুচকার কোনও একটিমাত্র ইংরেজি নাম নেই, Pani Puri, Phuchka, Golgappa-র পাশাপাশি &#039;Water Balls&#039; নামটিও কোথাও কোথাও ব্যবহৃত হয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/the-secret-science-behind-bottle-cap-ridges-proven-facts-1340317.html</loc><lastmod>2026-08-18T15:02:03+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/cap-white.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Cap White ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/cap-white.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ জল বা কোল্ড ড্রিঙ্কসের বোতল খোলার সময় বাইরের দিকের খাঁজকাটা দাগগুলো নিশ্চয়ই আপনার চোখে পড়েছে। প্রতিদিন এই বোতলগুলো আমরা ব্যবহার করলেও ঠিক কী বৈজ্ঞানিক কারণে এই দাগগুলো দেওয়া হয়, তা কিন্তু অনেকেই জানেন না। আন্তর্জাতিক ম্যানুফ্যাকচারিং ম্যানুয়াল এবং ইতিহাসের পাতা ঘাটলে এর পেছনে থাকা চমৎকার কিছু প্রমাণ পাওয়া যায়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/plastic-cap-love.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এই খাঁজকাটা দাগ থাকার সবচেয়ে বড় বৈজ্ঞানিক প্রমাণ লুকিয়ে রয়েছে পদার্থবিদ্যার &#039;ফ্রিকশন&#039; বা ঘর্ষণ নিয়মের মধ্যে। এই দাগগুলো না থাকলে ঢাকনাটি একেবারে মসৃণ হত এবং খোলার সময় ঘর্ষণের অভাবে হাত পিছলে যেত। ফলে হাত তেলতেলে থাকলে বোতলের ছিপি খুলতে বা শক্ত করে আটকাতে রীতিমতো ঘাম ছুটে যেত। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/yellow-cap.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তবে শুধু মানুষের সুবিধার জন্য নয়, কারখানায় বোতল প্যাক করার আন্তর্জাতিক মেকানিক্যাল স্ট্যান্ডার্ডেও এই খাঁজের উল্লেখ রয়েছে। মেশিনের সাহায্যে যখন এই ঢাকনাগুলো বোতলের মুখে আটকানো হয়, তখন এই খাঁজগুলোই মেশিনকে সঠিক গ্রিপ পেতে সাহায্য করে। প্রমাণস্বরূপ দেখা গিয়েছে, এই দাগগুলো না থাকলে অটোমেটেড মেশিনের পক্ষে ঢাকনা ঘোরানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ত। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/green-cap.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ প্লাস্টিকের বোতলের ক্ষেত্রে গ্যাস আটকে রাখার জন্য ভেতরের প্যাঁচ বা থ্রেড কাজ করলেও বাইরের খাঁজগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম। ঢাকনার বাইরের খাঁজগুলো মেশিনকে সঠিক গ্রিপ দেয়, যাতে সেটি বোতলের মুখ একদম নিশ্ছিদ্রভাবে আটকাতে পারে। এই খাঁজ না থাকলে মসৃণ ঢাকনাকে পর্যাপ্ত জোর দিয়ে ঘোরানো যেত না এবং ভেতরের গ্যাস সহজেই বাইরে বেরিয়ে যেত। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/silver-golden-cap.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অন্যদিকে কাঁচের বোতলের ধাতব ঢাকনার বাইরের খাঁজগুলো সরাসরি বোতলের মুখকে লক করে গ্যাস আটকায়। মেশিনের সাহায্যে চাপ দিয়ে যখন এটি পুরনো হয়, তখন এই বাইরের খাঁজগুলোই বোতলের মুখকে শক্তভাবে কামড়ে ধরে রাখে। এর ফলে পানীয়ের ভেতরে থাকা কার্বন ডাই অক্সাইডের প্রবল চাপ সত্ত্বেও নিশ্ছিদ্র ঢাকনা নিজে থেকে খুলে যায় না। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/cap-open.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এই বিশেষ ধরনের ঢাকনার ঐতিহাসিক প্রমাণ খুঁজতে গেলে আমাদের পিছিয়ে যেতে হবে ১৮৯২ সালে। ওই বছর উইলিয়াম পেন্টার নামের এক বিজ্ঞানী প্রথম এই &#039;ক্রাউন কর্ক&#039; বা খাঁজকাটা ঢাকনার ডিজাইন মার্কিন পেটেন্ট অফিসে নথিভুক্ত করেন। তাঁর সেই ঐতিহাসিক পেটেন্ট দলিলেই পরিষ্কারভাবে এই খাঁজকাটা ডিজাইনের উপযোগিতা লেখা রয়েছে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/plastic-cap.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ উইলিয়াম পেন্টারের তৈরি সেই প্রাথমিক ডিজাইনে বোতলের মুখকে নিখুঁতভাবে সিল করে রাখার জন্য ২৪টি খাঁজ বা দাঁত ছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়াররা গবেষণায় দেখেন, ২৪টি খাঁজ থাকলে ঢাকনা এতটাই শক্ত হয়ে আটকে থাকে যে তা খুলতে বেশ বেগ পেতে হয়। সেই বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার ওপর ভিত্তি করেই ডিজাইনে বদল আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/tin-cap.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বর্তমানে কাঁচের বোতলের ধাতব ঢাকনায় খাঁজের সংখ্যা কমিয়ে ২১টি করা হয়েছে। ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যালকুলেশন প্রমাণ করেছে যে, এর চেয়ে কম খাঁজ থাকলে বোতল ঠিকমতো সিল করা সম্ভব হত না। সামান্য একটি খাঁজকাটা দাগের পেছনে পদার্থবিদ্যা এবং পেটেন্ট করা ইতিহাসের যে প্রমাণ লুকিয়ে আছে, তা সত্যিই অবাক করার মতো। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/plastic-ceramic-or-terracotta-how-to-pick-the-right-pot-for-your-plants-1340206.html</loc><lastmod>2026-08-18T12:03:59+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/1-3.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ pot ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/soil-pots.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বাড়িতে গাছ লাগানোর সময় আমরা সাধারণত মাটি, জল আর সারের দিকেই বেশি নজর দিই। তবে এগুলোর মতোই গাছের সঠিক টব বাছাই করাটাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। ভুল টব বাছলে গাছের শিকড় ঠিকমতো বাড়তে পারে না এবং মাটি বেশি ভিজে গিয়ে গাছের ক্ষতি হতে পারে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/soilpot-soil.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ যেসব গাছ একটু শুকনো মাটি পছন্দ করে, তাদের জন্য মাটির টব বা টেরাকোটা সবচেয়ে ভালো। এই টবের গায়ে ছোট ছোট ছিদ্র থাকে, যার মধ্যে দিয়ে বাতাস ও আর্দ্রতা খুব সহজে চলাচল করতে পারে। ক্যাকটাস বা সাকুলেন্ট জাতীয় গাছের জন্য এই ধরনের টব একেবারে আদর্শ। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/plastic-pots.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ প্লাস্টিকের টব ওজনে অনেক হালকা হয় এবং এর দামও বেশ সাশ্রয়ী। মাটির টবের তুলনায় এই টব তুলনামূলকভাবে বেশি সময় আর্দ্রতা ধরে রাখে। তবে এই টবে গাছ লাগানোর আগে জল বেরোনোর সঠিক জায়গা আছে কি না, তা দেখে নেওয়া ভীষণ জরুরি। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/ceramic-pot-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বাড়ির অন্দরসজ্জা সুন্দর করতে সেরামিকের টবের জুড়ি মেলা ভার। ড্রেনেজ হোল না থাকলে অতিরিক্ত জল বেরোতে পারে না, ফলে শিকড় পচে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। সরাসরি এই টবে গাছ লাগানোর আগে এর নীচে কোনও ছিদ্র আছে কি না, তা অবশ্যই পরীক্ষা করে নেবেন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/plastic-pot.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ গাছের জন্য খুব বড় বা একেবারে ছোট টব কেনা কখনও উচিত নয়। টব খুব ছোট হলে শিকড় ঠিকমতো ছড়াতে পারে না, আবার বড় টবে মাটি বেশি থাকায় তা দীর্ঘক্ষণ ভিজে থাকে। তাই গাছের আকার এবং তার শিকড়ের ধরন বুঝেই সঠিক মাপের টব কেনা প্রয়োজন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/big-pot.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেক সময় দেখা যায় গাছের শিকড় টবের নীচের ফুটো দিয়ে বাইরে বেরিয়ে গিয়েছে। এর মানে হল আপনারগাছের শিকড় টবের জায়গা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এই ধরনের লক্ষণ দেখলেই দেরি না করে গাছটিকে একটু বড় টবে সরিয়ে ফেলতে হবে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/ceramic-pot.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শুধুমাত্র বাইরের সৌন্দর্য দেখে টব কিনলে গাছের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। টবের নীচে জল বেরোনোর ফুটো থাকলে অতিরিক্ত জল সহজেই বাইরে বেরিয়ে যায় এবং শিকড় পচে যাওয়ার ভয় থাকে না। যদি কোনও শৌখিন টবে ফুটো না থাকে, তবে তার ভিতরে ফুটোওয়ালা অন্য একটি ছোট টব বসিয়ে গাছ লাগাতে পারেন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/grow-bag.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শহরে ফ্ল্যাটের ব্যালকনিতে যাঁরা সবজি ফলাতে চান, তাঁদের জন্য গ্রো-ব্যাগ খুব দারুণ একটা বিকল্প। টমেটো, লঙ্কা বা বেগুনের মতো সবজি এই ধরনের ব্যাগে খুব সহজেই ফলানো যায়। তবে সবজির ধরন ও আকার অনুযায়ী সঠিক মাপের গ্রো-ব্যাগ বেছে নিতে হবে। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/did-you-know-bubble-wrap-was-never-meant-for-packaging-heres-why-it-was-invented-1340184.html</loc><lastmod>2026-08-18T10:06:48+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/hand-satisfaction.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Hand Satisfaction ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/hand-satisfaction.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ নতুন পার্সেল হাতে পাওয়ার পর কি সবার আগে বাবল র‍্যাপ ফাটানোর জন্য হাত নিশপিশ করে? ভেতরের জিনিসের চেয়ে ওই প্লাস্টিকের বুদবুদগুলো ফাটাতেই বেশি উৎসাহী থাকেন অনেকেই! তবে শুনলে অবাক হবেন, জিনিসপত্রের সুরক্ষার জন্য কিন্তু আদৌ  এই বস্তুটির জন্ম হয়নি। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/solid-wrap.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ গল্পটা শুরু হয়েছিল ১৯৫৭ সালে, যখন অ্যালফ্রেড ফিল্ডিং এবং মার্ক চাভানেস নামের দুই ইঞ্জিনিয়ার নতুন কিছু বানাচ্ছিলেন। তাঁরা এমন এক ধরনের থ্রি-ডি ওয়ালপেপার তৈরি করতে চেয়েছিলেন, যা ছুঁলে একটু উঁচু-নিচু আর খসখসে অনুভূতি হবে। এই কাজের জন্য তাঁরা দু’টো প্লাস্টিকের পর্দার মাঝে হাওয়া ভরে একসঙ্গে আটকে দেন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/another-hand.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ একবার ভাবুন তো, বসার ঘরের দেওয়ালে প্লাস্টিকের বুদবুদ লাগানো থাকলে দেখতে ঠিক কেমন লাগবে? স্বাভাবিকভাবেই দেওয়াল সাজানোর ওয়ালপেপার হিসেবে বাজারে এটা চরম ফ্লপ হল। কিন্তু ওই দুই বুদ্ধিমান আবিষ্কারক ঠিকই বুঝেছিলেন, বাবল র‍্যাপের ভেতরে আটকে থাকা এই বাতাসের নিশ্চয়ই অন্য কোনও চমকপ্রদ ব্যবহার রয়েছে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/role-wrap.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ১৯৬০ সালে তাঁরা এই নতুন জিনিসের পেটেন্ট পেয়ে যান এবং বেশ গালভরা করে এর নাম রাখা হয় &#039;এয়ার ক্যাপ&#039;। নাম তো দেওয়া হল, কিন্তু বাণিজ্যিকভাবে এটাকে ঠিক কী কাজে লাগানো যায়, তা নিয়ে তাঁরা রীতিমতো ফাঁপরে পড়েছিলেন। এরপর ঠিক হল, গ্রিনহাউসের ভেতর গাছপালাকে ঠান্ডার হাত থেকে বাঁচাতে এটি ইনসুলেশন হিসেবে ব্যবহার করা হবে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/cup-wrap.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বাবল র‍্যাপের পকেটে থাকা হাওয়া তাপমাত্রার ওঠানামা থেকে গাছকে বাঁচাবে বলে মনে করা হলেও, বাস্তবে এই আইডিয়াও চরম ব্যর্থ হল। পর পর দু’বার ধাক্কা খাওয়ার পর হঠাৎ তাঁদের মাথায় এক দারুণ বুদ্ধি খেলে যায়। তাঁরা বুঝতে পারেন, মালপত্র এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পাঠানোর সময় এই জিনিসটি তো দারুণ কুশনের কাজ করতে পারে! Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/blue-wrap.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ঠিক সেই সময়েই আইবিএম কোম্পানি বাজারে তাদের নতুন ১৪০১ কম্পিউটার নিয়ে আসে। সেই মহার্ঘ বস্তু সুরক্ষিতভাবে পাঠাতে এই বাবল র‍্যাপ ব্যবহার শুরু করে তারা। এরপর আর তাঁদের পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি, কারণ ততদিনে দুনিয়া বুঝে গিয়েছে প্যাকেজিংয়ের জন্য এর জুড়ি মেলা ভার। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/wrap-slide.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কাঁচের জিনিস বা দামি ইলেকট্রনিক্সের সঙ্গে এই বাবল র‍্যাপ জড়িয়ে দিলে ছোট ছোট বুদবুদগুলো সরাসরি আঘাত লাগতে দেয় না। বাইরে থেকে কোনও ধাক্কা লাগলে এই হাওয়ার পকেটগুলো স্প্রিংয়ের মতো সেই আঘাত অনায়াসেই নিজের ওপর নিয়ে নেয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/bubble-wrap.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ জোরে চাপ দিলে বুদবুদের গায়ে থাকা পাতলা প্লাস্টিক ফেটে গিয়ে যে পপ শব্দ হয়, তা আমাদের অদ্ভুত একটা প্রশান্তি দেয়। তাই এখন আর শুধু জিনিসপত্র মোড়কের মধ্যে এর কাজ আটকে নেই, বাবল ফাটানোর শব্দ অনেকের কাছে স্ট্রেস-রিলিফের মতো কাজ করে। এক কথায়, মন ভালো করতে এই বাবল র‍্যাপের জুড়ি মেলা সত্যিই ভার! Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/what-is-jalebi-called-in-english-discover-the-surprising-real-name-1339955.html</loc><lastmod>2026-08-17T10:35:52+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/many-jalebies.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Many Jalebies ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/jalebi.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ গরম গরম রসালো জিলিপি দেখলেই জিভে জল আসে না, এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া বেশ মুশকিল। আট থেকে আশি, উৎসব থেকে সাধারণ দিন, সব সময়েই এই মিষ্টির জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। কিন্তু এত যে চেটেপুটে খান, কখনও ভেবে দেখেছেন কি এই জিলিপিকে ইংরেজিতে ঠিক কী বলে? Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/hot-jalebi.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ গ্রাম থেকে শহর, সর্বত্র পাওয়া গেলেও এর সঠিক ইংরেজি নাম অনেকেরই আজও অজানা। বিদেশে সাধারণত এটিকে একটি বিশেষ ধরনের মিষ্টি বা &#039;সিরাপ সোকড ইন্ডিয়ান ডেজার্ট&#039; বলা হয়ে থাকে। তবে এর গঠন ও স্বাদের উপর ভিত্তি করে আরও কিছু নির্দিষ্ট ইংরেজি নাম রয়েছে, যা শুনলে আপনি চমকে যাবেন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/plate-jalebi.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেকে এর স্বাদ ও রসের কথা মাথায় রেখে একে &#039;সুইট মিট&#039; (Sweet Meat) বা &#039;সিরাপ ফিল্ড রিং&#039;-ও বলে থাকেন। যদিও জিলিপি শব্দটি এখন এতটাই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে যে অক্সফোর্ড ডিকশনারিতেও এটি পাকাপাকিভাবে জায়গা করে নিয়েছে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/fry-jalebi.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ইতিহাস ঘাঁটলে জানা যায়, এই লোভনীয় জিলিপির জন্ম কিন্তু একেবারেই ভারতের মাটিতে হয়নি। এটি মূলত মধ্যপ্রাচ্যের খাবার, যার আদি নাম ছিল জুলবিয়া বা জালাবিয়া। বহু বছর আগে ব্যবসায়ীদের হাত ধরে এই মিষ্টি ভারতে আসে এবং এখানকার মানুষের মনের মণিকোঠায় নিজের পাকাপাকি জায়গা করে নেয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/many-jalebies.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ উত্তর ভারতে এই মিষ্টির এক বিশেষ পরিচিতি রয়েছে, যা একেক জায়গায় একেক রকম। জবলপুরের খোওয়া জিলিপি, মথুরার আলু জিলিপি আর রাজস্থানের ভরতপুরের জিলিপি রীতিমতো বিখ্যাত। এই সব জায়গায় স্বাদ ও ঐতিহ্যের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এটি তৈরির পদ্ধতিতেও বেশ কিছু অভিনবত্ব দেখা যায়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/eat-jalebi.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মুচমুচে আবরণের ভেতরে থাকা মিষ্টি রসে কামড় বসালে এক স্বর্গীয় অনুভূতির সৃষ্টি হয়। অনেকেই গরম জিলিপির সঙ্গে ঠান্ডা রাবড়ি, দই বা আইসক্রিম খেতে ভীষণ পছন্দ করেন। এই অদ্ভুত এবং সুস্বাদু কম্বিনেশন স্বাদ কোরকগুলিকে এক আলাদা মাত্রার তৃপ্তি এনে দেয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/layer-jalebi.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শুধুমাত্র ভারতেই নয়, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নেপাল এমনকি কিছু আফ্রিকান দেশেও এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এর অনন্য প্যাঁচালো আকার এবং অতুলনীয় স্বাদের জন্যই এটি বিশ্বজুড়ে এত সমাদৃত। এই বিপুল জনপ্রিয়তাকে উদযাপন করতে প্রতি বছর ৩০ জুলাই &#039;বিশ্ব জিলিপি দিবস&#039; পালিত হয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/steel-bowl-jalebi.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সোশাল মিডিয়াতেও এই বিশেষ দিনটিতে মিষ্টিপ্রেমীরা নিজেদের ভালোবাসা উজাড় করে দেন। তাই এবার থেকে যখনই চায়ের সঙ্গে বা উৎসবের দিনে জিলিপি খাবেন, তখন এর এই অজানা ইতিহাসটা বন্ধুদের সঙ্গেও শেয়ার করতে পারেন। তাহলে আর দেরি কেন, আজই এই &#039;সিরাপ সোকড&#039; ডেজার্টের স্বাদ নিয়ে নিজের রসনা তৃপ্তি করুন! Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/soft-attar-luchi-recipe-secret-tips-for-fluffy-wheat-puris-1339768.html</loc><lastmod>2026-08-16T13:35:48+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/luchi-aloor-dum.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Luchi Aloor Dum ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/four-luchi.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বাঙালির কাছে লুচি মানেই একরাশ আবেগ, কিন্তু বর্তমান দিনে স্বাস্থ্য সচেতনতায় ময়দাকে অনেকেই সাদা বিষ বলে দূরে সরিয়ে রাখছেন। তবে উৎসব হোক বা ছুটির দিন, লুচি ছাড়া কি বাঙালির মন ভরে! তাই ময়দার বদলে এবার আটা দিয়েই বানিয়ে ফেলুন নরম আর ফুলকো লুচি। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/luchi-aloor-dum.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আটার লুচি শুনলেই অনেকে নাক সিঁটকোন, কারণ তাঁদের ধারণা, এটি শক্ত হয়ে যায় এবং ময়দার মতো স্বাদ হয় না। কিন্তু সঠিক পদ্ধতি জানা থাকলে আটার তৈরি লুচিও ময়দাকে অনায়াসে টেক্কা দিতে পারে। শুধু ময়ান দেওয়ার সময় একটি বিশেষ তরল মেশাতে হবে, যা স্বাদ ও নরম ভাব—উভয়ই বজায় রাখবে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/black-backgroud-luchi.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ প্রথমেই একটি পাত্রে ২৫০ গ্রাম রুটি তৈরির সাধারণ আটা নিয়ে নিন। এর সঙ্গে মিশিয়ে দিন আপনার স্বাদমতো নুন, এক চামচ চিনি এবং এক চামচ ছোট দানার সুজি। শুকনো উপকরণগুলো খুব ভালো করে মিশিয়ে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/white-luchi.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শুকনো উপকরণ মেশানো হয়ে গেলে তাতে দিয়ে দিন তিন চামচ সাদা তেল। এবার হাত দিয়ে ঘষে ঘষে খুব ভালো করে ময়ান দিন, যাতে আটার প্রতিটি কণার সঙ্গে তেল মিশে যায়। ময়ান ঠিকঠাক হয়েছে কি না, তা বুঝতে মুঠো করে দেখুন আটা দলা পাকিয়ে যাচ্ছে কি না। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/puri-aloo.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এবার পালা সেই বিশেষ উপাদানের, যা আপনার আটার লুচিকে তুলতুলে নরম করে তুলবে। ময়ান দেওয়া আটার মিশ্রণে চায়ের কাপের অর্ধেক কাপ হালকা গরম বা ঈষদুষ্ণ দুধ ঢেলে দিন। দুধ দেওয়ার পর হাত দিয়ে আবারও খুব ভালো করে আটা মেখে নিতে হবে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/fulko-luchi.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ দুধ দিয়ে মাখা হয়ে গেলে ওই একই কাপের অর্ধেক কাপ ঈষদুষ্ণ জল অল্প অল্প করে ঢেলে মণ্ডটি মাখতে থাকুন। অন্তত দশ মিনিট সময় নিয়ে খুব যত্ন সহকারে আটা মাখতে হবে, তবেই লুচি নরম হবে। মাখা হয়ে গেলে একটি ভেজা কাপড় দিয়ে ঢেকে বা পাত্রটি ঢাকা দিয়ে অন্তত পনেরো মিনিট মণ্ডটিকে বিশ্রাম দিন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/atta-vendi.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পনেরো মিনিট পর আটার মণ্ড থেকে আপনার পছন্দমতো আকারের ছোট ছোট লেচি কেটে নিন। এবার বেলার সময় তেলের পরিবর্তে সামান্য শুকনো আটা ছড়িয়ে হালকা হাতে গোল করে বেলে নিন। এতে লুচি অনেক বেশি ফুলকো হবে এবং বেলতেও সুবিধা হবে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/atta-luchi.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কড়াইতে বেশ অনেকটা সাদা তেল দিয়ে খুব ভালো করে গরম করে নিন। এবার একটা একটা করে লুচি ছেড়ে ছাঁকনির সাহায্যে ওপরে গরম তেল ছিটিয়ে দিন। দেখবেন, কেমন সুন্দর ফুলে উঠেছে। গরম গরম এই আটার লুচি ছোলার ডাল বা আলুর দমের সঙ্গে পরিবেশন করুন। কেউ বুঝতেই পারবে না, এটি আটার তৈরি। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/why-do-hotels-provide-disposable-slippers-the-real-reason-revealed-1339406.html</loc><lastmod>2026-08-14T14:14:47+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/couple-shoe.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Couple Shoe ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/couple-shoe.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেক হোটেলের ঘরে ঢুকলেই ওয়ার্ডরোবে সুন্দর করে সাজানো এক জোড়া স্লিপার বা চটি দেখতে পাওয়া যায়। অনেকেই ভাবেন, এটি বোধহয় শুধুই অতিথিদের খুশি করার জন্য রাখা একটি সাধারণ উপহার। কিন্তু এর পিছনে কেবল আতিথেয়তা নয়, রয়েছে বেশ কিছু জরুরি এবং দারুণ ব্যবহারিক কারণ। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/pool-shoe.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মূলত বাথরুম বা ঘরের ভেজা অংশগুলোতে পরার জন্যই এই চটিগুলো দেওয়া হয়। বাথরুম যতই পরিষ্কার থাকুক না কেন, মেঝেতে জল বা সাবানের ফেনা জমে থাকার সম্ভাবনা থেকেই যায়। তাই খালি পায়ে হাঁটার ঝুঁকি না নিয়ে এই চটি গলিয়ে নিলে পা থাকে একদম সুরক্ষিত। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/sleep-shoe.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ হোটেলের ঘর প্রতিদিন নতুন নতুন মানুষ ব্যবহার করেন, তাই মেঝেতে খালি চোখে না দেখা জীবাণু থাকা খুবই স্বাভাবিক। তাছাড়া কড়া রাসায়নিক দিয়ে মেঝে মোছা হয় বলে সরাসরি পায়ের সংস্পর্শে এলে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। অতিথিদের এই সব সংক্রমণ থেকে বাঁচাতেই ডিসপোজেবল চটি রাখা হয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/decorate-room.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বেশিরভাগ হোটেলের ঘরেই দামি কার্পেট পাতা থাকে, যা পরিষ্কার রাখা কর্তৃপক্ষের কাছে একটা বড় চ্যালেঞ্জ। বাইরের ধুলোমাখা জুতো বা নোংরা পা নিয়ে কার্পেটে হাঁটলে তা খুব তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। তাই ঘরের ভেতর পরিষ্কার চটি ব্যবহারের অভ্যাস তৈরি করতেই এই স্মার্ট ব্যবস্থা নেওয়া হয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/sock-shoe.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সারাদিন বাইরে ঘুরে বা লম্বা সফর সেরে আসার পর পায়ে আরামদায়ক কিছু পরতে সকলেরই বেশ ভালো লাগে। নরম তুলতুলে এই চটিগুলো অতিথিদের সেই আরামটুকু দেয় আর পায়ের ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে। ছোট হলেও এই পরিষেবাটি হোটেলের প্রতি অতিথিদের মুগ্ধতা এক লহমায় বাড়িয়ে দেয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/bed-sheet-shoe.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ খেয়াল করলে দেখবেন, অনেক সময় এই চটিগুলোর ওপর হোটেলের নাম বা লোগো খুব সুন্দর করে প্রিন্ট করা থাকে। এটি আসলে হোটেল কর্তৃপক্ষের একটি দারুণ এবং পরোক্ষ ব্র্যান্ডিং কৌশল। অতিথিরা যখনই এই চটি ব্যবহার করেন, অজান্তেই ওই হোটেলের নাম তাঁদের মনে গেঁথে যায়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/men-shoe.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এই স্লিপারগুলো সাধারণত এমন উপাদান দিয়ে তৈরি হয় যার দাম খুব কম এবং তা মূলত একবার ব্যবহারের জন্যই বানানো। একজন অতিথি চলে যাওয়ার পর সেগুলো ফেলে দেওয়া হয়, যাতে অন্য কাউকে পুরনো চটি পরতে না হয়। এর ফলে স্বাস্থ্যবিধি যেমন বজায় থাকে, তেমনই খরচও সীমার মধ্যে থাকে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/disposibe-shoe.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তাই পরের বার হোটেলের ঘরে এমন চটি দেখলে বুঝবেন, এটি কোনও সাধারণ বিষয় নয়। অতিথিদের সুরক্ষা, পায়ের আরাম এবং হোটেলের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার জন্যই এই দারুণ উদ্যোগ। এই ছোট ছোট যত্ন আর পরিষেবাগুলোই আসলে আপনার ছুটির দিনগুলোকে আরও স্পেশাল করে তোলে। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/is-your-dog-trying-to-tell-you-something-decoding-canine-behaviors-1339354.html</loc><lastmod>2026-08-14T10:33:15+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/look-dog.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Look Dog ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/look-dog.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আপনার পোষ্য কুকুর কি প্রায়ই একদৃষ্টে আপনার চোখের দিকে তাকিয়ে থাকে? এর অর্থ হতে পারে সে আপনার প্রতি স্নেহ ও আস্থা অনুভব করছে এবং আপনার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা করছে। চোখের এই ভাষার মাধ্যমেই অনেক সময় কুকুর তার আবেগ প্রকাশ করে। আপনি যে তার কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তারও ইঙ্গিত মিলতে পারে এই আচরণে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/dog-hug.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কুকুর নিচু স্বরে গোঙালে বা গর্জন করলে অনেকেই ভাবেন, সে বোধহয় রেগে গিয়েছে। কিন্তু সবসময় তা নয়। ভয়, অস্বস্তি, দুশ্চিন্তা এমনকী ব্যথার কারণেও কুকুর এভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে। তাই এমন পরিস্থিতিতে হঠাৎ কোনও নড়াচড়া না করে আগে তার অস্বস্তির কারণ বোঝার চেষ্টা করুন এবং তাকে নিরাপদ ও শান্ত পরিবেশ দিন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/play-dog.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেক কুকুরের মালিক আদর করে তাঁদের পোষ্যকে কোলে তুলে নিতে চান। তবে সব কুকুর যে কোলে ওঠা পছন্দ করে, তা নয়। কিছু কুকুর কোলে ওঠার জন্য লাফালাফি করলেও অনেকেই আবার এতে অস্বস্তি বোধ করে এবং ছটফট করতে থাকে। তাই পোষ্যকে কোলে নেওয়ার আগে তার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ বুঝুন এবং তার ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান করুন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/dog-friend.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আপনি বাথরুমে গেলেও পোষ্য কি আপনার পিছন পিছন হাঁটে? কুকুররা দলবদ্ধভাবে থাকতে অভ্যস্ত। তাই তারা তাদের প্রিয় মানুষের কাছাকাছি থাকলে অনেক সময় নিরাপদ ও স্বচ্ছন্দ বোধ করে। এর পাশাপাশি স্বাভাবিক কৌতূহল, মনোযোগ পাওয়ার ইচ্ছা কিংবা অভ্যাস থেকেও আপনার পিছু নিতে পারে তারা। আপনার প্রশ্রয়ে এই আচরণটি ধীরে ধীরে অভ্যাসেও পরিণত হতে পারে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/dog-kissing.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কুকুরের জন্য চকোলেট খাওয়া কিন্তু একেবারেই ঠিক নয়। কারণ চকোলেটে থাকা থিওব্রোমিন কুকুরের শরীরের জন্য বিষাক্ত। অল্প পরিমাণ চকোলেট খেলেও পেটের সমস্যা হতে পারে, আবার বেশি পরিমাণে খেলে গুরুতর অসুস্থতাও দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে ডার্ক চকোলেট কুকুরের জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। তাই চকোলেট কখনও পোষ্যের নাগালের মধ্যে রাখবেন না। ভুল করে খেয়ে ফেললে দ্রুত পশুচিকিৎসকের পরামর্শ নিন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/cute-pamper-dog.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পোষ্য কি প্রায়ই আপনার পায়ের পাতার ওপর এসে বসে থাকে, যা মাঝে মাঝে একটু অসুবিধার কারণ হয়ে দাঁড়ায়? এই আচরণের পিছনে থাকতে পারে আপনার কাছাকাছি থাকার ইচ্ছা, নিরাপত্তাবোধ কিংবা আপনার কাছ থেকে মনোযোগ পাওয়ার চেষ্টা। আপনার শরীরের কাছাকাছি থাকলে তারা আপনার আবেগ ও আশপাশের পরিস্থিতিও সহজে বুঝতে পারে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/lyadh-dog.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কুকুররা কিন্তু মানুষের কথা বেশ ভালোই বুঝতে পারে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, তারা একাধিক শব্দ ও নির্দেশ মনে রাখতে পারে এবং কিছু ক্ষেত্রে সংখ্যাগত পার্থক্যও বুঝতে সক্ষম। তাই আপনার প্রিয় বন্ধু আপনার বলা অনেক কথাই যে বুঝতে পারে, তা সত্যিই অবাক করার মতো। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/pamper.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কুকুরের স্মৃতিশক্তি থাকলেও তারা মানুষের মতো করে অতীতের ঘটনা নিয়ে ভাবতে থাকে না। পরিচিত পরিস্থিতি বা কোনও নির্দিষ্ট সংকেত সামনে এলে পুরনো অভিজ্ঞতার সঙ্গে সেটিকে মিলিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে তারা। তাই পোষ্য ঘর নোংরা করলে সবসময় ধরে নেবেন না যে সে ইচ্ছে করে এমন করেছে। একঘেয়েমি, পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাব, উদ্বেগ বা আরও মনোযোগ ও খেলাধুলার প্রয়োজনের মতো বিভিন্ন কারণও এর পিছনে থাকতে পারে। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/is-it-bad-to-put-hot-food-in-the-fridge-1339176.html</loc><lastmod>2026-08-14T09:32:10+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/containor-food.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Containor Food ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/inside-food.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেকেই রান্না করার পরপরই গরম খাবার ফ্রিজে রেখে দেন। হুটহাট দু-একদিন এমন করলে ফ্রিজ নষ্ট হবে না। তবে সবসময় এই কাজ করলে ফ্রিজের ঠান্ডা করার ক্ষমতা আস্তে আস্তে কমে যায়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/happy-fridge.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ গরম খাবার ভেতরে রাখলে ফ্রিজের ভেতরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। তখন আগের মতো ঠান্ডা করতে ফ্রিজের কম্প্রেসরকে অনেক বেশি খাটতে হয়। এতে কম্প্রেসরের ক্ষতি হতে পারে এবং বিদ্যুৎ বিলও বেশি আসে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/open-fridge.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ফ্রিজে গরম খাবার রাখলে তার পাশের রাখা দুধ, দই, শাকসবজি বা অন্য খাবারগুলোও গরম হতে শুরু করে। ফলে সেসব জিনিস দ্রুত পচে বা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/essensial-fridge.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ খাবার যদি বড় পাত্রে খুব গরম অবস্থায় রাখা হয়, তবে তা ভেতরে ভেতরে ঠান্ডা হতে সময় নেয়। এই বাড়তি গরমের কারণে খাবারের মধ্যে ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে, যা খেলে পেট খারাপ হতে পারে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/rack-food.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তাই বলে খাবার ঘণ্টার পর ঘণ্টা বাইরে ফেলে রাখাও ঠিক নয়। সবচেয়ে ভালো উপায় হল, রান্নার পর পাত্রটি একটু ঢেকে বাইরে রাখুন। ধোঁয়া বা তীব্র ভাপ কমে গেলে তারপর ফ্রিজে তুলুন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/containor-food.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তাড়াতাড়ি ঠান্ডা করতে চাইলে পুরো খাবার একটা বড় পাত্রে না রেখে কয়েকটি ছোট বাটিতে ভাগ করে নিন। ছোট বাটির খাবার খুব দ্রুত ঠান্ডা হয়ে যায় এবং ফ্রিজে রাখলেও ভেতরের তাপমাত্রায় প্রভাব ফেলে না। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/many-Food.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ খাবার সবসময় ঢাকনা দেওয়া বায়ুরোধী (এয়ারটাইট) বাটিতে রাখা উচিত। এতে খাবারের গন্ধ ফ্রিজের অন্য খাবারে ছড়ায় না এবং খাবার দীর্ঘদিন তাজা ও ভালো থাকে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/fridge-food.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ একটু সচেতন হলেই খাবার ও ফ্রিজ দুটোই ভালো রাখা সম্ভব। খাবার কিছুটা ঠান্ডা করে ফ্রিজে রাখলে বিদ্যুৎ বাঁচে, ফ্রিজ দীর্ঘদিন ভালো থাকে এবং পরিবারের স্বাস্থ্যও সুরক্ষিত থাকে। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/independence-day-2026-8-simple-facts-about-the-ashoka-chakra-you-should-know-1339141.html</loc><lastmod>2026-08-13T15:12:56+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/flag.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Flag ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/flag.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ভারতের জাতীয় পতাকার ঠিক মাঝখানে থাকা অশোক চক্রটি নেওয়া হয়েছে সারনাথের বিখ্যাত অশোক সিংহস্তম্ভে থাকা ধর্মচক্রের নকশা থেকে। ১৯৪৭ সালের ২২ জুলাই, দেশ স্বাধীন হওয়ার ঠিক কিছুদিন আগে সংবিধান সভায় এই অশোক চক্রকে জাতীয় পতাকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। প্রাচীন ভারতীয় ঐতিহ্য ও দেশের নিরন্তর প্রগতির বার্তা বহন করে চলেছে এই চক্র। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/nice-flag.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অশোক চক্রে থাকা ২৪টি দন্ড কেবল নকশা নয়, এর পেছনে রয়েছে গভীর তাৎপর্য। বিভিন্ন ব্যাখ্যায় এই ২৪টি দন্ডকে ধর্ম, সত্য, ন্যায় ও নৈতিকতার মতো বিভিন্ন জীবনমুখী গুণের সঙ্গে তুলনা করা হয়। পাশাপাশি এগুলো দিনের ২৪ ঘণ্টার সঙ্গেও যুক্ত করা হয়, যা জীবনের নিরন্তর গতি ও অগ্রগতির প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/shop-flag.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ জাতীয় পতাকার সাদা অংশের ওপর অশোক চক্রটি আঁকা হয় গাঢ় নীল বা নেভি ব্লু রঙে। ভারতের ‘ফ্ল্যাগ কোড’ অনুসারে, সাদা অংশের ঠিক মাঝখানে ২৪টি সমান দূরত্বের আরাসহ এই চক্রটির অবস্থান নির্ধারিত রয়েছে। ধর্মচক্রের এই নীল রং ভারতের প্রাচীন ঐতিহ্য ও মূল্যবোধের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/ashoka-chakra.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অশোক চক্রের অন্য নাম ‘ধর্মচক্র’। সারনাথের অশোক সিংহস্তম্ভে থাকা ধর্মচক্র থেকেই এই নকশা নেওয়া হয়েছে। ধর্ম, নৈতিকতা ও ন্যায়ের ভাবনার সঙ্গে যুক্ত এই চক্র স্বাধীন ভারতের পতাকায় দেশের সঠিক পথে এগিয়ে চলার বার্তা বহন করে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/indian-standing-flag.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ জাতীয় পতাকার প্রাথমিক নকশায় কেন্দ্রে মহাত্মা গান্ধীর সুতো কাটার চরকা ছিল। পরবর্তী সময়ে ১৯৪৭ সালে চরকার বদলে এই ঐতিহাসিক অশোক চক্রকে বেছে নেওয়া হয়। আন্দোলনকালে চরকা ছিল আত্মনির্ভরতার প্রতীক, অন্যদিকে অশোক চক্র ভারতের প্রাচীন ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে জাতীয় পতাকাকে যুক্ত করে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/wood-flag.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অশোক চক্রের সবচেয়ে বড় বার্তা হল অবিরাম গতিশীলতা। চাকার মূল ধর্মই হলো ঘোরা, আর এই ঘূর্ণন নির্দেশ করে যে গতিতেই জীবন আর থেমে থাকা মানেই পতন। এই চক্র দেশের প্রতিটি নাগরিককে স্থবিরতা কাটিয়ে প্রতিনিয়ত নিজেদের ও দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানায়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/cotton-flag.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সারনাথের যে অশোক সিংহস্তম্ভ থেকে এই চক্রের নকশা নেওয়া হয়েছে, তার মূল বেদিতে চারটি প্রাণীর নকশা খোদাই করা রয়েছে। হাতি, ঘোড়া, ষাঁড় ও সিংহ—এই চার প্রাণী এবং তাদের মাঝে থাকা ধর্মচক্র সারনাথের ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। চক্রের সঙ্গে থাকা এই প্রাণীগুলো ভারতের প্রাচীন ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির গভীরতাকে তুলে ধরে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/FREE-FLAG.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শুধু তেরঙ্গার মাঝখানেই নয়, ভারতের সর্বোচ্চ শান্তিকালীন বীরত্বের সম্মাননার নামও রাখা হয়েছে ‘অশোক চক্র’। সারনাথের ঐতিহাসিক ধর্মচক্র ভারতের জাতীয় প্রতীকেও গুরুত্বপূর্ণ স্থান পেয়েছে। যুগে যুগে এই চক্র ভারতের প্রাচীন ঐতিহ্য, ধর্ম ও নৈতিকতার সঙ্গে দেশের যোগকে তুলে ধরে। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/the-hidden-purpose-behind-bumps-on-keyboard-f-and-j-keys-1339125.html</loc><lastmod>2026-08-13T11:31:13+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/red-round.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Red Round ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/red-round.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কিবোর্ডে টাইপ করার সময় খেয়াল করলে দেখবেন F আর J লেখা বোতাম দুটির ওপর ছোট্ট একটা উঁচু দাগ থাকে। অনেকে ভাবেন, এটা বোধহয় কোনও ডিজাইনের অংশ বা প্লাস্টিকের ত্রুটি। কিন্তু কিবোর্ড তৈরির পেছনে এই ছোট্ট দাগটির ভূমিকা বেশ গুরুত্বপূর্ণ! Free Pik ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/j-type-finger.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কিবোর্ডের এই ছোট্ট বাম্প বা উঁচু দাগগুলোকে টেকনিক্যাল ভাষায় বলা হয় &#039;ট্যাকটাইল মার্কার&#039; বা &#039;হোম রো মার্কার&#039;। সোজা বাংলায় বলতে গেলে, এগুলো আসলে আপনার আঙুলের জন্য এক ধরনের দিশারির কাজ করে। চোখ না রেখেও শুধু ছুঁয়ে আপনি বুঝে যেতে পারবেন, আপনার হাত কিবোর্ডের ঠিক কোথায় রয়েছে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/typing-speed.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আসলে কিবোর্ডের দিকে না তাকিয়ে দ্রুত টাইপ করার কৌশলকে বলা হয় &#039;টাচ টাইপিং&#039;। এই পদ্ধতিতে বাঁ হাতের তর্জনী F-এর ওপর এবং ডান হাতের তর্জনী J-এর ওপর থাকে। উঁচু দাগটি আঙুলে স্পর্শ করলেই টাইপিস্ট বুঝতে পারেন যে হাত দুটো সঠিক অবস্থানে রয়েছে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/slide-line.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ দুটো তর্জনী F আর J-তে ঠিকভাবে বসে গেলেই বাকি আঙুলগুলোকেও সঠিক জায়গায় রাখা সহজ হয়। বাঁ হাতের বাকি আঙুলগুলো A, S, D-র ওপর এবং ডান হাতের বাকি আঙুলগুলো K, L ও সেমিকোলন (;) কী-এর ওপর থাকে। এভাবেই হাতের সঠিক অবস্থান বজায় রেখে মনিটরের দিকে চোখ রেখেই দ্রুত টাইপ করা যায়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/f-j.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে দ্রুত টাইপ করার সময় হাত কিছুটা এদিক-ওদিক সরে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এই দাগগুলো থাকার সুবিধে হলো, কিবোর্ডের দিকে না তাকিয়েই শুধু আঙুলের স্পর্শে খুব সহজে হাতকে আবার সঠিক পজিশনে ফিরিয়ে আনা যায়।  Free Pik ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/j-bold.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বারবার নিচে কিবোর্ডের দিকে তাকালে টাইপিংয়ের গতি কমে যেতে পারে, সঙ্গে কাজের তালও কেটে যায়। এই ছোট্ট দুটো চিহ্ন আপনার হাতের অবস্থান বুঝতে সাহায্য করে, সময় বাঁচায় এবং দ্রুত ও নির্ভুলভাবে টাইপ করার অভ্যাস গড়ে তুলতেও সাহায্য করে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/f-line.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ভাবছেন, এটা বুঝি আজকালকার ল্যাপটপের আধুনিক বুদ্ধি? একদম নয়! এই ধারণার শিকড় পুরনো দিনের টাইপরাইটারের যুগে। যুগে যুগে টাইপরাইটার থেকে কম্পিউটার ও ল্যাপটপের কিবোর্ড বদলালেও, আঙুলের সঠিক অবস্থান বোঝানোর এই অভ্যাসটি এখনও রয়ে গিয়েছে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/j-line.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শুধু F আর J-তেই নয়, বেশিরভাগ কিবোর্ডের ডানপাশের নম্বর প্যাডের দিকে তাকালেও দেখবেন, ৫ লেখা বোতামটির ওপর এমন একটি দাগ থাকে। বড় হিসাবপত্র বা সংখ্যার তথ্য টাইপ করার সময় কিবোর্ডের দিকে না তাকিয়েই হাতের অবস্থান বুঝতে এই ট্যাকটাইল মার্কার সাহায্য করে। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/easy-guide-to-check-windows-laptop-battery-health-1338872.html</loc><lastmod>2026-08-12T11:12:38+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/search.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Search ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/happy-laptop.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আজকাল ল্যাপটপ ছাড়া আমাদের চলেই না, কিন্তু কিছুদিন গেলেই ব্যাটারির চার্জ দ্রুত শেষ হতে থাকে। অতিরিক্ত গরম, দীর্ঘদিনের ব্যবহার এবং ভুলভাবে চার্জ দেওয়ার অভ্যাসের কারণেও ব্যাটারির কার্যক্ষমতা কমতে পারে। ব্যাটারির স্বাস্থ্য কেমন আছে তা আগে থেকে জানতে পারলে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া যায়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/charger-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেকে মনে করেন ব্যাটারির খবর জানতে আলাদা অ্যাপ লাগে, কিন্তু একদমই তা নয়। আপনার ল্যাপটপে Windows 10 বা 11 থাকলে কোনও সফটওয়্যার ছাড়াই এই কাজটি করতে পারবেন। উইন্ডোজের ভেতরেই ব্যাটারির যাবতীয় হিসাব পাওয়ার খুব সহজ একটা উপায় লুকিয়ে রয়েছে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/search.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ প্রথমে আপনার ল্যাপটপের স্টার্ট মেনুতে যান এবং সেখানে Command Prompt লিখে খোঁজ করুন। অ্যাপটি দেখতে পেলে তার ওপর রাইট-ক্লিক করুন এবং Run as administrator অপশনটি বেছে নিন। এতে ব্যাটারি রিপোর্ট তৈরি করার প্রয়োজনীয় অনুমতি পাওয়া যাবে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/battery-sttings.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ প্রথমে আপনার ল্যাপটপের স্টার্ট মেনুতে যান এবং সেখানে Command Prompt লিখে খোঁজ করুন। অ্যাপটি দেখতে পেলে তার ওপর রাইট-ক্লিক করুন এবং Run as administrator অপশনটি বেছে নিন। এতে ব্যাটারি রিপোর্ট তৈরি করার প্রয়োজনীয় অনুমতি পাওয়া যাবে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/battery-problem.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এবার সেই সেভ হওয়া ফাইলটিতে ক্লিক করে যেকোনও ব্রাউজারে খুলে নিন। ফাইলটিতে অনেক কিছু লেখা থাকলেও আপনাকে মূলত দুটো জিনিস নজর দিয়ে দেখতে হবে। একটি হলো Design Capacity এবং অন্যটি হলো Full Charge Capacity। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/aged-laptop.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ Design Capacity মানে হলো ল্যাপটপের ব্যাটারি নতুন অবস্থায় যতটা চার্জ ধরে রাখার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। আর Full Charge Capacity দিয়ে বোঝায় এখন ফুল চার্জ দিলে ব্যাটারি সর্বোচ্চ কতটা চার্জ ধরে রাখতে পারছে। যদি দেখেন এই দুটোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য রয়েছে, তবে বুঝবেন ব্যাটারির ক্ষমতা আগের তুলনায় কমেছে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/hand-laptop.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ব্যাটারি রিপোর্টে Cycle Count নামে আরেকটি দরকারি তথ্যও পেয়ে যাবেন। সহজ কথায়, ব্যাটারির মোট ১০০% ক্ষমতার সমপরিমাণ চার্জ আপনি কতবার ব্যবহার করেছেন, তারই হিসাব হলো এই সাইকেল কাউন্ট। ব্যাটারির Cycle Count বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ধীরে ধীরে তার ক্ষমতা কমতে পারে। তবে কত সাইকেলের পর ব্যাটারি বদলাতে হবে, তা ল্যাপটপের মডেল ও ব্যাটারির ধরন অনুযায়ী আলাদা হতে পারে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/laptop-work.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ব্যাটারি অনেক দিন ভালো রাখতে ল্যাপটপ অতিরিক্ত গরম হতে দেবেন না। নিয়মিত ব্যাটারি একেবারে ০%-তে নামিয়ে না আনা এবং দীর্ঘ সময় ১০০% চার্জে রেখে না দেওয়াই ভালো। সম্ভব হলে প্রস্তুতকারকের দেওয়া বা ল্যাপটপের জন্য উপযুক্ত চার্জার ব্যবহার করুন, এতে ব্যাটারির উপর অপ্রয়োজনীয় চাপ কমানো যায়। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/why-every-razor-blade-has-the-same-centre-pattern-1338717.html</loc><lastmod>2026-08-11T15:22:57+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/horrizontel-blade.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Horrizontel Blade ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/grey-blade.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ব্লেডের মাঝখানে একটা বিশেষ ফাঁকা নকশা থাকে। সময়ের সঙ্গে রেজরের অনেক কিছু বদলালেও ব্লেডের এই মাঝের শেপ কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে প্রায় একই রয়ে গিয়েছে। তবে এই ডিজাইনের পেছনে যেমন বিশেষ কারণ রয়েছে, তেমনই রয়েছে ইতিহাসও। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/razor-blade-razor.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ১৯০১ সালে কিং ক্যাম্প জিলেট (King Camp Gillette ) সেফটি রেজরের জন্য নতুন ধরনের পাতলা ডিসপোজেবল ব্লেডের নকশা নিয়ে কাজ শুরু করেন। ১৯০৪ সালে তাঁর এই নকশার গুরুত্বপূর্ণ পেটেন্ট অনুমোদিত হয়। তখন এই ধরনের ব্লেড তৈরির ক্ষেত্রে তাঁর কোম্পানিরই বড় দাপট ছিল। ফলে অন্য কোনও ব্লেড সহজে সেই রেজরে ব্যবহার করা যেত না। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/walk-blade.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তবে ১৯০৪ সালে অনুমোদিত জিলেটের গুরুত্বপূর্ণ পেটেন্টের মেয়াদ ১৯২১ সালের দিকে শেষ হয়ে যায়। এরপর অন্য কোম্পানিগুলিও একই ধরনের সেফটি রেজর ব্লেড তৈরি করতে শুরু করে। কিন্তু ততদিনে বহু মানুষ জিলেটের রেজরের হ্যান্ডেল কিনে ফেলেছেন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/horrizontel-blade.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মানুষের সুবিধার জন্য অন্য কোম্পানিগুলোও একই ধরনের মাপ ও mounting pattern-এর ব্লেড বানাতে থাকে, যাতে পুরনো compatible safety razor-এই নতুন ব্লেড ফিট হয়ে যায়। নতুন করে কাউকে রেজরের হ্যান্ডেল কিনতে হয়নি। এভাবেই সেফটি রেজর ব্লেডের মাঝের এই চেনা নকশা দীর্ঘদিন ধরে প্রায় একই রয়ে গিয়েছে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/stand-blade.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এর পেছনে একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহারিক কারণও আছে। ব্লেড তৈরি হয় খুব পাতলা স্টিল দিয়ে। রেজরের মধ্যে ব্লেড বসানোর সময় মাঝের এই slot বা ফুটোর সঙ্গে রেজরের নির্দিষ্ট অংশগুলি মিলে যায়। ফলে ব্লেডটি সঠিক জায়গায় বসানো এবং ঠিকভাবে secure করা যায়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/bluish-blade.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পাতলা স্টিলের ব্লেডকে রেজরের holder-এর মধ্যে ঠিকভাবে আটকে রাখার জন্য এই mounting design অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্লেডটি নির্দিষ্ট জায়গায় বসে থাকার কারণে শেভ করার সময় সেটি নিজের জায়গা থেকে সরে যাওয়ার সম্ভাবনা কমে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/blade-in-white-back.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শেভ করার সময় ব্লেডের দুটি ধারালো পাশ যাতে নির্দিষ্ট জায়গায় সঠিকভাবে থাকে, তা নিশ্চিত করতেও এই মাঝের অংশ গুরুত্বপূর্ণ। রেজরের posts বা studs-এর সঙ্গে এই slot বা ফুটোগুলি মিলে ব্লেডকে position ও secure করে। ফলে শেভ করার সময় ব্লেডের নড়াচড়া অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/blade.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কারখানায় একসঙ্গে হাজার হাজার ব্লেড তৈরি করার ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট মাপ ও নকশার এই standardisation গুরুত্বপূর্ণ। ব্লেডের মাঝের অংশটি রেজরের সঙ্গে সঠিকভাবে বসানোর পাশাপাশি উৎপাদন ও assembly-র সময়ও নির্দিষ্ট alignment বজায় রাখতে সাহায্য করে। সহজ কথায়, সুবিধার জন্যই তৈরি হয়েছিল এই চেনা নকশা, যা সময়ের সঙ্গে সেফটি রেজর ব্লেডের একটি পরিচিত বৈশিষ্ট্য হয়ে উঠেছে। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/poison-in-shiny-brinjal-how-to-identify-pesticide-laced-vegetables-in-the-market-1338622.html</loc><lastmod>2026-08-11T12:53:56+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/brinjal-1.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Brinjal ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/brinjal-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ চকচকে বেগুন দেখলেই কি ব্যাগ ভরে কিনে আনেন? তবে এই নিখুঁত আর সুন্দর সবজির আড়ালেই লুকিয়ে রয়েছে মারাত্মক বিষ। অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক দিয়ে এগুলোকে এমন লোভনীয় করে তোলা হয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/wash-properly.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বাজারে গিয়ে একটু খুঁত থাকা বা পোকায় খাওয়া সবজি আমরা সাধারণত এড়িয়ে চলি। অথচ কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে এই ধরনের সবজিতেই রাসায়নিকের প্রয়োগ সবচেয়ে কম হয়। তাই খুব বেশি নিখুঁত সবজি দেখার বদলে স্বাভাবিক চেহারার সবজি কেনা বুদ্ধিমানের কাজ। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/veggies.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেক সময় দেখা যায় পটল বা কাঁচা লঙ্কার রং অস্বাভাবিক রকমের সবুজ। এই ধরনের সবজিতে ম্যালাকাইট গ্রিন নামের এক মারাত্মক রাসায়নিক মেশানো হয় যা শরীরে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই অতিরিক্ত উজ্জ্বল বা গাঢ় রঙের সবজি কেনা থেকে বিরত থাকাই ভালো। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/select.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সবজিতে কীটনাশকের উপস্থিতি বোঝার আরও একটি সহজ উপায় হল গন্ধ। যদি কোনও সবজি থেকে স্বাভাবিক গন্ধের বদলে ওষুধের মতো উটকো গন্ধ বেরোয়, তবে তা এড়িয়ে চলুন। কারণ অতিরিক্ত স্প্রে করার ফলেই সবজির গায়ে এমন গন্ধ থেকে যায়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/put-in-bag.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অসময়ের ফুলকপি, বেগুন দেখলে লোভ হয়? কিন্তু এই অসময়ের ফসল ফলাতে কৃষকরা বাধ্য হয়ে প্রচুর রাসায়নিক ব্যবহার করেন। তাই সুস্থ থাকতে সব সময় মরসুমি সবজি খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করা জরুরি। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/tray-veg.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শুধু জলে ধুলে বিষ যায় না। এক গামলা জলে ১ চা চামচ বেকিং সোডা দিয়ে সবজি ১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন, তারপর পরিষ্কার জলে ধুয়ে নিন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/many-veggies.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ হাতের কাছে বেকিং সোডা না থাকলে? হালকা গরম জলে ভিনিগার বা নুন মিশিয়ে ধুলেও কীটনাশকের প্রভাব অনেকটা কমে যায়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/cut.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ খোসা ছাড়িয়ে খাবেন বলেও আগে ধোয়া মাস্ট। মনে রাখবেন, দেখতে খারাপ হলেও প্রাকৃতিক সবজিই শরীরের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ। তাই বাইরের চাকচিক্যে না ভুলে সঠিক সবজি চেনার কৌশল আজই জেনে নিন। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/why-internet-speed-gets-slow-during-heavy-rain-1338430.html</loc><lastmod>2026-08-10T15:36:51+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/rain-internet-3.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Rain Internet 3 ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/rain-internet-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বর্ষাকালে শুধু বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়া, সর্দি-কাশিই একমাত্র সমস্যা নয়, বৃষ্টি নামলেই আরও একটা সমস্যা দেখা যায়। তা হল বৃষ্টি শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অনেকের ইন্টারনেটের গতি বা স্পিড কমে যায়। ভিডিয়ো ঘন ঘন বাফার হতে থাকে, ওয়েবসাইট লোড হতে বেশি সময় লাগতে পারে অথবা মোবাইল ইন্টারনেট পুরোপুরি কাজ করা বন্ধ করে দিতে পারে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/rain-internet.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এবার প্রশ্ন হল, বৃষ্টিতে ইন্টারনেটের গতি কেন কমে যায়?  বৃষ্টি এবং ইন্টারনেটের গতির মধ্যে একটি সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। জেনে নিন, বৃষ্টি কীভাবে দ্রুতগতির ইন্টারনেটে বাধা সৃষ্টি করে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/rain-internet-8.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[   মনে করা হয় যে ইন্টারনেট সরাসরি বাতাসের মাধ্যমে আমাদের ফোনে আসে, কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় বেতার তরঙ্গ বা তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। স্বাভাবিক আবহাওয়ায় সেল টাওয়ার থেকে বেরনো এই তরঙ্গ সহজেই ফোনে পৌঁছায়। তবে ভারী বৃষ্টির সময় লক্ষ লক্ষ জলের ফোঁটা সেই তরঙ্গগুলি ফোনে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে বাধা তৈরি করে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/rain-internet-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ জলের ফোঁটা রেডিয়ো তরঙ্গ শোষণ করে সেগুলিকে বিভিন্ন দিকে ছড়িয়ে দিতে পারে, ফলে ফোনে পৌঁছানোর সময় সংকেত দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রযুক্তিগত পরিভাষায়, এই ঘটনাটি &#039;রেইন অ্যাটেন্যুয়েশন&#039; (Rain Attenuation) বা &#039;রেইন ফেড&#039; (Rain Fade) নামে পরিচিত। বৃষ্টি যত ভারী হয়, সংকেতের উপর এর প্রভাবও তত বেশি পড়ে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/rain-internet-10.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[  ইন্টারনেট ধীরগতির হওয়ার একমাত্র কারণ বৃষ্টি নয়। যখন ভারী বৃষ্টি হয়, তখন বেশিরভাগ মানুষ ঘরে থাকতে বাধ্য  হন। ফলে, মোবাইল ডিভাইসে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার, ভিডিয়ো দেখা, অনলাইন গেম খেলা এবং সিনেমা স্ট্রিমিং করা ব্যবহারকারীর সংখ্যা হঠাৎ করে বেড়ে যায়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/rain-internet-4.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এতে ওই এলাকার মোবাইল টাওয়ারগুলোয় সরাসরি প্রভাব পড়ে। যখন বিপুল সংখ্যক মানুষ একই সময়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করে, তখন টাওয়ারগুলোর উপর চাপ বেড়ে যায়।  ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/rain-internet-11.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ব্রডব্যান্ডও সম্পূর্ণ সুরক্ষার গ্যারান্টি দেয় না। ফাইবার-অপটিক বা ব্রডব্যান্ড সংযোগ থাকলেই বৃষ্টিতে ইন্টারনেট প্রভাবিত হবে না, এই ধারণা ভুল। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/rain-internet-9.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বৃষ্টির জল সরাসরি ফাইবার-অপটিক কেবলকে প্রভাবিত করে না, কিন্তু এটি যদি কাছাকাছি জংশন বক্স, সংযোগ পয়েন্ট বা অন্যান্য নেটওয়ার্কিং সরঞ্জামের মধ্যে প্রবেশ করে, তবে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/rain-internet-7.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বিভিন্ন স্থানে জল জমে থাকলে কেবল কানেকশন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।  ভারী বৃষ্টি বা ঝড়ের সময় মোবাইল টাওয়ারের অ্যান্টেনার সামান্য নড়াচড়াও সিগন্যাল কভারেজে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে, যা পুরো এলাকার ইন্টারনেট সংযোগকে প্রভাবিত করতে পারে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/rain-internet-5.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ভারী বৃষ্টি রেডিয়ো সংকেতকে প্রভাবিত করতে পারে, অন্যদিকে বাড়িতে বহু মানুষের ইন্টারনেট ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় নেটওয়ার্কের ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হয়। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/5-hidden-mistakes-that-are-destroying-your-air-conditioner-1338368.html</loc><lastmod>2026-08-10T14:22:42+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/hand-remote.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Hand Remote ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/yellow-control.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ গরম থেকে বাঁচতে এখন প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই এয়ার কন্ডিশনার বা এসি অপরিহার্য হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এই যন্ত্রটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমরা এমন কিছু সাধারণ ভুল করি, যার জেরে সেটি দ্রুত খারাপ হওয়ার দিকে এগিয়ে যায়। সঠিক নিয়ম মেনে না চললে অকালেই বিকল হতে পারে আপনার সাধের এসি। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/ac-temparature.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেকেই মনে করেন এসির তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রিতে রাখলে ঘর সবচেয়ে দ্রুত ঠান্ডা হয়, যা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। বিশেষজ্ঞদের মতে, ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এসি চালালে ঘরের পরিবেশ আরামদায়ক থাকে এবং কম্প্রেসরের ওপর অহেতুক চাপ পড়ে না। এই নিয়মটি মেনে চললে আপনার ইলেকট্রিক বিলও অনেকটা কম আসবে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/twenty-five-temparature.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ গরমকাল আসার আগে অনেকেই নিয়ম করে এসির সার্ভিসিং করান না, যা যন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। সারা বছর বন্ধ থাকার ফলে ভেতরে প্রচুর ধুলো জমে যায়, যা এসির ঠান্ডা করার ক্ষমতাকে একধাক্কায় কমিয়ে দেয়। তাই গরমের শুরুতে পেশাদারদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সার্ভিসিং করানো ভীষণ জরুরি। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/relief-image.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এসি চালানোর সময় ঘরের দরজা বা জানলা সামান্য খোলা থাকলে বাইরের গরম হাওয়া ভেতরে প্রবেশ করে। এর ফলে ঘর ঠান্ডা করতে মেশিনের অতিরিক্ত সময় লাগে এবং কম্প্রেসরের আয়ু দ্রুত কমে যায়। তাই এসি অন করার আগে ঘরের চারপাশ সম্পূর্ণ সিল করা আছে কি না, তা দেখে নেওয়া হল অত্যন্ত জরুরি। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/stylish-remote.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেকেই সাধারণত ঘরের ভেতরের ইউনিট পরিষ্কার রাখলেও বাইরের আউটডোর ইউনিটের দিকে কখনও নজর দেন না। আউটডোর ইউনিটে ধুলো বা ময়লা জমে গেলে হাওয়া চলাচলে বাধা তৈরি হয়, ফলে কুলিং সিস্টেম ব্যাহত হয়। তাই রোদ-বৃষ্টি থেকে বাঁচাতে নিয়মিত বাইরের অংশটিও পরিষ্কার রাখা সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/hand-remote.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ একটানা দীর্ঘক্ষণ এসি চালিয়ে রাখা যন্ত্রের জন্য মোটেই ভালো লক্ষণ নয়। ঘর পর্যাপ্ত ঠান্ডা হয়ে যাওয়ার পর কিছুক্ষণ মেশিনটি বন্ধ রাখা উচিত, যাতে কম্প্রেসর কিছুটা বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ পায়। এর ফলে এসির কর্মক্ষমতা দীর্ঘদিন পর্যন্ত অটুট থাকে এবং ভেতরের যন্ত্রাংশ সহজে খারাপ হয় না। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/roate-ac.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেকেই ঘরে সিলিং ফ্যান ও এসি একসঙ্গে চালান না, অথচ এই যুগলবন্দি ঘরকে দ্রুত ঠান্ডা করতে দারুণ সাহায্য করে। ফ্যানের হাওয়া এসির ঠান্ডা বাতাসকে ঘরের প্রতিটি কোণায় সমানভাবে ছড়িয়ে দিতে অনুঘটকের মতো কাজ করে। এতে মেশিনের ওপর থেকে অতিরিক্ত চাপ কমে এবং খুব কম সময়েই আরাম পাওয়া যায়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/ac-servicing.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ নিয়মিত এসির এয়ার ফিল্টার পরিষ্কার না করলে ভেতরে ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাস জন্ম নিতে পারে, যা স্বাস্থ্যের জন্যও মারাত্মক ক্ষতিকর। প্রতি দুই সপ্তাহ অন্তর ফিল্টারটি বের করে পরিষ্কার জলে ধুয়ে নিলে এই সমস্যা থেকে খুব সহজেই মুক্তি মেলে। এই ছোট ছোট বিষয়গুলি মাথায় রাখলে কোনও সমস্যা ছাড়াই আপনার এসি দীর্ঘদিন পরিষেবা দিতে পারবে। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/meat-marination-mistakes-tips-juicy-chicken-mutton-bengali-cooking-tips-1338311.html</loc><lastmod>2026-08-10T10:39:05+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/meat-marrination.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Meat Marrination ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/meat-marrination.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মাংস রান্নার আসল ম্যাজিক কিন্তু লুকিয়ে থাকে ম্যারিনেশনের পর্বে। ঠিক পদ্ধতিতে মশলা মাখানো হলে মাংস নরম আর রসালো হয়, না হলে পুরো স্বাদটাই মাটি হয়ে যায়। তাই রান্নার আগে এই ধাপে বেশ কয়েকটি জরুরি বিষয় মাথায় রাখতে হবে। Getty images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/decorate-chicken.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেকেই ভাবেন বেশি করে লেবু বা ভিনিগার দিলে মাংস বোধহয় বেশি নরম হবে, কিন্তু এটা একদম ভ্রান্ত ধারণা। অতিরিক্ত অ্যাসিড মাংসের উপরের প্রোটিন ভেঙে দেয়, ফলে বাইরের অংশ নরম হলেও ভিতরটা শক্ত থেকে যায়। তাই ম্যারিনেশনের মিশ্রণে টকজাতীয় উপাদানের পরিমাণ সব সময় নিয়ন্ত্রণে রাখা উচিত। Getty images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/locked-chicken.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ রাতে মশলা মাখিয়ে সকালে রান্না করার অভ্যাস অনেকেরই রয়েছে, তবে সব মাংসের ক্ষেত্রে এই নিয়ম খাটে না। মাছ বা সামুদ্রিক খাবারের জন্য পনেরো থেকে তিরিশ মিনিটই যথেষ্ট, আর মুরগির মাংসের ক্ষেত্রে দুই থেকে ছয় ঘণ্টা সময় দেওয়াই আদর্শ। টকজাতীয় মিশ্রণ দিয়ে খুব বেশিক্ষণ ফেলে রাখলে মাংসের গঠন পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। Getty images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/salt-chicken.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মশলা বা আদা-রসুনের দিকে নজর দিতে গিয়ে অনেকেই মাংসে নুন দিতে ভুলে যান বা খুব সামান্য দেন। মনে রাখবেন, নুন শুধুমাত্র স্বাদই বাড়ায় না, মাংসের ভিতরের আর্দ্রতাও ধরে রাখতে দারুণ ভাবে সাহায্য করে। নুনের ঠিকঠাক ব্যবহারের ফলেই রান্নার পরে আপনার মাংসের টুকরোগুলি রসালো আর নরম হয়। Getty images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/brush-oil.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ম্যারিনেশনের সময় অ্যাসিড ও মশলার পাশাপাশি তেলের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। তেল মাংসের গায়ে মশলা ও অন্যান্য সুগন্ধি উপাদানের স্বাদ একেবারে সমান ভাবে ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, রান্নার সময় মাংস যাতে অতিরিক্ত শুকিয়ে না যায়, সেই দিকটাও খুব ভাল ভাবে খেয়াল রাখে তেল। Getty images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/mashala-chicken.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মশলা মাখানোর পর মাংসের বাটিটা রান্নাঘরের সাধারণ তাপমাত্রায় ফেলে রাখাটা আরও একটা মস্ত বড় ভুল। সঠিক নিয়ম হল, ম্যারিনেট করার পর ঢাকা দেওয়া পাত্রে মাংস সব সময় ফ্রিজে ঢুকিয়ে রাখা। এতে ক্ষতিকর জীবাণুর বংশবৃদ্ধি ধীর হয় এবং আপনার খাবার পুরোপুরি নিরাপদ থাকে। Getty images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/wrap-chicken.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মশলা মাখানো মাংস সরাসরি গরম তেলের কড়াইতে দিয়ে দেওয়াটা আমাদের অনেকেরই খুব চেনা অভ্যাস। অতিরিক্ত তরল গরম কড়াইতে পড়লে তা থেকে বাষ্প তৈরি হয় এবং মাংস ভাজার বদলে সেদ্ধ হতে শুরু করে। তাই কড়াইতে দেওয়ার আগে নরম কাপড় দিয়ে মাংসের গায়ের অতিরিক্ত জলীয় অংশ হালকা করে মুছে নেওয়া দরকার। Getty images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/chicken-leg.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অ্যাসিড, তেল, মশলা আর নুনের সঠিক ভারসাম্যের উপরেই নির্ভর করে আপনার মাংস রান্নার আসল স্বাদ। একটু সতর্ক হয়ে এই ছোট ছোট ভুলগুলি শুধরে নিলেই আপনার মাংসের পদ হয়ে উঠবে রেস্তোরাঁর মতোই জিভে জল আনা। এবার থেকে রান্নার আগে এই নিয়মগুলি মেনে চলুন আর পরিবারের সকলের সঙ্গে চুটিয়ে উপভোগ করুন। Getty images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/business/what-happens-if-you-put-e20-gasoline-in-your-car-1338215.html</loc><lastmod>2026-08-09T20:04:23+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/Petrol-1.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Petrol (1) ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/Petrol-9.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ভারতজুড়ে E-20 পেট্রলের সহজলভ্যতা বাড়ার সঙ্গে-সঙ্গে, অনেক গাড়ির মালিক ভাবছেন যে এটি পুরোনো গাড়ির জন্য নিরাপদ কি না। ই ২০ জ্বালানিতে ২০% ইথানল এবং ৮০% পেট্রোল থাকে।  যদিও বেশিরভাগ নতুন গাড়ি ই২০-তে চলার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, তবে পুরোনো মডেলের গাড়িগুলিতে এই জ্বালানি নিয়মিত ব্যবহার করলে কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/Petrol-8.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ একবার তেল ভরলে আপনার গাড়ির ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা কম। একটি পুরনো গাড়িতে এক ট্যাঙ্ক E20 পেট্রোল সাধারণত তাৎক্ষণিক কোনও ক্ষতি করে না। বিশেষজ্ঞরা বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে এর বারবার ব্যবহারই বড় উদ্বেগের কারণ হলেও হতে পারে ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/Petrol-7.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পুরোনো রাবার এবং প্লাস্টিকের যন্ত্রাংশ দ্রুত ক্ষয় হতে পারে। কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন মন্ত্রী নিতিন গড়কারির মতে, ই২০ পেট্রোল পুরোনো বিএস-৩ এবং তার আগের মডেলের গাড়ির রাবারের যন্ত্রাংশকে প্রভাবিত করতে পারে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/Petrol-5-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পুরোনো গাড়ির ফুয়েল সিস্টেমের যন্ত্রাংশগুলো ইথানলের যুঝতে পারে না। দীর্ঘদিন ধরে E20 পেট্রোল ব্যবহারের ফলে ফুয়েল হোস, ও-রিং এবং সিলগুলো ভঙ্গুর হয়ে যেতে পারে, ফেটে যেতে পারে বা লিক করতে পারে,যার ফলে রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজনীয়তা বেড়ে যায়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/Petrol-5.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ । প্রচলিত পেট্রোলের তুলনায় ইথানলে শক্তি কম থাকে। ফলে, কিছু পুরোনো গাড়িতে E20 জ্বালানি ব্যবহার করলে মাইলেজ কিছুটা কমে যেতে পারে, যদিও এই পার্থক্য সাধারণত সামান্যই হয়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/Petrol-4.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ইঞ্জিনের কার্যক্ষমতায় সামান্য পরিবর্তন আসতে পারে। পুরোনো গাড়ির কিছু চালক কিছু ছোটখাটো পরিবর্তন লক্ষ্য করতে পারেন, যেমন—ইঞ্জিন চালু অবস্থায় ঝাঁকুনি, গতি বাড়াতে না পারা। সাধারণত, একবার ভুলবশত তেল ভরার চেয়ে ক্রমাগত ব্যবহারের ফলেই এই প্রভাবগুলো দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/Petrol-3.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তবে এতে আতঙ্কিত হওয়ার ব্যাপার নেই। জ্বালানি স্বাভাবিকভাবে ব্যবহার করুন। আপনি যদি ইতিমধ্যেই আপনার ট্যাঙ্কে E20 ভরে থাকেন, তবে সাধারণত তা সঙ্গে সঙ্গে খালি করার কোনও প্রয়োজন নেই। স্বাভাবিকভাবে গাড়ি চালানো চালিয়ে যান। জ্বালানিটি ব্যবহার করে শেষ করুন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/Petrol-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সমস্যা হলে গাড়ি দেখান। আপনার গাড়িটি E20-উপযোগী কি না তা জানার সবচেয়ে সহজ উপায় হল ম্যানুয়ালটি দেখা অথবা প্রস্তুতকারকের সঙ্গে যোগাযোগ করা। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বিক্রি হওয়া অনেক নতুন পেট্রোল চালিত গাড়ি E20 ​​জ্বালানি সমর্থন করার জন্য ডিজাইন বা আপডেট করা হয়েছে। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/dangers-of-wearing-crocs-podiatrists-warn-against-silent-damage-to-adults-and-kids-1337701.html</loc><lastmod>2026-08-07T16:08:19+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/pink-shoe.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Pink Shoe ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/pink-shoe.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আজকাল ছোটো থেকে বড়, সকলের পায়েই দেখা যায় ক্রকস জুতো। পরতে আরামদায়ক হওয়ায় এর জনপ্রিয়তা হু হু করে বেড়েছে। তবে চিকিৎসকদের সতর্কতা, এই জুতো নিয়মিত পরলে অজান্তেই আপনার ও আপনার শিশুর পায়ের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/blue-crocks.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শিকাগোর বিখ্যাত পদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মেগান লিহি জানিয়েছেন, ক্রকস সারাদিন পরার জন্য একেবারেই উপযুক্ত নয়। এই জুতোর পিছনের অংশে গোড়ালিকে সঠিক সাপোর্ট দেওয়ার মতো কোনও মজবুত কাঠামো নেই। ফলে হাঁটার সময় ভারসাম্য বজায় রাখতে পায়ের আঙুলগুলোকে অনেক বেশি কসরত করতে হয়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/white-crocks.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এমন অতিরিক্ত কসরতের কারণে পায়ের স্নায়ু ও পেশিতে মারাত্মক চাপ পড়ে শুরু হয় নানা সমস্যা। দীর্ঘদিন ধরে এই জুতো পরলে পেশিতে প্রদাহ বা টেন্ডোনাইটিস হওয়া খুব স্বাভাবিক। এমনকি আঙুল বেঁকে যাওয়া বা কড়া পড়ার মতো যন্ত্রণাদায়ক সমস্যাও দেখা দিতে পারে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/black-shoe.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এই জুতোর মাঝখানের অংশটি অত্যন্ত নরম হওয়ায় এটি সঠিক আর্চ সাপোর্ট দেওয়ার জন্য একেবারেই উপযুক্ত নয়। দীর্ঘক্ষণ এটি পরে থাকলে প্লান্টার ফ্যাসাইটিস বা গোড়ালির ব্যথায় ভুগতে হতে পারে। যাঁরা আগে থেকেই পায়ের ব্যথায় ভুগছেন, তাঁদের কখনও এই জুতো পরা উচিত নয়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/bali-te-crocks.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শিশুদের ক্ষেত্রে এই জুতোর ব্যবহার আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে দৌড়াদৌড়ি বা খেলার সময় এই জুতো পা থেকে সহজেই পিছলে গিয়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়। এর ফলে হোঁচট খেয়ে পড়ে গিয়ে শিশুদের বড়সড় চোট পাওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/crocks-car.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শপিং মলের চলন্ত সিঁড়ি বা এসক্যালেটরে শিশুদের ক্রকস পরিয়ে ওঠা অত্যন্ত ঝুঁকির। জুতোর নরম উপাদান এসক্যালেটরের খাঁজে আটকে গিয়ে বিশ্বে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটার খবর সামনে এসেছে। তাই ছোটদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে এমন জুতো এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/rain-croks.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ক্রকস যে একেবারেই পরা যাবে না এমন কোনও কথা নেই। সমুদ্রসৈকতে হাঁটা, বাগানে কাজ করা বা সুইমিং পুলে যাওয়ার সময় অল্প সময়ের জন্য এটি পরা যেতে পারে। তবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা হাঁটা বা সারাদিন পরে থাকার জন্য এটি কখনওই উপযুক্ত নয়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/crocks-red.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পায়ের সুস্থতা বজায় রাখতে সর্বদা সঠিক মাপের এবং মজবুত গোড়ালি যুক্ত জুতো বেছে নেওয়া উচিত। প্রতিদিনের ব্যবহারের জন্য স্নিকার্স বা ভালো স্পোর্টস শু অনেক বেশি নিরাপদ। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/5-home-appliances-that-consume-more-electricity-than-an-ac-1337656.html</loc><lastmod>2026-08-07T10:55:43+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/ac-bill.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Ac Bill ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/corner-ac.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেকেরই ধারণা যে বাড়িতে এসি চালালেই বোধহয় সবচেয়ে বেশি বিদ্যুতের বিল আসবে। কিন্তু অবাক করা সত্যি হল, আমাদের রোজকার ব্যবহৃত বেশ কয়েকটি বৈদ্যুতিক যন্ত্রের পাওয়ার রেটিং দেড় টন এসির চেয়েও অনেক বেশি। এই গ্যাজেটগুলি চুপিসারে আপনার ইলেকট্রিক বিল বাড়িয়ে দিচ্ছে, যার খবর হয়তো আপনি টেরও পান না। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/ac-bill.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এসি সাধারণত টানা অনেক ঘণ্টা ধরে চলে বলেই মাসের শেষে বিদ্যুতের বিল বেশি আসে, যা আমাদের চোখে পড়ে। অন্যদিকে, বেশি ওয়াটের কিছু সাধারণ যন্ত্র অল্প সময়ের জন্য ব্যবহৃত হলেও সেই সময়ে হু হু করে বিদ্যুৎ খরচ হয়। তাই ওয়াট এবং ব্যবহারের সময়ের এই সহজ সমীকরণটা বুঝে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/gyser.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শীতকালে স্নানের জন্য ব্যবহৃত ওয়াটার হিটার বা গিজার বাড়ির সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ খরচ করা যন্ত্রগুলির মধ্যে অন্যতম। একটি সাধারণ গিজারের পাওয়ার রেটিং প্রায় তিন হাজার ওয়াট পর্যন্ত হতে পারে, যা মাত্র এক ঘণ্টা চললেই প্রায় তিন ইউনিট বিদ্যুৎ পুড়িয়ে দেয়। তবে গিজার অল্প সময়ের জন্য চলে বলে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব খুব একটা চোখে পড়ে না। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/hair-dryer-ki.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ স্নান সেরে চুল শুকানোর জন্য যে হেয়ার ড্রায়ার আমরা প্রায়শই ব্যবহার করি, সেটি আকারে ছোট হলেও বিদ্যুৎ খরচের দিক থেকে বেশ শক্তিশালী। একটি হেয়ার ড্রায়ারের পাওয়ার রেটিং সাধারণত প্রায় ২২০০ ওয়াট হয়ে থাকে, যা টানা এক ঘণ্টা চললে ২.২ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করবে। অল্প সময়ের জন্য ব্যবহৃত হলেও এটি কিন্তু চুপিসারে বিল বাড়াতে বড় ভূমিকা নেয়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/non-stick-cook-top.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আজকাল দ্রুত রান্না সারতে অনেকেই রান্নাঘরে ইন্ডাকশন কুকটপ ব্যবহার করেন, যা কাজ সহজ করলেও প্রচুর বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়। একটি সাধারণ ইন্ডাকশন কুকটপ প্রায় ২১০০ ওয়াট ক্ষমতায় কাজ করে, ফলে এক ঘণ্টা টানা রান্না করলে ২.১ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয়। তাই নিয়মিত দীর্ঘক্ষণ ইন্ডাকশনে রান্না করলে মাসের শেষে বড় অঙ্কের বিল আসাটা খুবই স্বাভাবিক। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/electric-kettle.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ চা তৈরি করা বা জল গরম করার জন্য ইলেকট্রিক কেটলি এখন ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছে, যা প্রায় ২২০০ ওয়াট ক্ষমতায় কাজ করে। এটিও এক ঘণ্টায় প্রায় ২.২ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারে, তবে ব্যবহারের সময়কাল খুব সামান্য হওয়ায় বিলে এর প্রভাব কম থাকে। তা সত্ত্বেও দিনে বারবার জল গরম করলে বিদ্যুতের খরচ কিন্তু অনেকটাই বেড়ে যায়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/microwave.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ খাবার গরম করতে মাইক্রোওয়েভ ওভেনের ব্যবহার রোজকার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে, আর এর পাওয়ার রেটিংও সাধারণ দেড় টন এসির তুলনায় বেশ কিছুটা বেশি। সাধারণত প্রায় ২১০০ ওয়াট ক্ষমতায় কাজ করা এই যন্ত্রটি টানা এক ঘণ্টা চললে ২.১ ইউনিট বিদ্যুৎ পুড়িয়ে ফেলতে পারে। যদিও মাইক্রোওয়েভ মাত্র কয়েক মিনিটের জন্য চলে, তবুও এর ওয়াট ক্ষমতা যথেষ্ট বেশি। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/many-electric.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বিদ্যুৎ বিলের বোঝা কমাতে চাইলে এই ধরনের উচ্চ ক্ষমতার বৈদ্যুতিক যন্ত্রগুলির ব্যবহার যতটা সম্ভব সীমিত রাখা প্রয়োজন। কাজের শেষে অবশ্যই সুইচ বন্ধ রাখুন এবং খুব প্রয়োজন না পড়লে এই গ্যাজেটগুলির বদলে অন্য সাধারণ বিকল্প খোঁজার চেষ্টা করুন। একটু সচেতন হয়ে এই সহজ নিয়মগুলো মেনে চললে মাসের শেষে আপনার কষ্টার্জিত টাকা অনেকটাই বেঁচে যাবে। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/easy-way-to-defrost-freezer-quickly-at-home-1337539.html</loc><lastmod>2026-08-06T15:31:33+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/ice-deep-fridge.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Ice Deep Fridge ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/ice-deep-fridge.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ফ্রিজে অতিরিক্ত বরফ জমে গেলে খাবার রাখার জায়গা যেমন কমে যায়, তেমনই ফ্রিজের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে বিদ্যুতের বিলও বেশি আসে। কিন্তু এই বরফ সরাতে গিয়ে অনেকেই তাড়াহুড়ো করে ভুল পদ্ধতি ব্যবহার করেন। একটু বুদ্ধি খাটালেই কোনও ঝামেলা ছাড়া আর ফ্রিজের কোনও ক্ষতি না করে খুব সহজে এই জমে থাকা বরফ পরিষ্কার করে নেওয়া যায়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/many-ice.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেকে বরফ খসাতে ছুরি, কাঁচি বা ধারালো কোনও জিনিস দিয়ে খোঁচাখুঁচি শুরু করেন, যা একদমই করা উচিত নয়। এতে ফ্রিজের ভেতরের প্লাস্টিক বা গ্যাস পাইপ ফুটো হয়ে যেতে পারে। একবার গ্যাসের পাইপ নষ্ট হলে পুরো ফ্রিজটাই অকেজো হয়ে যাবে এবং তা ঠিক করতে অনেক টাকা খরচ হয়ে যাবে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/boil-water.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বরফ তাড়াতাড়ি গলাতে ভেতরে ফুটন্ত গরম জল ঢেলে দেওয়াও চরম ভুল কাজ। অতিরিক্ত গরমে ফ্রিজের প্লাস্টিকের বডি বা ট্রে ফেটে যেতে পারে এবং দরজার রাবার নষ্ট হয়ে যায়। দরজার রাবার ঢিলে হয়ে গেলে বাইরের গরম হাওয়া ভেতরে ঢুকে খুব দ্রুত আবার বরফ জমিয়ে ফেলে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/hot-water.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বরফ সরানোর সবচেয়ে সহজ ও নিরাপদ উপায় হলো ফ্যান এবং হালকা গরম জলের ভাপ ব্যবহার করা। এই পদ্ধতিতে প্লাস্টিক বা ফ্রিজের কোনও ক্ষতি ছাড়াই বরফ আলগা হয়ে যায়। এরপর শক্ত কিছু ছাড়াই সাধারণ প্লাস্টিকের চামচ বা স্প্যাচুলা দিয়ে হালকা ধাক্কা দিলেই বরফ খসে পড়ে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/fridge-open.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কাজ শুরু করার আগে ফ্রিজের সুইচ বন্ধ করে প্লাগটি খুলে নিন এবং ভেতরের সব খাবার সরিয়ে রাখুন। ফ্রিজের নিচের অংশে একটি তোয়ালে পেতে দিন যাতে বরফ গলে জল মেঝেতে না ছড়ায়। এবার একটি বাটিতে হালকা গরম জল নিয়ে ফ্রিজের ভেতর রেখে ১০ মিনিটের জন্য দরজা বন্ধ করে দিন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/choose.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ১০ মিনিট পর দরজা খুলে একটি ফ্যান ফ্রিজের ভেতরের দিকে চালিয়ে দিন। ঘরের স্বাভাবিক হাওয়া ভেতরে ঢুকলে বরফ খুব দ্রুত গলতে শুরু করবে। এরপর একটি প্লাস্টিকের চামচ দিয়ে হালকা হাতে নরম হয়ে যাওয়া বরফগুলো তুলে ফেলুন, দেখবেন সব বরফ এক ঘণ্টাও লাগবে না পরিষ্কার হয়ে যাবে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/cool-cool-ice.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ফ্রিজের বরফ নিয়মিত পরিষ্কার রাখা খুব জরুরি, কারণ বরফ বেশি জমে গেলে ফ্রিজ ঠিকমতো ঠান্ডা হতে পারে না। নিয়মিত পরিষ্কার করলে ফ্রিজের কমপ্রেসরের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে না এবং যন্ত্রটি অনেক দিন ভালো থাকে। একই সঙ্গে ফ্রিজ কম বিদ্যুৎ টেনে আপনার মাসের খরচ অনেকটাই কমিয়ে দেয়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/fridge-image.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মাসে অন্তত একবার এই সহজ উপায়ে ফ্রিজ পরিষ্কার করে নিলে বরফ কখনও খুব বেশি শক্ত হতে পারবে না। কাজ শেষে পরিষ্কার শুকনো কাপড়ে ফ্রিজের ভেতরটা ভালো করে মুছে নিন। কোনও রকম ছুরি বা ফোটানো জল ছাড়াই আপনার ফ্রিজ থাকবে একবারে নতুন আর ঝকঝকে। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/easy-hacks-to-dry-clothes-indoors-fast-during-rainy-season-without-sunlight-1337276.html</loc><lastmod>2026-08-05T15:09:16+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/4-DRY.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ 4 Dry ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/4-DRY.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ভরা বর্ষায় আকাশে মেঘের ঘনঘটা আর একনাগাড়ে বৃষ্টিতে সূয্যিমামা একেবারে উধাও। কাদা-জল লেগে জামাকাপড় কাচা হলেও রোদের অভাবে দিনের পর দিন ভেজা কাপড় ঝুলতে থাকে বারান্দায়। ফলে শুকনো তো দূরের কথা, পোশাক থেকে সোঁদা দুর্গন্ধ বার হতে শুরু করে এবং কাপড় নষ্ট হয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/CLOTH-CARRY.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ রোদের অনুপস্থিতি কাটাতে দারুণ কাজ করে পুরনো খবরের কাগজ। ভেজা কাপড় কাচার পর তা খবরের কাগজে মুড়িয়ে চেপে ধরলে অতিরিক্ত জল কাগজ শুষে নেয়। বিশেষ করে মোজা, রুমাল বা অন্তর্বাসের মতো ছোট কাপড়ের ভেজা ভাব কাটাতে এই টোটকা অত্যন্ত কার্যকরী। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/DRYER-DRY.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ জরুরি দরকারে পোশাক দ্রুত শোকানোর অন্যতম উপায় হল হেয়ার ড্রায়ার। ভেজা জামাটি খুব ভাল করে চিপে অতিরিক্ত জল বার করে নেওয়ার পর হেয়ার ড্রায়ারের ব্লো এয়ার ব্যবহার করলে কাপড় ঝটপট শুকিয়ে যায়। তবে খেয়াল রাখবেন, কাপড়ের একই জায়গায় বেশিক্ষণ ড্রায়ার ধরে রাখলে তা পুড়ে যেতে পারে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/IRON-DRY.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ স্যাঁতসেঁতে জামাকাপড়ের আর্দ্রতা কাটাতে ইস্ত্রি ব্যবহারের বিকল্প নেই। তবে ভেজা কাপড়ের ওপর সরাসরি ইস্ত্রি না চালিয়ে, তার ওপর একটি শুকনো সুতির সুতি বা সুতির তোয়ালে বিছিয়ে তারপর আয়রন করুন। এতে কাপড়ের কোনও ক্ষতি না হয়েই ভেজা ভাব নিমেষে উধাও হবে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/WHITE-DRY.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ঘরের ভেতরে কাপড় মেলা হলে বাতাস ভারী হয়ে ঘরে স্যাঁতসেঁতে ভাব তৈরি হয়। এই সমস্যা এড়াতে ঘরের কোণে কয়েকটি খবরের কাগজ দলা পাকিয়ে বা স্তুপ করে রেখে দেওয়া ভালো। খবরের কাগজ ঘরের অতিরিক্ত আর্দ্রতা ও ময়েশ্চার দ্রুত টেনে নিয়ে ঘর শুষ্ক রাখতে সাহায্য করে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/CLOTH-DRY-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ওয়াশিং মেশিনের ড্রায়ার ব্যবহার করলে কাপড় দ্রুত শুকায়, কিন্তু ভারী জিন্স শোকানো কঠিন। মোটা জিন্সের জল ঝরাতে একটি শুকনো তোয়ালে দিয়ে জিন্সটি পেঁচিয়ে ভালো করে চেপে নিন। এরপর স্পিন ড্রায়ারে দিয়ে বেশি তাপে ১০-১৫ মিনিট রাখলে মোটা কাপড়ও খটখটে হয়ে যাবে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/FAN-DRY-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ রাতে ফ্যানের হাওয়ায় জামাকাপড় শোকানো বেশ সহজ ও কার্যকর পদ্ধতি। ফ্যানের নীচে দড়ি বা ক্লোথ র‍্যাক বসিয়ে কাপড় মেলে দিন এবং ঘরের অন্তত একটি জানালা খোলা রাখুন। ঘরে বাতাস চলাচলের জায়গা থাকলে সোঁদা গন্ধ হবে না এবং সারারাত ফ্যান চললে সকালে কাপড় শুকিয়ে যাবে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/SELF-DRY.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পোশাক কাচার শেষ ধাপে জলের সঙ্গে কিছুটা ভিনিগার বা বেকিং সোডা মিশিয়ে নিলে কাপড়ে জীবাণু বা স্যাঁতসেঁতে গন্ধ জমাট বাঁধে না। এ ছাড়া জামাকাপড় দড়িতে মেলার সময় একটার সঙ্গে অন্যটার দূরত্ব বজায় রাখুন, যাতে বাতাস সহজে চলাচল করতে পারে। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/monsoon-health-myth-does-eating-curd-cause-cold-and-sore-throat-1337046.html</loc><lastmod>2026-08-04T16:09:26+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/soil-pot-curd.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Soil Pot Curd ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/green-curd.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বর্ষাকালে দুপুরের খাবারের শেষে এক বাটি দই বা এক গ্লাস ঘোল খাওয়ার রেওয়াজ বহু পরিবারেই রয়েছে। পরিপাকতন্ত্রের চিকিৎসকদের মতে এই প্রাচীন অভ্যাসটি স্রেফ কোনও ঐতিহ্য নয়, বরং এটি আমাদের অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। তাজা দইয়ে থাকা প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান পুরো শরীরের সার্বিক সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। Getty images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/soil-pot-curd.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ দই এবং ঘোল হল প্রোবায়োটিকের প্রাকৃতিক উৎস, যা অন্ত্রের অণুজীবের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। একটি সুষম ও সুস্থ অন্ত্র পরিপাক প্রক্রিয়াকে স্বাভাবিক রাখে এবং ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়ার প্রভাব থেকে শরীরকে রক্ষা করে। ফলে নিয়মিত দই খেলে হজম সংক্রান্ত জটিলতা অনেকটাই কমে যায়। Getty images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/decorated-curd.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সুস্থ অন্ত্র কেবল খাবার হজম করতেই সাহায্য করে না, বরং খাদ্য থেকে পুষ্টি উপাদান শোষণেও শরীরকে সহাযোগিতা করে। দুপুরের খাবারে নিয়মিত দই বা ঘোল অন্তর্ভুক্ত করলে পেট ফাঁপা, গ্যাস, অম্বল এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সাধারণ সমস্যাগুলো থেকে সহজে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হয়। এটি পরিপাকতন্ত্রকে শান্ত ও সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। Getty images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/wooden-spoon.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বিশেষজ্ঞদের মতে আমাদের শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থার একটি বড় অংশ অন্ত্রের স্বাস্থ্যের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। দইয়ের মতো প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার নিয়মিত খেলে অন্ত্রের স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় থাকে। এর ফলে মরসুমি নানাবিধ সংক্রমণের বিরুদ্ধে শরীরের নিজস্ব প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটাই শক্তিশালী হয়ে ওঠে। Getty images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/soup-bowl-curd.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বর্ষাকালে বা গলা ব্যথা হলে অনেকে সর্দি লাগার ভয়ে দই খাওয়া একদম বন্ধ করে দেন। তবে চিকিৎসকদের স্পষ্ট বক্তব্য, তাজা দই খেলে সর্দি-কাশি হয় এই ধারণার পেছনে কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। ঠান্ডা লাগার আসল কারণ হলো বায়ুবাহিত ভাইরাস, খাবার হিসেবে দই কোনওভাবেই সর্দির জন্য দায়ী নয়। Getty images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/orange-curd.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ খুব ঠান্ডা বা বাসি দই খেলে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সাময়িক গলায় অস্বস্তি বা জ্বালা ভাব তৈরি হতে পারে। স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রাখা তাজা দই অধিকাংশ সুস্থ মানুষের জন্যই সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং সহজপাচ্য। তাই ফ্রিজ থেকে বের করেই সরাসরি খুব ঠান্ডা দই না খেয়ে কিছুক্ষণ বাইরে রেখে খাওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। Getty images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/wood-curd.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ প্রতিদিনের দুপুরের খাবারে এক বাটি দই বা এক গ্লাস পাতলা ঘোল রাখা একটি অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর অভ্যাস। সামান্য ধনেপাতা এবং এক চিমটি গোলমরিচের গুঁড়ো দিয়ে ঘোল তৈরি করলে তা যেমন সুস্বাদু হয়, তেমনই হজমের জন্যও বেশ ভালো। এই সহজ অভ্যাসটি বর্ষাতেও আপনাকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে। Getty images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/curd-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তাজা দই এবং ঘোল শরীরকে প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ক্যালসিয়াম এবং দরকারী ব্যাকটেরিয়া সরবরাহ করে। চিকিৎসকের নিষেধাজ্ঞা বা ডেয়ারি পণ্যে অ্যালার্জি না থাকলে সর্দি লাগার অযৌক্তিক ভয়ে খাদ্যতালিকা থেকে দই বাদ দেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। সঠিক নিয়মে তাজা দই খেয়ে বর্ষাতেও নিজের সুস্থতা বজায় রাখুন। Getty images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/14k-vs-18k-gold-which-is-better-for-everyday-fine-jewellery-1336962.html</loc><lastmod>2026-08-04T13:23:53+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/gold-chain.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Gold Chain ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/gold-chain-and-ring.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ রোজকার ব্যবহারের জন্য ১৪ ক্যারট নাকি ১৮ ক্যারট সোনা ভালো, তা নির্ভর করে আপনার পছন্দ আর কাজের ওপর। ১৪ ক্যারট সোনায় প্রায় ৫৮ শতাংশ এবং ১৮ ক্যারটে ৭৫ শতাংশ খাঁটি সোনা থাকে। বাকি অংশে অন্য ধাতু মেশানো হয়, যা গয়নাকে মজবুত করে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/gold-chain.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ প্রতিদিন ব্যবহারের জন্য ১৪ ক্যারট সোনা বেশি ভালো। এতে খাদ বেশি থাকে বলে সহজে টোকা খায় না বা আঁচড় পড়ে না। পাতলা আংটি, চেইন বা হালকা চুড়ির জন্য এই সোনা দারুণ উপযোগী। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/bangle-and-neck-piece.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সোনার উজ্জ্বল রঙ এবং খাঁটি উপাদানের আভিজাত্য চাইলে ১৮ ক্যারট সোনাই সেরা। বিশেষ করে হলুদ সোনায় ১৮ ক্যারটের যে উজ্জ্বল ও রাজকীয় রঙ ফুটে ওঠে, তা চোখে পড়ার মতো। বড় বড় জুয়েলারি ব্র্যান্ডগুলো এই সোনাই বেশি ব্যবহার করে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/pecocok-decorate-jwellery.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ হলুদ সোনার ক্যারট অনুযায়ী রঙের ফারাক সহজে বোঝা গেলেও হোয়াইট বা রোজ গোল্ডে তা একটু আলাদা। এগুলোতে খাদের ধরনের ওপর রঙ নির্ভর করে। তাই কেবল ক্যাটাগরি দেখে সিদ্ধান্ত না নিয়ে আসল গয়না দেখে নির্বাচন করা উচিত। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/showcase-jwellery.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ গয়না কতটা দীর্ঘস্থায়ী হবে তা শুধু ক্যারটের ওপর নয়, বানানোর ওপর নির্ভর করে। ভেতরটা ফাঁপা হলে ১৪ ক্যারট হোক বা ১৮ ক্যারট, দুটোই সহজে দুমড়ে যেতে পারে। তাই কেনার সময় গয়নাটি নিরেট কি না আর ওজন কত, তা জেনে নেওয়া দরকার। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/stone-jwellery.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সব ধাতুর গয়নাতেই ব্যবহারের সঙ্গে হালকা দাগ পড়ে। ১৪ ক্যারট সোনা শক্ত হওয়ায় দাগ দেরিতে বোঝায়, আর ১৮ ক্যারট সোনায় ব্যবহারের ছাপ একটু দ্রুত পড়ে। তবে ঘন ঘন পলিশ করা ঠিক নয়, এতে সোনার ক্ষয় হয়। যত্ন সহকারে ব্যবহার করাই বুদ্ধিমানের কাজ। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/bange-diffrence.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ গয়নায় ৫৮৫ বা ৭৫০ লেখা হলমার্ক দেখে সোনার মান বোঝা যায়। তবে হলমার্ক কিন্তু গয়না কতটা মজবুত তা বলে না। তাই কেনার সময় রসিদে সোনা আর খাদের বিস্তারিত বিবরণ চেয়ে নেওয়া উচিত। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/chain-diffrence.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আপনার যে গয়না পছন্দ আর যা রোজকার ব্যবহারে সহজে নষ্ট হবে না, সেটাই কেনা উচিত। ক্যারটের পাশাপাশি বানানো দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়াটাই সঠিক কাজ। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/why-hotel-check-in-is-at-noon-and-check-out-is-at-10-am-1336741.html</loc><lastmod>2026-08-03T14:49:29+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/check-in.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Check In ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/check-in.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ঘুরতে গিয়ে প্রায়ই দেখা যায়, প্রায় সব হোটেলেই সকাল ১০টা বা ১১টায় চেক-আউট করতে হয় আর নতুন রুমে ঢুকতে দেওয়া হয় দুপুর ১২টা বা ১টায়। ২৪ ঘণ্টার ভাড়া গোনার পরও মাঝখানের এই ২ ঘণ্টার সময়টা কোথায় যায়, তা নিয়ে বহু মানুষের মনেই প্রশ্ন জাগে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/hotel-break-fast.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ প্রথম কারণটি কিন্তু পর্যটকদের সুবিধার কথা ভেবেই তৈরি। বেশির ভাগ মানুষই সকালে টিফিন খেয়ে বের হতে ভালোবাসেন, তাই সকাল ১০টার মধ্যে ঘর ছাড়তে সুবিধা হয়। আর দূরে কোথাও সফর করে নতুন অতিথিরা দুপুরে পৌঁছে একটু বিশ্রামের জন্য ১২টার সময়টাকেই সেরা মনে করেন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/hotel-relax-image.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ দ্বিতীয়ত, এটি কোনও একটি হোটেলের নিজস্ব নিয়ম নয়, বরং সারা পৃথিবীজুড়ে চলা একটি সাধারণ আন্তর্জাতিক নিয়ম। পৃথিবীর যে প্রান্তেই যাওয়া হোক না কেন, সময় নিয়ে যাতে কোনও বিভ্রান্তি তৈরি না হয়, তাই বিশ্বজুড়ে সব হোটেল একই টাইমিংয়ের ছক মেনে চলে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/hotel-swipe.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তৃতীয় বড় কারণটি হল ঘরের সাজগোজ ও গুছিয়ে তোলার প্রক্রিয়া। পুরনো অতিথি ঘর ছেড়ে চলে যাওয়ার পর সেই রুমটি একদম সাফ করতে হয়। বিছানার চাদর, তোয়ালে বদলানো থেকে শুরু করে বাথরুম পুরোপুরি পরিষ্কার করতে বেশ কিছুটা সময় লেগে যায়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/hotel-room-free-pik.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ একসঙ্গে যখন একটি হোটেলের ২০-৩০টি ঘর খালি হয়, তখন কর্মচারীদের পক্ষে খুব কম সময়ে সবকটি রুম নতুন অতিথির জন্য রেডি করা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। প্রতিটি ঘর নিখুঁত ও ফ্রেশ করে তোলার জন্যই এই ২ ঘণ্টার ফাঁক রাখা খুব দরকার হয়ে পড়ে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/bath-tub.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শুধু পরিষ্কার করাই নয়, ঘরের ছোটখাটো বিষয়গুলি ঠিক আছে কি না তা পরখ করার সময়ও এটাই। এসি ঠিকমতো ঠান্ডা হচ্ছে কি না, কল দিয়ে জল আসছে কি না বা টিভি চলছে কি না, এই সময়টুকুতেই হোটেলের স্টাফেরা চটজলদি সব পরীক্ষা করে নেন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/hotel-time-pass.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এছাড়া হোটেলের সফটওয়্যারে পুরনো হিসাব মেটানো এবং নতুন অতিথির নাম-ঠিকানা সঠিকভাবে এন্ট্রি করার জন্যও কিছুটা সময় লাগে। এর ফলে ফ্রন্ট ডেস্কে গিয়ে কোনও ভুল বোঝাবুঝি বা অতিরিক্ত ভিড় সামলানো সহজ হয়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/check-out.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ নতুন অতিথি হিসেবে যে কেউ যাতে একদম পরিচ্ছন্ন এবং সুরক্ষিত একটি ঘর পান, সেই সুব্যবস্থা সুনিশ্চিত করতেই হোটেলগুলি এই সময়ের ব্যবধান মেনে চলে। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/lifestyle/reasons-behind-refrigerator-clicking-sounds-and-easy-fixes-1336635.html</loc><lastmod>2026-08-03T10:46:00+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/open-fridge-check.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Open Fridge Check ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/open-fridge-check.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজ থেকে হঠাৎ কট কট বা ঘড়ঘড় শব্দ শুনে অনেকেই ফ্রিজ খারাপ হয়ে যাওয়ার ভয়ে চিন্তায় পড়ে যান। তবে মেকানিক ডেকে অহেতুক টাকা খরচ করার আগে জেনে নিন যে এই জাতীয় অস্বাভাবিক শব্দ সবসময় বড় কোনও খারাপ হওয়ার লক্ষণ নয়। বেশ কিছু সাধারণ ও ঘরোয়া কারণেই কিন্তু আপনার বাড়ির প্রিয় ফ্রিজটি থেকে এমন বিকট আওয়াজ তৈরি হতে পারে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/SET-FRIDGE.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেক সময় ফ্রিজ অসম মেঝেতে রাখা থাকলে কম্প্রেসর ঘোরার সময় তীব্র কম্পন সৃষ্টি হয় এবং সেখান থেকে কট কট শব্দ বের হতে পারে। এছাড়া ফ্রিজকে একেবারে দেওয়ালের সাথে ঠেকিয়ে না রেখে পেছনে অন্তত ছয় ইঞ্চির ফাঁকা জায়গা রাখা খুবই জরুরি। এতে পেছনের জমে থাকা গরম বাতাস সহজে বের হতে পারে এবং কম্প্রেসরের ওপর বাড়তি চাপ পড়া অনেকটাই কমে যায়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/whole-open-fridge.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ফ্রিজের ভেতরে ব্যবহৃত গ্যাসের মিশ্রণে গন্ডগোল থাকলেও এমন বিদঘুটে শব্দ হতে পারে, যেমন R12 গ্যাসের বদলে R15 গ্যাস ভরা হলে। আবার ফ্রিজের পেছনের কা লো রঙের কন্ডেন্সার কয়েলে দীর্ঘ দিন ধরে ধুলোবালি জমে থাকলেও কুলিং সিস্টেমের ওপর বেশ বাড়তি চাপ সৃষ্টি হয়। এর ফলে ঘড়ঘড় আওয়াজ বাড়ার পাশাপাশি ফ্রিজের বিদ্যুতের বিলও আগের থেকে অনেকটাই বেশি আসতে শুরু করে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/check-fridge.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ফ্রিজের পেছনে থাকা কন্ডেন্সার কয়েলটি ভালোভাবে পরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি, কারণ এর কোনও নাট বা স্ক্রু ঢিলে হয়ে গেলেও শব্দ হতে পারে। এমনকি কন্ডেন্সারের কয়েল পাইপটি যদি দুর্ঘটনাবশত ফ্রিজের মেটালিক বডির সংস্পর্শে চলে আসে, তাহলেও কম্পনের ফলে বিকট শব্দ তৈরি হয়। এই সমস্যা এড়াতে মাসে অন্তত একবার প্লাগ খুলে পেছনের কয়েল শুকনো কাপড়ে ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/Whole-fridge-with-book-rack.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ফ্রিজের ভেতরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ অর্থাৎ কম্প্রেসরের ফিটিংয়ের ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা দেখা দিলে ফ্রিজ চলাকালীন এমন বিকট শব্দ হতে পারে। এই ক্ষেত্রে ফ্রিজটি সঠিক সমতল জায়গায় রাখা হয়েছে কি না এবং প্রতিটি রাবার প্যাড জায়গায় আছে কি না তা আগে নিশ্চিত করা দরকার। সামান্য কিছু ভুল ফিটিং বা আলগা অংশের কারণেই কম্প্রেসরটি চালু হওয়ার সময় প্রবল ঝাঁকুনি দিয়ে শব্দ তৈরি করে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/whole-fridge.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ফ্রিজার বা ডিপ ফ্রিজে যদি মাত্রাতিরিক্ত বরফ জমে যায়, তবে ভেতরের ফ্যান ঘুরতে গিয়ে সেই জমাট বাঁধা বরফে ধাক্কা খায় এবং ঘড়ঘড় শব্দ করে। সাধারণত ম্যানুয়াল ডিফ্রস্ট সিস্টেমের পুরনো মডেলগুলোতে এই বরফ জমার সমস্যাটি অনেক বেশি চোখে পড়ে। এমন অবস্থায় ভয় না পেয়ে কয়েক ঘণ্টার জন্য ফ্রিজের বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রেখে ভেতরের সমস্ত বরফ স্বাভাবিকভাবে গলতে দেওয়া উচিত। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/couple-check.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ফ্রিজের ভেতরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণকারী থার্মোস্ট্যাট সুইচ চালু বা বন্ধ হওয়ার সময়ও হালকা কট করে ছোট শব্দ হওয়া একেবারে স্বাভাবিক একটি বিষয়। কিন্তু এই আওয়াজ যদি প্রতি এক বা দুই মিনিট অন্তর বারবার হতেই থাকে, তবে বুঝতে হবে কম্প্রেসরের রিলে সুইচে গোলমাল রয়েছে। এই রিলে ওভারলোড সুইচের সমস্যা দেখা দিলে কিন্তু দ্রুত অভিজ্ঞ কোনও টেকনিশিয়ান ডেকে এটি মেকানিক দিয়ে পাল্টে নেওয়া ভালো। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/baby-fridge.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সাধারণ কিছু বিষয় নিয়মিত খেয়াল রাখলেই কোনও বড়সড় খরচ বা মিস্ত্রি ডাকার ঝামেলা ছাড়াই ফ্রিজ থাকবে একদম নতুন ও শান্ত। নিয়মিত ডিফ্রস্ট করা, পেছনের ধুলোবালি পরিষ্কার রাখা এবং সঠিক দূরত্ব বজায় রেখে ফ্রিজ বসানোই হলো এর দীর্ঘস্থায়িত্বের আসল চাবিকাঠি। একটু সচেতন হলেই আপনার সাধের রেফ্রিজারেটর বছরের পর বছর ধরে কোনও রকম অতিরিক্ত ঝঞ্ঝাট ছাড়াই দারুণভাবে পারফর্ম করে যাবে। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/why-do-jeans-have-small-metal-buttons-on-the-pockets-the-secret-science-of-rivets-1336486.html</loc><lastmod>2026-08-02T15:54:38+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/BLUE-ROUNT-RIVET.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Blue Rount Rivet ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/BLUE-ROUNT-RIVET.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ জিন্সের পকেটের কোণায় থাকা ছোট ছোট ধাতব বোতামগুলোকে বলা হয় ‘রিভেট’। বাইরে থেকে দেখে এগুলোকে সাধারণ ডিজাইন মনে হলেও আদতেও তা নয়। প্রায় দেড়শো বছর আগে পকেটে ভারী জিনিস রাখলে কাপড় যাতে সেলাইয়ের জায়গায় ছিঁড়ে না যায়, সেই জন্যই এই বোতামগুলো লাগানো শুরু হয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/jeans-rivet.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ গল্পটা ১৮৭০ সালের। এক কাঠুরের প্যান্ট বারবার ছিঁড়ে যাচ্ছিল বলে তাঁর স্ত্রী জ্যাকব ডেভিস নামের এক দর্জির কাছে যান। কাঠুরের প্যান্ট মজবুত করতে জ্যাকব বুদ্ধি করে পকেটের যে কোণায় বেশি টান পড়ে, সেখানে ধাতব পিন বসিয়ে দেন। এই টেকনিক কাজ করায় পরে খনি শ্রমিকদের প্যান্টেও এই বোতাম লাগানো শুরু হয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/grey-blue-rivet.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ জ্যাকব ডেভিস একা এই ব্যবসা বড় করতে পারছিলেন না, তাই তিনি কাপড় ব্যবসায়ী লেভি স্ট্রসের সঙ্গে হাত মেলান। দুজন মিলে ১৮৭৩ সালের ২০ মে এই বিশেষ প্যান্টের সরকারি অধিকার বা প্যাটেন্ট পেয়ে যান। আর এভাবেই পৃথিবীতে জন্ম নেয় বিশ্বখ্যাত পোশাকের ব্র্যান্ড ‘লেভি স্ট্রস অ্যান্ড কোম্পানি’। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/dark-blue-revet.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শুরুর দিকে শুধু কঠিন পরিশ্রম করা মানুষদের প্যান্টেই এই ধাতব বোতাম দেওয়া হতো, যাতে প্যান্ট দীর্ঘদিন টেকে। তবে সময়ের সাথে সাথে এই কাজের জিনিসটাই হয়ে ওঠে জিন্সের মূল ফ্যাশন। বর্তমানে ছোট-বড় সব ব্র্যান্ডের জিন্সেই পকেটের জোর বাড়াতে এবং স্টাইল ধরে রাখতে এই বোতাম ব্যবহার করা হয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/JEANS-RIVET-METAL.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পকেটে ভারী মোবাইল, মানিব্যাগ কিংবা চাবি রাখলে কাপড়ের ওপর যে চাপ পড়ে, তা এই ধাতব বোতামগুলো নিজে সামলে নেয়। এর ফলে পকেটের মূল সেলাইয়ের ওপর সোজা চাপ পড়ে না এবং কাপড় ছিঁড়ে যায় না। পকেট খালি করার পরও কাপড়ের আকার একই রকম টানটান থাকে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/BOX-RIVET.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আগে প্যান্টের জিপারের একদম নিচেও একটা ছোট ধাতব বোতাম থাকত। কিন্তু খনির শ্রমিকেরা যখন রাতের বেলা ক্যাম্পফায়ারের আগুনে হাত-পা পোহাতে বসতেন, তখন ওই বোতামটি আগুনে গরম হয়ে অস্বস্তি তৈরি করত। শ্রমিকদের এই কষ্টের কথা ভেবে ১৯৩৭ সালে প্যান্টের ওই বোতামটি তুলে দেওয়া হয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/PIN-RIVET.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ একইভাবে পেছনের পকেটের বোতামগুলো কাঠের চেয়ার বা গাড়ির লেদার সিটে আঁচড় ফেলে নষ্ট করে দিত। তাই ১৯৩৭ সাল থেকে সেগুলো কাপড়ের নিচে ঢুকিয়ে সেলাই করা হয় এবং পরে সেগুলোর বদলে শক্ত সুতোর সেলাই দেওয়া হয়। তবে পেছনের বোতাম উঠলেও সামনের পকেটের ধাতব বোতামগুলো আজও আগের মতোই থেকে গিয়েছে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/08/TIP-RIVET.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তাই পরের বার জিন্স পরার সময় মনে রাখবেন, পকেটের এই বোতামগুলো শুধু দেখানোর জন্য নয়। এই সাধারণ মেটাল বোতামগুলো না থাকলে জিন্স এত শক্ত আর টেকসই হতই না! Getty Images ]]></image:caption></image:image></url></urlset>