<urlset xmlns:xsi="http://www.w3.org/2001/XMLSchema-instance" xmlns:image="http://www.google.com/schemas/sitemap-image/1.1" xsi:schemaLocation="http://www.sitemaps.org/schemas/sitemap/0.9 http://www.sitemaps.org/schemas/sitemap/0.9/sitemap.xsd http://www.google.com/schemas/sitemap-image/1.1 http://www.google.com/schemas/sitemap-image/1.1/sitemap-image.xsd" xmlns="http://www.sitemaps.org/schemas/sitemap/0.9"><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/what-happens-to-old-white-hotel-towels-secret-revealed-1349795.html</loc><lastmod>2026-09-30T10:20:14+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/towel-folding.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Towel Folding ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/hand-towel-in.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ হোটেলের ঘরে রাখা ধবধবে সাদা আর নরম তোয়ালেগুলো ব্যবহার করতে দারুণ লাগে। কিন্তু বারবার কাচা ও ব্যবহারের ফলে একসময় তোয়ালেগুলো পুরনো হতে শুরু করে। তখন রং ফ্যাকাশে হয়ে যায় এবং জল টানার ক্ষমতাও আগের মতো থাকে না। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/recycling.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তোয়ালের মান খারাপ হতে শুরু করলেই হোটেল কর্তৃপক্ষ তা গেস্ট রুম থেকে সরিয়ে দেয়। তবে এর মানে এই নয় যে পুরনো তোয়ালে সোজা ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়া হয়। বাতিল হওয়া এই সাদা তোয়ালেগুলোর সঙ্গে ঠিক কী করা হয় তা জানলে অবাক হবেন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/pick-towel.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ &#039;ক্লিন ইন্ডিয়া জার্নাল&#039;-এর তথ্য অনুযায়ী, বাতিল তোয়ালেগুলো হোটেলের অন্যান্য কাজে ব্যবহার করা হয়। যেগুলোর কাপড়ের অবস্থা কিছুটা ভালো থাকে, সেগুলো দিয়ে মূলত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ হয়। ডাস্টার বা ঘর মোছার কাপড় হিসেবে এই পুরনো তোয়ালেগুলো দারুণ কাজে লাগে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/single-bed-twel.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেক সময় হোটেলের অন্দরে রং করা বা মেরামতির কাজ চলে। সেই সময় আসবাবপত্র বা মেঝে যাতে নষ্ট না হয়, তার জন্য পুরনো তোয়ালেগুলো দিয়ে তা ঢেকে দেওয়া হয়। অর্থাৎ গেস্ট রুম থেকে বেরিয়ে গেলেও হোটেলের ভেতরেই এর ব্যবহার চলতে থাকে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/bed-towel.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সব হোটেলের নিয়ম অবশ্য একরকম হয় না, অনেকেই আবার অনুদানের পথ বেছে নেয়। &#039;ওয়াশিংটন পোস্ট&#039;-এর রিপোর্ট বলছে, বেশ কিছু হোটেল অনাথ আশ্রম বা চ্যারিটেবল ট্রাস্টে এই পুরনো তোয়ালেগুলো দান করে। এমনকি পশুদের শেল্টার হোমেও এই ধরনের পুরনো জিনিস পাঠানো হয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/basin-towel.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ব্যবহার করতে করতে যখন তোয়ালের অবস্থা একেবারে খারাপ হয়ে যায়, তখন টেক্সটাইল রিসাইক্লিং বা পুনর্ব্যবহার প্রক্রিয়ার সাহায্য নেওয়া হয়। এই পদ্ধতিতে কাপড়ের সুতো আলাদা করে ফেলে তা দিয়ে অন্য নতুন জিনিস তৈরির কাজে লাগানো হয়। সুতো বের করে নেওয়ার ফলে কোনও কিছুই আর নষ্ট হয় না। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/towel-folding.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বর্তমানে ভারতেও হোটেল বা হাসপাতালের পুরনো কাপড় রিসাইকেল করার বিশেষ উদ্যোগ শুরু হয়েছে। বিভিন্ন সংস্থা এই বাতিল তোয়ালে সংগ্রহ করে নতুন প্রয়োজনীয় পণ্য তৈরি করে চলেছে। পরিবেশ রক্ষায় বিভিন্ন নামী হোটেল এই ধরনের রিসাইক্লিং সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/many-white-towel.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তবে রিসাইকেল হওয়া পুরনো তোয়ালে থেকে যে সব সময় নতুন তোয়ালেই তৈরি হবে, এমন কোনও কথা নেই। সুতোর মানের ওপর নির্ভর করে এটি দিয়ে নানা রকম অন্যান্য শিল্প বা ঘরোয়া জিনিস তৈরি করা হয়।  Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/when-singer-shaan-was-mistaken-for-shah-rukh-khan-by-fans-at-a-petrol-pump-1349778.html</loc><lastmod>2026-09-30T09:19:59+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/shaan-and-shahrukh.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Shaan And Shahrukh ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/shaan-and-shahrukh.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বলিউডের বাদশা শাহরুখ খানের জনপ্রিয়তা নিয়ে নতুন করে বলার কিছুই নেই, তাঁর এক ঝলক পেতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকেন ভক্তরা। তবে কিং খানের এই তুমুল স্টারডমের আঁচ একবার আচমকাই টের পেয়েছিলেন জনপ্রিয় গায়ক শান। আজ শানের ৫৪তম জন্মদিনে ফিরে দেখা যাক সেই মজার ঘটনা। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/shaan-singer.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কেরিয়ারের একদম শুরুর দিকের কথা, শান তখন সদ্য একটি নতুন মারুতি ৮০০ গাড়ি কিনেছেন। একদিন সেই গাড়িতে তেল ভরতে তিনি একটি পেট্রোল পাম্পে দাঁড়িয়েছিলেন। শান গাড়ি থেকে বেরিয়ে বাইরে অপেক্ষা করছিলেন, তখনই সেখানে একটি স্কুল বাস এসে থামে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/cute-shaan.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বাসের জানলা দিয়ে স্কুলছাত্রীরা শানকে দেখতে পেয়েই তুমুল চিৎকার শুরু করে দেয়। তারা দূর থেকে গায়ককে দেখেই শাহরুখ খান ভেবে ভুল করে বসেছিল। এরপর বাস থেকে হুড়মুড়িয়ে নেমে শানকে চারপাশ থেকে ঘিরে ধরে সেই কিশোরীর দল। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/for-the-audience.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মুহূর্তের মধ্যে পেট্রোল পাম্পে রীতিমতো হইচই পড়ে যায় এবং ভিড় জমে যায়। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, শান নিজেও বুঝতে পারছিলেন না ঠিক কী ঘটছে। তিনি কার্যত হতবাক হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন, কারণ এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি তিনি আগে কখনও হননি। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/high-pitch.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বেশ কিছুক্ষণ পর সেই স্কুলছাত্রীরা খুব কাছ থেকে শানকে দেখার পর নিজেদের ভুল বুঝতে পারে। তারা বুঝতে পারে যে এই ব্যক্তি আদতে শাহরুখ খান নন, অন্য কেউ। মোহভঙ্গ হওয়ার পর তারা আর এক মুহূর্তও সেখানে না দাঁড়িয়ে চুপচাপ বাসে ফিরে যায়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/shaan-in-green.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পরবর্তীকালে একটি সাক্ষাৎকারে শান নিজেই এই মজাদার অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেছিলেন। তিনি হাসতে হাসতে জানিয়েছিলেন যে, সেই মেয়েগুলোর কাণ্ড দেখে তিনি রীতিমতো ঘাবড়ে গিয়েছিলেন। তবে পুরো বিষয়টি বুঝতে পারার পর তাঁর বেশ মজাই লেগেছিল। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/shaan-in-jacket.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শাহরুখ খান যেমন অভিনয়ের দুনিয়ায় রাজত্ব করছেন, শানও কিন্তু সঙ্গীতের জগতে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেছেন। তাঁর জাদুকরী কণ্ঠের প্রেমে পাগল আসমুদ্রহিমাচল, তাঁর গাওয়া প্রতিটি গান আজও শ্রোতাদের মনে গেঁথে রয়েছে। অভিনয়ে না এলেও গানের মাধ্যমেই তিনি কোটি কোটি মানুষের হৃদয় জয় করে নিয়েছেন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/shaan-in-rust.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ &#039;চাঁদ সিফারিশ&#039;, &#039;যব সে তেরে নয়না&#039;, &#039;কুছ তো হুয়া হ্যায়&#039;-এর মতো অসংখ্য সুপারহিট গান উপহার দিয়েছেন তিনি। আজ ৩০ সেপ্টেম্বর, এই প্রতিভাবান গায়কের ৫৪তম জন্মদিনে তাঁর ভক্তরা সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। আগামী দিনে তাঁর কাছ থেকে আরও অনেক সুন্দর গানের অপেক্ষায় রয়েছেন সকলে। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/alia-bhatt-shares-unseen-romantic-photos-on-ranbir-kapoors-44th-birthday-1349653.html</loc><lastmod>2026-09-29T14:39:37+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/romantic-alia.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Romantic Alia ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/standing-love.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ২৮শে সেপ্টেম্বর ছিল বলিউডের হার্টথ্রব রণবীর কাপুরের ৪৪ তম জন্মদিন। এই বিশেষ দিনে স্বামীর প্রতি ভালোবাসা জাহির করতে পিছপা হননি স্ত্রী আলিয়া ভাট। সোশাল মিডিয়ায় তিনি শেয়ার করেছেন বেশ কিছু না-দেখা রোম্যান্টিক ছবি। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/love-and-war-alia.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ইনস্টাগ্রামে ছবিগুলি পোস্ট করে আলিয়া ক্যাপশনে লিখেছেন, হ্যাপি বার্থডে কিউটি। ২০২২ সালে সাত পাকে বাঁধা পড়ার পর থেকেই এই জুটির প্রেম নিয়ে অনুরাগীদের আগ্রহ তুঙ্গে। এবারেও সেই ভালোবাসার ঝলক দেখতে পেয়ে উচ্ছ্বসিত ফ্যানেরা। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/romantic-alia.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ প্রথম ছবিতে দেখা গিয়েছে, একে অপরের আদরে একেবারে মজে রয়েছেন দু&#039;জন। আলিয়ার বাহুলগ্না হয়ে রয়েছেন বার্থডে বয় রণবীর কাপুর। ছবিটি ফ্রেমবন্দি করার সময় দুজনের মুখেই লেগে রয়েছে মিষ্টি একটা হাসি। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/restrurant-alia.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ দ্বিতীয় ছবিটি তোলা হয়েছে কোনও এক সুন্দর রেস্তোরাঁয়। সেখানে আলিয়ার মুখ দেখা না গেলেও তাঁর খোলা চুল নজর কেড়েছে। আর সেই দিকেই একদৃষ্টে প্রেমভরা চোখে তাকিয়ে রয়েছেন রণবীর। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/raha-ranveer.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে রণবীরের বাবা হওয়ার মুহূর্তের একটি বিশেষ ছবি। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, রণবীর তাঁর কোলে মেয়ে রাহাকে পরম যত্নে আগলে বসে আছেন। তবে ছোট্ট রাহার মুখ একটি ফুলের ইমোজি দিয়ে ঢেকে দিয়েছেন আলিয়া। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/ranveer-kiss.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পরবর্তী স্লাইডে রয়েছে স্বামী-স্ত্রীর এক সুন্দর সেলফি। রণবীরের লুক দেখে নেটিজেনদের অনুমান, এটি সম্ভবত তাঁদের সুপারহিট ছবি &#039;ব্রহ্মাস্ত্র&#039;র শুটিংয়ের সময়ের। পুরনো দিনের এই স্মৃতি উসকে দিয়ে আলিয়া বুঝিয়ে দিয়েছেন তাঁদের বন্ডিং কতটা স্পেশাল। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/love-and-war-ranveer.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পর্দাতেও খুব শীঘ্রই ফের একফ্রেমে দেখা যাবে এই সুপারহিট জুটিকে। বিখ্যাত পরিচালক সঞ্জয় লীলা বনশালীর আপকামিং ছবি &#039;লাভ অ্যান্ড ওয়ার&#039;-এ মুখ্য ভূমিকায় থাকছেন তাঁরা। আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৭ সালের ২১শে জানুয়ারি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ছবিটি। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/ranbir-top-view.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এই মেগাবাজেট ছবিতে রণবীর ও আলিয়ার পাশাপাশি দেখা যাবে অভিনেতা ভিকি কৌশলকেও। রিয়েল লাইফের এই জুটির অনস্ক্রিন রসায়ন দেখতে মুখিয়ে রয়েছেন দর্শকেরা। আপাতত জন্মদিনের এই অদেখা ছবিগুলিই নেটপাড়ায় উষ্ণতা ছড়াচ্ছে। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/tapas-paul-unknown-facts-film-journey-dadar-kirti-debut-lifestyle-1349625.html</loc><lastmod>2026-09-29T18:34:34+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Tapas-Paul-Actor-1.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Tapas Paul Actor ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Tapas-Paul-Actor-Photo-Shoot.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ১৯৫৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর চন্দননগরে জন্মগ্রহণ করেন তাপস পাল। তিনি বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বায়ো-মেডিক্যাল সায়েন্সে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Tapas-Paul-Actor-Photo.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ১৯৮০ সালে প্রখ্যাত পরিচালক তরুণ মজুমদারের কালজয়ী চলচ্চিত্র &#039;দাদার কীর্তি&#039;-র মাধ্যমে রূপালী পর্দায় তাঁর আত্মপ্রকাশ ঘটে। ট্রেনে যাতায়াতের সময় সহকারী পরিচালক শ্রীনিবাস চক্রবর্তীর নজরে পড়াটাই তাঁর অভিনয় জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Tapas-Paul-Actor.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এরপর আর তাঁকে পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। &#039;পারাবত প্রিয়া&#039;, &#039;ভালোবাসা ভালোবাসা&#039; ও &#039;গুরুদক্ষিণা&#039;-র মতো একের পর এক বাণিজ্যিক হিট সিনেমা উপহার দেন তিনি। পর্দায় মহুয়া রায়চৌধুরী, দেবশ্রী রায় এবং শতাব্দী রায়ের সঙ্গে তাঁর রসায়ন ও জুটি দর্শককুলে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Tapas-Paul.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বিজয় বোস পরিচালিত &#039;সাহেব&#039; ছবিটি ছিল তাপস পালের ক্যারিয়ারের অন্যতম মাইলফলক। ছবিটিতে তাঁর দুর্দান্ত অভিনয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৮১ সালে তিনি মর্যাদাপূর্ণ &#039;ফিল্মফেয়ার&#039; অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Tapas.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ১৯৮৪ সালে &#039;অবোধ&#039; সিনেমার মাধ্যমে হিন্দি চলচ্চিত্র জগতে অভিষেক ঘটে তাপস পালের। এই ছবিতে তাঁর বিপরীতেই বলিউডের ভবিষ্যৎ ড্রিম গার্ল মাধুরী দীক্ষিতের প্রথম ডেবিউ হয়েছিল। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Tapse.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অভিনয় জীবনের সফল পর্বের পর তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেন এবং তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে ২০০১ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত আলিপুর বিধানসভার বিধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিনি কৃষ্ণনগর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হন। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/the-incredible-science-how-cockroaches-survive-without-a-head-for-days-1349596.html</loc><lastmod>2026-09-29T12:43:17+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/frontal-cockeoaches.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Frontal Cockeoaches ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/frontal-cockeoaches.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ রাতের অন্ধকারে বাথরুম বা রান্নাঘরের লাইট জ্বালাতেই আরশোলা দেখে অনেকেরই রীতিমতো ভিরমি খাওয়ার জোগাড় হয়! জুতো পেটা খাওয়ার পরও এরা যে স্পিডে দৌড় লাগায়, তা দেখে হার মানবেন উসেইন বোল্টও। তবে এই পরম শত্রুর এমন এক অদ্ভুত শারীরিক ক্ষমতা রয়েছে, যা শুনলে রীতিমতো তাজ্জব বনে যেতে হবে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/floor-indian.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শুনলে অবাক লাগতে পারে, কিন্তু একটি আরশোলার মাথা কেটে ফেলার পরও সেটি অন্তত এক সপ্তাহ দিব্যি বেঁচে থাকতে পারে। মানুষের ক্ষেত্রে মাথা বা মস্তিষ্ক ছাড়া এক মুহূর্ত বেঁচে থাকার কথা কল্পনাও করা যায় না। কিন্তু এই পতঙ্গের শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে কাজ করে, যা সত্যিই বিজ্ঞানের এক বড় বিস্ময়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/fat-cockroach.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আসলে শ্বাস নেওয়ার জন্য এরা কখনও নিজেদের মুখ বা নাকের ওপর নির্ভর করে না। এদের শরীরের দু’পাশে সারি সারি ছোট ছোট ছিদ্র থাকে, যাদের বিজ্ঞানের ভাষায় স্পিরাকল বলা হয়। এই বিশেষ ছিদ্রগুলোর মাধ্যমেই বাতাস সরাসরি শরীরের একেবারে কোণায় কোণায় পৌঁছে যায়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/frontal-arshola.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ যেহেতু শ্বাস নেওয়ার কাজে মাথার কোনও ভূমিকা নেই, তাই মাথা কাটার পরও এদের শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিকভাবেই চলতে থাকে। শরীরের ওই স্পিরাকল দিয়ে বাতাস যাতায়াত করতে কোনও সমস্যাই হয় না। ফলে স্রেফ শ্বাসরোধ হয়ে এই পতঙ্গের মৃত্যুর কোনও সম্ভাবনাই থাকে না। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/death-cockroaches.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এদের রক্ত সংবহনতন্ত্রও মানুষের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা, যা মূলত একটি মুক্ত সংবহনতন্ত্র হিসেবে কাজ করে। মানুষের মতো এদের শরীরে উচ্চ চাপে রক্ত চলাচল করে না, তাই মাথা কাটা গেলেও ফিনকি দিয়ে রক্ত ছুটে বেরোয় না। বরং কাটা জায়গায় খুব দ্রুত রক্ত জমাট বেঁধে যায় এবং প্রাণহানি রুখে দেয়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/leg-cockroach.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মজার বিষয় হল, আরশোলার স্নায়ুতন্ত্র কেবল মস্তিষ্কের ওপর নির্ভরশীল নয়, বরং সারা শরীরে গ্যাংলিয়া নামক স্নায়ুকোষের গুচ্ছ ছড়িয়ে থাকে। এই স্নায়ুকেন্দ্রগুলো শরীরের প্রাথমিক নড়াচড়া ও অনুভূতি স্বাধীনভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে দারুণভাবে সক্ষম। তাই মাথা ছাড়াই এরা দিব্যি হাঁটাচলা করতে পারে এবং বাইরের স্পর্শের সঙ্গে সঙ্গে সাড়া দিতে পারে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/ice-archola.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মাথা কাটা যাওয়ার পর এরা দিব্যি ঘুরে বেড়াতে পারলেও, মুশকিল হয় অন্য জায়গায়। যেহেতু এদের আর কোনও মুখ থাকে না, তাই খাবার বা জল খাওয়া পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এরা শীতল রক্তের প্রাণী হওয়ায় না খেয়ে দীর্ঘদিন কাটাতে পারলেও, শেষ পর্যন্ত জলের অভাবেই এদের মৃত্যু হয়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/stone-arshola.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শুনলে আরও অবাক হবেন, এরা জলের নিচেও প্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট পর্যন্ত দিব্যি নিশ্বাস আটকে রাখতে পারে। অনুকূল আবহাওয়া ও ঠান্ডা পরিবেশ পেলে এরা আরও বেশ কিছুদিন বেঁচে থাকার ক্ষমতা রাখে। অনেকের কাছে বিরক্তিকর পতঙ্গটির এমন অবাক করা বেঁচে থাকার পদ্ধতি প্রমাণ করে, প্রকৃতির খেলায় এরা সত্যিই এক অনন্য সৃষ্টি। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/mango-banana-watermelon-fruits-you-should-never-store-in-the-fridge-1349475.html</loc><lastmod>2026-09-28T18:45:35+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/02-18.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ 02 ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/01-21.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সব ফল ফ্রিজে রাখার প্রয়োজন নেই। তেমনি সব ফল আবার ফ্রিজের ঠান্ডা তাপমাত্রা সহ্য করতে পারে না। আম, কলা, তরমুজের মতো বহু জনপ্রিয় ফল ফ্রিজে রাখলে তাদের সুগন্ধ নষ্ট হয়। জেনে নিন, কোন কোন ফল ফ্রিজে রাখা উচিত নয়। (Credit - Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/02-17.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আম পাকার জন্য ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ও বাতাস প্রয়োজন। আম ফ্রিজে রাখলে অতিরিক্ত ঠান্ডাতে এর স্বাভাবিকভাবে পাকার প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ফ্রিজ থেকে বের করার পরেও আম ভাল করে পাকে না। ফ্রিজের ঠান্ডা আবহাওয়াতে আমের ভেতরের সুগন্ধি তেল ও প্রাকৃতিক পুষ্টি সঠিকভাবে বেড়ে ওঠে না। ফলে আমের মিষ্টি গন্ধ ও স্বাদ চলে যায়। (Credit - Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/03-15.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পিচ ও প্লাম হলো ক্লাইম্যাকটেরিক জাতীয় ফল, যা গাছ থেকে তোলার পর ঘরের তাপমাত্রায় আস্তে আস্তে পেকে রসালো হয়। এগুলো পাকা শুরুর আগেই অতিরিক্ত ঠান্ডার মধ্যে ফ্রিজে ঢুকিয়ে দিলে ঠান্ডায় পাকার প্রক্রিয়া থেমে যায়।  এর কোষগুলো ভেঙে যায়, ফলে ফলের ভেতরের অংশ শুকনো ও তুলোর মতো হয়ে গিয়ে খাওয়ার অযোগ্য হয়ে যায়।  (Credit - Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/04-15.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কলা পাকার জন্য একটি নির্দিষ্ট এনজাইম বা পাচক রস প্রয়োজন হয়, যা ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কাজ করে। কলার ভেতরের এনজাইমগুলো অতিরিক্ত ঠান্ডায় একেবারেই নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। ফ্রিজে কলা রাখলে আর টা স্বাভাবিকভাবে পাকে না। অতিরিক্ত ঠান্ডায় কলার খোসার কোষের প্রাচীর ভেঙে যায়। কলার খোসায় থাকা ফেনলিক যৌগগুলো জারিত হয়ে মেলাটোনিন পরিণত হয়, যার ফলে কলার খোসা কালো হয়ে যায়। (Credit - Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/05-16.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ফ্রিজের ভেতরে তাপমাত্রা অত্যন্ত শুষ্ক থাকে। কমলালেবু খোলা অবস্থায় খোলা রাখলে এর খোসা খুব দ্রুত শুকিয়ে শক্ত বা চামড়ার মতো হয়ে যায় ও ভেতরের কোয়াগুলোর রস শুকিয়ে ফলটি আশঁটে হয়ে যায়। অতিরিক্ত ঠান্ডার ফলে কমলালেবুর নিজস্ব সাইট্রাস ঘ্রান ও প্রাকৃতিক মিষ্টি-টক স্বাদ অনেকটাই কমে যায়। ফ্রিজের আদ্রতার কারণে এতে ছাতা পড়তে পারে।  (Credit - Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/06-10.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আনারস গাছ থেকে কাটার পর আর নতুন করে মিষ্টি হয় না, তবে ঘরের তাপমাত্রায় রাখলে এটি কিছুটা নরম ও রসালো হয়। আনারস ফ্রিজে ঢুকিয়ে দিলে অতিরিক্ত ঠান্ডায় এই স্বাভাবিক প্রক্রিয়াটি পুরোপুরি থমকে যায়। আনারস মূলত একটি ট্রপিক্যাল ফল। এটি ৭ ডিগ্রির কম তাপমাত্রায় দীর্ঘদিন রাখলে চিলিং ইনজ্যুরি হয়। এর ফলে আনারসের খোসা ও ভেতরের অংশ কালচে বা বাদামী হয়ে যায়। (Credit - Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/07-10.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রাখা তরমুজে লাইকোপেন ও বিটা-ক্যারোটিন এর মতো শক্তিশালী উপাদান থাকে। ফ্রিজের অতিরিক্ত ঠান্ডার মধ্যে তরমুজ রাখলে এই জরুরি পুষ্টি উপাদানগুলির পরিমাণ কমে যায়। আস্ত তরমুজ ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কমে রাখলে এর কোষের গঠন নষ্ট হয়ে যায়। এমনকি এর মুচমুচে ভাব চলে যায়।  (Credit - Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/08-12.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ জামও খুব স্পর্শকাতর একটি ফল। এটি নরম ফল বলেও পরিচিত। ফ্রিজের ভেতরের আদ্রতা জামের গায়ে জমে গেলে তাতে খুব দ্রুত ছাতা বা ফাঙ্গাস ধরে যেতে পারে। এর ফলে জাম পচে যায়। অতিরিক্ত ঠান্ডার ফলে জামের ভেতরের কষা ভাব চলে যায়।  (Credit - Unsplash) ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/raw-garlic-on-empty-stomach-benefits-side-effects-allicin-1349397.html</loc><lastmod>2026-09-28T17:05:03+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/P001-1.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ P001 ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/8-3.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ প্রাচীনকাল থেকেই কাঁচা রসুন নানা ভেষজ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। তবে সকালে খালি পেটে কাঁচা রসুন খেলে এর স্বাস্থ্য উপকারিতা আরও কয়েক গুণ বেড়ে যায়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো থেকে শুরু করে হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখা পর্যন্ত, এই সাধারণ উপাদানটি শরীরে এক অসাধারণ এবং শক্তিশালী প্রভাব ফেলে। (Credit- Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/7-3.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ রসুন ছেঁচা বা চিবনোর পর তা থেকে &#039;অ্যালিসিন&#039; নামক একটি শক্তিশালী সালফার যৌগ নির্গত হয়। খালি পেটে এটি দ্রুত শোষিত হয়ে শরীরকে ব্যাক্টেরিয়া, ভাইরাস ও ফাঙ্গাসের বিরুদ্ধে লড়তে সাহায্য করে। এটি অনাক্রম্যতা বাড়িয়ে সর্দি-কাশির মতো সাধারণ সংক্রমণের তীব্রতা ও প্রকোপ অনেকটাই কমিয়ে দেয়। (Credit- Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/6-3.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ খালি পেটে কাঁচা রসুন খেলে রক্তচাপ ও ক্ষতিকর কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রনে থাকে, যা হৃদযোগের ঝুঁকি কমায়। এটি রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে ও রক্তনালীর প্রদাহ দূর করতে সাহায্য করে। খালি পেটে খাওয়ার ফলে এর সক্রিয় উপাদানগুলো খুব শীঘ্রই রক্তপ্রদাহে প্রবেশ করে হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতা বাড়িয়ে তোলে। (Credit- Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/5-3.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কাঁচা রসুন আসলে পাচক এনজাইম নিঃসরণ বাড়ায় ও পরিপাকতন্ত্র সক্রিয় করে, যা পেট ফাঁপা ও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে। এর প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল পেটের ক্ষতিকর ব্যাক্টেরিয়ার ভারসাম্য রক্ষা করে। খাবারের আগে কাঁচা রসুন খেলে পৌষ্টিকতন্ত্র বেড়ে যায়, ফলে খাবার হজম প্রক্রিয়া বেশ উন্নত হয়। (Credit- Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/4-3.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শরীরে দীর্ঘস্থায়ী গ্যাস বা প্রদাহের জন্য বার্ধক্য দ্রুত আসে ও বিভিন্ন ব্যাধির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। রসুনে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায়। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদে ত্বকের স্বাস্থ্য ভাল থাকে, শরীরে শক্তি বাড়ে এবং দূর হয় নানা ধরণের দীর্ঘস্থায়ী ও জটিল রোগের ঝুঁকিও। (Credit- Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/3-3.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ রসুন লিভারের প্রয়োজনীয় এনজাইমগুলোকে সক্রিয় করে তোলে, যা শরীর থেকে ক্ষতিকারক টক্সিন ও ভারী ধাতু বের করে দিতে সাহায্য করে। রসুনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান লিভারের কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। প্রতিদিন সকালে কাঁচা রসুন খেলে সুষম খাদ্যের পাশাপাশি শরীরের প্রাকৃতিক ডিটক্স প্রক্রিয়াও উন্নত হয়। (Credit- Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/2-4.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ রান্না করা রসুনের চেয়ে কাঁচা রসুনে অ্যালিসিনের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। সর্বোচ্চ পুষ্টিগুণ পেতে ১ বা ২টি রসুনের কোয়া থেঁতো বা কুচি করে অন্তত ১০ মিনিটে রেখে দিন। এই সময়টিতে অ্যালিসিন ও অন্যান্য উপকারী যৌগ সক্রিয়ভাবে তৈরি হয়, যা শরীরের জন্য খুব কার্যকরী। (Credit- Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/P001-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ উপকারী হলেও সবসময় খালি পেটে কাঁচা রসুন খাওয়া সবার জন্য উপযুক্ত নয়। সেন্সিটিভ পাকস্থলী, গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকলে বুক জ্বালা, বমি ভাব বা অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। এছাড়া রসুন রক্ত কিছুটা পাতলা করে, তাই যাঁরা রক্ত পাতলা রাখার ওষুধ খাচ্ছেন, তাঁদের এটি সতর্কতার সাথে খাওয়া উচিৎ। (Credit- Unsplash) ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/why-do-crocodiles-swallow-stones-with-their-food-the-hidden-science-revealed-1349374.html</loc><lastmod>2026-09-28T14:43:40+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/in-mouth-many-pebbles.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ In Mouth Many Pebbles ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/in-mouth-many-pebbles.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ভয়ংকর চোয়াল আর ধারালো দাঁত নিয়ে শিকারকে নিমেষে টুকরো করতে ওস্তাদ কুমির। কিন্তু মাংসাশী এই প্রাণীর মেনুতে মাঝেমধ্যেই জায়গা করে নেয় আস্ত পাথর! শুনতে অবাক লাগলেও এই অদ্ভুত কাজের পিছনে লুকিয়ে রয়েছে এক চমকপ্রদ বিজ্ঞান। Unsplash ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/from-throat-pebble.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মানুষের মতো সময় নিয়ে খাবার চিবিয়ে খাওয়ার স্বভাব এদের একেবারেই নেই। শিকার ধরার পর হাড়গোড় সমেত বিশাল মাংসের টুকরো এরা আস্ত গিলে নেয়। আর এই প্রমাণ সাইজের খাবার হজম করার জন্যই তারা একটি বিশেষ কৌশল করে থাকে।  Unsplash ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/pebble-rest.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কুমিরের পেটে থাকা এই পাথরগুলিকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় গ্যাস্ট্রোলিথ। পেটের ভিতর এই নুড়ি-পাথরগুলি আস্ত একটা প্রাকৃতিক যাঁতাকলের মতো কাজ করে। পাকস্থলী সংকুচিত হওয়ার সময় এই পাথরগুলিই ঘর্ষণের মাধ্যমে বড় খাবারকে টুকরো টুকরো করে দেয়। Unsplash ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/under-pebble-crocodile.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তবে শুধু পাথর দিয়ে তো আর আস্ত একটা শিকার হজম করা সম্ভব নয়। এর সঙ্গে পাল্লা দেয় কুমিরের পেটে থাকা অত্যন্ত শক্তিশালী অ্যাসিড। এই অ্যাসিডের তেজ এতটাই বেশি যে তা শক্ত হাড় পর্যন্ত নিমেষে গলিয়ে দিতে পারে। Unsplash ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/horrible-teeth-crocodile.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পাথর আর অ্যাসিডের এই যুগলবন্দিতেই কুমিরের হজম প্রক্রিয়া ম্যাজিকের মতো কাজ করে। একদিকে পাথরগুলি খাবারকে যান্ত্রিকভাবে গুঁড়ো করে দেয়, অন্যদিকে অ্যাসিড তাকে রাসায়নিকভাবে গলিয়ে ফেলে। এভাবেই শিকারের প্রতিটি অংশ খুব সহজে হজম করে ফেলে এই সরীসৃপ। Unsplash ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/pebble-back-ground-crocodile.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এখানেই শেষ নয়, কুমিরের পাথর খাওয়ার পিছনে রয়েছে আরও এক মজার কারণ। পেটে থাকা এই পাথরের অতিরিক্ত ওজন জলের নীচে তাদের স্কুবা ডাইভারের মতো কাজ করতে সাহায্য করে। ভারী পাথরের টানেই তারা জলের অনেকটা গভীরে নিজেদের ভারসাম্য বজায় রেখে শিকারের জন্য ঘাপটি মেরে বসে থাকতে পারে। Unsplash ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/two-crocodile-romance.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তবে বিজ্ঞানীরা মনে করেন, শুধু জলের গভীরে ডুবে থাকার জন্যই যে এরা পাথর খায়, এমনটা বলা সম্পূর্ণ ভুল হবে। গ্যাস্ট্রোলিথ বা পেটে পাথর জমানো আসলে এদের বেঁচে থাকার এক কৌশল। হজম এবং জলের নীচে ভারসাম্য রক্ষা, এই দুটি কাজই কুমিরের বেঁচে থাকার জন্য সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। Unsplash ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/eye-problem-kumir.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তাই এর পর কখনও টিভিতে বা চিড়িয়াখানায় কুমিরকে নুড়ি গিলতে দেখলে আর অবাক হবেন না। নির্দ্বিধায় বুঝে যাবেন যে এই আপাত অদ্ভুত আচরণের পিছনে লুকিয়ে রয়েছে এক অসাধারণ জৈবিক রহস্য। প্রকৃতির এই নিখুঁত সমীকরণই বন্যপ্রাণীদের জীবনকে এত বেশি রোমাঞ্চকর করে তুলেছে। Unsplash ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/the-secret-of-white-hotel-sheets-why-luxury-rooms-never-use-colored-bedding-1349326.html</loc><lastmod>2026-09-28T15:07:17+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/white-bed-sheet.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ White Bed Sheet ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/white-bed-sheet.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বেড়াতে গিয়ে হোটেলের ঘরে ঢুকলেই একটা চেনা ছবি চোখে পড়ে, আর তা হল বিছানার ধবধবে সাদা চাদর। বাড়িতে নানা রঙের চাদর পাতা হলেও, হোটেলের ঘর মানেই যেন সাদার রাজত্ব। কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছেন, রঙিন চাদর বাদ দিয়ে হোটেল কর্তৃপক্ষ কেন শুধু এই একটি রঙের উপরেই ভরসা রাখেন? ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/white-bed-sheets.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এই প্রথার শুরুটা হয়েছিল নয়ের দশকের দিকে, যখন ওয়েস্টিন এবং শেরাটন হোটেল গ্রুপ প্রথম এই ধারণা কাজে লাগায়। তৎকালীন ডিজাইনের ভাইস প্রেসিডেন্ট এরিন হুভার বুঝতে পেরেছিলেন, সাদা রং অতিথিদের মনে পরিচ্ছন্নতার অনুভূতি তৈরি করে। তাঁর এই এক সিদ্ধান্তেই বাজিমাত হয়, আর হু হু করে বেড়ে যায় হোটেলের ব্যবসা। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/white-cushion.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সাদা রং ব্যবহারের সবচেয়ে বড় কারণ হল নিখুঁত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা। এই রঙের কাপড়ে সামান্য ময়লা, কোনও দাগ বা একগাছি চুল থাকলেও তা খুব সহজেই চোখে পড়ে যায়। ফলে পরিচ্ছন্নতার কাজে কর্মীরা কোনও ফাঁকি দিলে তা নিমেষেই ধরা পড়ে যায় এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/red-wall.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সারাদিন ঘোরার পর হোটেলের ঘরে ঢুকে পরিষ্কার সাদা বিছানা দেখলে যে কোনও মানুষের মন ভালো হয়ে যায়। এই রং প্রমাণ করে যে ঘরটি নিখুঁতভাবে পরিষ্কার করা হয়েছে এবং স্বাস্থ্যবিধি পুরোপুরি মানা হয়েছে। এর ফলে অতিথিদের মনে হোটেলের প্রতি বিশ্বাস ও ভরসা তৈরি হয়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/add-bed.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শুধু পরিচ্ছন্নতাই নয়, মানসিক শান্তির দিক থেকেও হোটেলের ঘরে সাদা রঙের বিছানার গুরুত্ব অনেকখানি। দীর্ঘ ভ্রমণের পর ক্লান্ত হয়ে পর্যটকরা যখন বিছানায় গা এলিয়ে দেন, তখন এই রং চোখ ও মনকে অদ্ভুত প্রশান্তি দেয়। এই মানসিক তৃপ্তি নিমেষে ক্লান্তি দূর করে এবং রাতে গভীর ঘুম আসতে সাহায্য করে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/white-blu-bed-sheet.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ রক্ষণাবেক্ষণ এবং ধোওয়ার সুবিধার কথা ভেবেও সাদা রংকে সেরা বিকল্প হিসেবে ধরা হয়। রঙিন চাদর একসঙ্গে ধুলে একটার রং অন্যটায় লেগে যাওয়ার বা বারবার ধুয়ে ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু সাদার ক্ষেত্রে নির্দ্বিধায় একসঙ্গে মেশিনে ধুয়ে ব্লিচ করা যায়, ফলে শক্ত দাগ খুব সহজেই উঠে যায়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/all-white.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বিজ্ঞান বলছে, সাদা রং আলোর প্রতিফলন সবচেয়ে বেশি ঘটায়, যার ফলে হোটেলের ঘরগুলি আরও উজ্জ্বল ও বড় বলে মনে হয়। হোটেলের দেওয়ালের রং ঘন ঘন পাল্টানো সম্ভব নয়, তবে ধবধবে সাদা চাদর যে কোনও রঙের দেওয়ালের সঙ্গেই চমৎকার মানিয়ে যায়। ঘরের অন্দরসজ্জা যেমনই হোক না কেন, এটি সৌন্দর্য কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/hotel-book.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ রঙিন চাদরের বদলে সাদা চাদরের এই ব্যবহার আসলে হোটেল মালিকদের এক দারুণ মাস্টারস্ট্রোক। অতিথিদের স্বাচ্ছন্দ্য, মানসিক শান্তি এবং লন্ড্রির খরচ বাঁচানোর সুবিধা, সব দিক ভেবেই এই বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবার থেকে হোটেলে গিয়ে সাদা বিছানা দেখলে নিশ্চয়ই বুঝতে পারবেন এর পিছনে কতটা কৌশল লুকিয়ে রয়েছে। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/lifestyle/why-is-the-spacebar-so-big-on-a-keyboard-the-secret-reason-revealed-1348781.html</loc><lastmod>2026-09-25T14:49:36+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/girly-key-board.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Girly Key Board ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/pure-white-key-board.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কম্পিউটার বা ল্যাপটপে কাজ করার সময় কখনও কি ভেবে দেখেছেন, কিবোর্ডের স্পেসবারটি এত বড় কেন? বাকি বোতামগুলির তুলনায় এটি সাইজে অনেকটাই বড় এবং এর নেপথ্যের কারণটি হল ভারী চমকপ্রদ! এই বড় বোতামটির পিছনে থাকা আসল ইতিহাস জানলে আপনিও অবাক হবেন। Unsplash ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/rainbow-key-board.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আধুনিক কিবোর্ডের এই ডিজাইন কিন্তু এক দিনে আসেনি, এর ধারণা নেওয়া হয়েছে বহু পুরনো যুগের টাইপরাইটার থেকে। আগের দিনের সেই ভারী টাইপরাইটারেও দুটি শব্দের মাঝে ফাঁক রাখার জন্য একটি বড় স্পেস মেকানিজম ব্যবহার করা হত। প্রযুক্তির বদল ঘটলেও টাইপরাইটারের সেই যুগান্তকারী ভাবনাটি কিবোর্ডের সঙ্গেও থেকে গিয়েছে। Unsplash ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/black-and-white-1-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ টাইপ করার সময় প্রায় প্রতিটি শব্দের পরেই আমাদের একটি করে স্পেস দিতে হয়, ফলে এটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত বোতাম। এত ঘন ঘন স্পেস দিতে হয় বলেই এটিকে এমন বড় আকারের বানানো হয়েছে, যাতে আঙুল সহজেই সেখানে পৌঁছতে পারে। ব্যবহারকারীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখেই প্রযুক্তিবিদেরা এই বুদ্ধিদীপ্ত ডিজাইন তৈরি করেছেন। Unsplash ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/blue-key-board.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ যখন আমরা টাইপ করি, তখন আমাদের দুই হাতের বুড়ো আঙুল স্বাভাবিকভাবেই ঠিক স্পেসবারের কাছাকাছি থাকে। এর ফলে ডান বা বাঁ, যে কোনও হাতের বুড়ো আঙুল দিয়েই অত্যন্ত দ্রুত স্পেস দেওয়া যায়। তাড়াহুড়োর সময়েও আঙুলের অবস্থান না বদলে অনায়াসে কাজ চালিয়ে নেওয়া যায় এর দৌলতে। Unsplash ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/manngo-key-brd.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কিবোর্ডে টাইপ করার সময় আঙুলগুলিকে মূল পজিশন থেকে বেশি সরাতে হলে টাইপিংয়ের গতি একধাক্কায় অনেকটাই কমে যায়। স্পেসবার বড় হওয়ার ফলে বুড়ো আঙুল সামান্য নাড়ালেই সেটির নাগাল পাওয়া যায়, ফলে স্পিডে কোনও প্রভাব পড়ে না। আপনি হয়তো খেয়ালও করেন না, কিন্তু এই একটি বোতাম আপনার অনেকটা সময় বাঁচিয়ে দেয়! Unsplash ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/girly-key-board.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ যারা প্রফেশনাল টাইপিস্ট বা দ্রুত কাজ করেন, তাদের চোখ স্ক্রিনে থাকে কিবোর্ডের দিকে নয়। স্পেসবার বড় হওয়ায় না দেখেও সেটিতে চাপ দেওয়া খুব সহজ এবং এতে টাইপিংয়ের ধারাবাহিকতাও দারুণভাবে বজায় থাকে। এই বিশেষ কারণটির জন্যই ল্যাপটপ বা কম্পিউটার তৈরির সময় স্পেসবারের আকারে কোনও বদল আনা হয়নি। Unsplash ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/red-space.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ স্পেসবার ছোট হলে টাইপ করার সময় বুড়ো আঙুল ফস্কে পাশের অন্য কোনও কিতে ভুল করে চাপ পড়ে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে। এর বিশাল আকারের কারণে স্পেসবারের যে কোনও অংশে চাপ দিলেই কাজ হয়, ফলে ভুলের পরিমাণ একেবারে কমে যায়। নির্ভুল ও দ্রুত টাইপিংয়ের ক্ষেত্রে তাই এই বড় বোতামটির অবদান অনস্বীকার্য। Unsplash ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/yellow-escape.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তাহলে বুঝতেই পারছেন, কিবোর্ডের স্পেসবার শুধু দেখতেই বড় নয়, এর কাজের পরিধিও রীতিমতো বিশাল। পুরনো টাইপরাইটার থেকে শুরু করে আজকের আধুনিক কিবোর্ড, সর্বত্রই নিজের রাজত্ব কায়েম রেখেছে এই বোতাম। টাইপ করার এই সাধারণ অথচ চমৎকার কৌশলটি সত্যিই আমাদের দৈনন্দিন ডিজিটাল জীবনকে অনেকটাই সহজ করে তুলেছে। Unsplash ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/are-apple-seeds-poisonous-1348744.html</loc><lastmod>2026-09-25T13:02:06+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/apple-red-back-ground.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Apple Red Back Ground ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/cute-apple-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ চিকিৎসকেরা রোজ আপেল খাওয়ার পরামর্শ দিলেও এর বীজে কিন্তু মারাত্মক বিপদ লুকিয়ে রয়েছে। শ্রীদেবী অভিনীত &#039;মম&#039; ছবিতেও খুনের ছক কষতে এই আপেলের বীজ ব্যবহার করা হয়েছিল। এখন প্রশ্ন হল, ভুলবশত এই বীজ পেটে চলে গেলে ঠিক কী হতে পারে? Unsplash ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/apple-red-back-ground.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ গবেষণায় দেখা গিয়েছে, আপেলের বীজের মধ্যে অত্যন্ত ক্ষতিকারক একটি রাসায়নিক উপাদান মজুত থাকে। এই বীজে থাকা অ্যামিগডালিন নামক যৌগটি মানুষের শরীরে মারাত্মক বিষক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। কাঠবাদাম বা চেরি ফলের বীজেও কখনও কখনও এই ধরনের বিষাক্ত যৌগের খোঁজ মেলে। Unsplash ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/whole-cut.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আপেলের বীজ ভালো করে চিবিয়ে খেলে পেটের ভিতরে গিয়ে তা হজমের সময় ভাঙতে শুরু করে। এই ভাঙনের ফলেই প্রাণঘাতী হাইড্রোজেন সায়ানাইড নামক একটি বিষাক্ত রাসায়নিক তৈরি হয় শরীরে। এই সায়ানাইড রক্তে মিশলে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হওয়ার প্রবল আশঙ্কা থাকে। Unsplash ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/alone-apple.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সায়ানাইড একটি অত্যন্ত ভয়ানক বিষ যা দ্রুত শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলিকে বিকল করে দেয়। এর প্রভাবে মানুষের হার্ট এবং মস্তিষ্কের কাজকর্ম সম্পূর্ণ রূপে স্তব্ধ হয়ে যেতে পারে। এমনকি শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দিয়ে পরিস্থিতি একেবারেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। Unsplash ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/two-seeds.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মাত্রারিক্ত সায়ানাইড শরীরে প্রবেশ করলে মানুষ দ্রুত কোমায় চলে যেতে পারেন। সঠিক সময়ে চিকিৎসা না হলে এই বিষের প্রভাবে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। তাই বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। Unsplash ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/dry-seeds.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তবে চিকিৎসকদের মতে, দু-একটা বীজ ভুল করে গিলে ফেললে আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। আস্ত বীজ গিলে ফেললে তা থেকে শরীরে বিষক্রিয়া হওয়ার খুব একটা আশঙ্কা থাকে না। Unsplash ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/small-seeds.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ প্রায় এক কাপ আপেলের বীজ একসঙ্গে চিবিয়ে খেলেই এই বিপদ ঘটার সম্ভাবনা থাকে। সাধারণ জীবনে এমনটা ঘটার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে। Unsplash ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/cut-apple.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আপেলের খোসায় প্রচুর ফাইবার থাকে যা শরীরের জন্য দারুণ উপকারী। তাই আপেল খাওয়ার আগে সতর্কতার সঙ্গে ভিতরের সব কটি বীজ ফেলে দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। অযথা ভয় না পেয়ে রোজকার ডায়েটে নির্দ্বিধায় এই স্বাস্থ্যকর ফলটি রাখতে পারেন। Unsplash ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/why-elbow-hit-feels-like-electric-shock-know-your-funny-bone-mystery-1348648.html</loc><lastmod>2026-09-24T19:52:44+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/1-3.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ 1 ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/8-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কনুইয়ের ভেতরের দিকে জোরে আঘাত লাগলে অনেকেরই অনেক সময় হাতের মধ্যে দিয়ে যেন বিদ্যুৎ খেলে গেল - এমন অনুভূতি হয়। কয়েক সেকেন্ডের জন্য তীব্র ঝিঁঝিঁ, শিরশির ভাব দেখা দিতে পারে। বিষয়টি অস্বাভাবিক মনে হলেও এর পিছনে আছে শরীরে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্নায়ুর অবস্থান। আঘাতের সময় সেই স্নায়ুতে তৈরি হয় সাময়িক উত্তেজনা। (Credit- Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/7-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এই অদ্ভুত অনুভূতির প্রধান কারণ হল আলনার নার্ভ (Ulnar Nerve)। স্নায়ুটি কনুইয়ের ভেতরের দিক দিয়ে হাতের নিচের দিকে চলে গিয়েছে। কনুইয়ের কাছে এই ত্বকের বেশ কাছেই অবস্থিত ও এর ফলে আশেপাশের টিস্যু ও হাড়ের কারণে তুলনামূলকভাবে কম সুরক্ষিত থাকে। ফলে ওই জায়গাতে সরাসরি কোনও আঘাত লাগলে স্নায়ুটি উত্তেজিত হয়ে যায়। (Credit- Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/6-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ স্নায়ু শরীরে বিভিন্ন অংশ ও মস্তিষ্কের মধ্যে বৈদ্যুতিক সংকেতের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করে। কনুইয়ে আঘাত লাগলে সাময়িকভাবে উত্তেজিত হয়ে Ulnar Nerve অস্বাভাবিক আচরণ করে। মস্তিষ্ক সেই সংকেতকে ব্যথা, ঝিঁঝিঁ বা বিদ্যুৎ শোকের মতো অনুভূতি হিসেবে গ্রহণ করে। তাই আঘাতের জায়গার তুলনায় অনেক দূর অবধি অস্বস্তি হতে পারে। (Credit- Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/5-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কনুইয়ের Ulnar Nerve হাতের নিচের অংশ ও কয়েকটি আঙুলের সেন্সের সঙ্গে যুক্ত। তাই কনুইয়ে আঘাত লাগার পর শুধু কনুইতেই নয়, হাতের নিচের অংশেও ঝিনঝিন বা শিরশির অনুভূতি হতে পারে। বিশেষ করে কনিষ্ঠা ও অনামিকা আঙুলে এই অনুভূতি বেশি টের পাওয়া যায়। অনেক সময় কয়েক মুহূর্তের মধ্যে এই অস্বস্তি নিজে থেকেই কমে যায়। (Credit- Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/4-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কনুইয়ের এই সংবেদনশীল অংশকে ইংরেজিতে প্রায়ই  funny bone বলা হয়। তবে নামটি কিছুটা বিভ্রান্তিকর, কারণ এটি আসলে কোনও বিশেষ হাড় নয়। কনুইয়ের কাছে ulnar nerve-এর অবস্থান থেকেই এই প্রচলিত নামের উৎপত্তি। জায়াগাটিতে আঘাত লাগলে অস্বাভাবিক ও তীব্র অনুভূতি হওয়ার কারণে বিষয়টি মানুষের কাছে বেশ পরিচিত নাম। (Credit- Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/3-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শরীরে অন্য জায়গায় সামান্য আঘাতের তুলনায় কনুইয়ের এই অংশের আঘাত বেশি তীব্র মনে হয়। কারণ, সেখানে স্নায়ুটি ত্বকের খুব কাছে থাকে। ফলে সরাসরি স্নয়ুকে দ্রুত উত্তেজিত করে ও মস্তিষ্ককে সংকেত পাঠায়। এই সংকেতের কারণেই কয়েক মুহূর্তের জন্য বিদ্যুতের শকের মতো অনুভূতি হয়। (Credit- Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/2-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সাধারণত, কনুইতে হঠাৎ আঘাতের পর অল্প সময়ের ঝিঁঝিঁ বা শক লাগার অনুভূতি নিয়ে উদ্বেগের কারণ থাকে না। তবে যদি অসাড়তা বা ঝিঁঝিঁ দীর্ঘক্ষণ স্থায়ী হয়, বারবার ব্যথা হয়, হাত বা আঙ্গুল দুর্বল হয়ে যায়, বা কনুই ফুলে যায়, তাহলে ডাক্তার দেখানো দরকার। (Credit- Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/1-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কনুইয়ের ভেতর এমন একটি জায়গা দিয়ে Ulnar Nerve প্রবাহিত হয়, যেখানে এটি তুলনামূলকভাবে কম সুরক্ষিত। তাই সেখানে আঘাত লাগলে স্নায়ুটি সাময়িকভাবে উত্তেজিত হয় ও অস্বাভাবিক সংকেত মস্তিষ্কে পৌঁছে যায়। তার ফলেই বিদ্যুৎ শকের মতো অনুভূতি হয়। (Credit- Unsplash) ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/the-real-reason-behind-the-hole-in-a-lollipop-stick-its-not-a-whistle-1348605.html</loc><lastmod>2026-09-24T16:23:15+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/stick-hole.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Stick Hole ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/stick-hole.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ছোটবেলায় ললিপপ খাওয়া শেষ হলেই ফাঁপা কাঠিটা নিয়ে ফুঁ দিতেন অনেকেই। ভাবখানা এমন, যেন ওই প্লাস্টিকের কাঠি থেকে এখনই চমৎকার কোনও বাঁশির সুর বেরোবে! কি, তাই তো? কিন্তু হাজার চেষ্টাতেও কোনও লাভ হয়নি কেন জানেন? কারণ, ওই ছোট্ট ফুটোটি বাঁশি বাজানোর জন্য দেওয়াই হয়নি। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/rainbow-lolli.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কাঠির ঠিক মাথায় থাকা ফুটোটা দেখলে যে কারও মনে হতে পারে, ওটা বুঝি বাঁশি বাজানোর জন্যই তৈরি! ছোটবেলার সেই মজাদার ভুল ধারণা আজও অনেকের মনে একেবারে গেঁথে আছে। তবে এর পেছনের আসল কারণটি শুনলে আপনিও রীতিমতো অবাক হবেন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/many-candy.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কারখানায় যখন ললিপপ তৈরি হয়, তখন এই কাঠির ওপর গরম আর তরল মিষ্টি রস ঢালা হয়। ঠিক সেই সময়েই ঘটে যায় আসল ম্যাজিক। ওই তরল গরম ক্যান্ডির কিছুটা অংশ সোজা ওই ছোট্ট ফুটোর ভেতরে ঢুকে যায়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/brecht-deboosere-pIi_cX_yTf4-unsplash.jpg.jpeg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ফুটোর ভেতরে ঢুকে যাওয়া সেই তরল ক্যান্ডি ঠান্ডা হতেই একেবারে শক্ত হয়ে যায়। তখন ভেতরের ওই অংশটি একটা মজবুত হুক বা লকের মতো কাজ করে। এই লকের কারণেই ললিপপের গোল অংশটি কাঠির সঙ্গে একদম শক্তভাবে আটকে থাকে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/coloring-round.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ একবার ভেবে দেখুন তো, যদি এই ফুটোটি না থাকত, তাহলে কী হত? প্লাস্টিকের কাঠি ভীষণ মসৃণ হওয়ায় ললিপপের গোলাটি খুব সহজেই পিছলে খুলে যেতে পারত। আর ক্যান্ডি খুলে সোজা গলায় আটকে গেলে বড়সড় কোনও বিপদ ঘটে যাওয়ার ভয় থাকত। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/many-lolly-po-round.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ছোটরা তো আর শান্ত হয়ে বসে ললিপপ খায় না, তারা ছুটোছুটি করতে করতেই ক্যান্ডি মুখে দেয়। সেই সময় গোলাকার ক্যান্ডিটি খুলে গলায় আটকে গেলে শ্বাসরোধ হওয়ার প্রবল ঝুঁকি থাকে। এই ধরনের মারাত্মক বিপদ এড়াতেই প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলো কাঠিতে এই ছোট্ট ফুটোটি রাখে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/candy-shop-nice.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শিশুদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখেই ললিপপের কাঠিতে এই ছোট্ট ফুটোটি রাখা হয়। এই সামান্য একটা ফুটোই বাচ্চাদের অনেক বড় বিপদের হাত থেকে বাঁচিয়ে দেয়। বাঁশি বাজানোর জন্য এটি একেবারেই তৈরি করা হয় না, আর ঠিক সেই কারণেই হাজার ফুঁ দিলেও এতে কোনও আওয়াজ হয় না। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/love-lolly-pop.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তাই যে জিনিসটিকে আপনি সারা জীবন খেলনা বাঁশি ভেবে এসেছেন, তা আসলে সবার প্রাণরক্ষাকারী। এবার থেকে যখনই ছোটদের ললিপপ খেতে দেখবেন, তখন এই মজাদার সত্যিটার কথা নিশ্চয়ই আপনার মনে পড়বে। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/lifestyle/how-to-spot-the-sweetest-apple-in-the-market-8-tricks-1348524.html</loc><lastmod>2026-09-24T13:31:01+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/select-apple.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Select Apple ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/select-apple.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সুস্থ থাকার জন্য রোজ একটা করে আপেল খাওয়া জরুরি। কিন্তু বাজারের থরে থরে সাজানো লাল আপেলের ভিড়ে আসল মিষ্টি ফলটা বেছে নেওয়া বেশ ঝক্কির কাজ। তবে কয়েকটা সহজ কৌশল জানা থাকলে ফল কিনতে গিয়ে আর কখনও ঠকতে হবে না। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/box-wood-apple.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আপেল কেনার আগে সেটা একটু হাতে নিয়ে হালকা চাপ দিয়ে পরখ করে দেখাটা খুবই জরুরি। হাতের চাপে ফলটা যদি বেশ শক্তপোক্ত মনে হয়, তবে বুঝবেন সেটা একদম তাজা আর মুচমুচে। নরম বা তুলতুলে হয়ে গিয়েছে এমন আপেল কেনা মানেই কিন্তু স্রেফ পয়সা নষ্ট। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/fresh-green-apple.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ফলের খোসা দেখেই তার আসল গুণমান বেশ খানিকটা ধরে ফেলতে পারবেন। সবসময় মসৃণ আর চকচকে খোসা যুক্ত আপেল বেছে নেওয়াই হল আসল বুদ্ধিমানের কাজ। খোসার গায়ে যদি কোনও দাগ বা কালচে গর্ত থাকে, তবে সেই আপেলের দিকে ভুলেও হাত বাড়াবেন না। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/cute-apple.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আপেলের রঙের সঙ্গে কিন্তু তার মিষ্টি স্বাদের একটা সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। গাঢ় এবং টকটকে লাল রঙের আপেল সাধারণত স্বাদে অনেক বেশি মিষ্টি আর রসালো হয়। ফ্যাকাশে বা ম্যাড়ম্যাড়ে রঙের আপেল দেখলে তা এড়িয়ে চলাই ভালো। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/round-apple.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শুধু বাইরে থেকে দেখলেই হবে না, ফলের ওজনটাও কিন্তু ভালো করে যাচাই করে নিতে হবে। আপেল হাতে নেওয়ার পর যদি সেটা আকারের তুলনায় একটু ভারী মনে হয়, তবে সঙ্গে সঙ্গে কিনে নিন। কারণ ওজনে ভারী আপেল রসে একেবারে টইটুম্বুর হয়, আর তার স্বাদও হয় দারুণ। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/from-tree-apple.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আপেলটা ঠিক কতটা তাজা, সেটা বলে দিতে পারে ফলের ওই ছোট্ট বোঁটা বা বৃন্ত। সদ্য পাড়া সতেজ আপেলের ডাঁটি সবসময় একটু নরম গোছের হবে। অন্যদিকে ডাঁটি শুকিয়ে খয়েরি হয়ে গিয়েছে মানেই বুঝতে হবে সেই ফলটা বেশ পুরনো। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/pure-red-apple.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ফলের সুগন্ধই তার মিষ্টত্বের আসল প্রমাণ, তাই একটু গন্ধ শুঁকে দেখলেও কিন্তু কাজ হয়। বোঁটার কাছ থেকে যদি আপেলের একটা সুন্দর মিষ্টি সুবাস আসে, তবে ফলটা নিশ্চিতভাবে পাকা। আর যদি কোনও গন্ধই না পান, তবে বুঝতে হবে সেই আপেল খেতে একদম পানসে হবে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/apple-cut.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বাজারে এখন নানা জাতের আপেল পাওয়া যায়, তাই নিজের পছন্দের স্বাদটা খুঁজে বার করা জরুরি। আপনার পরিবারের সঙ্গে কোন জাতের আপেলটা বেশি মানানসই, সেটা বুঝতে সব রকমই একটু চেখে দেখতে পারেন। নিজের পছন্দের আপেলের ধরনটা একবার চিনে গেলে আর কখনও বিভ্রান্ত হতে হবে না। Pinterest ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/tv-actress-dipika-kakar-returns-to-screen-after-cancer-battle-1348322.html</loc><lastmod>2026-09-23T15:53:14+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/dipika-haspatal-1.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Dipika Haspatal ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/dipika-haspatal-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ দীর্ঘ এক কঠিন লড়াইয়ের পর অবশেষে ক্যামেরার সামনে ফিরছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী দীপিকা কক্কর। মারণরোগ ক্যানসারকে হারিয়ে তাঁর এই কামব্যাকের খবরে উচ্ছ্বসিত অনুরাগীরা। তাহলে কি আবার ধারাবাহিকে ফিরছেন অভিনেত্রী? Instagram ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/black-and-white-1-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সোশাল মিডিয়ায় নিজের ভ্লগের মাধ্যমে কাজের জগতে ফেরার এই নতুন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন অভিনেত্রী। তবে ভক্তরা তাঁকে মেগা সিরিয়ালে দেখার জন্য মুখিয়ে থাকলেও এখনই তা হচ্ছে না। শারীরিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই আপাতত দীর্ঘ সময়ের প্রজেক্ট থেকে দূরে রয়েছেন তিনি। Instagram ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/hand-happy-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এই মুহূর্তে মেগা ধারাবাহিকের জন্য প্রতিদিন লম্বা সময় ধরে শুটিং করা তাঁর পক্ষে একেবারেই সম্ভব নয়। ভ্লগে দীপিকা জানিয়েছেন, ক্যানসারের চিকিৎসা এখনও চলছে এবং তার কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও রয়ে গিয়েছে। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে মেগায় ফেরা নিয়ে তাঁর মনে কোনও আক্ষেপও নেই। Instagram ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/dipika-stone-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ হাসিমুখেই তিনি বাস্তবটা মেনে নিয়েছেন এবং জানিয়েছেন এমন শারীরিক অবস্থায় তাঁকে মেগায় কেউ কাস্ট করবে বলেও মনে হয় না। তবে ক্যামেরার সামনে তিনি ইতিমধ্যেই দাঁড়িয়েছেন এবং নতুন কাজের শুটিংও শেষ হয়ে গিয়েছে। কাজের প্রতি তাঁর এই অদম্য জেদ সত্যিই প্রশংসনীয়। Instagram ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/happycouple-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ নতুন প্রজেক্টের শুটিং ফ্লোরে নামার আগে রীতিমতো কঠোর রিহার্সালও করেছেন দীপিকা। তবে সেই প্র্যাকটিস করতে গিয়েই তিনি হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছেন যে আগের তুলনায় শরীর অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে। তাঁকে প্রায় দশ মিনিট অন্তর অন্তর ছোট বিরতি নিতে হচ্ছিল। Instagram ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/dipika-with-son-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তা হলে প্রশ্ন জাগতেই পারে, ধারাবাহিক না হলে ঠিক কীসের মাধ্যমে দর্শকদের সামনে আসছেন দীপিকা? আসলে ছোট প্রজেক্টের মাধ্যমেই আপাতত বিনোদন জগতে নিজের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করতে চলেছেন তিনি। আর এই কাজে তিনি সবথেকে বেশি সাপোর্ট পেয়েছেন নিজের পরিবারের। Instagram ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/romantic-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ স্বামী শোয়েব ইব্রাহিমের সঙ্গেই একটি রোম্যান্টিক মিউজিক ভিডিয়োয় দেখা যাবে তাঁকে। দীর্ঘদিন পর প্রিয় জুটিকে ফের একসঙ্গে পর্দায় দেখার সুযোগ পেয়ে আনন্দে আত্মহারা ভক্তরা। নাচের রিহার্সালে দুর্বলতা এলেও স্বামীর সঙ্গেই সফলভাবে শুটিং শেষ করেছেন তিনি। Instagram ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/in-balack-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আপাতত শারীরিক সমস্ত প্রতিকূলতা মেনেই ধীরে ধীরে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চান ক্যানসার জয়ী অভিনেত্রী। শোয়েবের সঙ্গে তাঁর এই নতুন মিউজিক ভিডিয়ো দর্শকদের মন জয় করবে বলেই আশা করা হচ্ছে। অনুরাগীদের অফুরন্ত ভালোবাসাই তাঁকে কখনও হার না মানার সাহস জোগায়। Instagram ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/jackfruit-seeds-benefits-and-side-effects-what-happens-to-your-body-1348265.html</loc><lastmod>2026-09-23T13:45:13+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/kanthal-seeds.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Kanthal Seeds ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/kanthal-seeds.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ গ্রীষ্মকাল মানেই ফলের রাজা কাঁঠালের সুবাসে ম ম করা চারপাশ, তবে ফল খাওয়ার পর বীজগুলোর জায়গা হয় ডাস্টবিনে। আবার অনেকের বাড়িতেই এই বীজ দিয়ে তৈরি হয় সুস্বাদু সব পদ, যা চেটেপুটে খায় ছোট থেকে বড় সবাই। কিন্তু কখনও কি ভেবে দেখেছেন, এই বীজ আপনার শরীরের ভেতরে গিয়ে ঠিক কী কী কাণ্ড ঘটাচ্ছে? Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/kanthal-dana.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বিজ্ঞানীদের মতে, কাঁঠালের বীজে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ডায়েটারি ফাইবার, প্রোটিন, ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই পুষ্টিগুণ আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে চোখের স্বাস্থ্যও ভালো রাখতে সাহায্য করে। ফাইবার বেশি থাকায় এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে পেট পরিষ্কার রাখতেও দারুণ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/kanthal-crack.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সঠিক পদ্ধতিতে রান্না করে খেলে কাঁঠালের বীজ কিন্তু হজমশক্তি অনেকটাই বাড়িয়ে দিতে পারে। এর মধ্যে থাকা উপকারী ফাইবার অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। ফলে নিয়মিত অল্প পরিমাণে এই বীজ খেলে বদহজম বা পেটের গোলমাল অনেকটাই দূরে থাকে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/like-garlic.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তবে বিপত্তি ঘটে ভুল নিয়মে বা কাঁচা অবস্থায় এই বীজ খেলে, কারণ তখন পেটের ভেতর মারাত্মক গ্যাস তৈরি হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কাঁঠালের বীজে কিছু অ্যান্টি-নিউট্রিশনাল উপাদান থাকে যা প্রোটিন হজমে বাধা দেয়। ঠিকমতো সেদ্ধ বা রান্না না হলে এটি থেকে পেটে তীব্র ব্যথা বা বদহজমের সমস্যা হওয়াটা মোটেও অস্বাভাবিক নয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/half-kanthal.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কাঁচা বীজে থাকা ট্যানিন ও ট্রিপসিন ইনহিবিটর নামের উপাদান আমাদের শরীরের পুষ্টি শোষণের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাই না বুঝে কাঁচা বা আধসেদ্ধ অবস্থায় এটি খেলে পেটের ভেতর রীতিমতো যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। এই কারণেই খাওয়ার আগে বীজগুলোকে অন্তত কুড়ি থেকে তিরিশ মিনিট ভালো করে জলে ফুটিয়ে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/kanthal-kandi.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ যাঁরা নিয়মিত রক্ত পাতলা করার((Blood thinning) ওষুধ খান, তাঁদের ক্ষেত্রে কাঁঠালের বীজ মারাত্মক বিপদের কারণ হতে পারে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, এই বীজের নির্যাস রক্তজমাট বাঁধার প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয়, যা ওষুধের সঙ্গে মিশে রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই এমন কোনও শারীরিক সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এটি একেবারেই খাওয়া উচিত নয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/many-jack-fruit.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অবশ্য সঠিক নিয়মে খেতে পারলে এই বীজ কিন্তু ত্বকের বলিরেখা কমাতেও ম্যাজিকের মতো কাজ করে। এর মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের সতেজতা ধরে রাখে এবং চুলের গোড়া শক্ত করে অকালে চুল পড়া রোধ করে। তাই ভয় না পেয়ে সঠিক উপায়ে রান্না করে এটি আপনার রোজকার ডায়েটের অংশ করে তুলতেই পারেন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/kanthal.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সুতরাং, কাঁঠালের বীজ একেবারেই ফেলে দেওয়ার জিনিস নয়, বরং এটি পুষ্টির এক অনবদ্য পাওয়ার হাউস। তবে মনে রাখবেন, ভালো করে সেদ্ধ বা রোস্ট করা ছাড়া এটি সরাসরি খাওয়া একেবারেই অনুচিত। পরিমিত পরিমাণে ও সঠিক উপায়ে খেলে এটি আপনার শরীরের জন্য আশীর্বাদ হয়েই ধরা দেবে। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/why-does-your-phone-charge-slowly-in-winter-know-the-reasons-1348090.html</loc><lastmod>2026-09-22T16:43:30+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/05-13.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ 05 ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/08-10.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শীতকালে অনেকের মনে হয়, অন্য সময়ের তুলনায় ফোন স্লো চার্জ হচ্ছে। এর প্রধান কারণ, ব্যাটারির তাপমাত্রা কমে যাওয়া। এখনকার দিনে বেশিরভাগ স্মার্টফোনে লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়। তাপমাত্রা কমে গেলে ব্যাটারির ভিতরে রাসায়নিক বিক্রিয়ার গতি কমে যায়। ফলে, ফোনে চার্জ গ্রহণের ক্ষমতাও সাময়িকভাবে কমে যেতে পারে। (Credit - Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/07-8.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ফোন চার্জ করার সময় ব্যাটারির ভিতর লিথিয়াম আয়ন একটি ইলেকট্রোড থেকে অন্য ইলেকট্রোডে চলাচল করে। ঠান্ডা পরিবেশে এই অয়নগুলির চলাচল তুলনামূলক স্লো হয়ে যায়। একই সঙ্গে ব্যাটারির অভ্যন্তরীণ প্রতিরোধ বাড়তে পারে। ফলে চার্জার পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করলেও ব্যাটারি স্বাভাবিক গতিতে চার্জ নিতে পারে না। (Credit - Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/06-8.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ স্মার্টফোনে থাকা Battery Management System ব্যাটারির তাপমাত্রা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে। তাপমাত্রা খুব কমে গেলে ব্যাটারির সুরক্ষার জন্য ফোন চার্জিং কমিয়ে দিতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে ফাস্ট চার্জিং সাময়িকভাবে বন্ধও হয়ে যায়। অর্থাৎ, ফোনের কোনও প্রবলেম না থাকলেও নিরাপত্তার কারণেই ধীরে চার্জিং হতে পারে। (Credit - Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/05-12.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বর্তমান স্মার্টফোনে দ্রুত চার্জ করার জন্য নানা প্রযুক্তি আছে। কিন্তু এই প্রযুক্তিগুলি নির্দিষ্ট তাপমাত্রার মধ্যে সবচেয়ে ভালভাবে কাজ করে। ব্যাটারি অতিরিক্ত ঠান্ডা হয়ে গেলে ফোনের সফ্টওয়্যার দ্রুত চার্জ হওয়ার বদলে নরমাল চার্জিং বেছে নিতে পারে। তাই Super Fast Charging মোড কাজ না করাও স্বাভাবিক। (Credit - Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/04-12.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তাপমাত্রা অত্যন্ত কমে গেলে শুধু চার্জিং নয়, ফোনের সামগ্রিক ব্যাটারি পারফরম্যান্সেও প্রভাব পড়তে পারে। ব্যাটারির শতাংশ দ্রুত কমে যেতে পারে, ফোনের ব্যাকআপ সাময়িকভাবে কম মনে হতে পারে কিংবা কিছু ক্ষেত্রে ফোন নিজে থেকে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তবে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ফিরে এলে সাধারণত এই সমস্যাগুলি কমে যায়। (Credit - Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/03-12.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শীতকালে ফোন চার্জ দেওয়ার আগে সেটিকে স্বাভাবিক ঘরের তাপমাত্রায় রাখুন। খুব ঠান্ডা জায়গা থেকে এনেই সঙ্গে সঙ্গে চার্জ দেবেন না। চার্জ দেওয়ার সময় গেম খেলা বা অতিরিক্ত অ্যাপ ব্যবহার এড়িয়ে চলুন। এতে ফোনের তাপমাত্রা স্থিতিশীল থাকবে ও ব্যাটারি তুলনামূলকভাবে ভালভাবে চার্জ নিতে পারে। (Credit - Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/02-14.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেকে ঠান্ডা হয়ে গেলে অনেকেই দ্রুত গরম করার চেষ্টা করেন। কিন্তু হিটার, হেয়ার ড্রায়ার বা অন্য কোনও সরাসরি তাপের উৎস ব্যবহার করা উচিৎ নয়। হঠাৎ অতিরিক্ত তাপ ফোনের ব্যাটারি ও অন্যান্য যন্ত্রাংশের ক্ষতি করতে পারে। বরং ফোনকে স্বাভাবিক ঘরের তাপমাত্রায় রেখে ধীরে ধীরে উষ্ণ হতে দিন। (Credit - Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/01-16.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শীতকালে সামান্য ধীরে চার্জ হওয়া সাধারণ বিষয়। কিন্তু ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রাতেও যদি ফোন অত্যন্ত ধীরে চার্জ হয়, তাহলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। চার্জার, কেবল, চার্জিং পোর্ট কিংবা ব্যাটারির সমস্যা থাকতে পারে। তাই সমস্যা দীর্ঘদিন থাকলে একটি ভাল চার্জার দিয়ে পরীক্ষা করুন ও প্রয়োজন হলে ফোনের সার্ভিস সেন্টারে যোগাযোগ করুন। (Credit - Unsplash) ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/does-listening-to-music-while-working-or-studying-really-increase-focus-science-explains-1347870.html</loc><lastmod>2026-09-21T16:16:49+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/high-neck-shirt-and-music.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ High Neck Shirt And Music ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/happy-work.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ল্যাপটপ খুলে বসলেই, বা পড়াশোনা করার সময়, কানে ইয়ারফোন গোঁজা আজকাল অনেকেরই দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কেউ ভাবেন গান শুনলে কাজের গতি বাড়ে, আবার কারও মতে এতে মনঃসংযোগ পুরোপুরি নষ্ট হয়। কিন্তু এই বিষয়ে বিজ্ঞান ঠিক কী বলছে, তা কি কখনও ভেবে দেখেছেন? কী বলছে গবেষণা? Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/light-blue-shirt.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পছন্দের গান শুনলে আমাদের মস্তিষ্কে ডোপামিন নামক হরমোন ক্ষরিত হয়, যা নিমেষে মন ভালো রাখতে সাহায্য করে। মন ফুরফুরে থাকলে স্বাভাবিকভাবেই একঘেয়ে বা ক্লান্তিকর কাজ করা অনেক বেশি সহজ হয়ে যায়। তাই দীর্ঘক্ষণ ডেটা এন্ট্রির মতো বোরিং কাজ করার সময় মিউজিক ম্যাজিকের মতো কাজ করে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/concentration-study.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তবে স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, নতুন কিছু শেখার সময় গান শোনা একেবারেই উচিত নয়। কারণ আমাদের মস্তিষ্ক একই সঙ্গে দুটি নতুন তথ্য প্রসেস করতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খায়। ফলে পড়াশোনা বা জটিল কোনও হিসাব করার সময় গান শুনলে ফোকাস নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি থাকে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/sofa-support-study.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ গবেষকরা আরও জানাচ্ছেন যে, গানের কথার প্রতি আমাদের মস্তিষ্ক খুব দ্রুত আকৃষ্ট হয়। তাই লিরিক্স আছে এমন গান শুনলে কাজের চেয়ে গানের কথার দিকেই মন বেশি চলে যায়। এর বদলে ইনস্ট্রুমেন্টাল বা লো-ফাই মিউজিক শুনলে তা ব্যাকগ্রাউন্ড নয়েজ ঢেকে দিয়ে মনঃসংযোগ বাড়াতে সাহায্য করে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/high-neck-shirt-and-music.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ নব্বইয়ের দশকে &#039;মোজার্ট এফেক্ট&#039; নামে একটি তত্ত্ব বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল, যেখানে বলা হত ক্লাসিকাল মিউজিক বুদ্ধিমত্তা বাড়ায়। কিন্তু পরবর্তীকালে বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন যে এটি পুরোপুরি সত্যি নয়। আসলে মিউজিক সরাসরি আইকিউ বাড়ায় না, বরং কাজের প্রতি আমাদের ফোকাস ধরে রাখতে সাহায্য করে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/sofa-work.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তাই আপনি কী ধরনের কাজ করছেন, তার ওপরই নির্ভর করবে আপনার গান শোনা উচিত কি না। যে কাজগুলো আপনি রোজ করেন এবং যার জন্য খুব বেশি ভাবার প্রয়োজন নেই, সেখানে গান আপনার সঙ্গী হতে পারে। কিন্তু যেখানে গভীর মনোযোগ বা নতুনত্ব সৃষ্টির দরকার, সেখানে নিস্তব্ধ থেকে কাজ করাই উচিত বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/study.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ &#039;জার্নাল অফ অ্যাপ্লায়েড সাইকোলজিতে&#039; প্রকাশিত একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, কিছু মানুষ গান শুনতে শুনতে কাজ করলে দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়েন। অন্যদিকে এক্সট্রোভার্ট বা বহির্মুখী মানুষেরা ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকের সঙ্গে অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তাই অন্যের দেখা দেখি কানে হেডফোন না গুঁজে নিজের স্বাচ্ছন্দ্যের দিকটি আগে বোঝা জরুরি। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/study-with-music.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মোদ্দা কথা হল, গান শুনে কাজ করা খারাপ বা ভালো, এমন কোনও বাঁধাধরা নিয়ম নেই। কাজের ধরন এবং আপনার মস্তিষ্কের ধারণক্ষমতা বুঝে সঠিক মিউজিক বেছে নেওয়াই হল আসল ট্রিক। তাই এবার থেকে কাজের সময় গান চালাবেন নাকি পিনপতন নীরবতা বাছবেন, তা পুরোপুরি আপনারই সিদ্ধান্ত! Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/why-do-coins-have-ridged-edges-the-clever-historical-reason-1347792.html</loc><lastmod>2026-09-21T11:58:16+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/many-coins-onek.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Many Coins Onek ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/five-coin.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পকেটে থাকা খুচরো পয়সাগুলোর দিকে কখনও ভালো করে লক্ষ্য করেছেন কি? খেয়াল করলে দেখবেন, কিছু কয়েনের ধার একদম মসৃণ হলেও বাকিগুলোর ধারে সূক্ষ্ম খাঁজ কাটা থাকে। অনেকেই ভাবেন এটি নিছকই কোনও সাধারণ নকশা, কিন্তু এর পিছনে লুকিয়ে আছে শতাব্দীর পুরনো এক ইতিহাস। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/many-coins-onek.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ষোড়শ শতকের ইউরোপে এই খাঁজ কাটা কয়েনের ইতিহাস শুরু হয়েছিল বলে জানা যায়। সেই যুগে মুদ্রা তৈরি হত খাঁটি সোনা এবং রুপো দিয়ে, যার ফলে ধাতু হিসেবে কয়েনগুলির বেশ ভালোই মূল্য ছিল। আর এই মূল্যবান ধাতুর লোভেই তখন একদল অসাধু মানুষ এক অভিনব জালিয়াতির পথ বেছে নিয়েছিল। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/row-coin.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ জালিয়াতরা কয়েনের ধার থেকে অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে কিছুটা ধাতু কেটে নিত, যা খালি চোখে ধরা পড়ত না। এই পদ্ধতিকে সেই সময় &#039;কয়েন ক্লিপিং&#039; বলা হত এবং এই কাটা অংশ তারা নিজেদের কাছে রেখে দিত। এর ফলে বাজারে যে মুদ্রাগুলি ঘুরত, তার ওজন আসল ওজনের চেয়ে বেশ কিছুটা কমে যেত। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/sleep-coin.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ খুব দ্রুত এই জালিয়াতি এক বড়সড় অর্থনৈতিক সঙ্কটের আকার ধারণ করে এবং সাধারণ মানুষ মুদ্রার আসল মূল্য নিয়ে সন্দিহান হয়ে পড়ে। এই সমস্যা মেটাতেই সরকার কয়েনের ধারে নকশা বা খাঁজ কাটার সিদ্ধান্ত নেয়। এর ফলে কেউ কয়েনের ধার কাটলেই সেই নকশা নষ্ট হয়ে যেত এবং জালিয়াতি সহজেই ধরা পড়ত। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/organised-coin.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বর্তমানে আর সোনা বা রুপোর মুদ্রা তৈরি হয় না, তার বদলে শঙ্কর ধাতু ব্যবহার করা হয়। তাই এখন আর কয়েনের ধার কেটে ধাতু চুরি করার কোনও মানেই হয় না। তবুও আধুনিক যুগেও কয়েনের ধারে এই খাঁজ কাটা নকশা কিন্তু পুরোপুরি হারিয়ে যায়নি। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/five-coin-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এর পিছনে একটি বড় কারণ হল ঐতিহ্য, যা যুগের পর যুগ ধরে মুদ্রা তৈরির ক্ষেত্রে মান্যতা পেয়ে এসেছে। তাছাড়া এই খাঁজকাটা নকশার কারণে কয়েন হাতে ধরতেও বেশ সুবিধা হয়। ভিজে বা ঠান্ডায় জমে যাওয়া হাত থেকে মসৃণ কয়েন সহজেই পিছলে যেতে পারে, কিন্তু খাঁজ থাকলে গ্রিপ ভালো হয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/ridged-coin.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হল দৃষ্টিহীন মানুষদের সাহায্য করা। অনেক দেশে বেশি মূল্যের কয়েনগুলিতে খাঁজ থাকে এবং কম মূল্যের কয়েনগুলি মসৃণ হয়। পকেটে হাত দিয়ে শুধুমাত্র স্পর্শ করেই দৃষ্টিহীনরা এর মাধ্যমে খুব সহজেই বুঝতে পারেন যে তারা কত টাকার মুদ্রা হাতে ধরে আছেন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/one-ruppee-coin.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এছাড়াও আধুনিক যুগে জাল মুদ্রা তৈরি রুখতেও এই খাঁজকাটা নকশা একটি অতিরিক্ত সুরক্ষার স্তর হিসেবে কাজ করে। ডিজিটাল পেমেন্টের যুগেও আমাদের রোজকার জীবনে মুদ্রার ব্যবহার কিন্তু একদমই ফুরিয়ে যায়নি। তাই পরের বার হাতে কয়েন পেলে মনে রাখবেন, এই ছোট খাঁজগুলির সঙ্গে জড়িয়ে আছে এক বিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং ইতিহাস। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/swallowing-lemon-seeds-is-it-dangerous-or-safe-for-your-health-1347642.html</loc><lastmod>2026-09-20T18:54:37+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/big-seeds.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Big Seeds ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/big-seeds.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ গরমের দিনে ঠান্ডা শরবতে চুমুক দিতে গিয়ে হঠাৎ একটা লেবুর দানা পেটে চলে গিয়েছে, এমনটা অনেকের সঙ্গেই ঘটে। অনেকে তো আবার ভাবেন পেটে গাছ গজাবে, তবে এই ভয়টা একেবারেই ভিত্তিহীন। দানাটা ভেতরে যাওয়ার পর ঠিক কী হয় তা নিয়ে অনেকেরই সঠিক ধারণা নেই। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/seed-rain.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেকেই ভাবেন এই ছোট দানাগুলো পাকস্থলীতে গিয়ে আটকে মারাত্মক কোনও রোগের সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে অ্যাপেন্ডিসাইটিসের মতো বিপদের ভয় দেখিয়ে অনেককেই রীতিমতো আতঙ্কিত করা হয়। কিন্তু বিজ্ঞান বলছে শরীরের ভেতরের ইঞ্জিনটা আমাদের ভাবনার চেয়েও অনেক বেশি শক্তিশালী এবং জটিল। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/lemon-seed.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আমাদের পাকস্থলীতে এমন কিছু শক্তিশালী অ্যাসিড রয়েছে, যা খাবার হজম করার ক্ষেত্রে ম্যাজিকের মতো কাজ করে। যখনই বাইরের কোনও শক্ত জিনিস সেখানে পৌঁছায়, এই অ্যাসিডগুলো নিজেদের কাজ শুরু করে দেয়। তবে কি লেবুর সেই শক্ত আবরণ নিমেষেই গলে যায় নাকি ভেতরে অন্য কিছু ঘটে? ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/cut-lemon.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আপেল বা চেরির বীজে সামান্য সায়ানাইড থাকে বলে সেগুলো নিয়ে চিকিৎসকদের একটা বাড়তি সতর্কতা থাকে। কিন্তু লেবুর দানার ক্ষেত্রে এই ধরনের কোনও বিষাক্ত উপাদানের কথা বিজ্ঞানীরা কখনও বলেননি। তাই বিষক্রিয়ার যে ভয়টা অনেকের মধ্যে কাজ করে, তা একেবারেই ভিত্তিহীন একটি ধারণা। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/lemons.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বৈজ্ঞানিক গবেষণা বলছে, লেবুর দানার বাইরের স্তরটি সেলুলোজ জাতীয় ফাইবার দিয়ে তৈরি হয়, যা মানুষের পরিপাকতন্ত্র সহজে হজম করতে পারে না। ফলে পাকস্থলীর শক্তিশালী অ্যাসিডও এই দানার খুব একটা ক্ষতি করতে পারে না। দানাগুলো শরীরের ভেতরে গিয়ে অন্যান্য খাবারের সঙ্গেই অন্ত্রের দিকে এগিয়ে যায়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/mixed-lemon.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ যেহেতু দানাগুলো হজম হয় না, তাই এগুলো মলের মাধ্যমে শরীর থেকে সম্পূর্ণ অবিকৃত অবস্থায় বেরিয়ে যায়। অর্থাৎ পেটের ভেতরে এরা কোনওরকম বিক্রিয়া করে না বা অন্ত্রের দেওয়ালে কোথাও আটকে থাকে না। শরীরের নিজস্ব প্রক্রিয়ায় এগুলো খুব স্বাভাবিকভাবেই মলদ্বার দিয়ে বাইরে নির্গত হয়ে যায়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/many-lemon.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তবে একসঙ্গে অনেকটা পরিমাণ দানা গিলে ফেললে পেটে হালকা ব্যথা বা বদহজমের সমস্যা দেখা দেওয়া অস্বাভাবিক নয়। পেডিয়াট্রিক রিসার্চ বা শিশু চিকিৎসকদের নির্দেশিকা অনুযায়ী শিশুদের ক্ষেত্রে গলার শ্বাসনালীতে আটকে যাওয়ার একটা ঝুঁকি থেকেই যায়, যা বেশ বিপজ্জনক হতে পারে। তাই খাওয়ার সময় দানাগুলো ফেলে দেওয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/lemon-cut.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সোজা কথায় বলতে গেলে, দু-একটা লেবুর দানা ভুল করে গিলে ফেললে শরীরের কোনও ক্ষতিই হয় না। তাই শরবতে চুমুক দেওয়ার সময় দানা পেটে চলে গেলে অকারণে আর ভয় পাবেন না। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/silent-reading-vs-reading-aloud-best-study-method-1347663.html</loc><lastmod>2026-09-20T18:35:55+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/poiu-1.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Poiu ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/nb.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পড়াশোনা করার সময় অনেকেরই প্রশ্ন থাকে - মনে মনে পড়া ভাল, নাকি শব্দ করে পড়া? কেউ চুপচাপ পড়তে পছন্দ করেন, আবার কেউ জোরে পড়লে বা চিল্লিয়ে পড়লে বিষয়টি ভালভাবে বুঝতে পারেন। আসলে দুই ভাবে পড়ারই আলাদা সুবিধা আছে। কী পড়ছেন, কেন পড়ছেন ও আপনি কত ভাল রিডিং পড়তে পারেন - তার উপর নির্ভর করে পড়ার পদ্ধতি বেছে নেওয়া উচিত। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/poiu.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মনে মনে পড়লে সাধারণত তাড়াতাড়ি পড়া যায়। প্রতিটি শব্দ মুখে বলতে হয় না বলে কম সময়ে বেশি পড়া সম্ভব। তাই গল্পের বই, খবরের কাগজ, বড় কোনও অধ্যায় বা পরীক্ষার আগে পড়া ঝালিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি বেশ সুবিধেজনক। তবে তাড়াহুড়ো করতে পড়তে গিয়ে আদৌ বিষয়টি বুঝছেন কী না, সেদিকেও নজর রাখা দরকার। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/kl.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মনে মনে পড়ার সময় একটি সমস্যা হতে পারে যে অমনস্ক হয়ে যাওয়া। তাই নীরবে পড়ার সময় মনোযোগ ধরে রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। একটি অংশ পড়ে নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করুন, এই অংশে কী বলা হয়েছে? যদি উত্তর দিতে পারেন, বুঝবেন যে লেখাটি আপনার মাথায় ঢুকছে। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/lc.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শব্দ করে পড়লে চোখে দেখার পাশাপাশি কানেও নিজের পড়া শোনা যায়। অনেকের ক্ষেত্রে এতে বিষয়টি মনে রাখা সোজা হয়। বিশেষ করে নতুন শব্দ শেখা, কবিতা পড়া, ভাষা শেখা বা কঠিন কোনও বিষয় বোঝার সময় শব্দ করে পড়া উপকারী হতে পারে। ছোটদের পড়ার অভ্যাস তৈরি করতেও এই পদ্ধতি কাজে লাগে। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/xc.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শব্দ করে পড়ার অন্যতম সুবিধা হল উচ্চারণের ভুল সহজে ধরা যায়। বিশেষ করে বাংলা বা ইংরেজি ভাষা শেখার জন্য এটি খুব প্রয়োজনীয়। কোনও শব্দ বারবার ভুল উচ্চারণ করলে জোরে পড়ার সময় নিজের ভুলটি কানে লাগতে পারে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে সবকিছু জোরে পড়লে পড়ার গতি কমে যেতে পারে। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী এই পদ্ধতি ব্যবহার করা ভাল। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/kj.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শুধু মনে মনে বা শব্দ করে পড়লেই যে সব মনে থাকবে, তা নয়। পড়া শেষ করার পর বই বন্ধ করে নিজের মনে বিষয়টি বলার চেষ্টা করুন। নিজেকে প্রশ্ন করুন - কী পড়লাম? গুরুত্বপূর্ণ তথ্য কী? এভাবে পড়া বিষয়টি মনে করার চেষ্টা করলে বিষয়টি আরও ভাল ভাবে মনে থাকে। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/sd.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ দ্রুত পড়া বা আগে পড়া বিষয় আবার ঝালিয়ে নেওয়ার জন্য মনে মনে পড়া সুবিধাজনক। অন্যদিকে কঠিন বিষয়, নতুন শব্দ, কবিতা বা ভাষা শেখার সময় শব্দ করে পড়া কাজে লাগতে পারে। অর্থাৎ, সব সময় একই পদ্ধতি অনুসরণ করার দরকার নেই। পড়ার বিষয় অনুযায়ী পদ্ধতি বদল করাই বেশি সুবিধার। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/as.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তাই মনে মনে পড়া ও শব্দ করে পড়া - দুইই গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমে মনে মনে পড়ে বিষয়টি বোঝা যেতে পারে। এরপর কঠিন অংশ শব্দ করে পড়া ও বই বন্ধ করে কী পড়েছেন তা মনে করার চেষ্টা করা যেতে পারে। এইভাবে পড়লে শুধু পড়ার অভ্যাস নয়, বিষয়টি বোঝা ও মনে রাখার ক্ষমতাও আরও ভালভাবে কাজে লাগানো সম্ভব। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/how-to-clean-an-air-fryer-at-home-8-easy-steps-to-remove-grease-and-odor-1347253.html</loc><lastmod>2026-09-18T16:06:33+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/air-fryer-plate.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Air Fryer Plate ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/air-fryer-plate.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এয়ার ফ্রায়ার পরিষ্কার করার আগে সবার প্রথমে প্লাগটি সকেট থেকে খুলে নিতে হবে। রান্নার পরপরই যন্ত্রটি খুব গরম থাকে, তাই অন্তত ২০ থেকে ৩০ মিনিট এটিকে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ঠান্ডা হতে দিন। গরম অবস্থায় ভেজা হাত বা জল দিলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার বা যন্ত্রটি নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/set-friyer.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ যন্ত্রটি পুরোপুরি ঠান্ডা হয়ে গেলে বাস্কেট ও ট্রের মতো খোলার অংশগুলো সাবধানে বাইরে বের করে আনুন। একটি গামলায় কিছুটা হালকা গরম জল নিয়ে তার মধ্যে অংশগুলো ডুবিয়ে রাখুন। এতে শক্ত হয়ে শুকিয়ে থাকা পোড়া তেল এবং খাবারের টুকরো খুব সহজেই নরম হয়ে যাবে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/friyer-clean.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এবার হালকা গরম জলে কিছুটা বাসন মাজার তরল সাবান মিশিয়ে নরম স্পঞ্জ দিয়ে বাস্কেটটি আলতো করে ঘষে নিন। ভুলেও কখনও ধাতব তারের জালি বা শক্ত স্ক্রাবার ব্যবহার করবেন না। শক্ত জিনিস দিয়ে ঘষলে বাস্কেটের ওপর থাকা নন-স্টিক কোটিং চটে গিয়ে স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/fry-veg.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বাস্কেটে যদি পুরনো ও জেদি তেলের আস্তরণ জমে থাকে, তবে সেখানে বেকিং সোডা দারুণ কাজ করে। সামান্য বেকিং সোডার সঙ্গে অল্প জল মিশিয়ে একটি ঘন পেস্ট তৈরি করে তেলের দাগের ওপর লাগিয়ে ১০ মিনিট রেখে দিন। এরপর নরম কাপড় দিয়ে মুছে ধুয়ে ফেললেই তেলতেলে ভাব একদম উধাও হয়ে যাবে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/fish-fry-friyer.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মাছ বা মাংস রান্নার পর এয়ার ফ্রায়ারে আঁশটে দুর্গন্ধ দূর করতে লেবুর সাহায্য নিন। একটি হিট-প্রুফ ছোট পাত্রে সামান্য জল ও কয়েক টুকরো পাতিলেবু রেখে এয়ার ফ্রায়ারে ২-৩ মিনিটের জন্য চালিয়ে নিন। লেবুর বাষ্প ভেতরের সব দুর্গন্ধ দূর করে এক অপূর্ব সতেজ সুবাস এনে দেয়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/potato-wedges.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এয়ার ফ্রায়ারের ওপরের দিকে থাকা হিটিং কয়েল বা তারের জালির অংশটিও পরিষ্কার রাখা দরকার। যন্ত্রটি পুরোপুরি ঠান্ডা থাকা অবস্থায় একটি নরম মাইক্রোফাইবার কাপড় হালকা ভিজিয়ে ভেতরের দেয়াল ও কয়েল আলতো করে মুছে নিন। সেখানে কোনও খাবারের কণা আটকে থাকলে নরম ব্রাশ দিয়ে সাবধানে ঝেড়ে ফেলুন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/air-friyer-dot.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এয়ার ফ্রায়ারের বাইরের অংশ বা প্রধান মেশিনটি পরিষ্কার করতে হালকা ভেজা কাপড় ব্যবহার করুন। মনে রাখবেন, বৈদ্যুতিক মোটর ও তার থাকা এই মূল অংশটি কখনও সরাসরি জলের তলায় দেওয়া বা জলে ডোবানো যাবে না। সব সময় শুকনো বা সামান্য ভেজা নরম সুতির কাপড় দিয়ে বাইরের ধুলো-তেল মুছে পরিষ্কার করুন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/crossent.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সব অংশ ধোয়া হয়ে গেলে পরিষ্কার শুকনো তোয়ালে দিয়ে ভালো করে মুছে সম্পূর্ণ শুকিয়ে নিন। কোনও অংশে এক ফোঁটাও জল জমে থাকা অবস্থায় যন্ত্রটি পুনরায় জোড়া লাগাবেন না বা প্লাগ ইন করবেন না। প্রতিটি অংশ একদম পুরোপুরি শুকিয়ে গেলে তবেই তা যন্ত্রে বসিয়ে পরবর্তী রান্নার জন্য ব্যবহার করুন। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/take-these-immediate-steps-to-protect-your-money-if-you-lost-a-signed-cheque-1347244.html</loc><lastmod>2026-09-18T15:42:33+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/02-11.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ 02 ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/05-10.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ১- এই অনলাইন পেমেন্টের যুগেও অনেকেই বিভিন্ন বড় অঙ্কের লেনদেন করার জন্য চেকবুক ব্যবহার করেন। কিন্তু অনেকে আগে থেকে চেকে সই করেই ব্যাগে রেখে দেন। কিন্তু এমন কোনও সই করা চেক যদি হারিয়ে যায়, তা অন্য কারও হাতে পড়ে অপব্যবহারের আশঙ্কা থাকে। ফলে বড় ধরণের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন আপনি। তাই চেক হারিয়ে গেলে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/04-10.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংকে ফোন করুন - সই করা চেক হারিয়ে গেলে প্রথমেই আপনার ব্যাঙ্কে যোগাযোগ করুন। চেকটি হারিয়ে যাওয়ার বিষয়টি জানান। এর ফলে ওই চেকের মাধ্যমে টাকা তোলার বা পেমেন্ট করার প্রক্রিয়া আটকে দেওয়া যায়। পাশাপাশি ব্যাঙ্কে গিয়ে লিখিত আবেদন জমা দিন ও তার একটি কপি নিজের কাছে রাখুন। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/07-7.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শুধু ব্যাঙ্কে জানিয়ে থেমে থাকবেন না। যত দ্রুত সম্ভব সংশ্লিষ্ট শাখায় গিয়ে চেক হারানোর বিষয়ে একটি লিখিত আবেদন জমা দিন। আবেদনে চেকের নম্বর, অ্যাকাউন্টের প্রয়োজনীয় তথ্য ও কীভাবে চেকটি হারিয়েছে, তা উল্লেখ করবেন। ব্যাঙ্কে জমা দেওয়া আবেদনের একটি কপি নিজের কাছে রেখে দিন। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/03-10.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ চেকটি ভুল হাতে পড়ে অপব্যবহারের আশঙ্কা থাকলে অতিরিক্ত সতর্কতা হিসেবে অ্যাকাউন্টে থাকা টাকা অন্য কোথাও সরিয়ে রাখার কথা বিবেচনা করতে পারেন। তবে টাকা স্থানান্তরের আগে নিজের ব্যাঙ্কের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি অনুযায়ী সঠিক পদক্ষেপ নেওয়াই নিরাপদ। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/08-9.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সই করা চেক হারিয়ে গেলে নিকটবর্তী থানায় গিয়ে ঘটনার বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করতে পারেন। প্রয়োজন অনুযায়ী, এফআইআর-ও করতে পারেন। চেকটি কোথায়, কখন ও কীভাবে হারিয়েছে - সেই তথ্য পুলিশকে জানান। অভিযোগের ও এফআইআর-এর কপি নিরাপদে নিজের কাছে রেখে দিন কারণ ভবিষ্যতে এই নথি কাজে লাগতে পারে। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/06-7.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শুধু একটি চেক না, যদি পুরো চেকবই হারিয়ে যায়, তাহলে আরও দ্রুত ব্যাঙ্ককে বিষয়টি জানানো প্রয়োজন। ব্যাঙ্ককে চেকবইয়ের সংশ্লিষ্ট সিরিজ বা নম্বরগুলি ব্লক করার অনুরোধ করুন। এতে হারানো চেকবইয়ের পাতাগুলি ব্যবহার করে লেনদেনের ঝুঁকি কমানো যায়। চেকবই হারানোর বিষয়টি লিখিতভাবেও জানানো উচিত। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/02-10.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ চেক হারানোর পর অনেকেই প্রথমে দীর্ঘ সময় ধরে সেটি খোঁজার চেষ্টা করেন। কিন্তু সই করা চেকের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত দেরি ঝুঁকি বাড়াতে পারে। চেকটি কোথাও পাওয়া যাবে কী না, সেই অপেক্ষা না করে প্রথমেই ব্যাঙ্ককে জানানো উচিত। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পরেও চাইলে চেকটি খোঁজার চেষ্টা করা যায়। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/01-13.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ চেক হারালে সেটি অবহেলার কারণে হোক বা অন্য কোনও কারণে, দ্রুত ব্যাঙ্ককে জানানো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপগুলির একটি। প্রয়োজনে স্টপ পেমেন্ট, লিখিত অভিযোগ ও পুলিশের কাছে রিপোর্ট করার ব্যবস্থা করুন। পাশাপাশি অ্যাকাউন্টের লেনদেন নিয়মিত নজরে রাখা দরকার। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/lifestyle/what-happens-to-your-body-if-you-eat-ginger-every-day-for-a-month-1347210.html</loc><lastmod>2026-09-18T13:50:31+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/006-4.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ 006 ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/008-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ফল ও শাকসবজির পাশাপাশি কিছু মশলাতেও শরীরের জন্য উপকারী নানা প্রাকৃতিক উপাদান আছে।  আদাও তেমনই একটি মশলা, যা বহু শতাব্দী ধরে রান্নার পাশাপাশি চিকিৎসাতেও ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে রয়েছে জিঞ্জেরল, শোগাওল ও জিন্জিবরিনের মতো প্রাকৃতিক যৌগ, যা শরীরের নানা ভাবে উপকার করে। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/007-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আদার অন্যতম সক্রিয় উপাদান জিঞ্জেরলের অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য আছে। এটি শরীরের প্রদাহ ও জ্বালা কমাতে সাহায্য করতে পারে। নিয়মিত আদা খেলে মাসল পেন, শরীরের অস্বস্তি ও ব্যায়ামের পর হওয়া মাসল পেন কিছুটা কমতে পারে বলে বিভিন্ন গবেষণায় জানা গিয়েছে। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/006-3.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বমি বমি ভাব বা পেটের অস্বস্তি কমানোর জন্য আদা দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। গাড়ি বা বিমানে যাতায়াতের সময় মোশন সিকনেসের কারণে হওয়া বমিভাবও এর মাধ্যমে কমে যায়। গর্ভাবস্থায় বমি বমি ভাব কমাতেও অনেকে আদা ব্যবহার করেন। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ গুরুত্বপূর্ণ। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/005-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আদা হজমশক্তি ভাল রাখতে সাহায্য করতে পারে। এটি পাকস্থলী ও অন্ত্রের গতিবিধি স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করতে পারে। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভোগেন এমন কিছু মানুষও আদা খেয়ে উপকার পেতে পারেন। তাই খাবারের সঙ্গে পরিমিত আদা যোগ করা হজমের জন্য সহায়ক হতে পারে। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/004-3.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পিরিয়ডস বা মাসিকের সময় অনেক মহিলাই পেটের ব্যথা ও ক্র্যাম্পের সমস্যায় ভোগেন। আদায় থাকা প্রাকৃতিক যৌগ এই ধরণের ব্যথা ও অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে। কিছু গবেষণায় এও দেখা গিয়েছে, পিরিয়ডের ব্যথা কমাতেও আদার সম্ভাব্য উপকারিতার কথা উঠে আসে। তবে তীব্র ব্যথা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/003-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ নিয়মিত আদা খেলে রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমাতে কিছুটা সাহায্য করতে পারে বলে গবেষণায় ইঙ্গিত রয়েছে। পাশাপাশি আদার বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে সমর্থন করতে পারে। সর্দি-কাশি বা ভাইরাসজনিত অসুস্থতা থেকে সুস্থ হওয়ার সময়ও এটি সাহায্য করে। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/002-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ প্রতিদিন আদা চিবিয়ে খাবার প্রয়োজন নেই। ছোট একটি টুকরো আদা পাতলা করে কেটে গরম জল, চা, স্মুদি, স্যুপ বা বিভিন্ন রান্নাতে মিশিয়ে খাওয়া যায়। নিয়মিত অল্প পরিমাণ আদা খেলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই শরীরে কিছু ইতিবাচক বদল দেখা যেতে পারে। তবে অতিরিক্ত একদম খাবার দরকার নেই। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/001-3.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ প্রতিদিন অল্প পরিমাণ আদা খাবারের সঙ্গে যোগ করা সহজ এবং সাশ্রয়ী। তবে আদা কোনও রোগের চিকিৎসার বিকল্প নয়। অতিরিক্ত পরিমাণে আদা খেলে অস্বস্তি হতে পারে। বিশেষ করে যাঁরা কোনও শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের আদা খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/reheating-tea-side-effects-why-you-should-never-warm-up-cold-tea-1347175.html</loc><lastmod>2026-09-18T11:24:47+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/boiling-tea.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Boiling Tea ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/boiling-tea.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বাঙালির সকাল থেকে সন্ধ্যা, আড্ডা হোক বা কাজের ফাঁক, এক কাপ চা ছাড়া প্রায় অচল। কিন্তু অনেক সময়ই চা ঠান্ডা হয়ে গেলে আমরা তা ফের গরম করে খাই। আপাতদৃষ্টিতে এই কাজটিকে খুব সাধারণ মনে হলেও, বিজ্ঞান বলছে এর ফল হতে পারে মারাত্মক। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/reach-tea.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ চা পাতার মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ক্যাটেচিন, পলিফেনল এবং বিভিন্ন উপকারী অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকে যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। কিন্তু একবার তৈরি করা চা ঠান্ডা হওয়ার পর পুনরায় গরম করলে তার ভেতরের সমস্ত পুষ্টিগুণ একেবারেই নষ্ট হয়ে যায়। তখন সেই চা পান করা আর শুধুই গরম জল খাওয়ার মধ্যে কোনও পার্থক্য থাকে না। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/happy-tea.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ চায়ে প্রাকৃতিকভাবেই ট্যানিন নামক একটি উপাদান থাকে যা পরিমিত মাত্রায় শরীরের জন্য ঠিক। তবে ঠান্ডা চা পুনরায় ফোটালে এই ট্যানিন অতিরিক্ত মাত্রায় নির্গত হয় এবং চায়ের স্বাদকে তেতো করে তোলে। এই অতিরিক্ত ট্যানিন সরাসরি পাকস্থলীতে গিয়ে তীব্র অ্যাসিডিটি, বুক জ্বালা এবং বদহজমের সৃষ্টি করে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/window-tea.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ চা তৈরি করে দীর্ঘক্ষণ ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ফেলে রাখলে তাতে খুব দ্রুত বিভিন্ন ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে শুরু করে। বিশেষ করে সেই চায়ে যদি দুধ ও চিনি মেশানো থাকে, তবে তা ব্যাকটেরিয়ার জন্য আদর্শ প্রজনন ক্ষেত্রে পরিণত হয়। এই অবস্থায় চা গরম করলেও সব জীবাণু মরে না এবং পেটের মারাত্মক সংক্রমণ ঘটাতে পারে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/tea-bag-tea.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ঠান্ডা চা পুনরায় গরম করার সময় ব্যাকটেরিয়াগুলো হয়তো মরে যায়, কিন্তু তাদের তৈরি করা ক্ষতিকর টক্সিনগুলো তরলের মধ্যেই থেকে যায়। এই বিষাক্ত উপাদানগুলো সরাসরি আমাদের পাচনতন্ত্রে প্রবেশ করে এবং লিভারের ওপর অতিরিক্ত চাপ ফেলে। নিয়মিত এমন চা খেলে ডায়রিয়া, বমি ভাব বা ফুড পয়জনিং হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/hand-tea.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ একটি ভালো মানের চায়ের আসল পরিচয় লুকিয়ে থাকে তার সুন্দর গন্ধ এবং নিজস্ব স্বাদের মধ্যে। চায়ের মধ্যে থাকা এসেনশিয়াল অয়েল বা উদ্বায়ী তেলগুলো এই সুগন্ধ তৈরি করে যা মনকে সতেজ রাখে। কিন্তু চা বারবার তাপে ফোটালে সেই তেল পুরোপুরি উবে যায় এবং চা তার স্বাভাবিক স্বাদ ও গন্ধ চিরতরে হারিয়ে ফেলে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/morning-tea.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ লিকার চায়ের তুলনায় দুধ চা বারবার গরম করে খাওয়া শরীরের জন্য সবচেয়ে বেশি বিপজ্জনক বলে মনে করেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। দুধের প্রোটিন এবং চায়ের রাসায়নিক উপাদান বারবার তাপে বিক্রিয়া করে শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর পদার্থ তৈরি করতে পারে। তাই দুধ চা একবার ঠান্ডা হয়ে গেলে তা কোনোভাবেই আর পান করা উচিত নয়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/tea-drink.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ চিকিৎসকদের মতে, চা বানানোর পর তা সর্বোচ্চ পনেরো থেকে কুড়ি মিনিটের মধ্যেই পান করে নেওয়া উচিত। চা ঠান্ডা হয়ে গেলে তা ফেলে দিয়ে নতুন করে তাজা চা বানিয়ে নেওয়াই সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস। সামান্য একটু আলসেমি বা কৃপণতার জন্য নিজের শরীরের এত বড় ক্ষতি কখনোই করা উচিত নয়। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/legs-feel-tingly-after-sitting-heres-why-it-happens-and-how-to-get-relief-1347044.html</loc><lastmod>2026-09-17T15:42:05+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/08-8.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ 08 ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/08-7.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেকক্ষন বসে থাকার পর পায়ে ঝিঁঝিঁ ধরা খুব পরিচিত একটি সমস্যা। কখনও মনে হয় পায়ের ভিতর যেন অসংখ্য পিঁপড়ে হাঁটছে। পা নাড়ানো যায় না। দীর্ঘক্ষণ একই ভঙ্গিতে বসে থাকা, স্নায়ুর উপর চাপ ও  রক্ত চলাচলে পরিবর্তন এর প্রধান কারণ। (Pic Credit - Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/07-6.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ দীর্ঘ সময় একই অবস্থায় বসে থাকলে পায়ের বিভিন্ন অংশে চাপ তৈরি হয়। বিশেষ করে পা ভাঁজ করে বা একদিকে কাত হয়ে বসলে স্নায়ু বা আশপাশের টিস্যুতে চাপ পড়ে। এর ফলে স্নায়ুর স্বাভাবিক সংকেত সাময়িকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়ে ঝিঁঝিঁভাব দেখা দিতে পারে। (Pic Credit - Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/06-6.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পায়ে ঝুঁঝি ধরার অন্যতম প্রধান কারণ হল স্নায়ুর উপর সাময়িক চাপ। দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার সময় শরীরের ওজন নির্দিষ্ট জায়গায় চাপ সৃষ্টি করে। ফলে স্নায়ু কিছু সময়ের জন্য ঠিকভাবে সংকেত পাঠাতে পারে না। তখন অসাড়তা বা সূচ ফোটার মতো অনুভূতি হয়। (Pic Credit - Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/05-9.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ দীর্ঘক্ষণ নড়াচড়া না করে বসে থাকলে পায়ের রক্ত চলাচল কিছুটা ধীর হতে পারে। বিশেষ করে হাঁটু বা পায়ের ওপর চাপ থাকলে অস্বস্তি বাড়ে। ফলে, পায়ে সাময়িকভাবে ঝিঁঝিঁ, ভারী লাগা বা অবশ হয়ে যায়। নড়াচড়া করলে সাধারণত তা কমে যায়। (Pic Credit - Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/04-9.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পা গুটিয়ে বসা, দীর্ঘসময় পায়ের উপর পা তুলে রাখা ও চেয়ারে বসে হাঁটুর পেছনে অতিরিক্ত চাপ তৈরি করা - এসব ভঙ্গিতে ঝিঁঝি ধরার সম্ভাবনা বেশি। তাই বসার সময় পা স্বাভাবিক রাখা ও নিয়মিত অবস্থান পরিবর্তন করা ভাল। (Pic Credit - Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/03-1-3.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেকক্ষন বসে থাকার পর পায়ে ঝিঁঝিঁ ধরলে ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়ান। কয়েক মিনিট হাঁটুন ও পায়ের আঙুল, গোড়ালি ও হাঁটু নাড়াচাড়া করুন। এতে স্নায়ুর উপর চাপ কমে ও রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হতে সাহায্য করে। সাধারণত কিছুক্ষণের মধ্যেই অস্বস্তি কমে যায়। (Pic Credit - Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/02-9.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ একটানা দীর্ঘসময় বসে না থেকে মাঝেমধ্যে হাঁটাচলা করুন। কাজের সময় নিয়মিত বিরতি নেওয়া, পায়ের অবস্থান পরিবর্তন করা ও দীর্ঘসময় পা ভাঁজ করে না বসা উপকারী। ডেস্কে বসে কাজ করলেও মাঝে মাঝে গোড়ালি ওঠানো বা পায়ের আঙুল নড়ানো যেতে পারে। (Pic Credit - Unsplash) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/01-12.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মাঝেমধ্যে ঝিঁঝি ধরা খুব সাধারণ। তবে এটি যদি বারবার হয়, দীর্ঘসময় থাকে, বসে না থাকলেও দেখা দেয়, অথবা ব্যথা, জ্বালাপোড়া, অসাড়তা বা পা দুর্বল হয়ে যায়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। (Pic Credit - Unsplash) ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/from-vadnagar-to-vidhan-sabha-check-out-pm-modis-political-rise-1346852.html</loc><lastmod>2026-09-16T18:39:55+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/09-2.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ 09 ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/01-10.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৫০ সালে গুজরাটের মেহসানা জেলার বদনগর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা দামোদরদাস মূলচন্দ মোদী ও মা হীরাবেন মোদী। একটি সাধারণ নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান মোদী শৈশবে বাবার চা বিক্রির কাজে সাহায্য করতেন। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/02-7.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বদনগরেই তিনি মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করেন। পরে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক ও গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতোকত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ৮ বছর বয়সে মোদী আরএসএস-এর সঙ্গে যুক্ত হলেও ১৯৭১ সালে তিনি আরএসএস বা রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের পূর্ণপ্রচারক হিসেবে কাজ শুরু করেন। ১৯৮৫ সালে আরএসএস তাঁকে ভারতীয় জনতা পার্টিতে নেয় ও তিনি পরে দলীয় সংগঠক হিসেবে গুজরাটে ভয়ানক ভূমিকা পালন করেন। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/03-8.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ২০০১ সালে কেশুভাই প্যাটেলের অসুস্থতার পরে মোদী প্রথমবার গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী পদে নির্বাচিত হন। ২০০১ থেকে ২০১৪ অবধি তিনি চার মেয়াদে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী পদে নিযুক্ত ছিলেন। তাঁর আমলে উন্নয়ন, বিদ্যুৎ সরবরাহ ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়েছিল। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/04-8.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ২০০৩ সালে নরেন্দ্র মোদী গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন গুজরাটে ভাইব্র্যান্ট গুজরাট সামিট-এর মাধ্যমে দেশ-বিদেশের বিনিয়োগ গুজরাটে আনার উদ্যোগ নেন। বিভিন্ন শিল্পপতি ও ব্যবসায়িক প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের ছবিতে সেই সময়ের গুজরাটের শিল্পের ছবি ধরা পড়ে। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/05-8.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তাঁর সঙ্গে খুব ভাল সম্পর্ক ছিল দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারি বাজপেয়ীর। বাজপেয়ী ছিলেন মোদীর রাজনৈতিক গুরু ও মেন্টরদের একজন, তবে তাঁদের মধ্যকার রাজনৈতিক সম্পর্ক ও কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গিও ছিল নজরকাড়া। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/06-5.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিরাট আসনে জয়লাভ করেছিল বিজেপি। ৫৪৩টি আসনের মধ্যে এনডিএ পেয়েছিল ৩৩৬টি আসন, যার মধ্যে ২৮২টি পেয়েছিল বিজেপি। ২০১৪ সালে বারাণসী ও ভদোদরা - দুই জায়গা থেকে লড়ে দুই জায়গা থেকেই বিপুল অঙ্কে জয়লাভ করেন মোদী। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/07-5.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ২৬ মে ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদী ভারতের ১৪তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। তিনিই ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী, যিনি স্বাধীনতা লাভের পর জন্মগ্রহণ করেছেন। দিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের কাছ থেকে তিনি শপথ গ্রহণ করেছিলেন। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/08-6.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি পায় ২৪০টি আসন। নরেন্দ্র মোদী বারাণসী আসন থেকে ১ লক্ষ ৫২ হাজারের বেশি ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন ও তৃতীয়বারের জন্য দেশের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেন। এমন কী, তাঁর দল বিজেপি ২০২৬ বিধানসভা ভোটেও পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের ১৫ বছরের সরকারের পতন ঘটায় ও নিজেরা প্রথমবার মসনদে বসার সুযোগ পায়। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/why-kolkata-police-uniform-is-white-know-the-details-1346785.html</loc><lastmod>2026-09-16T16:08:20+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/qh.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Qh ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/h.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কলকাতায় গরম ও আদ্রতা অনেক বেশি। তাই পুলিশের জন্য এমন পোশাক দরকার ছিল, যা গরমে তুলনামূলক স্বস্তি দেবে। সাদা রং সূর্যের আলো বেশি প্রতিফলিত করে ও কালো বা গাঢ় রংয়ের মতো তাপশোষণ করে না। তাই সাদা পোশাক ব্যবহার করা সুবিধাজনক। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/a.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কলকাতা পুলিশের সাদা ইউনিফর্মের সঙ্গে জড়িয়ে ব্রিটিশ ইতিহাসও। সেই সময় কলকাতার গরম আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখে হালকা রংয়ের পোশাক ব্যবহার করা হত। ধীরে ধীরে এই সাদা পোশাক কলকাতা পুলিশের পরিচয় হয়ে যায় ও সেই ঐতিহ্য এখনও চলছে। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/g.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সাদা পোশাক আসলে দূর থেকে চেনা যায়। সহজে চোখে পড়ে। রাস্তায় বা ভিড়ের মধ্যে পুলিশকর্মীকে দ্রুত চেনা প্রয়োজন। সাদা ইউনিফর্ম থাকার কারণে সাধারণ মানুষ সহজেই বুঝতে পারেন, কোথায় পুলিশ দাঁড়িয়ে আছেন। জরুরি সময়ে তাই পুলিশের সাহায্য নেওয়াও সহজ নয়। (Credit - Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/f.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ভারতের বিভিন্ন শহর ও রাজ্যের পুলিশের ইউনিফর্ম এক নয়। কলকাতা পুলিশের সাদা পোশাক তাদের আলাদা পরিচয় তৈরি করেছে। বহু বছর ধরে মানুষ এই পোশাক দেখেই কলকাতা পুলিশকে চিনছে। তাই এটি স্রেফ পোশাক নয়, কলকাতা পুলিশের একটি পরিচিত চিহ্নও। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/e.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কলকাতার রাস্তায় পুলিশকে অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে কাজ করতে হয়। প্রচন্ড রোদে গাঢ় রঙয়ের পোশাকে বেশি গরম লাগতে পারে। সাদা পোশাক তুলনামূলক কম তাপ শোষণ করে। তাই দীর্ঘ সময় বাইরে কাজ করার ক্ষেত্রে সাদা পোশাক কিছুটা আরাম দিতে পারে। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/d.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কলকাতা পুলিশের সব সদস্য সাদা পোশাক পরেন না। কাজের ধরণ ও দায়িত্ব বিশেষে ইউনিফর্ম বদলায়। ট্রাফিক পুলিশ, বিশেষ বাহিনী বা অন্য বিভাগের পোশাকে পার্থক্য দেখা যায়। তাই সাদা পোশাক মূলত কলকাতা পুলিশের পরিচিত ইউনিফর্মের একটি অংশ। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/c.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তবে অসুবিধাও আছে। সাদা পোশাকের ময়লা খুব সহজে দেখা যায়। তাই পুলিশকর্মীদের ইউনিফর্ম পরিষ্কার ও পরিপাটি রাখতে হয়। পুলিশের পোশাকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা ও শৃঙ্খলা গুরুত্বপূর্ণ। সাদা রঙ সেই বিষয়টিকেও দেখিয়ে দেয়। তবে শুধু পরিস্কার নয়, সাদা রঙের অন্য দিকও আছে। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/b.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কলকাতা পুলিশের সাদা ইউনিফর্মের পিছনে একাধিক কারণ আছে। কলকাতার গরম আবহাওয়া, ব্রিটিশ আমলের ইতিহাস ও দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য - সবকিছু মিলেই এই পোশাকের পরিচয় তৈরি হয়েছে। তাই কলকাতা পুলিশের সাদা ইউনিফর্ম সবার কাছে খুব পরিচিত। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/are-pomegranate-seeds-safe-to-eat-scientific-benefits-tips-1346717.html</loc><lastmod>2026-09-17T14:40:41+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/small-leaf.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Small Leaf ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/bowl-bedana.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বেদানা অনেকেরই খুব প্রিয় ফল। কিন্তু এই ফলের বীজগুলো চিবিয়ে খাওয়া উচিত নাকি ফেলে দেওয়া উচিত, তা নিয়ে অনেকের মনেই বেশ দ্বিধা থাকে। কী বলছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা? Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/haf-hand-bedana.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পুষ্টিগুণে ভরপুর হলেও বিশেষজ্ঞরা সব সময় এই ফল পরিমিত পরিমাণে খাওয়ার পরামর্শ দেন। কারণ, অতিরিক্ত পরিমাণ বীজ একসঙ্গে খেলে কখনও কখনও পেটে অস্বস্তি বা হজমের সমস্যা হতে পারে।  Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/leaf-bedana.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তবে একটি বিষয় অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে, বীজগুলো আস্ত গিলে ফেলা একেবারেই উচিত নয়। দাঁত দিয়ে খুব ভালো করে চিবিয়ে তবেই এই বীজগুলো খাওয়া উচিত। স্যালাড, টক দই বা আইসক্রিমের সঙ্গে বেদানা ছড়িয়ে দিলে খাওয়ার স্বাদ অনেকটাই বেড়ে যায় এবং বীজ মুখে বেশ মুচমুচে লাগে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/finger-bedana.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বাজার থেকে ভালো বেদানা বেছে নেওয়ার জন্য সব সময় গাঢ় লাল বা রুবি রঙের ফল কেনা উচিত। ফলের আকার অনুযায়ী হাতে নিলে যেন বেশ কিছুটা ভারী মনে হয়, কারণ ভারী ফলে রস বেশি থাকে। কৃষি বিজ্ঞানীদের পরীক্ষা অনুযায়ী, নিখুঁত গোল না হয়ে একটু চ্যাপ্টা বা কোণাকৃতি বেদানা সাধারণত বেশি মিষ্টি হয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/kala-bedana.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সংরক্ষণ করার সঠিক পদ্ধতি মেনে চললে বাইরে সাধারণ তাপমাত্রায় একটি আস্ত বেদানা এক মাস পর্যন্ত ভালো থাকে। ফ্রিজে রাখলে প্রায় দুই মাস পর্যন্ত তাজা থাকে, তবে একবার কেটে ফেলার পর বীজগুলো কয়েক দিনের মধ্যেই খেয়ে নেওয়া ভালো। এই দানাগুলো ডিপ ফ্রিজে জমিয়ে রেখে এক বছর পর্যন্ত নিশ্চিন্তে সংরক্ষণ করা যায়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/wood-bedabna.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বেদানার লাল রসে জামাকাপড়ে দাগ লাগলে সহজে উঠতে চায় না, তাই কাটার সময় সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। বেদানা কাটার সবচেয়ে সহজ উপায় হল একটি বড় পাত্রে জল নিয়ে তার মধ্যে ফলের টুকরোগুলো ডুবিয়ে দানাগুলো ছাড়ানো, এতে লাল রস গায়ে ছিটকে আসে না। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/bedana-white.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বেদানার বীজে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, ভিটামিন ই, ম্যাগনেসিয়াম এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, এই বীজে থাকা বিশেষ ধরনের অ্যাসিড শরীর এবং মস্তিষ্কের প্রদাহ কমাতে অনেক সাহায্য করে। এছাড়াও এর মধ্যে থাকা পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট হার্টের জন্য ভীষণ উপকারী। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/small-leaf.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ জলের মধ্যে বেদানা ছাড়ানোর ফলে পরিষ্কার দানাগুলো খুব সহজেই আলাদা হয়ে জলের তলায় জমা হয়। আর সাদা পর্দার অংশগুলো জলের ওপর ভেসে ওঠে, যা সহজেই ফেলে দেওয়া যায়। এইভাবে বেদানা কাটা হলে কোনও রকম নোংরা ছাড়াই পরিষ্কার দানাগুলো পাওয়া যাবে। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/shukto-english-name-what-is-shukto-called-in-english-1346667.html</loc><lastmod>2026-09-16T10:01:52+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/shukto-bhokto.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Shukto Bhokto ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/tasty-shukto.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ গরম ভাতে প্রথম পাতে শুক্তো না পড়লে বাঙালির ঠিক মন ভরে না, বিয়েবাড়ি হোক বা ঘরোয়া অনুষ্ঠান, এই পদটি ছাড়া ভোজ অসম্পূর্ণ থেকে যায়। যুগের পর যুগ ধরে এই স্বাস্থ্যকর তেতো পদটি আমাদের রসনায় এক আলাদা জায়গা করে নিয়েছে, যার স্বাদ এককথায় অনবদ্য। এই পদটির সঙ্গে বাঙালির একটা অদ্ভুত আবেগ জড়িয়ে রয়েছে যা ভাষায় প্রকাশ করা বেশ কঠিন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/tasty-tasty.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ইতিহাস ঘাঁটলে জানা যায়, পর্তুগিজরা নাকি প্রথম করলা দিয়ে এক ধরনের তেতো পদ তৈরি করত। সেই পর্তুগিজ পদটির সঙ্গেই নাকি আজকের এই শুক্তোর বেশ মিল রয়েছে, যা কালের নিয়মে বাঙালির হেঁশেলে আরও সুস্বাদু এক পদে বদলে গিয়েছে। আগেকার দিনে মূলত খাওয়ার রুচি বাড়াতেই এই পদের চল শুরু হয়েছিল বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/shukto-love.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আয়ুর্বেদ শাস্ত্র অনুযায়ী তেতো খাবার দিয়ে খাওয়া শুরু করলে তা হজমে দারুণ সাহায্য করে। খাওয়ার আগে মুখশুদ্ধি হিসেবেই প্রাচীনকাল থেকে এই পদের চল শুরু হয়েছিল, কারণ পেট ঠান্ডা রাখতে ও রুচি বাড়াতে এর কোনও তুলনা নেই। স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখেও বাঙালির পাতে এই পদের এত কদর দেখা যায়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/shukto-bhokto.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এই পদে উচ্ছে, কাঁচকলা, সজনে ডাঁটা, রাঙা আলু ও বড়ির মতো নানা দেশীয় সবজির ব্যবহার হয়ে থাকে। সবজির নানা স্বাদের সঙ্গে দুধের অদ্ভুত মেলবন্ধনই হল শুক্তোর মূল বৈশিষ্ট্য, যা একে অন্য মাত্রায় নিয়ে যায়। রাঁধুনি বা পাঁচফোড়নের ফোড়ন ছাড়া এই পদের আসল স্বাদ কখনও খোলে না। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/sweet-potato-shukto.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ রাঁধুনির বিশেষ গন্ধ আর হালকা তেতো-মিষ্টি স্বাদই এই পদকে বাকি সব খাবারের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা করে তোলে। বাঙালিদের অত্যন্ত প্রিয় হলেও বিদেশিদের কাছে এই পদের স্বাদ একেবারেই নতুন ধরনের, তাই তাদের এই পদ খাওয়াতে গেলে অনেকেই এর ইংরেজি নাম খুঁজতে শুরু করেন। অবাঙালিদের কাছে এই খাবারের মহিমা বোঝাতে গিয়ে অনেকেই বেশ বিপাকে পড়েন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/ready-shukto.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কখনও ভেবে দেখেছেন এই প্রিয় পদটির আক্ষরিক ইংরেজি নাম কী হতে পারে? ডিকশনারিতে এর নির্দিষ্ট কোনও এক শব্দের ইংরেজি নাম নেই, কারণ এটি সম্পূর্ণ বাঙালি পদ। যেহেতু পশ্চিমি দুনিয়ায় ঠিক এই ধরনের রান্নার কোনও চল নেই, তাই এর কোনও সরাসরি বিকল্প শব্দও তৈরি হয়নি। যেমন পিৎজা বা পাস্তার কোনও বাংলা হয় না, ঠিক তেমনই শুক্তোরও নিজস্ব কোনও ইংরেজি প্রতিশব্দ হয় না। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/box-shukto.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বিদেশিদের কাছে পদটি বোঝানোর সুবিধার্থে মূলত &#039;মিক্সড-ভেজিটেবল স্টু&#039; (Mixed-vegetable stew) কথাটি ব্যবহার করা হয়। যেহেতু নানা রকম দেশীয় সবজি একসঙ্গে সেদ্ধ করে হালকা ঝোল রাখা হয়, তাই &#039;স্টু&#039; শব্দটি এর সঙ্গে সবচেয়ে বেশি মানানসই। আরও একটু নিখুঁতভাবে বোঝাতে অনেকেই একে &#039;বেঙ্গলি বিটার মিক্সড-ভেজিটেবল স্টু&#039; বলে থাকেন। &#039;বিটার-সুইট ভেজিটেবল মেডলি&#039; (Bitter-sweet vegetable medley) ও বলেন অনেকে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/shukto-in-pan.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বিদেশি ভাষায় এর উপাদানগুলি বোঝাতে ড্রামস্টিকস বা বিটার গোর্ডের মতো শব্দ ব্যবহার করা হলেও, মূল পদটিকে স্টু হিসেবেই বর্ণনা করা হয়। তাই এবার থেকে অবাঙালি বা বিদেশি বন্ধুদের এই পদ খাওয়াতে গেলে সহজেই &#039;মিক্সড-ভেজিটেবল স্টু&#039; বলে বিষয়টা তাদের বুঝিয়ে বলতে পারবেন। তবে ইংরেজি নাম যাই হোক না কেন, বাঙালির কাছে শুক্তো হল এক প্লেট নিখাদ ভালোবাসা। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/midnight-scrolling-ruining-your-rest-quick-and-effective-steps-to-sleep-peacefully-1346631.html</loc><lastmod>2026-09-15T20:08:34+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/2-1.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ 2 ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/3.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ১ - রাত জেগে ছোট ছোট ভিডিও বা রিল দেখলে বেশ কিছু ক্ষতি হয়। রিল স্ক্রোল করলে মস্তিষ্ক থেকে ডোপামিন ক্ষরণ হয়। প্রতিবার নতুন রিল দেখার সঙ্গে সঙ্গে মস্তিষ্ক তাৎক্ষণিক আনন্দ পায়। এই উত্তেজনার কারণেই শরীরে ঘুম আসার সংকেত আসে না ও ক্লান্ত চোখ নিয়েও মানুষ ঘন্টার পর ঘন্টা জেগে থাকে। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/7.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ঘুমোতে যাওয়ার অন্তত আধ ঘন্টা আগে সব ধরণের ডিজিটাল স্ক্রিন থেকে চোখ সরিয়ে নিন। ফোনটি বিছানাতে না রেখে অন্য প্রান্তে বা টেবিলে রাখুন। হাতের নাগালে ফোন না থাকলে অটোমেটিক ফোনে হাত যাবে না। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/1-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মোবাইল স্ক্রিন থেকে বেরোনো নীল আলো ঘুমের হরমোন মেলাটোনিন উৎপাদনে বড় বাধা তৈরি করে। একান্ত যদি ফোন দেখতেই হয়, তাহলে অবশ্যই নাইট লাইট অন রাখুন। তবে সবথেকে ভাল আইডিয়া হল ফোন না দেখা। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/6.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ইনস্টাগ্রাম বা ফেসবুকের মতো অ্য়াপে টাইমার সেট করে নিন। পাশাপাশি রাত ১০টার পর অপ্রয়োজনীয় সব নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন। কোনও আওয়াজ বা আলো না জ্বলে ফোন তুলে স্ক্রোল করার ইচ্ছে চলে যায়। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/8.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বিছানায় শুয়ে চোখ বন্ধ করে ধীরে ধীরে ৪ সেকেন্ড নিশ্বাস নিন। সেটা বুকের ভেতর ৭ সেকেন্ড ধরে রাখুন। এর পর ৮ সেকেন্ড ধরে সেই শ্বাসটি ছেড়ে দিন। এই ব্যায়াম বার কয়েক করলে স্নায়ু দ্রুত শান্ত হয় ও ঘুম পায়। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/5.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ রিলস থেকে বাঁচতে বিছানায় শুয়ে কোনও বই পড়তে পারেন। মাত্র কয়েক পৃষ্ঠা পড়লেই চোখ ক্লান্ত হয়ে যায় ও ঘুম পায়। এর সঙ্গে কোনও সুদিং মিউজিক শুনতে পারেন। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/4.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বিছানাকে শুধু ঘুমোনোর জায়গা হিসেবে রাখুন। এতে অফিসের কাজ করা, খাওয়া বা সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রোল করা বন্ধ করুন। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ গভীর ঘুমের জন্য ঘরের পরিবেশ অন্ধকার ও ঠান্ডা রাখা জরুরি। কড়া আলো নিভিয়ে খুব মৃদু নাইট ল্যাম্প ব্যবহার করেন। সামান্য ঠান্ডা তাপমাত্রায় শরীরের তাপমাত্রা কমে যায়। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/how-to-fix-a-yellow-transparent-phone-cover-check-easy-diy-cleaning-guide-1346598.html</loc><lastmod>2026-09-15T18:16:09+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/03-1-2.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ 03 (1) ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/08-5.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ স্বচ্ছ মোবাইল কভার সাধারণত সিলিকন বা টিপিইউ উপাদান দিয়ে বানানো বলে এটি ট্রান্সপারেন্ট হয়। হাতের ঘাম, শরীরের তেল, ধুলোবালি, সূর্যরশ্মি - সবকিছু এর সংস্পর্শে আসে ও পলিমারের ভেতর রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে। এর ফলেই কভারের স্কিনের ক্ষতি হয় ও উজ্জ্বল স্বচ্ছ কভারের রং বদলে নোংরা ও হলুদ রং ধারণ করে। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/07-4.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কভার পরিষ্কারের প্রধান উপাদান হিসেবে সাধারণ সাদা টুথপেস্ট ব্যবহার করতে পারেন। কভারের ওপর কিছুটা পেস্ট লাগিয়ে নিন। এরপর একটি পুরোনো ব্রাশ জলে ভিজিয়ে কভারে জোরে জোরে ঘষুন। এতে কভারের উপরের জমে থাকা তেলতেলে ভাব ও বাইরের আলগা ময়লা উঠে যায়। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/06-4.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ জেদি দাগ দূর করতে বেকিং সোডা অত্যন্ত কার্যকরী। ভেজা কভারের গায়ে কিছুটা বেকিং সোডা ভাল করে ছড়িয়ে দিন। এরপর টুথব্রাশ দিয়ে শক্তভাবে বেশ কিছুক্ষন ঘষুন। সোডা ঘষার ফলে এই উপাদান কভারের গায়ের হলুদ ছোপ উঠে যায়। ঘষা শেষে সাধারণ জল দিয়ে কভার পরিষ্কার করে ধুয়ে ফেলুন। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/05-7.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ একটি গামলাতে কিছুটা ঈষদুষ্ণ গরম জল নিয়ে তাতে বাসন মাজার লিকুইড সাবান ও ২ চামচ ভিনিগার মেশান। কভারটি এই মিশ্রনে আধ ঘন্টার জন্য ফেলে দিন। ভিনিগারের অম্লীয় গুণ প্লাস্টিকের তেলের আস্তরণ তুলে ফেলতে সাহায্য করে। এরপর ব্রাশ দিয়ে কভারটি ঘষে পরিস্কার জল দিয়ে ধুয়ে শুকিয়ে নিন। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/04-1-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ হাতের তেলের কারণে কভার চটচটে হয়ে গেলে আইসোপ্রোপাইল অ্যালকোহল বা সাধারণ হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন। একটি পরিস্কার সুতির কাপড়ে বা তুলোয় কিছুটা স্যানিটাইজার নিয়ে কভারের ভিতর ও বাইরে ভাল করে ঘষে মুছে নিন। এটি জীবাণু ধ্বংস করার পাশাপাশি কভারের তেলতেলে ভাব এক নিমেষেই পুরোপুরি দূর করে। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/03-2-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ একটি প্লাস্টিকের বাটিতে হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড ঢেলে কভারটি সম্পূর্ণ ডুবিয়ে রাখুন। এরপর পাত্রটি সরাসরি রোদে দুই ঘন্টার জন্য রেখে দিন। সূর্যের ইউভি রে ও পারক্সাইডের বিক্রিয়া কভারের ভেতর আটকে থাকা গভীর হলুদ দাগ অনেকটা হালকা করতে সাহায্য করে। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/03-1-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কভার পরিষ্কারের পর তা অবশ্যই একটি নরম ও শুকনো কাপড় দিয়ে ভাল করে মুছে নিতে হবে। ভেতরে একটুও জল থাকলে ফোনের ময়েশ্চার ঢুকে ভয়ঙ্কর ক্ষতি হতে পারে। কভারটি হালকা জায়গায় শুকোতে দিন। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/01-9.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বাইরের তেলের ময়লা পরিস্কার করা গেলেও প্লাস্টিকের ভেতরের রাসায়নিক ক্ষয়ের কারণে হওয়া হলুদ ভাব পুরোপুরি নতুনের মতো পরিস্কার করা প্রায় অসম্ভব। কোনও ঘরোয়া উপায়েই এটি ১০০% আগের অবস্থায় ফেরে না। কভারটি অতিরিক্ত শক্ত ও হলুদ হয়ে গেলে পরিবর্তন করে একটি নতুন কভার নেওয়া সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/why-do-safety-pins-have-a-coil-at-the-bottom-1346472.html</loc><lastmod>2026-09-15T11:19:17+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/blue-back-pin.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Blue Back Pin ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/blue-back-pin.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ রোজকার জীবনে জামাকাপড় ঠিক রাখা থেকে শুরু করে হাজারটা কাজে সেফটিপিন আমাদের নিত্যসঙ্গী। কিন্তু কখনও কি ভেবে দেখেছেন, এই পিনের ঠিক পিছনের দিকে একটা ছোট গোল ফাঁক কেন থাকে? অনেকেরই হয়তো ধারণা এটা স্রেফ ডিজাইনের চমক, কিন্তু এর পিছনে লুকিয়ে রয়েছে বৈজ্ঞানিক রহস্য। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/angle-change-pin.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এই চমকপ্রদ আবিষ্কারের গল্পটা শুরু হয়েছিল ১৮৪৯ সালে, আমেরিকান মেকানিক ওয়াল্টার হান্টের হাত ধরে। সেসময় এক বন্ধুর কাছে তাঁর ১৫ ডলারের ঋণ ছিল এবং সেই টাকা মেটানোর তাগিদেই তিনি একটি পিতলের তার বাঁকিয়ে এই যুগান্তকারী পিন বানিয়ে ফেলেন। তাঁর তৈরি সেই নকশাই আজ এত বছর পরেও গোটা বিশ্বে রমরমিয়ে চলছে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/black-bank-pin.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বিজ্ঞানের পরিভাষায় পিনের ওই পেছনের গোল অংশটিকে বলা হয় &#039;টরসন স্প্রিং&#039; (Torsion Spring)। সাধারণ একটি তারকে মাঝখান থেকে পেঁচিয়ে এই স্প্রিং তৈরি করা হয়, যার ফলে তারের দুই প্রান্তের মধ্যে দারুণ এক স্থিতিস্থাপকতা তৈরি হয়। এই মেকানিজমের জন্যই পিনটি এত সহজে দু&#039;আঙুলের চাপে খোলা এবং বন্ধ করা সম্ভব হয়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/jeans-pin.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ওই গোলাকার পেঁচানো অংশটি সেফটিপিনের দুই বাহুর মধ্যে প্রতিনিয়ত একটা শক্ত চাপ ধরে রাখতে সাহায্য করে। যখন আমরা পিনের মুখটা আটকে দিই, তখন এই স্প্রিংয়ের টেনশনের জন্যই পিনটা ক্যাপের ভেতর একেবারে শক্ত হয়ে বসে থাকে। আবার ক্লিপ থেকে বের করলেই ওই একই চাপের কারণে পিনের ছুঁচলো দিকটা ছিটকে বাইরের দিকে খুলে যায়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/father-mother-baby.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ভাবলে অবাক হবেন, ওই গোল লুপটা যদি না থাকত, তবে কয়েকবার খোলা ও বন্ধ করার পরই তারটি মাঝখান থেকে টুকরো হয়ে ভেঙে যেত। গোল করে পেঁচিয়ে দেওয়ার ফলে ধাতুর উপর পড়া চাপ সমানভাবে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং তারটির আয়ু কয়েকগুণ বেড়ে যায়। মূলত পিনের দীর্ঘস্থায়িত্ব নিশ্চিত করতেই ওয়াল্টার হান্ট এই বিশেষ বৈজ্ঞানিক নকশার সাহায্য নিয়েছিলেন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/three-pin.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এই স্প্রিংয়ের আরও একটি অসাধারণ গুণ হল আমাদের শরীরকে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রাখা। পিনটা যখন বন্ধ থাকে, তখন স্প্রিংয়ের চাপের জন্যই তীক্ষ্ণ মুখটা সেফটি ক্যাপের মধ্যে একেবারে নিশ্চিন্তে আটকে থাকে এবং নিজে থেকে খুলে যায় না। এর ফলে আমাদের জামাকাপড় আচমকা ছিঁড়ে যাওয়ার বা শরীরে ফুটে গিয়ে রক্তারক্তি হওয়ার কোনও ভয় থাকে না। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/baby-pin.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শুধু মেকানিজম নয়, ওই ছোট্ট গোল লুপটা থাকার ফলে সেফটিপিন ধরার ক্ষেত্রেও আঙুলের চমৎকার গ্রিপ তৈরি হয়। তাড়াহুড়োর সময় শাড়ির প্লিট করা হোক বা ব্যাগের চেইন আটকানো, পিনটা হাত থেকে সহজে পিছলে যায় না। এই সবকিছুর মূলেই রয়েছে ওই ছোট্ট গোলাকার স্প্রিংয়ের এক নিঃশব্দ কারসাজি। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/many-pins.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তাই পরের বার যখন সেফটিপিন হাতে নেবেন, দারুণ বিজ্ঞানের গল্পটা নিশ্চয়ই আপনার মনে পড়বে। মানুষের রোজকার জীবনের ছোট ছোট সমস্যা সমাধানে এমন সাধারণ অথচ বুদ্ধিদীপ্ত নকশা সত্যিই অবাক করে দেয়। আসলে এই ছোট্ট গোল ফাঁকটাই প্রমাণ করে, ডিজাইনের জগতে কোনও কিছুই অকারণে বা এমনি এমনি তৈরি হয় না। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/how-does-google-maps-predict-real-time-traffic-the-hidden-technology-revealed-1346442.html</loc><lastmod>2026-09-15T14:44:22+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/bonnet-map.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Bonnet Map ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/bonnet-map.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অচেনা রাস্তা হোক বা নিত্যদিনের অফিস যাতায়াত, বাড়ি থেকে বেরনোর পর গুগল ম্যাপস আমাদের সবচেয়ে ভরসার সঙ্গী হয়ে উঠেছে। তবে আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন, প্রতি মুহূর্তে অ্যাপটি কীভাবে জ্যামের খবর বলে দেয়? এর পিছনে কোনও উপগ্রহের সরাসরি নজরদারি নেই, বরং রয়েছে এক অত্যাধুনিক প্রযুক্তির নিখুঁত হিসেব। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/car-map.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এর পিছনে কোনও ম্যাজিক নেই, বরং স্মার্টফোনের লোকেশন ডেটা এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই একসঙ্গে মিলে এই জটিল কাজ করে থাকে। আপনি নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন ম্যাপের রাস্তাগুলো কখনও সবুজ, কখনও হলুদ আবার কখনও লাল রঙের দেখায়। সবুজ মানে রাস্তা পরিষ্কার, আর হলুদ বা লাল মানেই বুঝবেন সামনে গাড়ির গতি কমে গিয়েছে বা বেশ ভিড় রয়েছে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/close-phone-map.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এই রিয়েল-টাইম প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হল আপনার পকেটে থাকা স্মার্টফোন এবং তার লোকেশন সিগন্যাল। রাস্তার ওপর দিয়ে যাওয়া অসংখ্য স্মার্টফোনের লোকেশন এবং তাদের গতিবিধি একসঙ্গে বিশ্লেষণ করে গুগল বুঝতে পারে গাড়ির গতি ঠিক কেমন। যখন অনেকগুলো ডিভাইস একসঙ্গে ধীরে চলতে শুরু করে, তখন ম্যাপ নিজে থেকেই বুঝে যায় যে সেই নির্দিষ্ট রাস্তায় ট্রাফিক জ্যাম তৈরি হয়েছে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/right-location.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তবে শুধু বর্তমান পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে গুগল ম্যাপস ট্রাফিক আপডেট দেয় না, এর সঙ্গে পুরনো ডেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ধরুন, কোনও নির্দিষ্ট রাস্তায় সোমবার সকালে অফিসের সময় রোজ জ্যাম থাকে, তখন গুগল সেই পুরোনো হিসেব মিলিয়ে বর্তমান পরিস্থিতি যাচাই করে নেয়। এই দুইয়ের মেলবন্ধনের ফলে আপনি নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছনোর আগেই সঠিক সময়ের একটা পরিষ্কার ধারণা পেয়ে যান। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/car-ride-map.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেক সময় এমন হয় যে, কোনও রাস্তায় পর্যাপ্ত সংখ্যক স্মার্টফোন ইউজার নেই, তখন গুগলের পক্ষে সরাসরি লাইভ আপডেট দেওয়া একটু কঠিন হয়ে পড়ে। এই ধরনের পরিস্থিতিতে গুগল মূলত পুরনো ট্রাফিকের প্যাটার্ন এবং অন্যান্য উপলব্ধ ডেটার ওপর নির্ভর করে গাড়ির গতি অনুমান করে। পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি ট্রাফিক কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে রাস্তার বর্তমান অবস্থা বোঝার চেষ্টা করা হয়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/mobile-and-map.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ রাস্তার মাঝে হঠাৎ কোনও দুর্ঘটনা, রাস্তা মেরামতির কাজ বা অন্য কোনও কারণে পথ বন্ধ থাকলে ট্রাফিক অনুমানে প্রভাব পড়তে পারে। গুগলের মতে, স্থানীয় ট্রাফিক পুলিশ এবং অ্যাপ ব্যবহারকারীদের রিয়েল-টাইম ফিডব্যাক এই ধরনের আকস্মিক পরিবর্তনগুলো বুঝতে অত্যন্ত সাহায্য করে। ইউজারদের দেওয়া এই সরাসরি তথ্য ম্যাপের অ্যালগরিদমকে আরও দ্রুত এবং নিখুঁতভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/map-and-map.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ একটা কথা পরিষ্কারভাবে জেনে রাখা ভালো যে, গুগল ম্যাপ কিন্তু আলাদা করে প্রতিটি গাড়ির ওপর নজরদারি চালায় না। ম্যাপে আমরা যে রঙিন লাইনগুলো দেখি, তা মূলত ব্যাপক ডেটা বিশ্লেষণের একটা গ্রাফিক্যাল রূপ মাত্র। তাই অনেক সময় রাস্তার আসল পরিস্থিতির সঙ্গে ম্যাপের তথ্য পুরোপুরি নাও মিলতে পারে, বিশেষ করে যখন লাইভ সিগন্যালের অভাব থাকে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/rain-map.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণে বা রাস্তায় হঠাৎ কোনও অস্বাভাবিক পরিবর্তন এলে সিস্টেমের পক্ষে অনেক সময় সঠিক পরিস্থিতি বুঝতে কিছুটা সময় লাগে। তবুও প্রতিদিনের যাতায়াতকে সহজ করতে এবং সঠিক রাস্তা বেছে নিতে গুগল ম্যাপের এই আধুনিক প্রযুক্তি আমাদের প্রতিনিয়ত সাহায্য করে। তাই সম্পূর্ণ অন্ধের মতো নির্ভর না করলেও, বর্তমান ডিজিটাল যুগে এই অ্যাপটি আমাদের যাতায়াতের এক অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/secret-to-soft-rotis-master-the-dough-kneading-technique-1346264.html</loc><lastmod>2026-09-14T13:13:53+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/round-roti.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Round Roti ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/perfect-dough.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ রুটি বানানো খুব সহজ মনে হলেও অনেকের হাতেই তা পাপড়ের মতো শক্ত হয়ে যায়। এর পিছনে সবচেয়ে বড় কারণ হল আটা বা ময়দা মাখার ভুল পদ্ধতি, যা একটু শুধরে নিলেই মুশকিল আসান হবে। জলের সঠিক ব্যবহার আর কয়েকটি সহজ টোটকা মেনে চললেই রুটি হবে একেবারে তুলতুলে নরম। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/soft-dough.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ নিখুঁত রুটি বানানোর প্রথম শর্ত হল আটা ও জলের সঠিক অনুপাত বজায় রাখা। সেরা রাঁধুনিদের মতে, দুই বাটি আটার সঙ্গে এক বাটি জল মেশানোই হল সবচেয়ে আদর্শ মাপ। এই ২:১ অনুপাত মেনে আটা মাখলে রুটি দীর্ঘক্ষণ নরম থাকে এবং খাওয়ার সময় ছেঁড়া খুব সহজ হয়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/right-water.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আটা মাখার সময় সবচেয়ে বড় ভুলটি হল একবারে অনেকটা জল ঢেলে দেওয়া। এর বদলে অল্প অল্প করে জল মেশান আর আঙুলের সাহায্যে আটার সঙ্গে তা খুব ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এই ছোট পদ্ধতিটি মেনে চললেই দেখবেন রুটির মণ্ডটি একেবারে নিখুঁত আর মসৃণ তৈরি হয়েছে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/round-roti.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আবহাওয়ার ওপর ভিত্তি করে জলের তাপমাত্রা বদলানো খুবই জরুরি একটি ধাপ। শীতকালে আটা মাখতে সবসময় ঈষদুষ্ণ জল ব্যবহার করবেন, কারণ এতে গ্লুটেন দ্রুত সক্রিয় হয়ে রুটি নরম হয়। অন্যদিকে গরমকালে সাধারণ কলের জল দিয়ে মাখলেই রুটি দারুণ সুন্দর আর ফোলা ফোলা হবে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/5-roti.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শুধু জল আর আটা মেখে নিলেই কাজ শেষ হয়ে যায় না, আসল জাদু লুকিয়ে আছে ঠেসে মাখার মধ্যে। হাতের তালুর পেছনের অংশ ব্যবহার করে অন্তত ৫ থেকে ৭ মিনিট ধরে খুব ভালো করে আটা মাখতে হবে। এর ফলে বেলার সময় রুটিগুলো একেবারে বেলুনের মতো ফুলে ওঠে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/proper-roti.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মণ্ডটা ঠিকঠাক তৈরি হয়ে যাওয়ার পর তাতে সামান্য একটু ঘি বা কয়েক ফোঁটা সাদা তেল মিশিয়ে দিন। তেল বা ঘি মাখিয়ে নেওয়ার ফলে মণ্ডের ওপর কোনও শুকনো বা খসখসে স্তর তৈরি হতে পারে না। এই সহজ টোটকার গুণেই আপনার তৈরি রুটিগুলো অনেকক্ষণ পর্যন্ত একদম তুলতুলে আর নরম থাকবে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/finger-round-roti.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আটা মাখার পরেই কখনও সঙ্গে সঙ্গে রুটি বেলতে শুরু করবেন না, তাকে একটু সময় দিন। মণ্ডটিকে একটি ভিজে সুতির কাপড় দিয়ে ঢেকে অন্তত ১৫ থেকে ২০ মিনিট বিশ্রামে রেখে দিন। এই সময়ের মধ্যে আটার ভেতরে যে প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়, যার ফলে বেলার সময় রুটির ধারগুলো ফেটে যায় না। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/cotton-cloth-roti.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর ওই মণ্ড থেকে ছোট ছোট লেচি কেটে নিয়ে রুটি বেলতে শুরু করুন। এই সহজ আর সঠিক নিয়মগুলো মেনে চললে আপনার রুটিও হবে নরম আর সুস্বাদু। এবার থেকে অতিথিদের পাতে গরম রুটি দেওয়ার সময় একটুও ভাবতে হবে না, তা মুখেই মিলিয়ে যাবে। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/brics-summit-2026-pm-narendra-modis-72-hour-diplomatic-blitz-in-brics-summit-unseen-photos-with-vladimir-putin-and-xi-jinping-1346231.html</loc><lastmod>2026-09-14T12:18:51+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/BRICS-Gallery-4.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Brics Gallery 4 ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/BRICS-Gallery-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ৭২ ঘণ্টায় ১৫টি মিটিং। সাফল্যের সঙ্গে মিটল ব্রিকস সামিট। নয়া দিল্লির ভারত মণ্ডপমে ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর- দুইদিনের জন্য আয়োজন করা হয়েছিল ব্রিকস সামিটের। কেমন হল সেই ব্রিকস সামিট? ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/BRICS-Gallery-7.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ রবিবার ব্রিকস সামিট শেষ হয় নয়া দিল্লি ঘোষণাপত্র ২০২৬ দিয়ে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এক ঝলক শেয়ার করলেন ব্রিকস সামিটের, যেখানে ধরা পড়ল নানা অদেখা ছবি।  ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/BRICS-Gallery-5.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন থেকে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং- সকলকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী মোদী। মিশর থেকে মালয়শিয়া, ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করেন তিনি।  ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/BRICS-Gallery-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদীর কথা সকলের জানা। সেই বন্ধুত্ব আবারও দেখা গিয়েছে ব্রিকসের মঞ্চে। একসঙ্গে পুতিনের গাড়িতে চেপেই প্রথমদিন ভারত মণ্ডপমে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।  ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/BRICS-Gallery-9.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ব্রিকস সামিট শুরুর আগে তাঁরা দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করেন। শিল্প, বাণিজ্য থেকে বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা, দুই দেশের সম্পর্ক- নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।   ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/BRICS-Gallery-11.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অন্যদিকে, ব্রিকসের আমন্ত্রণ পেয়ে দীর্ঘ সাত বছর পর ভারতে এসেছিলেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংও। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করেছেন তিনি।  ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/BRICS-Gallery.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ব্রিকসের আলোচনার ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী মোদী, শি জিনপিং ও ভ্লাদিমির পুতিনকে একসঙ্গে হাসি-মজা করতেও দেখা যায়।  ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/BRICS-Gallery-13.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেসকিয়ানের সঙ্গেও বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কট নিয়ে কথা হয়। প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন যে আলোচনা ও কূটনীতির মাধ্যমেই এই সঙ্কট মেটাতে হবে। নাবিকদের সুরক্ষার বিষয়টিও তুলে ধরেন তিনি।  ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/BRICS-Gallery-3.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[  ব্রিকস সামিটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ১৫টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/BRICS-Gallery-6.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আলাপচারিতায় সদস্য দেশগুলির মধ্যে যেমন সম্পর্ক মজবুত হয়েছে, তেমনই নানা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে আলোচনাও হয়েছে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/BRICS-Gallery-8.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ব্রিকস সামিটকে সফল ও ফলপ্রসূ বলেই উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/BRICS-Gallery-10.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সকল রাষ্ট্রনেতাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন এই সামিটকে সফল করার জন্য। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/what-is-ghugni-called-in-english-youll-be-surprised-to-know-the-real-name-1346074.html</loc><lastmod>2026-09-13T14:36:38+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/ghugni-chat.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Ghugni Chat ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/dhania-ghughni.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ গরম ধোঁয়া ওঠা ঘুগনির সঙ্গে একটু পাউরুটি বা মুড়ি, বাঙালির কাছে এ এক স্বর্গীয় অনুভূতি। পাড়ার মোড় থেকে শুরু করে অফিস ক্যান্টিন, সব জায়গায় এই খাবারের অবাধ বিচরণ দেখা যায়। কিন্তু কখনও কি ভেবে দেখেছেন, আমাদের এই প্রিয় ঘুগনিকে ইংরেজিতে ঠিক কী বলা হয়? Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/ghugni-chat.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বাঙালির আবেগের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এই পদটি সারা বিশ্বেই এখন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ভিনদেশি মানুষজনও সুযোগ পেলে এটি চেখে দেখেন, তবে সমস্যা বাঁধে এর নামকরণ নিয়ে। কারণ আদ্যোপান্ত দেশি এই খাবারটির কোনও নির্দিষ্ট বা আভিধানিক ইংরেজি নাম আদতে নেই। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/tikia-ghughni.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ যেমন পিৎজা বা পাস্তার কোনও বাংলা হয় না, ঠিক তেমনই ঘুগনিরও নিজস্ব কোনও ইংরেজি প্রতিশব্দ হয় না। শুধুমাত্র বিদেশিদের বোঝানোর জন্য এটিকে ইংরেজিতে &#039;Dry Yellow Pea Curry&#039; বা &#039;Spicy Yellow Pea Curry&#039; বলা হয়ে থাকে। অর্থাৎ, এটি আক্ষরিক অনুবাদ নয়, বরং খাবারটি কী দিয়ে তৈরি সেটা বোঝাতেই এই ইংরেজি শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়। নয়তো এটি ঘুঘনি বলেই পরিচিত। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/spicy.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মূলত শুকনো হলুদ মটর সারারাত ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সিদ্ধ করে এই পদটি বানানো হয়। এরপর পেঁয়াজ, রসুন, আদা ও নানা রকম দেশি মশলা কষিয়ে তৈরি হয় সুস্বাদু ঘুগনি। যেহেতু হলুদ মটর বা &#039;Yellow Pea&#039; এর প্রধান উপকরণ, তাই ওই গালভরা ইংরেজি নামটিই বিদেশিদের কাছে বেশি পরিচিত। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/street-ghughni.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কলকাতার স্ট্রিট ফুডের কথা উঠলে ফুচকার পরেই বোধহয় এই পদটির নাম সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হয়। শালপাতার বাটিতে একটু পেঁয়াজ কুচি, কাঁচা লঙ্কা আর তেঁতুলের জল ছড়িয়ে যখন পরিবেশন করা হয়, তখন এর স্বাদ যেন বহুগুণ বেড়ে যায়। শুধু বাংলা নয়, বিহার বা ওড়িশাতেও এটি দারুণ জনপ্রিয় একটি পদ। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/wood-gughni.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ নিরামিষ ঘুগনি ছাড়াও বাঙালির অন্যতম দুর্বলতার জায়গা হল মাংসের কিমা দেওয়া স্পেশাল ঘুগনি। ছোট ছোট খাসির মাংসের টুকরো দিয়ে বানানো এই পদটি যে কোনও রবিবারের আড্ডাকে এক লহমায় জমিয়ে দিতে পারে। বিদেশিরা এটিকে &#039;মাটন অ্যান্ড ইয়েলো পি কারি&#039; হিসেবেই বেশি চিনে থাকেন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/onion-ghughni.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শুধু স্বাদ নয়, পুষ্টিগুণের দিক থেকেও এই পদটি কিন্তু একেবারেই পিছিয়ে নেই। মটরে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ও ফাইবার থাকে, যা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি উপাদান। তবে রাস্তার খোলা খাবার খাওয়ার সময় পরিচ্ছন্নতার বিষয়টিও সবসময় মাথায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/gughni.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তাই এরপর থেকে কোনও বিদেশি বন্ধুকে আমাদের এই দেশি পদটি খাওয়াতে নিয়ে গেলে অনায়াসেই তাকে ইংরেজি নামটি বলতে পারেন। তবে নাম যাই হোক না কেন, বাঙালির কাছে এটি চিরকালই শুধুই ঘুগনি হিসেবেই রাজত্ব করবে। এর স্বাদ ও নস্টালজিয়া কখনও কোনও বিদেশি নামের আড়ালে হারিয়ে যাওয়ার নয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/sleep-pattern-why-many-people-cant-wake-up-in-morning-why-sleepy-feels-continue-after-waking-up-1346043.html</loc><lastmod>2026-09-13T13:50:32+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Sleeping-2.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Sleeping 2 ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Sleeping.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বহু মানুষ রয়েছেন যারা সারা রাত জেগে থাকতে পারেন, কিন্তু সকালে ঘুম থেকে উঠতে পারেন না। কোনওভাবে ঘুম ভাঙলেও, মনে হয় যেন ঘুম কাটছে না। সারাক্ষণ ঝিমুনি ভাব, আলস্য় লাগে। কেন ভোরবেলা বা সকালেই ঘুম ভাঙতে চায় না, জানেন?   ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Sleeping-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বিজ্ঞানী-গবেষকরা এর খুব সহজ ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তাদের ব্যাখ্যা, মানুষের ঘুম ভাঙা বা ঘুম থেকে ওঠা কোনও মেশিনের মতো কাজ নয়। সুইচ দিলেই যেমন লাইট অন হয়ে যায়, এটা তেমন নয়। ঘুম ভাঙার প্রক্রিয়া ধীরে ধীরে হয়।   ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Sleeping-3.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ জেগে থাকলে মস্তিষ্ক সচেতন থাকে। চিন্তাভাবনা করে। তখন মস্তিষ্কের তরঙ্গ সচল থাকে। ঘুমের সময় মস্তিষ্কের তরঙ্গ ধীর হয়ে যায়। এই তরঙ্গগুলি সজাগ হতে সময় লাগে। সেই কারণে ঘুম ভাঙে ধাপে ধাপে।   ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Sleeping-4.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মস্তিষ্কের ভিতরের সাবকর্টিক্যাল অঞ্চলের একটি অংশ প্রথমে কাজ শুরু করে। এখানে রেটিকুলার অ্যাক্টিভেটিং সিস্টেম নামে এক বিশেষ ব্যবস্থা থাকে। এটি এক ধরনের সুইচের মতো কাজ করে। এটি থ্যালামাস নামক আরেকটি অংশে বার্তা পাঠায়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Sleeping-10.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এই থ্যালামাস হল মস্তিষ্কের যোগাযোগ কেন্দ্র। সংবেদনশীল তথ্য এক অংশ থেকে আরেক অংশে পাঠায় এই থ্যালামাস। এরপর সেই সঙ্কেত যায় মস্তিষ্কের বাইরের স্তরে, সেরিব্রাল কর্টেক্সে। এর সাহায্যেই মানুষ চিন্তা করে এবং সিদ্ধান্ত নেয়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Sleeping-5.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ হালকা থেকে গভীর ঘুমের স্তরে থাকলে, একবারে পুরো জেগে ওঠা যায় না। পুরোপুরি জেগে উঠলে তারপর মস্তিষ্ক সচল হয়।  ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Sleeping-6.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অন্যদিকে, গভীর ঘুমে থাকলে সেই সময় স্বপ্ন দেখে মানুষ। ঘুম ভাঙার সময় মস্তিষ্কের কার্যকলাপ শুরু হয় মাথার সামনের ও মাঝের অংশে। এরপর ধীরে ধীরে পেছনের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Sleeping-7.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেক সময় ঘুম ভাঙলেও, পুরোপুরি জেগে উঠতে দেরি হয়। জেগে ওঠার পরও মস্তিষ্কের সব ক্ষমতা একসঙ্গে সক্রিয় হয় না। কিছুটা সময় লাগে। এটিকে বলা হয় স্লিপ ইনার্শিয়া। এই সময়ে তারা একটু ঘোরের মধ্যে থাকে। চোখ খুলে ফেললেও, মাথা কাজ করছে না। এই ঘোর ১৫ থেকে ৩০ মিনিট পর্যন্ত থাকতে পারে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Sleeping-8.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মস্তিষ্কে প্রতি ৫০ সেকেন্ডে একটি ছোট চক্র তৈরি করে। এই চক্রের তৈরি বা বিল্ড-আপ ধাপে গভীর ঘুমে থাকে মানুষ। তখন ঘুম থেকে ওঠা কঠিন হয়। যখন এই চক্র ক্ষীণ হয়ে যায়, তখন ঘুম হালকা হয়ে যায়। তখন জেগে ওঠা সহজ হয়। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/8-simple-steps-to-clean-dusty-switchboards-at-home-safely-1346027.html</loc><lastmod>2026-09-13T13:14:59+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/two-black-board.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Two Black Board ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/two-black-board.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সুইচবোর্ড পরিষ্কার করার আগে সব থেকে জরুরি কাজ হল নিরাপত্তার দিকটি নিশ্চিত করা। তাই কাজ শুরুর আগেই সরাসরি মেইন সুইচ বা সার্কিট ব্রেকার থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ পুরোপুরি বন্ধ করে দিন। এতে আপনার বৈদ্যুতিক বিপদের ঝুঁকি একেবারেই থাকবে না। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/whole-plug.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ রোজকার জমা সাধারণ ধুলো বা আলগা ময়লা পরিষ্কার করতে একটি শুকনো মাইক্রোফাইবার কাপড়ই যথেষ্ট। খুব সাবধানে বোর্ডের ওপরের অংশটা আলতো করে মুছে নিলে সহজেই ধুলো পরিষ্কার হয়ে যায়। এই কাজটা নিয়মিত করলে বোর্ডে সহজে ময়লা জমতে পারে না। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/aka-plug.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বোর্ডের চারপাশের সরু কোণগুলোতে বা সুইচের খাঁজে ময়লা খুব বেশি জমে থাকে। এই সরু জায়গাগুলো পরিষ্কার করতে একটি নরম ও শুকনো ব্রাশ ব্যবহার করতে পারেন। ব্রাশের সাহায্যে খুব সহজেই ভেতরের আটকে থাকা ধুলো বের করে আনা সম্ভব। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/yellow-switch.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তেলচিটে দাগ বা আঙুলের ছাপ তুলতে জলের মধ্যে কয়েক ফোঁটা বাসন মাজার লিকুইড সাবান মিশিয়ে নিন। সেই জলে একটি নরম কাপড় ভিজিয়ে খুব ভালোভাবে নিংড়ে নিয়ে আলতো করে বোর্ডের ওপরটা মুছে ফেলুন। মোছার কাজ শেষ হলেই সঙ্গে সঙ্গে একটি শুকনো কাপড় দিয়ে জায়গাটা সম্পূর্ণ শুকিয়ে নিন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/many-switch.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সুইচের ফাঁকে বা একদম সরু কোণে সাধারণ কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করা বেশ কঠিন ব্যাপার। এই সব জায়গার ময়লা দূর করতে একটি শুকনো কটন বাড দারুণ কাজে আসে। খুব জেদি দাগ থাকলে কটন বাডে সামান্য একটু জল লাগিয়ে নিতে পারেন, তবে জল যেন সুইচের ভেতরে না যায়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/dirty-plug.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ যে জেদি দাগগুলো সাধারণ মোছামুছিতে উঠতে চায় না, সেখানে বেকিং সোডা ব্যবহার করতে পারেন। সামান্য বেকিং সোডার সঙ্গে কয়েক ফোঁটা জল মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে দাগের ওপর হালকা হাতে ঘষুন। দাগ উঠে গেলে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুছে নিন, তবে খুব জোরে ঘষবেন না। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/three-board.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সুইচবোর্ডে সরাসরি জল, ভিনিগার বা কোনও ধরনের ক্লিনিং স্প্রে কখনও ছিটাবেন না। তরল পদার্থ বোর্ডের ভেতরে ঢুকে গেলে বড় শর্ট সার্কিট হতে পারে। তাই সব সময় কাপড় বা কটন বাডে তরল লাগিয়ে তবেই সেটি পরিষ্কারের কাজে ব্যবহার করুন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/dirty-switch-board.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বোর্ড যদি ফেটে গিয়ে থাকে, গরম হয়ে যায় বা পোড়া গন্ধ বেরোয়, তবে নিজে পরিষ্কার করতে যাবেন না। এমন অবস্থায় দ্রুত একজন পেশাদার ইলেকট্রিশিয়ান ডেকে বোর্ডটি সারিয়ে নেওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ। আর সাধারণ ময়লা এড়াতে সপ্তাহে অন্তত একদিন শুকনো কাপড় দিয়ে বোর্ড মুছে নেওয়ার অভ্যাস করুন। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/zomato-starts-charging-extra-fee-for-cash-on-delivery-orders-online-payment-users-exempted-1345938.html</loc><lastmod>2026-09-12T19:31:10+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/01-7.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ 01 ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/01-6.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আবার অনলাইনে খাবার অর্ডার করলে দাম বাড়াতে পারে জোম্যাটো। কারণ ইতিমধ্যেই কিছু খাবারের অর্ডারে ডেলিভারির সময় নগদ টাকা দিয়ে পেমেন্ট করলে অতিরিক্ত Pay on Delivery Charge চার্জ নেওয়া শুরু করেছে জোম্যাটো। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/08-4.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়াতে স্ক্রিনশট শেয়ার করছেন, যেখানে দেখানো হচ্ছে Pay on Delivery Charge প্রায় ৫ টাকা। তবে কারও ক্ষেত্রে ৭-২০ টাকা পর্যন্ত চার্জ নেওয়া হয়েছে। রেস্তোরাঁর প্যাকেজিং চার্জ ও জিএসটি এর থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/07-3.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অন্যদিকে, যাঁরা অর্ডারের টাকা অনলাইনে দিচ্ছেন, তাঁদের এই ক্যাশ অন ডেলিভারির টাকা দিতে হচ্ছে না। যেহেতু এই খাবার ডেলিভারি নামক প্রতিযোগিতা প্রতিদিন বাড়ছে, তাই সবাই আয় বৃদ্ধির নতুন পথ খুঁজছে। জোম্যাটোর এই নতুন চার্জ চালুর সিদ্ধান্ত সেই বৃহত্তর চার্জ বৃদ্ধির নতুন কৌশল বলে মনে করা হচ্ছে। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/06-3.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বর্তমানে জোম্যাটো প্রতিদিন আনুমানিক ২৩-২৫ লক্ষ খাবারের অর্ডার পরিচালনা করে। একটি বিখ্যাত বাইক ডেলিভারি সংস্থা Rapido-র পরিষেবা Ownly ইতিমধ্যেই নজর কেড়েছে। পাশাপাশি ফ্লিপকার্টও Eat In নামে একটি খাবার দেওয়ার পরিষেবা চালু করেছে বলে জানা গিয়েছে। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/05-5.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ জোম্যাটোর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী সুইগি এখনও এই ধরণের ক্যাশ অন ডেলিভারি ফি চালু করেনি। তবে ভবিষ্যতে তারা এই চার্জ চালু করবে কী না, তা স্পষ্ট নয়। তবে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ অর্ডার হওয়ার ফলে একটি অর্ডার থেকে প্রাপ্ত সামান্য অতিরিক্ত ফি-ও জোম্যাটোর জন্য লাভবান হতে পারে। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/04-5.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ২০২৩ সাল থেকে অনলাইন সংস্থাগুলি অর্ডারের সঙ্গে প্ল্যাটফর্ম ফি যোগ করা শুরু করে। প্রথমে সুইগি ২ টাকা প্ল্যাটফর্ম ফি চালু করে। পরে একই পথে হাঁটে জোম্যাটো। পরে জোম্যাটো আবার প্রতি অর্ডারে প্ল্যাটফর্ম ফি করে ১৫ টাকা। এর সঙ্গে জিএসটিও নেওয়া হয়। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/03-5.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ নতুন ক্যাশ পেমেন্ট চার্জের খবর এমন সময়ে সামনে এসেছে, যখন জোম্যাটো নিজেদের কার্যক্রম আবার গঠন করেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগস্ট মাসে সংস্থাটি প্রায় ২৫০ জন কর্মীকে ছাঁটাই করে দিয়েছে। গ্রাহক পরিষেবার অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/02-5.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এর অংশ হিসেবে জোম্যাটো হায়দ্রাবাদে তাদের কাস্টমার ডিলাইট বিভাগ বন্ধ করে দিয়েছে। সংস্থার বাকি কাজও গুরগাঁওতে শিফট করার কথা চলছে। এর মধ্যেই নতুন Pay on Delivery Charge চালু হওয়ার ফলে জোম্যাটোর লাভ ও খরচ নিয়ন্ত্রণ করার বিষয়ে নতুন Pay on Delivery Chargeকরে আলোচনা শুরু হয়েছে। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/bad-breath-despite-brushing-reasons-you-still-have-bad-breath-despite-brushing-daily-1345556.html</loc><lastmod>2026-09-11T20:24:17+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Brushing-11.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Brushing 11 ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Brushing-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সকালে ঘুম থেকে উঠেই প্রথম কাজ হয় দাঁত মাজা। দন্ত চিকিৎসকরা বলেন যে দিনে অন্তত দুইবার দাঁত মাজা উচিত। সকালে উঠে এবং রাতে খাবার খাওয়ার পর দাঁত মাজা স্বাস্থ্যকর অভ্য়াস। তবে এরপরও অনেকের মুখে দুর্গন্ধ হয়। কেন এমন হয় জানেন?  ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Brushing-6.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মুখের দুর্গন্ধকে হ্যালিটোসিস বলে। এর পিছনে এমন কিছু কারণ থাকে, যা শুধুমাত্র দাঁত ব্রাশ করে দূর করা যায় না। কীভাবে মুখের গন্ধ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়, তার সহজ কয়েকটি উপায় রইল এখানে।   ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Brushing-5.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মুখে দুর্গন্ধ হওয়ার অন্য়তম কারণ হল নিয়মিত ফ্লসিং না করা। খাবার খাওয়ার পর দাঁতের ফাঁকে যে খাবার আটকে থাকে, তার থেকে ব্যাকটেরিয়ার জন্ম হয়। আটকে থাকা খাবার ধীরে ধীরে পচতে শুরু করে। এর থেকেই দুর্গন্ধ হয়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Brushing-7.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মুখে যাতে গন্ধ না হয়, তার জন্য নিয়মিত ফ্লসিং করা উচিত। পাতলা সুতো দিয়ে দাঁতের ফ্লসিং করা উচিত, এতে খাবারের অবশিষ্ট অংশ বেরিয়ে যায়।   ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Brushing-12.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ যদি নিয়মিত দাঁত মাজা ও ফ্লসিং করার পরও মুখে দুর্গন্ধ থাকে, তাহলে জিভের উপরে থাকা ব্যাকটেরিয়া এর কারণ হতে পারে। সালফার উৎপাদনকারী ব্যাকটেরিয়া জিভের উপরে ও গলার পিছনে দ্রুত বৃদ্ধি পায়। এই ব্যাকটেরিয়াগুলি খাবারের প্রোটিন ভেঙে দুর্গন্ধ ছড়ায়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Brushing-9.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কম জলপান করলেও কিন্তু মুখে দুর্গন্ধ হতে পাকে। শরীরে ডিহাইড্রেশন হলে, লালা উৎপাদন কমে যায়। তখন দুর্গন্ধ হতে পারে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Brushing-4.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এছাড়া নিয়মিত কফি পান করলেও মুখে দুর্গন্ধ হয়। কারণ ক্যাফেইন লালা উৎপাদন কমিয়ে দেয়। মুখের ভিতরে শুকিয়ে যায়। সেই কারণে দুর্গন্ধ হতে পারে।    ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Brushing-8.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বেশি ধূমপান করলেও, মুখের ভিতর শুষ্ক হয়ে যায়। সেই কারণে দুর্গন্ধ হতে পারে। ধূমপান ছেড়ে দিলে, এই দুর্গন্ধও চলে যায়।  ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Brushing-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পেঁয়াজ, রসুন বেশি খেলেও, মুখে গন্ধ হতে পারে। সেই কারণে এই ধরনের খাবার খাওয়ার পর মুখ ভালোভাবে কুলকুচি করা উচিত।  ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Brushing.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মুখের গন্ধ কমাতে নিয়মিত দাঁত মাজা, ফ্লসিং করা উচিত। এছাড়া পর্যাপ্ত পরিমাণ জল পান করা উচিত।  ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Brushing-10.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এই পদ্ধতিগুলি অনুসরণ করার পরও যদি মুখের দুর্গন্ধ না কমে, তাহলে দন্ত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো। শরীরের অন্য কোনও সমস্যার কারণেও মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/lifestyle/what-is-kachori-called-in-english-the-real-naming-logic-behind-your-favourite-snack-1345709.html</loc><lastmod>2026-09-11T16:07:17+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/kadaisuti-kachori.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Kadaisuti Kachori ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/kadaisuti-kachori.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বাঙালির সকালের জলখাবার হোক বা বিকেলের আড্ডা, কচুরির নাম শুনলেই যেন জিভে জল চলে আসে। পাড়ার মোড়ের দোকান থেকে গরম কচুরি আর আলুর দম কিনে আনার আনন্দটাই একদম আলাদা। কিন্তু কখনও কি ভেবে দেখেছেন আপনার এই প্রিয় খাবারটির ইংরেজি নাম আসলে কী? Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/gree-kachori.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কচুরি, সিঙাড়া বা জিলাপির মতো সম্পূর্ণ দেশি পদগুলির আক্ষরিক কোনও ইংরেজি প্রতিশব্দ সাধারণত ডিকশনারিতে থাকে না। আন্তর্জাতিক স্তরে বা বিদেশিদের কাছে এই ধরনের খাবারের গঠন ও রান্নার পদ্ধতি বুঝিয়ে এদের ইংরেজি নামকরণ করা হয়। তাই অন্যান্য দেশি খাবারের মতোই কচুরির হুবহু কোনও ইংরেজি নাম নেই। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/kachori-aloor-dum.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ যেহেতু কচুরি ময়দা বা আটা দিয়ে তৈরি হয় এবং ভেতরে পুর ঠাসা থাকে, তাই ইংরেজিতে একে পেস্ট্রি গোত্রের ধরা হয়। আর ডুবো তেলে ভাজার কারণে ইংরেজিতে কচুরিকে সাধারণত &#039;Fried Stuffed Pastry&#039; বা ভাজা পুরভরা পেস্ট্রি বলা হয়। আবার অনেকে রান্নার পদ্ধতি অনুযায়ী একে &#039;Deep-fried Stuffed Bread&#039;-ও বলে থাকেন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/kachori-street.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শুনতে একটু খটমট লাগলেও গঠনগত দিক দিয়ে বিচার করলে এটাই কচুরির সবথেকে কাছাকাছি নির্ভরযোগ্য ইংরেজি অর্থ। বিদেশি পেস্ট্রির সঙ্গে আমাদের কচুরির আকাশপাতাল তফাত থাকলেও আকার আর পুরের কারণে একে পেস্ট্রির তকমা দেওয়া হয়েছে বোঝানোর সুবিধার জন্য। ওদের পেস্ট্রি সাধারণত মিষ্টি আর বেক করা হলেও আমাদের কচুরি ডুবো তেলে ভাজা এবং নোনতা বা ঝাল। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/kachori-cyapta.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ভেতরের পুর অনুযায়ী কচুরির এই বর্ণনামূলক ইংরেজি নামটিও বেশ খানিকটা বদলে যায়। যেমন ডাল কচুরিকে ইংরেজিতে বোঝানোর জন্য বিদেশিদের কাছে বলা হয় &#039;Lentil Stuffed Pastry&#039;। আবার শীতকালের হট ফেভারিট কড়াইশুঁটির কচুরিকে তারা &#039;Green Peas Stuffed Pastry&#039; নামেই চিনে থাকেন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/green-puri.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ভারতীয় স্ট্রিট ফুড এখন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এবং বিদেশিরাও এখন চেটেপুটে এই ভাজাভুজি খেতে ভালোবাসেন। আর তাই ইন্টারনেটে এখন এই &#039;ইন্ডিয়ান ফ্রায়েড পেস্ট্রি&#039;-র রেসিপির খোঁজ চলতে থাকে। তবে আন্তর্জাতিক নাম যাই হোক না কেন, বাঙালির কাছে কচুরি মানেই একটা আলাদা আবেগ। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/kachori-dal.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ছুটির দিনে চায়ের সঙ্গে এই &#039;ফ্রায়েড পেস্ট্রি&#039; না হলে আমাদের ঠিক জমে না, তাই বিদেশিরা যাই বলুক আমাদের কাছে ওটা কচুরিই থাকবে। পরের বার যখন কচুরির দোকানে যাবেন, তখন বন্ধুদের কচুরির এই আন্তর্জাতিক নামটা বলে চমকে দিতে পারেন। দেখবেন আপনার মুখে এই অদ্ভুত সঠিক তথ্য শুনে তারা রীতিমতো অবাক হয়ে গিয়েছে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/kachori-vendi.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সম্পূর্ণ দেশি এই পদটি তার স্বাদ ও গন্ধে যেমন অতুলনীয়, তেমনই এর ইংরেজি নামটির পেছনের যুক্তিটিও বেশ আকর্ষণীয়। তবে ইংরেজি নাম নিয়ে খুব বেশি মাথা না ঘামিয়ে গরম গরম কচুরির স্বাদ নেওয়াই হল একজন খাঁটি খাদ্যরসিকের আসল কাজ। এবার থেকে ভাজা পুরভরা পেস্ট্রি বা কচুরি যাই বলুন না কেন, এর স্বাদে কোনও আপস হবে না। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/tea-or-coffee-which-is-healthy-for-body-know-the-survey-details-1345675.html</loc><lastmod>2026-09-11T14:15:59+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/09-1.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ 09 ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/01-5.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ চা ও কফি -দুটোই বাঙালির অত্যন্ত পছন্দের একটি পানীয়। কেউ চা পান করি, কেউ কফি। তবে এখানেই একটি প্রশ্ন। এই দুটোর মধ্যে কোনটি ভাল, এই নিয়ে বহুদিন ধরেই বিতর্ক চলছে। যদিও এই ২ পানীয় নিয়েই গবেষণা কম হয়নি। দুটোরই ভাল ও খারাপ দিক আছে। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/08-3.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আপনি কি জানেন, চা আসলে এসেছিল চিন থেকে? এমনকি আগে ব্রিটিশরাও চা পান করার জন্য বিজ্ঞাপন দিত। তাদের মতে, সেই চা খেলে নাকি জ্বর, মাথাব্যথা মায় কলেরা থেকেও মুক্তি পাওয়া যেত। যদিও অনেককে সেই সময় বিনা পয়সাতে চা খাইয়ে চায়ের দ্রব্যগুণ বোঝানো হত। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/07-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ যদিও অনেকেই বলেন, সেই সময় চা নিয়ে যা বলা হত, তার অধিকাংশই মিথ্যা। তাই সেসব বাক্যকে আপ্তবাক্য ধরে নেওয়া ঠিক নয়। কিন্তু সত্যিই কি চায়ের কিছু ভাল গুণ আছে? নানা গবেষণা অন্তত তাই বলছে। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/03-4.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ একটি গবেষণা অনুযায়ী, প্রায় ৮ লক্ষ মানুষের উপর একটি পরীক্ষা চালানো হয়। সেখানেই দেখা গিয়েছে, নিয়মিত চা যাঁরা খান, তাঁদের লিভার সিরোসিসের মতো রোগ থেকে সম্পূর্ণ বিপন্মুক্ত আছেন। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/02-4.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেকে বলেন, চা পান করলে মন খারাপ কমে যায়। ২০১৫ সালে একটি গবেষণা হয়েছিল, সেই গবেষণাতে প্রায় ২৩ হাজার মানুষের উপর একটি সার্ভে করা হয়। সেখানেই দেখা গিয়েছিল, যারা প্রতিদিন ৩ কাপ চা খান, তাঁদের বিষন্নতার বা মন খারাপ সাধারণ মানুষের তুলনায় ২৩% কম হয়। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/06-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শোনা যায়, চা পান করলে স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি কমে যায়। সেই সার্ভেতে দেখা গিয়েছিল, দিনে কম করে ৩ কাপ চা খেলে স্ট্রোক কম হয়। হৃদরোগ থেকে চা বাঁচায়, বিশেষজ্ঞরা এটাও মনে করেন। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/05-4.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আরও একটি গবেষণা হয়েছিল। সেই গবেষণাতে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ মানুষের উপর একটি পরীক্ষা হয়েছিল। সেখানে দেখা গিয়েছিল, প্রতিদিন ২ কাপ চা খেলে টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি ৪-৬% কমার সম্ভাবনা আছে। এমনকি অনেক বিশেষজ্ঞ এও বলেন, চা খেলে প্রস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে যায়। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/04-4.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তবে এসব গবেষণার ফল নিয়ে বিশেষ মাতামাতি না করাই ভাল। কারণ, তথ্যের ফল আলাদা। একজন মানুষের পছন্দ আলাদা, একজনের ভালবাসা আলাদা। তাই চা খেলেই রোগ কমবে, এমন কিছু বলা যায় না। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/bollywood-celebs-80s-retro-look-ai-photo-gallery-1345650.html</loc><lastmod>2026-09-11T13:21:01+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Bollywood-Photo-Scene-1.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Bollywood Photo Scene ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Bollywood.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ড করতেই সিদ্ধার্থ-কিয়ারার এআই জুটি মন জয় করে নিয়েছে নেটিজেনদের। আশির দশকের ক্লাসিক পেস্টেল শেডের পোশাক এবং নস্টালজিক ব্যাকগ্রাউন্ডে দু’জনকে যেন তৎকালীন কোনো প্রেমকাহিনির চিরচেনা জুটি বলেই ভুল হয়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Bollywood-Cinema.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ দীপিকা পাড়ুকোনের এআই ভিন্টেজ ছবিটি পুরোপুরি মনে করায় তৎকালীন আর্ট হাউস সিনেমা বা ক্লাসিক রোম্যান্টিক ডিরেক্টরদের ছবিকে। ঐতিহ্যবাহী চোখের সাজ, কপালে ছোট টিপ এবং উইংড আইলাইনারের ছোঁয়ায় আশির দশকের নিখুঁত এক সৌন্দর্য ফুটে উঠেছে তাঁর এআই লুকে। এই ট্রেন্ডে রয়েছেন পরিণীতি চোপড়া ও রাঘব চড্ডাও। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Bollywood-News.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এই ট্রেন্ডের সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে পাওয়ার কাপল অনুষ্কা শর্মা ও বিরাট কোহলির ছবি। অনুষ্কার রেট্রো হেয়ারস্টাইল আর বিরাটের তখনকার দিনের স্টাইলের কোঁকড়ানো চুল এবং ক্লাসিক গোঁফ দেখে মনে হচ্ছে, তাঁরা যেন আশির দশকের কোনো সাড়াজাগানো প্রেমকাহিনির নায়ক-নায়িকা!   জনপ্রিয় অভিনেতা রবি কিষাণের এআই রূপ দেখে নস্টালজিক নেটপাড়া। বেলবটম লুক, চোখের সানগ্লাস এবং ট্রেডমার্ক আশির দশকের হেয়ারকাটে রবি কিষাণকে একেবারে সেই জামানার রাফ-অ্যান্ড-টাফ মুম্বাইিয়া অ্যাকশন স্টারের মতো দেখতে লাগছে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Bollywood-Photo-Scene.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বাদ পড়েননি টলিউডের নুসরত জাহান এবং হুমা কুরেশি। তাঁদের আশির দশকের ছবিও নজর কেড়েছে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Bollywood-Photo-Ph.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তামান্না ভাটিয়ার এআই মেকওভারে নজর কেড়েছে তৎকালীন তামিল ও তেলুগু সিনেমার ভিন্টেজ স্টাইলিং। উজ্জ্বল রঙের শাড়ি, জুঁই ফুলের গাজরা এবং আশির দশকের বিশেষ লাইটিং ও কালার টোনে তামান্নাকে দেখাচ্ছে একেবারে নিখুঁত এক ভিন্টেজ সুন্দরী হিসেবে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Bollywood-Photo.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শ্রুতি হাসানের ক্ষেত্রে এআই ট্রেন্ড নিয়ে এসেছে রক-স্টার আর আশির দশকের গ্ল্যামারসের এক মিশেল। অন্যদিকে, তাহিরা কাশ্যপের রেট্রো লুকে ফুটে উঠেছে আশির দশকের স্বাধীন ও সাহসী আধুনিক নারীচরিত্রের প্রভাব, যা তাঁর অনুরাগীদের কাছে বেশ প্রশংসিত হয়েছে। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/eating-apple-at-night-is-it-healthy-or-can-it-cause-digestive-problems-know-the-best-time-1345659.html</loc><lastmod>2026-09-11T13:13:12+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/apple-eating-happily.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Apple Eating Happily ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/apple-happy.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আপেল মানেই সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি আর রোজ একটা আপেল খেলে দূরে থাকে নানা অসুখ। ভিটামিন ও ফাইবারে ভরা এই ফল হার্ট ভালো রাখে এবং ওজনও রাখে একেবারে হাতের মুঠোয়। তবে দিনের যেকোনও সময় কি এই ফল খাওয়া শরীরের জন্য ভালো? Getty images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/whole-eat-apple.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেকেই আছেন যাঁরা রাতের খাওয়া শেষ করে টুক করে একটা আপেল খেয়ে নেন। অনেকের আবার বদ্ধমূল ধারণা রয়েছে রাতে ফল খেলে বোধহয় স্বাস্থ্য আরও বেশি ভালো হয়। কিন্তু এই অভ্যাসের কারণে নিজের অজান্তেই বড় কোনও বিপদ ডেকে আনছেন নাতো! Getty images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/apple-eating-happily.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ চিকিৎসকদের মতে রাতে আপেল খাওয়ার বেশ কিছু খারাপ দিক রয়েছে যার মধ্যে অন্যতম হজমের গোলমাল। আপেলের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে পেকটিন ফাইবার থাকে যা রাতে সহজে হজম হতে চায় না। এর ফলে পেট ফাঁপা, গ্যাস বা অস্বস্তিকর অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে। Getty images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/apple-bite-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আপেলের মধ্যে প্রাকৃতিকভাবেই কিছু অর্গানিক অ্যাসিড থাকে যা পেটের জন্য দিনের বেলা ভালো। কিন্তু রাতে ঘুমানোর ঠিক আগে এটি খেলে পেটের ভেতরে অ্যাসিডের মাত্রা অনেকটাই বেড়ে যায়। যার ফলে চোঁয়া ঢেকুর বা বুকজ্বালার মতো যন্ত্রণাদায়ক সমস্যার মুখে পড়তে হতে পারে। Getty images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/baby-apple.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আপেলের মধ্যে থাকা প্রাকৃতিক মিষ্টি বা চিনি শরীরে খুব দ্রুত এনার্জি জোগায়। ঘুমানোর আগে শরীর হঠাৎ করে এত এনার্জি পেয়ে গেলে আর সহজে ঘুম আসতে চায় না। এতে আপনার ঘুমের মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটে এবং সারারাত বিছানায় এপাশ ওপাশ করে কাটাতে হতে পারে। Getty images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/apple-eating-from-tree.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এই সব সমস্যার হাত থেকে বাঁচতে আপেল খাওয়ার সঠিক সময় কোনটা তা জেনে নেওয়া ভীষণ জরুরি। সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে অথবা সকালের জলখাবারের পর আপেল খাওয়ার সবচেয়ে ভালো সময়। সকালে এটি খেলে হজমশক্তি দ্রুত বাড়ে এবং সারাদিন কাজের জন্য ভরপুর এনার্জি পাওয়া যায়। Getty images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/apple-eating-happy.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলে আমাদের একটু হালকা খিদে পায় তখন বাইরের খাবার খাওয়া একদমই উচিত নয়। মুখরোচক ফাস্ট ফুড বা ভাজাভুজি না খেয়ে তখন একটা আপেল খেয়ে নেওয়া খুবই ভালো অভ্যাস। এতে শরীরও ভালো থাকে এবং পেটও বেশ অনেকক্ষণ ভরা থাকে। Getty images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/green-apple.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সব মিলিয়ে বলা যায় আপেল আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ উপকারী হলেও রাতে ঘুমানোর আগে এটি একেবারে এড়িয়ে চলা উচিত। বিশেষ করে যাঁদের আগে থেকেই হজমের সমস্যা রয়েছে তাঁদের রাতে কোনও রকম ফল না খাওয়ারই পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। তাই নিয়ম মেনে সঠিক সময়ে আপেল খান এবং নিজেকে রাখুন একদম তরতাজা। Getty images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/these-politicians-has-joined-1980s-ai-photo-prompt-trend-see-the-photos-1345602.html</loc><lastmod>2026-09-11T11:59:08+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Large-image-80s-trend.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ these politicians has joined 1980s AI Photo Prompt trend, see the photos ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Large-image-80s-trend.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কেউ সরকারের পক্ষে গলা ফাটান, কেউ বিরোধী বেঞ্চে বসে চ্যালেঞ্জ ছোড়েন প্রতিনিয়ত। কখনও সংসদ কক্ষে, কখনও সভামঞ্চে, কখনও মিটিং-মিছিলে দেখা যায় তাঁদের। তবে গুরুম্ভীর বিষয়ের চর্চা তো তাঁদের একঘেয়ে লাগে কখনও কখনও। সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রেন্ডে তাঁরাও হয়ত কিছুটা বিরতি খুঁজছেন। শুধু জেন জি নয়, ৮০ বা ৭০-এর দশকে জন্মানো রাজনীতিকরাও গা ভাসিয়েছেন জনপ্রিয় ১৯৮০-র ট্রেন্ডে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Large-image-Anurag-thakur-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনুরাগ ঠাকুর। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি সাংসদ। হিমাচল প্রদেশের হামিরপুরের সাংসদ এই নেতা সংসদে বেশ জনপ্রিয় মুখ। ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ মন্ত্রক সামলাতেন তিনি। বর্তমানে তাঁর হাতে কোনও মন্ত্রক নেই। এআই-তে তৈরি করা তাঁর ছবি বেশ নজর কেড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Large-image-Sukamta-majumdar.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সস্ত্রীক একটি ছবি পোস্ট করেছেন বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। রাজ্য বিজেপির সভাপতি ছিলেন তিনি। বর্তমানে কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী তিনি। বালুরঘাটের সাংসদের এআই-তে তৈরি ছবি একেবারে অন্যরকম। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Large-image-himanta-.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ দেশের মুখ্যমন্ত্রীদের মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় মুখ হিমন্ত বিশ্বশর্মা। চর্চায় থাকেন বিজেপির এই মুখ্যমন্ত্রী। ১৯৮০-র ট্রেন্ডে নিজের ছবি বানিয়েছেন তিনিও। চোখে সানগ্লাস ও পরণে সাদা ব্লেজার পরা হিমন্তের ছবি এখন ভাইরাল। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Large-image-Chirag-Paswan.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ একসময়ের অভিনেতা এখন রাজনীতিক। এলজেপি সাংসদ চিরাগ পাসোয়ান সাংসদ হিসেবে আলাদা জনপ্রিয়তা পেয়েছেন। বছর ৪৩-এর এই রাজনীতিককে একেবারে অন্য রূপে দেখা যাচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Large-image-Kiren-rijiju.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সংসদে প্রথম সারিতে থাকা মন্ত্রীদের মধ্যে অন্যতম কিরণ রিজিজু। সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে বিভিন্ন ইস্যুতে বক্তব্য পেশ করতে দেখা যায় তাঁকে। একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রক সামলেছেন তিনি। তিনিও সংসদের কাজ থেকে কিছুটা অব্যাহতি নিয়ে ট্রেন্ডে গা ভাসিয়েছেন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Large-image-Derek-O-Brien.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কেন্দ্রে বিরোধী দল হিসেবে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম মুখ ডেরেক ও ব্রায়েন। বিভিন্ন ইস্যুতে, বিক্ষোভে-প্রতিবাদে সামনের সারিতে দেখা যায় তাঁকে। তবে ট্রেন্ডে গা ভাসালেন একসময়ের &#039;কুইজ মাস্টার&#039; ডেরেক। তিনি লিখেছেন, &#039;সংসদের গম্ভীর বিষয়ের আলোচনা থেকে একটু অব্যাহতি নিয়েছি।&#039; ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Large-image-Piyush-Goyel.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ দেশের বাণিজ্য মন্ত্রকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব তাঁর হাতে। এরই মধ্যে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে ন্যাশনাল ট্রেজারার হিসেবেও রয়েছেন তিনি। এত গুরুগম্ভীর বিষয় সামলেও পীযূষ গোয়েল সোশ্যাল মিডিয়ার এআই ট্রেন্ডে সামিল। ব্লেজার, সানগ্লাস পরা তাঁর সেই পুরনো ঘরানা ছবি দেখে চেনাই দায়। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/8-easy-steps-to-deep-clean-your-everyday-bag-1345616.html</loc><lastmod>2026-09-11T20:29:29+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/many-things-in-bag.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Many Things In Bag ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/many-things-in-bag.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ রোজ অফিস বা স্কুল যাওয়ার সময় যে ব্যাগটি আপনার নিত্যদিনের সঙ্গী হয়, তার ভেতরে কিন্তু অজান্তেই প্রচুর ময়লা জমে যায়। খেয়াল করে দেখবেন, মোবাইল, চাবি বা টিফিনের বাক্স থেকে শুরু করে ব্যবহৃত টিস্যু জমিয়ে রাখলে ব্যাগের ভেতরটা আস্ত ডাস্টবিন হয়ে ওঠে। তাই বাইরে থেকে পরিষ্কার দেখালেও নিয়মিত ব্যাগের ভেতরটা জীবাণুমুক্ত করা আপনার সুস্থতার জন্যই খুব জরুরি। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/bag-unlock.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ব্যাগ পরিষ্কার করার প্রথম ধাপ হল ব্যাগের ভেতরের প্রতিটি পকেট পুরোপুরি ফাঁকা করে ফেলা। অনেক সময় ব্যাগের কোণায় পুরোনো বিল, চকলেটের মোড়ক বা বিস্কুটের গুঁড়ো লুকিয়ে থাকে, যা থেকে মারাত্মক দুর্গন্ধ ছড়ায়। তাই ভালো করে উল্টেপাল্টে ব্যাগের ভেতর জমে থাকা সমস্ত ধুলো ও ময়লা সবার আগে আপনার ঝেড়ে ফেলে দেওয়া উচিত। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/cloth-rub-bag.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এবার একটি পরিষ্কার মাইক্রোফাইবার কাপড় বা নরম স্পঞ্জ নিয়ে হালকা সাবান-জলে ভালো করে ভিজিয়ে নিন। সেই ভেজা কাপড় দিয়ে ব্যাগের ভেতরের অংশগুলো খুব সাবধানে এবং ধীরে ধীরে মুছে নিতে হবে। খেয়াল রাখবেন কাপড়টি যেন অতিরিক্ত ভিজে না থাকে, নাহলে ব্যাগের ভেতরে জল বসে ফাঙ্গাস তৈরি হওয়ার ভয় থাকে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/bag-cleaner.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ব্যাগের তলার দিকটা সবচেয়ে বেশি নোংরা হয়, কারণ ব্যাগটি কখনও বাসের নিচে বা অফিসের মেঝেতে রাখা হয়। এই অংশের বাইরের দিকটা যেমন মোছা দরকার, তেমনই ভেতরের দিকে জমে থাকা ধুলোও পরিষ্কার করা আপনার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন। প্রয়োজনে পুরোনো টুথব্রাশ ব্যবহার করে ব্যাগের ভেতরের কোণাগুলো একদম ঝকঝকে পরিষ্কার করে নিতে পারেন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/clean-bag-sani.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আপনার ব্যাগটি যদি কাপড়ের তৈরি হয়, তবে সেটি ওয়াশিং মেশিনে হালকা ঠান্ডাজলে খুব সহজেই ধুয়ে নিতে পারেন। তবে মেশিনে দেওয়ার আগে ব্যাগের গায়ে লেখা নিয়মাবলি বা কেয়ার ইনস্ট্রাকশনটি একবার অবশ্যই পড়ে নেবেন। লেদার বা রেক্সিনের ব্যাগ হলে কোনও মতেই মেশিনে দেবেন না, বরং বিশেষ ক্লিনার দিয়ে ওপর থেকে মুছে নিন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/bag.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পরিষ্কার করার পর ব্যাগটি খুব ভালো করে শুকিয়ে নেওয়াটা কিন্তু সবচেয়ে বেশি জরুরি একটি কাজ। ভেজা অবস্থায় ব্যাগের চেন বন্ধ করে রাখলে ভেতরে স্যাঁতসেঁতে দুর্গন্ধ হতে পারে এবং ভেতরের জিনিসপত্র নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই অন্তত একদিন খোলা হাওয়ায় বা হালকা রোদে ব্যাগটি মেলে রাখুন যাতে ভেতরের আর্দ্রতা পুরোপুরি শুকিয়ে যায়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/stripe-bag.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শুধু ব্যাগ পরিষ্কার করলেই হবে না, ব্যাগের ভেতরে আপনার নিয়মিত রাখা জিনিসগুলোও জীবাণুমুক্ত করা দরকার। মোবাইল ফোন, চাবির রিং, মেকআপ পাউচ বা হেডফোনের গায়ে লেগে থাকা ময়লা থেকেও পরিষ্কার ব্যাগ আবার নোংরা হতে পারে। তাই পুনরায় ব্যাগে ঢোকানোর আগে এই জিনিসগুলোকে স্যানিটাইজার বা ভেজা ওয়াইপস দিয়ে একবার ভালো করে মুছে নিন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/sanitize-clean.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ব্যাগের ভেতরটা পরিষ্কার রাখতে টিফিন বক্স থেকে তেল-ঝোল লিক করছে কি না, সেদিকে রোজ একবার নজর দিন। ব্যবহার করা টিস্যু পেপার বা আবর্জনা ব্যাগের ভেতর জমিয়ে না রেখে সঙ্গে সঙ্গে ডাস্টবিনে ফেলার অভ্যাস তৈরি করুন। প্রতি এক বা দুই সপ্তাহ অন্তর এইভাবে পরিষ্কার করলে আপনার প্রিয় ব্যাগটি নতুনের মতোই ঝকঝকে ও জীবাণুমুক্ত থাকবে। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/phone-charging-port-loose-dont-make-this-mistake-protect-charger-like-this-1345495.html</loc><lastmod>2026-09-10T16:57:26+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Mobile-Charging.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Mobile Charging ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Mobile-Charging-4.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ফোন ছাড়া আমাদের এক মুহূর্তও চলে না। ঘনঘন মোবাইল ব্যবহারের কারণে দ্রুত চার্জ শেষ হয়। তখন দিনে একাধিকবার স্মার্টফোন চার্জ দিতে হয়। তবে এই ঘনঘন চার্জ দিলে অনেক সময় চার্জিং পোর্ট ঢিলে হয়ে যায়। তখন চার্জ দিতে খুব সমস্যা হয়।  ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Mobile-Charging-3.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেক সময়ই দেখা যায় যে চার্জার কেবল ফোনের পোর্টে ঠিকমতো বসে না অথবা ফোনটি একটি নির্দিষ্ট কোণে ধরলেই মোবাইল চার্জ হওয়া শুরু হয়। তবে সবসময় পোর্টেরই সমস্যা নয়; ধুলো জমে যাওয়া, কেবলের ভুল ব্যবহার এবং চার্জ দেওয়ার সময় ফোনের উপর চাপের কারণেও অনেক সমস্যা হয়ে থাকে। কীভাবে চার্জারকে দীর্ঘ সময়ের জন্য ভালো অবস্থায় রাখা যায়, সেই উপায় জেনে নিন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Mobile-Charging-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[  ফোন পকেটে বা ব্যাগে রাখলে, কাপড়ের ধুলো এবং সূক্ষ্ম আঁশ চার্জিং পোর্টে ঢুকে যেতে পারে। এই ধুলো জমতে জমতে একটি স্তর তৈরি করে। এর ফলে চার্জিং কেবল ঠিকমতো ফিট নাও হতে পারে, তখন লুজ কানেকশন হয়। পোর্ট ঢিলে হয়ে গিয়েছে বলে মনে হয়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Mobile-Charging-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[  চার্জার খোলার সময় অনেকেই কানেক্টার না ধরে, সরাসরি তার ধরে টানেন। এতে চার্জিং পোর্ট এবং কেবল- উভয়ের উপরই চাপ পড়ে। এই অভ্যাসটি চালিয়ে গেলে ভেতরের কানেক্টার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Mobile-Charging-5.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ চার্জ দেওয়ার সময় ফোন ব্যবহার করাতেও ক্ষতি হয়। চার্জ দেওয়ার সময় ফোন ব্যবহার করলে সবসময় পোর্টের ক্ষতি হয় না, কিন্তু কেবল ক্রমাগত বাঁকানো বা টানা হলে সমস্যা হতে পারে। বিছানা বা সোফায় ফোন ব্যবহার করার সময় প্রায়শই এমনটা হয়, যার ফলে কেবল একপাশে বেঁকে যায় এবং কানেক্টারের উপর চাপ সৃষ্টি করে। এই ধরনের চাপের কারণে পোর্টটি ঢিলে হয়ে যেতে পারে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Mobile-Charging-6.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সব চার্জিং কেবল একরকম হয় না। যদি সস্তা বা নিম্নমানের কোনও কেবলের কানেক্টারের আকার সঠিক না হয়, তবে সেটি পোর্টে ঠিকমতো বসবে না। এই ধরনের কেবল বারবার ব্যবহার করলে, চার্জিং পোর্টের উপর চাপ পড়তে পারে। এর জেরে সমস্যা হতে পারে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Mobile-Charging-7.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[  যখন আপনি ফোন পকেটে বা ব্যাগে রাখেন, তখন পোর্টটিকে ধুলো এবং আর্দ্রতার সংস্পর্শে আসা থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করুন। যদি পোর্টে ময়লা দেখতে পান, তবে এটি পরিষ্কার করার জন্য পিন বা অন্য কোনও ধারালো বা ধাতব বস্তু ব্যবহার করবেন না, কারণ এতে ভেতরের পিনগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। যদি পোর্টটি ময়লা জমে খুব বেশি আটকে যায়, তবে দোকান বা সার্ভিস সেন্টার থেকে দিয়ে পরিষ্কার করানোই ভালো। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Mobile-Charging-8.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মোবাইলের কেবল অতিরিক্ত বেঁকাবেন না বা চার্জে থাকা অবস্থায় কেবল ধরে ফোন টানবেন না। চার্জার খোলার সময় সর্বদা কর্ড নয়, বরং কানেক্টরটি ধরুন। যদি কেবল পোর্টে সহজে না ঢোকে, তবে জোর করে ঢোকানোর চেষ্টা করবেন না। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Mobile-Charging-9.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[  ভালো মানের কেবল ব্যবহার করার পরেও যদি ফোনটি চার্জ না হয়, তাহলে সমস্যাটি চার্জিং পোর্টে হতে পারে। এমন ক্ষেত্রে, ফোনটি সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে যাওয়াই শ্রেয়। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/lpg-cylinder-home-delivery-can-delivery-agents-charge-rs-50-extra-know-what-consumers-should-know-1345468.html</loc><lastmod>2026-09-10T15:34:57+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/LPG-CYLINDER-DELIVERY-8.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Lpg Cylinder Delivery 8 ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/LPG-CYLINDER-DELIVERY-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এলপিজি সিলিন্ডার বুকিং করার পর তিন-চার দিনেই বাড়িতে সিলিন্ডার ডেলিভারি হয়ে যায়। তবে অনেক সময়ই দেখা যায় যে সিলিন্ডার ডেলিভারির সময় ডেলিভারি বয় বা এজেন্টরা অতিরিক্ত চার্জ নেয়। কমপক্ষে ৩০ থেকে ৫০ টাকা দাবি করে তারা।   ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/LPG-CYLINDER-DELIVERY-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ যদি কোনও গ্রাহক টাকা দিতে অস্বীকার করেন, তাহলে তাদের সঙ্গে তর্কাতর্কিও শুরু করে দেয় ডেলিভারি এজেন্টরা। জোর করে বাধ্য করে অতিরিক্ত টাকা দিতে। তবে আসল নিয়ম কী জানেন? ডেলিভারি এজেন্টরা সত্যি কি অতিরিক্ত টাকা দাবি করতে পারে? ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/LPG-CYLINDER-DELIVERY-1-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ডেলিভারি এজেন্টদের এইভাবে টাকা দাবি করা নিয়ম বিরুদ্ধ। ডেলিভারি এজেন্টরা বাড়িতে গ্যাস ডেলিভার করার জন্য গ্রাহকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা দাবি করতে পারেন না। গ্রাহকরাও এই টাকা দিতে বাধ্য নন।  ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/LPG-CYLINDER-DELIVERY-3.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[  গ্যাস এজেন্সির ওয়্যার হাউস থেকে ৫ কিলোমিটারের মধ্যে ডেলিভারির জন্য কোনও ট্রান্সপোর্ট বা পরিবহন খরচ লাগে না। কিছু ক্ষেত্রে ৫ থেকে ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে ডেলিভারির জন্য ২০ টাকা ডেলিভারি চার্জ রয়েছে। তবে এই খরচ গ্যাসের বিলেই লেখা থাকে।  ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/LPG-CYLINDER-DELIVERY-4.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ যদি ডেলিভারি বয় অতিরিক্ত টাকা চায়, তাহলে গ্রাহকরা সরাসরি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর বা তেল কোম্পানিতেই অভিযোগ করতে পারেন। প্রথমে গ্যাস এজেন্সিতে অভিযোগ করা উচিত। সেখানে সাড়া না পেলে, তেল কোম্পানিগুলির হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করে অভিযোগ করতে পারেন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/LPG-CYLINDER-DELIVERY-5.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ইন্ডেন গ্যাসের গ্রাহকরা 7718955555 হেল্পলাইন নম্বরে যোগাযোগ করে অভিযোগ জানাতে পারেন। ভারত গ্যাসের উপভোক্তারা 1800224344 নম্বরে এবং এইচপি গ্যাস সংযোগ যাদের আছে, তারা 9222201122 নম্বরে যোগাযোগ করে অভিযোগ জানাতে পারেন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/LPG-CYLINDER-DELIVERY-7.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এছাড়া যেকোনও গ্রাহক 18002333555 নম্বরে ফোন করে অভিযোগ দায়ের করতে পারেন। এক্স হ্যান্ডেল বা ফেসবুকে আপনার অভিযোগ পোস্ট করতে পারেন এবং ভারত সরকারের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের অধীনস্থ MoPNG ই-সেবা-র অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট @MoPNG_eSeva-কে ট্যাগ করতে পারেন।  ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/shefali-jariwala-to-sidharth-shukla-bigg-boss-stars-who-died-too-soon-1345458.html</loc><lastmod>2026-09-10T15:04:05+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/bigg-boss-1.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Bigg Boss ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/sefali-jariwala.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ‘কাঁটা লগা’ খ্যাত অভিনেত্রী শেফালী জরীওয়ালা মাত্র ৪২ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে চলে গিয়েছেন। মুম্বইয়ের ফ্ল্যাটে স্বামী পরাগ ত্যাগীর সঙ্গে থাকার সময়েই হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি, তড়িঘড়ি অন্ধেরির হাসপাতালে নিয়ে গিয়েও তাঁকে আর বাঁচানো যায়নি। ‘বিগ বস ১৩’-র অন্যতম জনপ্রিয় এই তারকার আকস্মিক প্রয়াণ গোটা বিনোদন জগতকে নাড়িয়ে দিয়েছে। Facebook ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/sidharth-shukla.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ‘বিগ বস ১৩’-র ট্রফি জেতা সিদ্ধার্থ শুক্লা ২০২১ সালের ২ সেপ্টেম্বর মাত্র ৪০ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তাঁর এই আকস্মিক বিদায়ে দেশ জুড়ে লক্ষ লক্ষ অনুরাগীর মন ভেঙে গুঁড়িয়ে গিয়েছিল। শেফালী আর সিদ্ধার্থ, একই সিজনের দুই তরতাজা মুখের অকালে চলে যাওয়া দেখে অনেকেই এই শোটিকে ঘিরে ‘অভিশপ্ত’ তকমা দিতে শুরু করেন। x ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/pratyusha-banerjee.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ‘বালিকা বধূ’-র আনন্দী চরিত্রের হাত ধরে ঘরে ঘরে রাজত্ব করা বাঙালি অভিনেত্রী প্রত্যুষা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শেষ পরিণতি এখনও চোখে জল এনে দেয়। ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে মুম্বইয়ের ফ্ল্যাট থেকেই উদ্ধার হয়েছিল মাত্র ২৪ বছর বয়সি প্রত্যুষার ঝুলন্ত দেহ। ‘বিগ বস ৭’-এর ঘরে নজর কাড়া এই মিষ্টি মেয়ের এমন মর্মান্তিক মৃত্যু আজও একাধিক উত্তরহীন রহস্যের জন্ম দেয়। Ani ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/sonali-phogat-bigg-boss.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সোশাল মিডিয়ার চেনা মুখ ও নেত্রী সোনালী ফোগাট মাত্র ৪২ বছর বয়সে ২০২২ সালের অগস্টে গোয়ায় গিয়ে আচমকা মারা যান। ২০২০ সালে ‘বিগ বস ১৪’-র ঘরে পা রেখে প্রচুর চর্চায় আসা এই তারকা গোয়া সফরের সময় তীব্র বুকে ব্যথা অনুভব করেন। হাসপাতালে নিয়ে গেলেও চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন, যা ঘিরে সে সময় কম বিতর্ক ও টানাপোড়েন তৈরি হয়নি। facebook ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/jayashree-ramaiya.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কন্নড় ছবির পরিচিত মুখ জয়শ্রী রামাইয়া ২০২১ সালে মাত্র ৩৪ বছর বয়সে বেঙ্গালুরুর ফ্ল্যাটে  চরম সিদ্ধান্ত নেন। ‘বিগ বস কন্নড়’-এর তৃতীয় সিজনে অংশ নেওয়া এই অভিনেত্রী দীর্ঘদিন ধরে মারাত্মক মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। সোশাল মিডিয়ায় নিজের কষ্টের কথা শেয়ার করার পাশাপাশি পুনর্বাসনকেন্দ্রে গিয়েও নিজেকে শেষ পর্যন্ত এই চরম পদক্ষেপ থেকে আটকাতে পারেননি তিনি। Ani ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/somadas.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মালয়ালম গায়ক সোমাদাস চতন্নুর ২০২১ সালে মাত্র ৪২ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারান। ২০২০ সালে ‘বিগ বস মলয়ালম’-এর দ্বিতীয় সিজনে এলেও তীব্র অসুস্থতার কারণে মাত্র ১৫ দিন পরই তিনি বাড়ি ফিরে গিয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে কোভিডে আক্রান্ত হয়ে সেরে উঠলেও কিডনির মারাত্মক ক্ষতি সামলাতে না পেরে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। Ani ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/swami-om.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ‘বিগ বস ১০’-এর ঘরে ঢুকে নিত্যনতুন বিতর্ক তৈরি করে শিরোনামে থাকা চরিত্র স্বামী ওম ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে ৬৩ বছর বয়সে মারা যান। অন্য প্রতিযোগীদের গায়ে নোংরা জল ছেটানোর মতো আচরণ করে খবরে আসা এই প্রতিযোগী জীবনের শেষদিকে কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন। সেই সংক্রমণ কাটিয়ে উঠলেও শরীর এতটাই ভেঙে পড়েছিল যে আর ধকল সামলাতে পারেননি। Facebook ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/bigg-boss-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ হিন্দি হোক বা আঞ্চলিক ভাষা, ‘বিগ বস’-এর মঞ্চে দাপিয়ে বেড়ানো এই প্রতিভাদের এমন অকালপ্রয়াণ আজও শোয়ের দর্শকদের বুকের ভেতর কাঁটার মতো বিঁধে রয়েছে। কেউ হৃদরোগের শিকার হন, কেউ বা বেছে নেন চরম পথ, আবার কেউ হার মেনেছেন মারণব্যাধির কাছে। ক্যামেরার সামনের ঝলমলে হাসির আড়ালে রয়ে গিয়েছে এক রাশ নিস্তব্ধ হাহাকার আর অপূরণীয় শূন্যতা। Facebook ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/thirsty-even-after-drinking-water-8-hidden-health-warnings-you-must-not-ignore-1345396.html</loc><lastmod>2026-09-10T13:23:21+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/drinking-water.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Drinking Water ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/bottole-water.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ প্রচণ্ড গরমে ঘেমে-নেয়ে বাড়ি ফিরে কিংবা ভারী ব্যায়ামের পর এক গ্লাস ঠান্ডা জল খেলে শরীর জুড়িয়ে যায়। কিন্তু স্বাভাবিক আবহাওয়াতেও পর্যাপ্ত জল খাওয়ার পরেও বারবার গলা শুকিয়ে আসা স্বাভাবিক বিষয় নয়। আমেরিকান অ্যাকাডেমি অফ ফ্যামিলি ফিজিশিয়ান্স থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে, বিজ্ঞানের ভাষায় একে পলিডিপসিয়া বলে, যা শরীরে বড় রোগের লক্ষণ হতে পারে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/glass-water.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শরীর সুস্থ রাখতে শুধুমাত্র সাধারণ জলই যথেষ্ট নয়, রক্তে সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের মতো জরুরি খনিজের ভারসাম্য লাগে। আমেরিকান ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটস অফ হেলথ থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে, এই জরুরি উপাদানগুলোকে একত্রে ইলেকট্রোলাইটস বলা হয়। শরীরে জলের মাত্রা সঠিক রাখা এবং প্রতিটি কোষকে সতেজ রাখতে এরা নিরন্তর পাহারাদারের মতো কাজ করে থাকে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/orange-chair-bottle.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেকেরই একটি বদভ্যাস থাকে, অতিরিক্ত তেষ্টা পাওয়া মাত্রই একবারে ঢকঢক করে অনেকটা জল গিলে ফেলা। হার্ভার্ড হেলথ থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে, খুব অল্প সময়ে অতিরিক্ত জল খেলে রক্তের প্রয়োজনীয় সোডিয়াম তরল হয়ে বিপজ্জনকভাবে পাতলা হয়ে যায়। এর ফলে শরীরের প্রয়োজনীয় খনিজ লবণের ভারসাম্য বিগড়ে গিয়ে কোষগুলো তরল ধরে রাখার স্বাভাবিক ক্ষমতা হারায়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/sun-water.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ রক্তে খনিজের ভারসাম্যহীনতা তৈরি হলে কোষে তরল আর ঠিকমতো ঢুকতে পারে না। যার জেরে শরীরে প্রচুর জল থাকা সত্ত্বেও ভেতর থেকে কোষগুলো শুকনো এবং জলশূন্য হয়ে পড়তে শুরু করে। এই কারণেই বারবার ঢকঢক করে জল খাওয়ার ঠিক পরেই ফের তীব্র তেষ্টা পেয়ে গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে যায়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/red-t-shirt-bottle-water.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশন থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে, ঘন ঘন এমন অস্বাভাবিক গলা শুকিয়ে যাওয়া মধুমেহ বা ডায়াবেটিসের প্রাথমিক সংকেত। রক্তে শর্করার মাত্রা অতিরিক্ত বেড়ে গেলে কিডনি সেই চিনি প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করার জন্য অতিরিক্ত কাজ শুরু করে। ফলে ঘন ঘন বাথরুম যেতে হয়, শরীর দ্রুত জলশূন্য হয়ে পড়ে এবং বারবার তীব্র তৃষ্ণা পায়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/glass-bottle-water.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কিডনি বিকল হতে শুরু করলেও শরীরের বাড়তি তরল বা বর্জ্য নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে শরীর ভেতর থেকে অতিরিক্ত জল হারাতে থাকে এবং রোগী বারবার অস্বাভাবিক তৃষ্ণা অনুভব করতে শুরু করেন। এছাড়া লিভারের জটিল অসুস্থতা শরীরে তৈরি হলেও ভেতর থেকে শুকিয়ে গিয়ে জলের এমন হাহাকার তৈরি হতে পারে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/basin-water.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আমেরিকান ডেন্টাল অ্যাসোসিয়েশন থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে, অতিরিক্ত মানসিক চাপ এবং কিছু কড়া ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণেও মুখের লালা শুকিয়ে যায়। লালাক্ষরণ কমে গেলে জিভ আঠা আঠা হয়ে আসে এবং মনে হয় সারাদিন শুধু ঢকঢক করে জল খাই। এই লক্ষণকে সাধারণ আবহাওয়া বা সামান্য তেষ্টা ভেবে দিনের পর দিন অবহেলা করা একদমই বুদ্ধিমানের কাজ নয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/drinking-water.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ‘হু’ এর তথ্য অনুযায়ী, এমন লক্ষণ টানা দেখা দিলে নিজে ডাক্তারি না করে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত। খালি পেটে সামান্য কিছু রক্ত ও প্রস্রাব পরীক্ষা করালেই আসল কারণটি খুব সহজেই এবং দ্রুত ধরা পড়ে যায়। সময় থাকতে সতর্ক হয়ে সঠিক চিকিৎসা শুরু করলে ভবিষ্যতের বড় ধরনের শারীরিক বিপদ অনায়াসেই এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/lifestyle/paneer-and-almonds-and-fruit-juice-and-ghee-are-these-healthy-foods-actually-harming-you-1345272.html</loc><lastmod>2026-09-09T19:36:56+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/pqwodsdf.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Pqwodsdf ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/001-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পাতে পনির, এক মুঠো আমন্ড, এক গ্লাস ফ্রুট জ্যুস - শুনলেই স্বাস্থ্যকর লাগে? আমরা যেসব খাবারকে স্বাস্থ্যকর বলি, সেগুলোর কিছু কিছু আসলে অজান্তেই আমাদের স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে পারে। এর ফলে স্বাস্থ্য ও শরীরে এনার্জির মাত্রা - দুটোই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/003-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পনির একটি প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার, যা ভেজিটেরিয়ানদের জন্য ভাল। এটি মাসল গঠনে সাহায্য করে ও দীর্ঘক্ষণ পেট ভার রাখে। তবে অতিরিক্ত পনির খেলে ক্যালোরি, স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও ওজন বাড়তে পারে। তাই সবজি বা হোল গ্রেনের সঙ্গে পরিমাণমতো পনির খাওয়া ভাল। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/004-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আমন্ডে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, ফাইবার, ভিটামিন ও নানা পুষ্টি উপাদান আছে। তবে অতিরিক্ত আমন্ড খেলে শরীরে ক্যালোরি বেড়ে যেতে পারে। কিছু মানুষের ক্ষেত্রে বেশি অক্সালেট নেওয়া কিডনিতে পাথরের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাই প্রতিদিন এক মুঠো আমন্ড যথেষ্ট। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/008-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সাধারণত, দইতে প্রোবায়োটিক থাকে, যা হজমশক্তি ও অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। কিন্তু অনেক ফ্লেভারড দইতে অতিরিক্ত চিনি ও অন্যান্য অনেক উপাদান থাকে। তাই চিনি ছাড়া সাধারণ দই বেছে নিন। স্বাদ বাড়াতে তাতে কোনও তাজা ফল খেতে পারেন। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/005-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ভারতীয় রান্নাতে ঘি খুব জনপ্রিয় ও খাবারে স্বাদ বাড়ায়। তবে এতে স্যাচুরেটেড ফ্যাট বেশি থাকায় অতিরিক্ত খেলে কোলেস্টেরল বাড়তে পারে ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই রান্নায় অল্প পরিমাণ ঘি ব্যবহার করুন ও সর্ষের তেলের মতো স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের সঙ্গে ভারসাম্য রাখুন। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/007-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এনার্জি বারকে স্বাস্থ্যকর স্ন্যাক্স হিসেবে প্রচার করা হলেও অনেক বাড়ে অতিরিক্ত চিনি, অস্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও সংরক্ষণকারী উপাদান থাকে। নিয়মিত খেলে অজান্তেই ক্যালোরি বেড়ে যেতে পারে। এর বদলে বাদাম, ফলের বীজ ও তাজা ফলের মতো প্রাকৃতিক খাবার বেছে নেওয়া ভাল। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/006-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ফলের জুসে ভিটামিন থাকলেও প্যাকেটের জুসে অনেক সময় অতিরিক্ত চিনি thake ও ফলের প্রাকৃতিক ফাইবার kome যায়। নিয়মিত বেশি জুস খেলে ওজন ও হজমের সমস্যা বাড়তে পারে। তাই ফলের জুসের থেকে গোটা ফল খাওয়া ভাল। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/002-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তবে এর মধ্যে যেগুলো আপনার পছন্দের, সেগুলো সব বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কোন খাবার কতটা পরিমাণে খাওয়া উচিত ও কিভাবে আরও স্বাস্থ্যকর বিকল্প বেছে নেওয়া যায়, তা জানা থাকলেই খাবারের স্বাদ ও পুষ্টির মধ্যে ভারসাম্য রাখা সম্ভব। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/8-easy-home-hacks-to-remove-ink-stains-from-clothes-instantly-1345189.html</loc><lastmod>2026-09-09T15:14:44+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/black-ink.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Black Ink ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/black-ink.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বাচ্চার স্কুলের ইউনিফর্ম হোক বা অফিসের প্রিয় শার্ট, অসাবধানতায় কলমের কালি লেগে নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঘটনা প্রায়ই ঘটে। তবে কালির দাগ লাগলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া সবচেয়ে জরুরি, কারণ বেশি দেরি করলে দাগ কাপড়ের সুতোয় পাকাপাকি বসে যায়। আরও মনে রাখবেন, দাগ লাগা অংশে ভুলেও জোড়ে ঘষবেন না, এতে দাগ আরও বেশি ছড়িয়ে জামার রং চটে যেতে পারে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/sky-ink.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ দাঁত মাজার সাদা পেস্ট দিয়ে কালির জেদি দাগ খুব সহজেই হালকা করে তুলে ফেলা সম্ভব। দাগ লাগা জায়গায় সামান্য সাদা টুথপেস্ট লাগিয়ে কিছুক্ষণ শুকাতে দিন, তবে ভুলেও রঙিন বা জেল পেস্ট ব্যবহার করবেন না। পেস্টটি ভালোভাবে শুকিয়ে গেলে পরিষ্কার জল ও সাধারণ সাবান দিয়ে হালকা ঘষে ধুয়ে ফেললেই কেল্লাফতে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/full-shirt.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বাড়িতে রাবিং অ্যালকোহল বা স্পিরিট থাকলে তা কালির দাগ দূর করার সবচেয়ে মোক্ষম দাওয়াই হতে পারে। একটি তুলোর বলে সামান্য অ্যালকোহল ভিজিয়ে নিয়ে দাগ লাগা জায়গার ওপর আলতো করে চেপে চেপে রাখুন। মিনিট পাঁচেক এভাবে রেখে দিলে কালির গাঢ় রঙ হালকা হতে শুরু করবে এবং ধুয়ে নিলে দাগ মিলিয়ে যাবে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/many-ink.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ রান্নাঘরের সাধারণ গরুর দুধও কাপড়ের কালির ছোপ দূর করতে দারুণ ও আশ্চর্যজনক কাজ দেয়। একটি পাত্রে কিছুটা কাঁচা বা ফোটানো দুধ নিয়ে জামার দাগ লাগা অংশটি সারারাত ভিজিয়ে রেখে দিন। পরদিন সকালে সাধারণ ডিটারজেন্ট দিয়ে কাপড়টি কেচে নিলেই দেখবেন জেদি নীল বা কালো দাগ পুরোপুরি উধাও হয়ে গিয়েছে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/pen-problem.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ লেবুর রস ও খাবার নুনের মিশ্রণ প্রাকৃতিক ব্লিচিং উপাদান হিসেবে খুব ভালো কাজ করে থাকে। এক চা চামচ পাতিলেবুর রসের সঙ্গে সামান্য নুন মিশিয়ে একটি পুরনো নরম টুথব্রাশ দিয়ে দাগের ওপর হালকা করে ঘষুন। মিনিট দুয়েক ঘষার পর স্বাভাবিক জল দিয়ে ধুয়ে ফেললেই কালির দাগ পরিষ্কার হয়ে কাপড় ঝকঝক করবে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/pcket-stamp.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বেকিং সোডার শক্তিশালী ক্লিনিং গুণ কাপড়ের ভেতরের আঁশ থেকে কালির কণা টেনে বের করতে পারে। সামান্য জলের সঙ্গে বেকিং সোডা গুলে ঘন লেই বা পেস্ট তৈরি করে দাগের ওপর মেখে রাখুন। এবার একটি ভেজা তুলো বা নরম কাপড় দিয়ে আলতো ঘষে জামাটি ধুয়ে নিলেই কঠিন দাগ উঠে যাবে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/tigh-pocket.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ টমেটো কেটে তার ওপর সামান্য নুন ছড়িয়ে কালির দাগের ওপর ব্যবহার করলেও খুব ভালো ফলাফল পাওয়া যায়। টমেটোর টুকরোটি দাগ লাগা জায়গায় বৃত্তাকারে আলতো করে কিছুক্ষণ ঘষতে থাকুন। টমেটোর প্রাকৃতিক অ্যাসিড কালির রঙকে ভেঙে ফেলে, যার পর সাবানজলে ধুয়ে নিলেই পোশাক একদম পরিষ্কার হয়ে যায়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/pocket-stamp.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বাড়িতে থাকা অ্যান্টিসেপ্টিক লিকুইড যেমন ডেটলও কালির দাগ দ্রুত হালকা করতে অসাধারণ ভূমিকা পালন করে। একটি তুলোর টুকরোয় সামান্য ডেটল নিয়ে দাগের জায়গায় কিছুক্ষণ চেপে ধরে রাখুন এবং আলতো ঘষুন। এরপর সাধারণ সাবান বা গুঁড়ো সাবান দিয়ে জামাটি ভালো করে ধুয়ে কড়া রোদে শুকিয়ে নিলেই জামা নতুনের মতো দেখাবে। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/kolkata-list-of-8-renowned-restaurants-and-shop-whose-license-cancelled-1345071.html</loc><lastmod>2026-09-08T22:05:10+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Large-image-restaurant-license-cancelled-main.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ kolkata list of 8 renowned restaurants and shop whose license cancelled ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Large-image-restaurant-license-cancelled-main-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অপরিচ্ছন্নতা, খাবারে রাসায়নিক মেশানো, মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার পরিবেশন করার অভিযোগে কলকাতার ৪০ রেস্তোরাঁ ও দোকানের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। একে একে ঝাঁপ বন্ধ করা হচ্ছে দোকানগুলির। তবে ওই সংশ্লিষ্ট দোকানগুলি নতুন করে ফুড লাইসেন্সের আবেদন করতে পারবেন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/WhatsApp-Image-2026-09-08-at-9.35.32-PM.jpeg</image:loc><image:caption><![CDATA[ গোল্ডেন গেট, যাদবপুর। এই দোকান থেকে উদ্ধার হয়েছে ২৫ কেজি তৈরি করা খাবার, ফ্রিজে রাখা কাঁচা মাংস, মেয়াদ উত্তীর্ণ খাবার। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/WhatsApp-Image-2026-09-08-at-9.34.59-PM.jpeg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ডেনজং কিচেন, ২১, ডায়মন্ড হারবার রোড। উদ্ধার হয়েছে মেয়াদ উত্তীর্ণ দই, জমিয়ে রাখা চিকেন পকোড়া, মোমো। অপরিচ্ছন্নভাবে রাখা সবজি। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/WhatsApp-Image-2026-09-08-at-9.34.15-PM.jpeg</image:loc><image:caption><![CDATA[ করিমস, ৫৫ বি মির্জা গালিব স্ট্রিট। মূলত অপরিচ্ছন্নতার অভিযোগে এই রেস্তোরাঁর লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। তবে কোনও স্পষ্ট কারণ উল্লেখ করা হয়নি। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/WhatsApp-Image-2026-09-08-at-9.33.01-PM.jpeg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মেরাকি বেকারি অ্যান্ড কনফেকশনারি। বেনিয়াপুকুর, কলকাতা। বেকারিতে গিয়ে দেখা গিয়েছে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ। ঘোরাফেরা করছিল বিড়াল, আরশোলা। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/WhatsApp-Image-2026-09-08-at-9.32.37-PM.jpeg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কারি পাত্তা, ৭৯ হেমন্ত মুখোপাধ্যায় সরণি। আধিকারিকরা খতিয়ে দেখে লাইসেন্স বাতিল করার কথা বলেছেন। তবে কোনও কারণ উল্লেখ করা হয়নি। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/WhatsApp-Image-2026-09-08-at-9.31.02-PM.jpeg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ডন জিওভানি, ৫৭এ, পার্ক স্ট্রিট। অপরিচ্ছন্নতার অভিযোগে লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/WhatsApp-Image-2026-09-08-at-9.40.06-PM.jpeg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বলরাম মল্লিক ও রাধারমন মল্লিক, টলিগঞ্জ। মিষ্টির এই দোকানে গিয়ে দেখা গিয়েছে, তৈরি করা খাবার ফ্রিজে রাখা, কোনও খাবারে ঢাকা দেওয়া নেই। রান্নাঘরের বাইকে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে আলুর তরকারি রান্না হচ্ছে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/WhatsApp-Image-2026-09-08-at-10.01.38-PM.jpeg</image:loc><image:caption><![CDATA[ গিরিশ চন্দ্র দে অ্যান্ড কো, ভবানীপুর। অপরিচ্ছন্নতার অভিযোগে এই মিষ্টির দোকানের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/what-is-the-psychological-reason-to-east-food-in-a-hurry-1345024.html</loc><lastmod>2026-09-08T17:35:26+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/09.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ 09 ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/08-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেকে আছেন, যাঁরা খুব জলদি জলদি খাবার খান। ধরা যাক, বন্ধুদের গ্ৰুপে বাকিরা খাবার শেষ হওয়ার আগেই কেউ কেউ থাকেন, যাঁরা নিজেদের খাবার শেষ করে ফেলেন। এঁরা খেতে খেতে বিশেষ ব্রেক নেওয়া পছন্দ করেন না। তবে অনেকের ক্ষেত্রে, দ্রুত খাওয়ার কারণ হতে পারে, ব্যস্ত জীবন যাপন  বা ছোটবেলা থেকে জলদি জলদি খাবার স্বভাব। অবশ্য কত দ্রুত কেউ খাচ্ছেন, সেটি দেখে যদিও ব্যক্তিত্ব বিচার করা উচিত নয়। (Pic Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/07-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেকে বলেন, যাঁরা দ্রুত খান, তাঁদের মধ্যে অনেকেই অপেক্ষা করতে খুব একটা পছন্দ করেন না। লম্বা লাইনে দাঁড়ানো, স্লো মিটিং করা এঁদের পছন্দ নয়। জীবনের যেকোনও কাজ এঁরা দ্রুত গতিতে করতে পছন্দ করেন। সবসময় সময়ের অভাব অনুভব করলে সেই তাড়াহুড়ো অন্য সময়েও আসতে পারে। (Pic Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/06-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ দ্রুত খাওয়া মানুষের মধ্যে অনেকেই খেতে খেতে অন্য কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। কেউ খেতে খেতে ফোন দেখেন, কেউ অফিসের কাজ করতে থাকেন। অর্থাৎ, খাবারের প্রতি সম্পূর্ণ মনোযোগ থাকে না। এই আচরণকে মনে করা হয় কাজকেন্দ্রিক। (Pic Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/05-3.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ খাবার খাওয়ার পর পেট ভরে যাওয়ার সংকেত মস্তিষ্কে পৌঁছতে কিছুটা সময় লাগে। কিন্তু দ্রুত খেলে সেই সংকেত পৌঁছনোর আগেই অনেক বেশি খাওয়া হয়ে যেতে পারে। ফলে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি খাবার একটা সম্ভাবনা থাকে। (Pic Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/04-3.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ব্যস্ত জীবনযাপনের কারণে দ্রুত খাবার অভ্যেস তৈরি হতে পারে। যেমন , অফিসে যদি ২০ মিনিটের বিরতি থাকে, তাহলে তাড়াহুড়ো থাকাই স্বাভাবিক। কিন্তু, দীর্ঘদিন এমন চলতে থাকলে সেই অভ্যাস স্বাভাবিক হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। (Pic Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/03-3.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেক ডাক্তারই সচেতনভাবে খাবার খেতে বলেন। অর্থাৎ খাবারটি মন দিয়ে খাওয়া ও উপভোগ করা। ধীরে খেলে, শরীরের তৃপ্তি অনুভব করা যায়। এর পাশাপাশি খাবার ভালভাবে খাওয়া হলে ভাল ভাবে হজম হয়। (Pic Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/02-3.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ খাওয়ার গতি অনেক কিছুর ওপর নির্ভর করে। ছোটবেলার অভ্যাস, পরিবারের খাবারের রুটিন, কাজের চাপ , সংস্কৃতি, মানসিক চাপ ও দৈনন্দিন জীবনযাপন - সবকিছুই এর কারণ হতে পারে। তাই কেউ দ্রুত খাচ্ছেন দেখেই তাঁকে অধৈর্য মানুষ বলে ধরে নেওয়া ঠিক নয়। (Pic Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/01-4.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তাই খাবার কেউ দ্রুত খেলেই যে কোনও সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া উচিত নয়। মাঝে মাঝে ধীরে খাওয়া, খাবারের স্বাদ উপভোগ করা উচিত। এর ফলে পেটের সঙ্গে মনের সংযোগও তৈরি হয় বলে দাবি করা হয়। (Pic Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/lifestyle/waking-up-to-loud-smartphone-alarms-research-on-sleep-inertia-and-heart-health-risks-1344969.html</loc><lastmod>2026-09-08T14:44:56+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/alarm-sleep.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Alarm Sleep ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/dawn-phone.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ স্মার্টফোনের অ্যালার্মের (Smartphone Alarm) কর্কশ শব্দে ঘুম ভাঙা অনেকেরই রোজকার অভ্যাস। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, ঘুম ভাঙার এই হঠাৎ ধাক্কা শরীরের স্বাভাবিক ছন্দকে নষ্ট করে দেয়। এর ফলে চোখ খোলার সঙ্গে সঙ্গেই হৃৎপিণ্ডের ওপর অতিরিক্ত কাজের চাপ পড়তে শুরু করে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/many-alarm.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ গভীর ঘুম থেকে ওঠার পর মস্তিষ্কের পুরোপুরি সজাগ হতে বেশ কিছুটা সময় লাগে, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে ‘স্লিপ ইনার্শিয়া’ বলে। অস্ট্রেলিয়ার আরএমআইটি (RMIT) বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের মতে, হঠাৎ তীব্র কর্কশ অ্যালার্ম বাজলে মানুষের শরীর সরাসরি আতঙ্কের মধ্যে পড়ে যায় এবং সতর্ক হয়ে ওঠে। এতে মস্তিষ্কে এক ধরনের আকস্মিক ধাক্কা তৈরি হয়, যা স্নায়ুকে অত্যন্ত উত্তেজিত করে তোলে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/blue-alarm.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ হঠাৎ ঘুম ভাঙার এই পরিস্থিতিতে শরীরে কর্টিসল এবং অ্যাড্রেনালিনের মতো স্ট্রেস হরমোনের ক্ষরণ দ্রুত বাড়তে থাকে। এই হরমোনগুলোর প্রভাবে মুহূর্তের মধ্যে রক্তচাপ বেড়ে যায় এবং শরীরের রক্তনালিগুলো সরু হয়ে আসে। ফলে হৃৎপিণ্ডকে খুব অল্প সময়ের মধ্যে অত্যন্ত দ্রুত গতিতে পাম্প করতে হয়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/dawn.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুযায়ী, সকালের দিকে মানবদেহে স্বাভাবিকভাবেই রক্তচাপ এবং হৃদস্পন্দন কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী থাকে, যাকে ‘মর্নিং সার্জ’ বলা হয়। কার্ডিওলজিস্টদের মতে, ঠিক এই শারীরিক পরিবর্তনের কারণেই সকাল ৬টা থেকে ১০টার মধ্যে হার্ট অ্যাটাক ও ব্রেন স্ট্রোকের ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটে। এই সংবেদনশীল সময়ে অ্যালার্মের কর্কশ আওয়াজ শরীরের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেয়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/with-cat.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অ্যালার্ম বন্ধ করার সঙ্গে সঙ্গেই ঘুমচোখে মোবাইল স্ক্রিনে চোখ রাখলে পরিস্থিতি আরও মারাত্মক আকার ধারণ করে। সকাল সকাল সোশাল মিডিয়ার উদ্বেগজনক খবর কিংবা অফিসের কাজের ইমেল দেখলে শরীর সরাসরি ‘ফাইট অর ফ্লাইট’ মোডে চলে যায়। দীর্ঘ দিন ধরে এমন অভ্যাস চলতে থাকলে রক্তচাপের সমস্যা চিরস্থায়ী রূপ নিতে পারে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/sleepy-eye.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কর্কশ বা তীব্র বিপ্-বিপ্ আওয়াজের অ্যালার্ম হৃদযন্ত্রের ওপর যতটা মানসিক আঘাত ফেলে, সুরেলা শব্দ ততটা করে না। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, বাঁশি, পিয়ানো বা ধীর লয়ের কোনও সুর অ্যালার্ম হিসেবে বাছলে ঘুম ভাঙে অনেক শান্তভাবে। এতে স্লিপ ইনার্শিয়ার ধাক্কা কমে এবং শরীর স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার উপযুক্ত সময় পায়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/off-alarm.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ হার্ট সুস্থ রাখতে ঘুম থেকে ওঠার অন্তত আধ ঘণ্টা পর্যন্ত মোবাইল ফোন একদম স্পর্শ করবেন না। ঘুম ভাঙার পর বিছানা ছেড়ে উঠে কয়েক মিনিট খোলা বাতাসে স্বাভাবিক আলোয় শান্তভাবে বসুন। সকালে উঠে আগে এক গ্লাস জল খেয়ে শরীরকে আর্দ্র করুন এবং নিজেকে ধীরে ধীরে দিনের কাজের জন্য প্রস্তুত হতে দিন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/happy-mobile.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সবচেয়ে নিরাপদ সমাধান হল শোওয়ার ঘরে মোবাইলের বদলে কাঁটা দেওয়া সাধারণ টেবিল ঘড়ি ব্যবহার করা। এছাড়া অ্যালার্ম এমন মৃদু সুরে সেট করুন যা আচমকা বুক ধড়ফড় না করিয়ে আলতো করে আপনাকে ঘুম থেকে জাগিয়ে তুলবে। সুস্থ থাকতে ঘুম ভাঙার সময়ে শরীরকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও সময় দেওয়া ভীষণ জরুরি। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/how-to-detect-detergent-in-milk-easy-fssai-home-test-guide-1344923.html</loc><lastmod>2026-09-08T12:25:56+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/glass-jar-milk.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Glass Jar Milk ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/flower-with-milk.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সকালের এক কাপ চা কিংবা শিশুর পুষ্টির গ্লাস, রোজকার ডায়েটে দুধ ছাড়া আমাদের চলেই না। তবে পাতলা ভাব ঢাকতে কিংবা ঘন দেখাতে দুধে মারাত্মক ডিটারজেন্ট মেশানোর মতো বিপজ্জনক ভেজাল ক্রমশ বাড়ছে। অজান্তেই বিষাক্ত রাসায়নিক পেটে ঢুকে শরীরের বড় ক্ষতি করছে কি না, তা নিয়ে অনেকেই চিন্তিত থাকেন। Free Pik ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/milk-fall.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এই বিপদ থেকে সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে সহজ সমাধান সামনে এনেছে ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অব ইন্ডিয়া (FSSAI)। কোনও জটিল ল্যাব টেস্ট নয়, ঘরে বসেই মাত্র কয়েক সেকেন্ডে খাঁটি দুধ চেনার এক বৈজ্ঞানিক উপায় দেখিয়েছে এই খাদ্য সুরক্ষা সংস্থা। রান্নাঘরে থাকা সামান্য কিছু জিনিস দিয়েই এই পরীক্ষা নিখুঁতভাবে করা সম্ভব। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/green-land-milk.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পরীক্ষাটি করতে প্রথমে একটি পরিষ্কার ও স্বচ্ছ কাচের গ্লাসে বা টেস্ট টিউবে মাত্র ৫ থেকে ১০ মিলিলিটার দুধের নমুনা নিন। এরপর গ্লাসের মুখ হাত দিয়ে ভালো করে চেপে ধরে দুধের নমুনাটি বেশ জোরে ঝাঁকাতে থাকুন। ঝাঁকানোর ঠিক পর মুহূর্তেই তরলের উপরিভাগে কী ঘটছে, তা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে লক্ষ্য করুন। Free Pik ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/glass-jar-milk.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ দুধটি ঝাঁকানোর পর যদি দেখেন খুব দ্রুত ফেনা মিলিয়ে যাচ্ছে বা একেবারেই কোনও বুদ্বুদ জমছে না, তবে বুঝবেন দুধটি সম্পূর্ণ খাঁটি। খাঁটি দুধের স্বাভাবিক ঘনত্বের কারণে ঝাঁকালে ভেতরে যাওয়া বাতাসের পকেট স্থায়ী হতে পারে না। ফলে ওপরের ফেনা মুহূর্তের মধ্যে মিলিয়ে গিয়ে স্বাভাবিক রূপ ফিরে পায়। Free Pik ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/test-tube-test.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অন্যদিকে ঝাঁকানোর পর যদি তরলের ওপর ঘন ও দীর্ঘস্থায়ী ফেনা বা বুদ্বুদের স্তর জমে থাকে, তবে বুঝতে হবে এতে ডিটারজেন্ট রয়েছে। ডিটারজেন্ট বা সাবানের রাসায়নিক দুধের সারফেস টেনশন নাটকীয়ভাবে কমিয়ে দেয়। এর ফলে বাতাস তরলের ভেতর আটকে যায় এবং সাবানের মতো ঘন ফেনা দীর্ঘ সময় নষ্ট না হয়ে টিকে থাকে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/ph-test.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ডিটারজেন্ট মেশানো দুধ নিয়মিত শরীরে গেলে পেটের মারাত্মক সংক্রমণ, লিভার ও কিডনির বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে। রাসায়নিকের উপস্থিতি দুধের স্বাভাবিক প্রোটিন নষ্ট করে দেয় এবং শরীরে বিষক্রিয়া তৈরি করে। তাই বাজার থেকে দুধ কেনার পর সামান্যতম সন্দেহ হলেও সঙ্গে সঙ্গে এই সহজ পরীক্ষাটি করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/jar-test.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ভেজাল এড়াতে খোলা দুধের বদলে সবসময় নামী ও বিশ্বাসযোগ্য ব্র্যান্ডের সিলপ্যাক প্যাকেট কেনাই সবচেয়ে নিরাপদ পদক্ষেপ। প্যাকেট কেনার আগে অবশ্যই সবুজ রঙের FSSAI লোগো এবং বৈধ ১৪ অঙ্কের লাইসেন্স নম্বর যাচাই করে নিন। প্যাকেটের গায়ে উৎপাদন তারিখ, মেয়াদের সময় ও উপাদানের তালিকা স্পষ্ট লেখা আছে কি না দেখে তবেই কিনুন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/lab-test-milk.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ দুধের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সাধারণ প্লাস্টিক প্যাকেটের চেয়ে টেট্রা প্যাক কার্টনকে অগ্রাধিকার দেওয়া অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। প্লাস্টিকের পাউচ বাইরে চলাচলের সময় অতিরিক্ত গরমে সহজেই নষ্ট হয় এবং জীবাণুর সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। বায়ুরোধী টেট্রা প্যাক দুধের প্রাকৃতিক গুণ বজায় রেখে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত রাসায়নিক বিক্রিয়া ও পচন আটকে রাখে। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/india/how-to-get-a-credit-card-without-income-proof-key-options-explained-1344827.html</loc><lastmod>2026-09-07T19:19:22+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/08-1.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ 08 ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/08.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ১) কেনাকাটা বা ভ্রমণের জন্য দৈনন্দিন প্রয়োজনে ক্রেডিট কার্ড অত্যন্ত জরুরি। তবে নিয়মিত আয়ের প্রমাণপত্র না থাকায় শিক্ষার্থী, গৃহবধূ ও নতুন আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে সাধারণ ক্রেডিট কার্ড পাওয়া খুব কঠিন হয়ে পড়ে। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/07.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ঋণ পরিশোধের ক্ষমতা যাচাই, আর্থিক ঝুঁকি কমানো এবং ক্রেডিট লিমিট নির্ধারণ করতে ব্যাঙ্ক সাধারণত বেতন স্লিপ ও আয়কর রিটার্নের মতো গুরুত্বপূর্ণ নথি চায়। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/06.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ যাঁদের আয়ের প্রমাণ নেই, তাঁদের জন্য সিকিওর্ড ক্রেডিট কার্ড সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বিকল্প। এই কার্ড সাধারণত ব্যাঙ্কে থাকা ফিক্সড ডিপোজিটের বিপরীতে জামানত হিসেবে ইস্যু করা হয়। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/05-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ব্যাঙ্কগুলো সাধারণত ফিক্সড ডিপোজিটের ৭০-৯০% অবধি ক্রেডিট লিমিট দেয়। আমানত জামানত হিসেবে ঝুঁকি কম থাকে ও খুব সহজেই পারমিশন পাওয়া যায়। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/04-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কোনও নির্দিষ্ট ব্যাঙ্কে দীর্ঘদিন ধরে ভাল লেনদেন ও সঞ্চয় থাকলে, সুসম্পর্কের ভিত্তিতে কার্ড পাওয়ার একটা সুযোগ থাকে। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/03-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আয়ের প্রমাণ না থাকলে পরিবারের উপার্জনকারী সদস্যের কার্ডের অধীনে Add On Credit কার্ড নেওয়া যায়। এই ক্ষেত্রে মূলত কার্ড যাঁর নামে, তিনিই বিল পরিশোধের পূর্ণ দায়িত্ব বহন করেন। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/02-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তবে শুধু আবেদন করলেই ক্রেডিট কার্ড পাওয়া যাবে, এমন কোনও বিষয় নেই। আবেদনকারীর ক্রেডিট হিস্ট্রি, বয়স ও ঝুঁকি যাচাই করেই ব্যাঙ্কগুলো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/01-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সিকিওর্ড কার্ড বা Add On কার্ডের মতো বিকল্পগুলোর মাধ্যমে সহজে আর্থিক সুবিধা পাওয়া যায়। পাশাপাশি সময় মতো বিল পরিশোধ করলে ভাল ক্রেডিট স্কোর গড়ে তোলা যায়। (Credit - Getty Images) ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/adulterated-sauce-alert-easy-step-by-step-homemade-tomato-sauce-recipe-1344733.html</loc><lastmod>2026-09-07T14:28:49+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/garlic-sause.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Garlic Sause ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/pumpkin-sause.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সম্প্রতি পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার পানুহাটে একটি সস তৈরির কারখানায় হানা দেন খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকরা। সেখানে লাল টমেটোর বদলে পচা কুমড়ো ও বিপুল পরিমাণ ক্ষতিকর আজিনোমোটো মিশিয়ে সস তৈরির পর্দাফাঁস হয়। বাজারের এই ধরনের রাসায়নিক ও ভেজাল মিশ্রিত সস শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। Tv9 Bangla ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/garlic-sause.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বাইরের ভেজাল এড়িয়ে সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যকর উপায়ে এবার নিজেই ঘরে তৈরি করে নিতে পারেন খাঁটি টমেটো সস। এই সহজ রেসিপির জন্য প্রয়োজন হবে ২ কেজি টাটকা লাল টমেটো এবং ২টি মাঝারি মাপের পেঁয়াজ কুচি। সঙ্গে স্বাদমতো নুন, চিনি, ১ টুকরো দারচিনি, রসুন বাটা, ভিনিগার এবং ২ টেবিল চামচ গোলমরিচ গুঁড়ো হাতের কাছে রাখুন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/ingredients.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ প্রথমেই বাজার থেকে আনা লাল পাকা টমেটো ভালো করে জলে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন। এরপর টমেটো ছুরির সাহায্যে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে একটি পাত্রে রাখতে হবে। রান্নার শুরুতে টমেটোর বোঁটা ও দাগযুক্ত অংশ সম্পূর্ণ বাদ দিয়ে দেওয়াই ভালো। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/searving-sause.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ একটি পাত্রে টমেটোর টুকরোগুলির সঙ্গে পেঁয়াজ কুচি, রসুন বাটা এবং দারচিনি একসঙ্গে মিশিয়ে মাঝারি আঁচে বসিয়ে দিন। কোনও বাড়তি জল না দিয়ে মাঝারি আঁচে সমস্ত উপকরণ নরম না হওয়া পর্যন্ত ভালো করে সেদ্ধ করতে হবে। টমেটো ও পেঁয়াজ সম্পূর্ণ সেদ্ধ হয়ে নরম হয়ে গেলে গ্যাসের আঁচ বন্ধ করে মিশ্রণটি নামিয়ে ঠান্ডা হতে দিন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/spicy-sause.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মিশ্রণটি পুরোপুরি ঠান্ডা হয়ে এলে ব্লেন্ডারে দিয়ে মসৃণ একটি পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। এরপর একটি ছাঁকনি দিয়ে ভালো করে ছেঁকে টমেটোর বীজ ও খোসার অংশ পুরোপুরি আলাদা করে ফেলে দিন। এর ফলে সসের ঘনত্ব একদম বাজারের কেনা পণ্যের মতোই মসৃণ ও মোলায়েম হবে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/kechup-pour.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এবার ছাঁকা টমেটোর পেস্টটি একটি পরিষ্কার কড়াইয়ে ঢেলে হালকা আঁচে ফোটাতে শুরু করুন। মিশ্রণ ফুটতে শুরু করলে তার মধ্যে স্বাদমতো নুন, চিনি, গোলমরিচ গুঁড়ো এবং ভিনিগার দিয়ে দিন। ভিনিগার দিলে সসের স্বাদ যেমন ঠিক থাকে, তেমনই প্রিজারভেটিভ হিসেবে এটি সসকে দীর্ঘদিন ভালো রাখতে সাহায্য করে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/sause-in-jar.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সমস্ত মশলা দেওয়ার পর মিশ্রণটি মাঝারি আঁচে ক্রমাগত নাড়াচাড়া করতে থাকতে হবে যাতে নিচে লেগে না যায়। ফুটতে ফুটতে মিশ্রণটি ঘন ও জেলির মতো আঠালো হয়ে এলে বুঝতে হবে সস পুরোপুরি তৈরি হয়ে গিয়েছে। সস তৈরি কি না বুঝতে একটি প্লেটে কয়েক ফোঁটা ফেলে দেখতে পারেন, যদি জল আলাদা না হয়ে গড়িয়ে যায় তবেই এটি তৈরি। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/ottle-sause.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তৈরি হয়ে যাওয়া টমেটো সস সম্পূর্ণ ঠান্ডা করে একটি পরিষ্কার ও শুকনো কাচের বোতলে ভরে রাখুন। এই বোতল ফ্রিজে রেখে দিলে কোনও ক্ষতিকর রাসায়নিক বা কৃত্রিম রং ছাড়াই বহুদিন পর্যন্ত ভালো থাকবে। সান্ধ্যকালীন মুখরোচক জলখাবারের সঙ্গে নিশ্চিন্তে পরিবেশন করুন স্বাস্থ্যকর ও সুস্বাদু এই ঘরোয়া সস। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/forgot-where-you-parked-your-car-learn-this-easy-trick-to-find-car-with-google-map-1344704.html</loc><lastmod>2026-09-07T14:00:09+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Car-Parking-8.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Car Parking 8 ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Car-Parking-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ নতুন কোনও জায়গায় গেলে বা বড় শপিং মল কিংবা ভিড় বাজারে গেলে একটা সমস্যায় পড়েন অনেকেই। গাড়ি পার্ক করার পর প্রায়শই ভুলে যান যে কোন লেন বা পিলারের কাছে গাড়িটা পার্ক করেছেন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Car-Parking-13.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ঘুরে এসে নিজের গাড়ি খুঁজতে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লেগে যায়। এটা শুধু ক্লান্তিকরই নয়, চিন্তাও বাড়িয়ে তোলে। তবে অনেকেই জানেন না যে পকেটে থাকা স্মার্টফোন দিয়েই সহজে খুঁজে নেওয়া যায়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Car-Parking-7.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ফোনে থাকা গুগল ম্যাপস পার্কিংয়ের জায়গা ভুলে যাওয়ার সমস্যাটি সহজেই সমাধান করতে পারে। গুগল ম্যাপসে রয়েছে &#039;সেভ ইওর পার্কিং&#039; (Save Your Parking) ফিচার। এই স্মার্ট টুল পার্ক করা গাড়ির অবস্থান নির্ভুলভাবে চিহ্নিত করে রাখে, ফলে আপনি পথ হারাবেন না। দেখে নিন, কীভাবে এই ফিচারটি ব্যবহার করে আপনার পার্ক করা গাড়িটি খুঁজে পেতে পারেন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Car-Parking-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ প্রথমে আপনার স্মার্টফোনে গুগল ম্যাপস অ্যাপটি খুলুন। যদি আপনার ফোনের লোকেশন (GPS) বন্ধ থাকে, তবে তা চালু করুন। এরপর, স্ক্রিনে যে নীল বিন্দুটি দেখা যাবে, সেটিতে ট্যাপ করুন, যা আপনার বর্তমান অবস্থান নির্দেশ করে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Car-Parking-9.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ট্যাপ করলে স্ক্রিনের নিচে একটি মেনু খুলবে; সেখান থেকে &#039;সেভ পার্কিং&#039; (Save Parking) অপশনটি বেছে নিন। এটি করলে ম্যাপে একটি &#039;P&#039; (পার্কিং) আইকন দেখা যাবে। আরও বিস্তারিতভাবে দেখতে আপনি এই পিনটিতে ক্লিক করতে পারেন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Car-Parking-12.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এখানে আপনি পিলারের নম্বর বা পার্কিং ফ্লোরের মতো বিবরণ লিখে রাখতে এবং পার্কিংয়ের সময়সীমা নির্ধারণ করতে পারেন। আপনি আপনার গাড়ির একটি ছবিও আপলোড করতে পারেন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Car-Parking-11.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আইফোন ব্যবহারকারীরা গুগল ম্যাপস খুলুন এবং জিপিএস চালু করুন। নিজের বর্তমান অবস্থান নির্দেশ করে যে নীল বিন্দুটি, তাতে ট্যাপ করুন। পপ-আপ মেনু থেকে সেভড পার্কিং নির্বাচন করুন। সঙ্গে সঙ্গে পার্কিং লোকেশন সংরক্ষিত হয়ে যাবে। আপনি এতে নোট বা পার্কিংয়ের সময়ও যোগ করতে পারেন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Car-Parking-3.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ যখন আপনি কাজ সেরে আপনার গাড়িতে ফিরতে চাইবেন, তখন গুগল ম্যাপস অ্যাপটি খুলুন। আপনি স্ক্রিনের নীচে বা সার্চ বারে  সেভড পার্কিং অপশন দেখতে পাবেন। এটিতে ট্যাপ করুন এবং ডিরেকশন বা স্টার্ট নির্বাচন করুন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Car-Parking-5.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এরপর গুগল ম্যাপস আপনাকে হাঁটার পথ দেখিয়ে সরাসরি আপনার গাড়িতে নিয়ে যাবে। আপনার গাড়িতে পৌঁছানোর পর, আপনি ক্লিয়ার এ ট্যাপ করে পার্কিং পিনটি সরিয়ে ফেলতে পারেন। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/can-you-wear-someone-elses-glasses-if-the-power-matches-eye-health-risks-1344653.html</loc><lastmod>2026-09-07T12:02:06+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/glass.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Glass ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/cute-glass.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সকালে অফিসের তাড়াহুড়োয় চশমা ফেলে বেরিয়ে পড়ার অভিজ্ঞতা অনেকেরই থাকে। ঠিক তখনই টেবিলে বন্ধুর চশমার পাওয়ার মিলে যেতেই অনেকে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে দিনভর সেটি পরে কাটিয়ে দেন। তবে পাওয়ার মিলে গেলেও অন্যের চশমা ধার করে পরলে চোখের জন্য অস্বস্তি তৈরি হতে পারে, তা অনেকেই আন্দাজ করেন না। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/glass.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ চশমা তৈরির সময় কেবল চোখের পাওয়ার নয়, পিউপিলারি ডিসট্যান্স বা দুই চোখের মণির মধ্যকার দূরত্বও গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি মানুষের মুখের গড়ন ও চোখের অবস্থান অনুযায়ী লেন্সের অপটিক্যাল সেন্টার আলাদা জায়গায় বসানো হয়। ফলে বন্ধুর চশমা চোখে দিলে তার কাচের অপটিক্যাল সেন্টার নিজের চোখের মণির সঙ্গে পুরোপুরি নাও মিলতে পারে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/glass-share.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অপটিক্যাল সেন্টার ও চোখের মণির অবস্থানের মধ্যে গড়মিল থাকলে লেন্সে অনাকাঙ্ক্ষিত প্রিজম্যাটিক এফেক্ট তৈরি হতে পারে। PubMed-এ প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, অপটিক্যাল সেন্টার সঠিকভাবে না মিললে কিছু মানুষের চোখে ক্লান্তি ও দৃষ্টিজনিত অস্বস্তি দেখা দিতে পারে। এর ফলে মাথাব্যথা, চোখে চাপ, ঝাপসা দেখা বা কখনও ডাবল ভিশনের মতো সমস্যাও হতে পারে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/eye-check.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ চোখের স্ফেরিক্যাল পাওয়ার একই হলেও অনেকের ক্ষেত্রে সূক্ষ্ম সিলিন্ড্রিক্যাল পাওয়ার বা অ্যাস্টিগম্যাটিজমের পার্থক্য থেকে যায়। প্রেসক্রিপশনে থাকা সেই অ্যাক্সিস বা কোণের গড়মিল হলে অন্যের চশমা পরে চারপাশের লেখা বা বস্তু ঝাপসা কিংবা সামান্য বিকৃত লাগতে পারে। দীর্ঘক্ষণ এমন চশমা পরে কাজ করলে চোখে ক্লান্তি ও দৃষ্টিজনিত অস্বস্তি বাড়তে পারে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/irritating.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শারীরিক মাপ ছাড়াও অন্যের চশমা ব্যবহার করার ক্ষেত্রে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়টিও মাথায় রাখা জরুরি। কারও ভাইরাল বা ব্যাকটেরিয়াল কনজাংটিভাইটিস থাকলে ব্যক্তিগত জিনিসপত্রের মাধ্যমে জীবাণু ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকতে পারে। তাই চোখের সংক্রমণ থাকলে চশমা শেয়ার না করাই ভালো। তবে মনে রাখা জরুরি, অ্যালার্জিজনিত কনজাংটিভাইটিস সংক্রামক নয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/bad-day.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মুখের মাপ অনুযায়ী ফ্রেমের সাইজ ঠিকঠাক না বসলে নাক ও কানের পিছনে অস্বস্তি তৈরি হতে পারে। একটু ঢিলেঢালা ফ্রেম হলে চশমা বারবার নেমে যেতে পারে, আবার অতিরিক্ত টাইট ফ্রেম নাক বা কানের পিছনে চাপ তৈরি করতে পারে। অন্যের ফ্রেম নিজের মুখের গড়নে পুরোপুরি আরামদায়ক নাও হতে পারে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/sad-spec-man.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ জরুরি কাজে কিংবা বই পড়ার তাগিদে কিছু সময় অন্যের চশমা ব্যবহার করার পর চোখে ক্লান্তি, মাথাব্যথা, ঝাপসা দেখা বা দৃষ্টিজনিত অস্বস্তি হলে চশমাটি খুলে নেওয়াই ভালো। বিশেষ করে দীর্ঘ সময় কাজ করার জন্য অন্যের চশমার ওপর ভরসা না করে নিজের সঠিক প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী তৈরি চশমা ব্যবহার করাই বুদ্ধিমানের কাজ। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/laptop-headache.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ চশমা কোনও সাধারণ ফ্যাশন অ্যাকসেসরি নয়, এটি ব্যক্তির চোখের পাওয়ার ও প্রয়োজন অনুযায়ী তৈরি একটি দৃষ্টিসংশোধনী উপকরণ। যতই পাওয়ারের মিল থাকুক না কেন, পিউপিলারি ডিসট্যান্স, অপটিক্যাল সেন্টার, সিলিন্ড্রিক্যাল পাওয়ার, অ্যাক্সিস এবং ফ্রেমের ফিটিংয়ের মতো বিষয়েও পার্থক্য থাকতে পারে। তাই নিয়মিত ব্যবহারের জন্য নিজের চোখের সুনির্দিষ্ট প্রেসক্রিপশন ও মাপ অনুযায়ী তৈরি চশমা পরাই সবচেয়ে উপযুক্ত। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/how-often-should-you-change-your-mattress-to-avoid-back-pain-1344624.html</loc><lastmod>2026-09-07T10:49:53+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/matress-press-check.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Matress Press Check ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/matress-press-check.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ রাতে টানা সাত-আট ঘণ্টা চমৎকার ঘুমিয়েও সকালে ওঠার পর কি শরীর ভাঙা লাগে? পিঠ শক্ত হয়ে যাওয়া, ঘাড় ঘোরাতে কষ্ট হওয়া কিংবা কোমরের যন্ত্রণা এখন অনেকেরই রোজকার সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাজের চাপ বা অনিয়মিত জীবনযাত্রার পাশাপাশি এর পেছনে দায়ী থাকতে পারে আপনার অনেক পুরনো হয়ে যাওয়া তোশক বা ম্যাট্রেস। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/hand-press-matress.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বিছানা পুরনো হয়ে গেলে তার ভেতরের গঠন দুর্বল হয়ে পড়ে এবং মাঝখানের অংশ অতিরিক্ত দেবে যেতে শুরু করে। ফলে ঘুমানোর সময়ে মেরুদণ্ড যে প্রাকৃতিক বাঁক বা অ্যালাইনমেন্টে থাকার কথা, তা বজায় রাখা শরীরের পক্ষে একেবারেই অসম্ভব হয়ে পড়ে। শরীরের ভর সমানভাবে না ছড়িয়ে পড়লে পেশিতে মারাত্মক চাপ তৈরি হয় এবং সেখান থেকেই শুরু হয় দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/hostel-matress.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সাধারণত একটি ভালো মানের ম্যাট্রেসের আয়ু সাত থেকে দশ বছর পর্যন্ত হয়ে থাকে। তবে ফোম, মেমরি ফোম, ল্যাটেক্স কিংবা স্প্রিংয়ের ধরনের ওপর নির্ভর করে এই সময়সীমা কম-বেশি হতে পারে। যদি দেখেন তোশকের স্প্রিং খসখস করছে, ফোম অসমান হয়ে গিয়েছে বা গা এলিয়ে দিলেই ভেতরে শরীর দেবে যাচ্ছে, তবে নতুন কেনার প্রস্তুতি নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/old-matress.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কেবল শারীরিক ব্যথাই নয়, বহু বছরের পুরনো তোশক কিন্তু মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিরও অন্যতম বড় কারণ। প্রতিনিয়ত ব্যবহারের ফলে তোশকের গভীরে কোটি কোটি মৃত কোষ, ঘাম ও সূক্ষ্ম ধূলিকণা জমে তৈরি হয় ডাস্ট মাইটের আখড়া। এর ফলে অনেকের সকালে উঠেই অনবরত হাঁচি, চোখ জ্বালা, ত্বকে চুলকানি বা শ্বাসকষ্টের মতো অ্যালার্জি দেখা দিতে পারে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/white-matress.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সকালে উঠে পিঠ শক্ত লাগার অস্বস্তি যদি বিছানা ছেড়ে কিছুক্ষণ হাঁটাচলা করার পরই ধীরে ধীরে কমতে থাকে, তবে সতর্ক হওয়া জরুরি। কারণ এই লক্ষণটি নিশ্চিত করে যে সমস্যা আপনার শরীরে নয়, বরং সারা রাত যে ম্যাট্রেসের ওপর শুয়ে ছিলেন তার সাপোর্টের অভাবে হয়েছে। মেরুদণ্ডের স্বাভাবিক স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে সেই পুরনো বিছানা অবিলম্বে পরিবর্তন করা প্রয়োজন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/throw-matress.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ যদি বাইরে কোথাও ঘুরতে গিয়ে হোটেলের বিছানায় বা অন্য কারও বাড়িতে শুয়ে আপনার ঘুম অনেক বেশি আরামদায়ক ও ব্যথাহীন মনে হয়, তবে নিজের তোশক নিয়ে আর কোনও দ্বিধা রাখবেন না। এর সহজ অর্থ হল আপনার ঘরের ম্যাট্রেসটি তার সহনশীলতা ও আরাম দেওয়ার ক্ষমতা পুরোপুরি হারিয়ে ফেলেছে। এমন পরিস্থিতিতে আর দেরি না করে নতুন ম্যাট্রেস বেছে নেওয়াই হবে সঠিক সিদ্ধান্ত। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/matress-corner.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেকেই নির্দিষ্ট সাত বা দশ বছর পূর্ণ হওয়ার জন্য অপেক্ষা করেন, কিন্তু তোশক খারাপ হয়ে যাওয়ার স্পষ্ট লক্ষণ দেখা দিলে সেই ভুলের পুনরাবৃত্তি করবেন না। যদি দেখেন তোশকে বড় ধরনের গর্ত হয়ে গিয়েছে, বসার পর আর আগের স্বাভাবিক চেহারায় ফিরছে না কিংবা পিঠের ব্যথা রোজকার সঙ্গী হয়ে উঠছে, তবে নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষের আগেই তা বদলে ফেলা দরকার। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/brand-matress.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ নতুন ম্যাট্রেস কেনার আগে নিজের শরীরের ওজন, শোওয়ার ধরণ এবং ব্যাক সাপোর্টের প্রয়োজনের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। সঠিক সাপোর্ট যুক্ত মাঝারি শক্ত বা অর্থোপেডিক ম্যাট্রেস পেশির ক্লান্তি দূর করে গভীর ঘুমে সাহায্য করে। নিয়মিত ম্যাট্রেস ঘুরিয়ে ব্যবহার করা এবং প্রটেক্টর লাগানো নিশ্চিত করলে বিছানা দীর্ঘ দিন ভালো থাকে ও পিঠের ব্যথা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/bigg-boss-20-contestants-from-mary-kom-to-aasif-khan-full-list-of-confirmed-housemates-1344596.html</loc><lastmod>2026-09-07T09:44:23+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/bigg-boss.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Bigg Boss ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/marry-com.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ভারতের কিংবদন্তি বক্সার তথা ছ’বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন মেরি কম এবার বিগ বসের মঞ্চে। অলিম্পিক্সে ব্রোঞ্জজয়ী এই তারকা ক্রীড়াবিদকে সলমনের ঘরে দেখা নিঃসন্দেহে এই সিজনের সবথেকে বড় চমক হতে চলেছে। রিংয়ের লড়াই পেরিয়ে এবার ঘরের অন্দরের কূটনীতিতে তিনি কীভাবে নিজের জায়গা ধরে রাখেন, তা দেখতে মুখিয়ে রয়েছেন দর্শকরা। Facebook ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/kushal-gullu.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ রিয়্যালিটি শোয়ের অতি পরিচিত মুখ কুশল তনওয়ার, যাঁকে দর্শক চেনেন ‘গুল্লু’ নামে। এর আগেও একাধিক প্রতিযোগিতামূলক মঞ্চ মাতিয়ে নিজের আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন তিনি। সলমনের এই হাই-ভোল্টেজ শোয়ে তাঁর উপস্থিতি নিশ্চিতভাবেই খেলার উত্তাপ এবং বিনোদনের পারদ অনেকটা বাড়িয়ে দেবে। Facebook ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/amrapali-dubey.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ভোজপুরি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির চূড়ান্ত জনপ্রিয় তারকা অভিনেত্রী আম্রপালি দুবে এবার সরাসরি বিগ বসের অন্দরে। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে অসংখ্য হিট ছবি উপহার দিয়ে তৈরি করেছেন বিশাল ভক্তমহল। আঞ্চলিক সিনেমার গণ্ডি পেরিয়ে সর্বভারতীয় এই মেগা রিয়্যালিটি শোয়ে তিনি নিজের কতটা প্রভাব ফেলতে পারেন, সেটাই এখন দেখার। Facebook ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/asif-khan.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ‘পঞ্চায়েত’, ‘মির্জাপুর’ এবং ‘পাতাল লোক’-এর মতো তুমুল জনপ্রিয় সিরিজে অভিনয় করে দর্শকদের মন জিতেছেন আসিফ খান। শক্তিশালী চরিত্রাভিনেতা হিসেবে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে নিজের আলাদা জায়গা পাকা করার পর এবার তাঁর নতুন ইনিংস। চিত্রনাট্য ছাড়া বাস্তবের কঠিন খেলায় তিনি কেমন খেলেন, নজর থাকবে সেই দিকেই। Facebook ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/uditi-singh.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ফ্যাশন ও গ্ল্যামার দুনিয়ার সুপরিচিত মডেল তথা অভিনেত্রী উদিতি সিং এই সিজনের অন্যতম গ্ল্যামারাস প্রতিযোগী। দীর্ঘদিন মডেলিং জগতের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকার পাশাপাশি অভিনেতা করণ ওয়াহির সঙ্গে সম্পর্কের জেরেও তিনি ছিলেন চর্চায়। বিগ বসের অন্দরে তাঁর উপস্থিতি নতুন সমীকরণ তৈরি করবে বলেই মনে করছে নেটপাড়া। Facebook ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/mahi-vij.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ‘বালিকা বধূ’ এবং ‘লাগি তুঝসে লগন’-এর মতো মেগা হিট ধারাবাহিকের সুবাদে ঘরে ঘরে পরিচিত মুখ মাহি ভিজ। টেলিভিশনের দীর্ঘদিনের পোড়খাওয়া এই অভিনেত্রী ড্রামা ও ইমোশনে বেশ পারদর্শী। বহু বছর পর ছোটপর্দায় তাঁর এই প্রত্যাবর্তন এবং বিগ বসের কঠিন খেলায় অংশ নেওয়া দর্শকদের কাছে বড় পাওনা। Facebook ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Qazi-Touqeer.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ জনপ্রিয় মিউজিক শো ‘ফেম গুরুকুল’-এর বিজয়ী প্রতিভাবান গায়ক কাজি তৌকির রয়েছেন এই শোয়ে। গানের পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমেও তাঁর উপস্থিতি এবং পরিচিতি বেশ চোখে পড়ার মতো। সুরের জগত পেরিয়ে বিগ বসের ঘরে এই গায়কের উপস্থিতি খেলায় নতুন এক স্বাদ যোগ করবে। Facebook ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/kanika-mann.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ হিন্দি ধারাবাহিক ‘গুড্ডন তুমসে না হো পায়েগা’-খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেত্রী কণিকা মান ছোটপর্দার অন্যতম মিষ্টি মুখ। অতীতেও বেশ কিছু রিয়্যালিটি প্ল্যাটফর্মে নিজের মানসিক শক্তির পরিচয় দিয়েছেন তিনি। এবার বিগ বসের মতো বিতর্কিত প্ল্যাটফর্মে তাঁর চেনা ইমেজ ধরে রেখে খেলা এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই হবে আসল চ্যালেঞ্জ। Facebook ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/rohed-khan.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ‘বড়ে মিঞা ছোটে মিঞা’, ‘তেজস’ কিংবা ‘সরজমিন’-এর মতো বিগ বাজেটের সিনেমায় অভিনয় করা রোহেদ খান এবার সলমনের অতিথি। রূপোলি পর্দায় অ্যাকশন এবং ড্রামা করার পর এবার সরাসরি ক্যামেরার সার্বক্ষণিক নজরদারিতে তিনি। তাঁর ফিটনেস এবং আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব বিগ বসের লড়াইয়ে অন্যদের কড়া টক্কর দিতে পারে। Facebook ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/arshifa-khana.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শিশুশিল্পী হিসেবে ‘এক বীর কি অ্যারদাস...বীরা’ ধারাবাহিকে অভিনয় দিয়ে কেরিয়ার শুরু করেছিলেন আরিশফা খান। বর্তমানে তিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল ইনফ্লুয়েন্সার ও জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের একজন। তরুণ প্রজন্মের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয় এই সোশাল মিডিয়া তারকার ভোটব্যাঙ্ক শোয়ের ফলাফলকে বড়সড় প্রভাবিত করতে পারে। Facebook ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/aman-gandhi-bigg-boss.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ হিন্দি টেলিভিশনের অন্যতম পরিচিত অভিনেতা আমন গান্ধীও এই সিজনে নামছেন সম্পূর্ণ নতুন অবতারে। ‘নাগিন ৩’ এবং ‘ভাগ্যলক্ষ্মী’র মতো একাধিক সফল ধারাবাহিকে নিজের চমৎকার অভিনয়ের স্বাক্ষর রেখেছেন তিনি। ডেইলি সোপের সেট ছেড়ে সরাসরি রিয়্যালিটি শোয়ের কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তাঁর পারফর্ম্যান্স কেমন হয়, দেখার অপেক্ষায় অনুরাগীরা। Facebook ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Rhiti-Tiwari.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ জনপ্রিয় অভিনেতা ও রাজনীতিক মনোজ তিওয়ারির মেয়ে ঋতি তিওয়ারিও এবার বিগ বসের চমকপ্রদ প্রতিযোগী। পেশায় সংগীতশিল্পী হওয়ার পাশাপাশি মডেলিং ও ডিজিটাল দুনিয়াতেও তৈরি করে নিয়েছেন নিজস্ব পরিচিতি। তারকা-সন্তানের ট্যাগ সরিয়ে রেখে তিনি বিগ বসের ঘরে নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় গড়তে পারেন কি না, নজর থাকবে সেদিকে। Facebook ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/isha-rikhi.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পাঞ্জাবি ও হিন্দি সিনেমায় কাজ করা অভিনেত্রী ইশা রিখি গ্ল্যামার বাড়াতে হাজির হচ্ছেন সলমনের এই মঞ্চে। গায়ক-র‍্যাপার বাদশার সঙ্গে সম্পর্ক ও বিয়ে সংক্রান্ত নানা খবরের জন্য তিনি সম্প্রতি পেজ থ্রির শিরোনামে ছিলেন। ব্যক্তিগত চর্চা পেরিয়ে বিগ বসের অন্দরে তিনি কীভাবে নিজের জায়গা পাকা করেন, তা নিয়ে চর্চা তুঙ্গে। Facebook ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/love-gill.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পাঞ্জাবি সিনেমা ও মিউজিক ভিডিয়োর চেনা মুখ মডেল-অভিনেত্রী লভপ্রীত কৌর গিল ওরফে লাভ গিল। আঞ্চলিক বিনোদন দুনিয়ায় নিজের কাজের জোরে ইতিমধ্যেই একটি বিশ্বস্ত অনুগামী মহল গড়ে তুলেছেন তিনি। ভিনরাজ্যের দর্শকের কাছে এবার বিগ বসের মতো মেগা শোয়ের মাধ্যমে পৌঁছে যাওয়াই তাঁর অন্যতম লক্ষ্য হতে চলেছে। Facebook ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/young-dsa.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ নিজের অনন্য মিউজিক স্টাইল এবং শক্তিশালী কথার র‍্যাপ দিয়ে খুব অল্প সময়ে নজরে পড়েছেন তরুণ শিল্পী ইয়ুং DSA। বিগ বসের ঘরে ভিন্ন সংস্কৃতির মানুষের ভিড়ে তাঁর এই তরুণ প্রজন্মের র‍্যাপার অ্যাটিটিউড বেশ মানানসই হবে। অন্যান্য প্রতিযোগীদের সঙ্গে তাঁর বিরোধ এবং বন্ধুত্বের সমীকরণ কতটা দ্রুত তৈরি হয়, সেটাই দেখার বিষয়। Facebook ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/lifestyle/can-you-take-a-bath-when-you-have-a-fever-doctor-advice-in-bengali-1344507.html</loc><lastmod>2026-09-06T17:35:27+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Fever-t-1.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Fever T ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Bath-Fever.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ জ্বর এলে স্নান করা উচিত কি না—এই নিয়ে আমাদের মধ্যে নানারকম মতামত ও দ্বিধাদ্বন্দ্ব রয়েছে। অনেকে মনে করেন জ্বর অবস্থায় গায়ে জল ঢাললে তাপমাত্রা আরও বেড়ে যেতে পারে বা ঠান্ডা লেগে পরিস্থিতি জটিল হতে পারে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Bath.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আবার অনেকের মতে, স্নান করলে শরীর ফ্রেশ লাগে এবং শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে আসে। সম্প্রতি স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বর হলে কিছু নিয়ম মেনে স্নান করা সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং তা শরীরকে আরাম দিতে সাহায্য করে। গ্যালারির পাতা উল্টে দেখে নিন জ্বর হলে কীভাবে ও কোন নিয়ম মেনে স্নান করা উচিত— ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Bathing.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ জ্বরের সময় খুব ঠান্ডা বা অতিরিক্ত গরম জল দুটোই এড়িয়ে চলা উচিত। শরীর ধোয়ার জন্য সবসময় হালকা গরম বা ইষদুষ্ণ (Tepid) জল ব্যবহার করা নিরাপদ। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Fever-Man.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ হালকা গরম জলে স্নান করলে শরীরের তাপমাত্রা হুট করে কমে না, বরং তা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে সাহায্য করে এবং পেশির ক্লান্তি দূর করে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Fever-t.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ প্রচণ্ড জ্বরে অনেকেই মাথায় বা গায়ে ঠান্ডা জল দেন, যা একেবারেই অনুচিত। ঠান্ডা জল ব্যবহার করলে শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা সাময়িকভাবে আরও বেড়ে যেতে পারে এবং কাঁপুনি আসতে পারে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Fever-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ যদি স্নান করার মতো শারীরিক শক্তি না থাকে, তবে একটি পরিষ্কার তোয়ালে ইষদুষ্ণ জলে ভিজিয়ে পুরো শরীর ভালো করে মুছে নেওয়া (Sponge Bath) যেতে পারে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Men-Fever.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ স্নান করার সময় ঘরের ফ্যান বা এসি বন্ধ রাখুন, যাতে সরাসরি ঠান্ডা বাতাস গায়ে না লাগে। স্নানের ঘর থেকে বের হওয়ার সঙ্গেই সঙ্গেই তোয়ালে দিয়ে শরীর ভালো করে মুছে ফেলা জরুরি। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Men.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ স্নান শেষ করার পরপরই সুতির ও আরামদায়ক পরিষ্কার পোশাক পরুন। অতিরিক্ত ভারী পোশাক পরবেন না, যাতে শরীরের তাপ স্বাভাবিকভাবে বের হতে পারে। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/what-is-bengali-sweet-sandesh-called-in-english-culinary-meaning-and-global-names-1344465.html</loc><lastmod>2026-09-06T16:25:03+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/sankh-and-printed-sandesh-scaled.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Sankh And Printed Sandesh ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/sankh-and-printed-sandesh.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বাঙালির যে কোনও শুভ পার্বণ বা অতিথি আপ্যায়নে মিষ্টির পাতে সন্দেশ থাকা চাই-ই চাই। তবে ভোজনরসিকদের এই অত্যন্ত প্রিয় মিষ্টিটির ইংরেজি নাম কী, তা হঠাৎ জানতে চাইলে অনেকেই বেশ বড়সড় হোঁচট খান। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/chapa-sandessh.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আনন্দ-উৎসবে মিষ্টিমুখ করানো ছাড়া বাঙালির কোনও আয়োজনই যেন ঠিক জমে ওঠে না। পুজো-পার্বণ, বিয়ে, মুখেভাত কিংবা উপনয়নের মতো শুভ অনুষ্ঠানে যেমন সন্দেশ অপরিহার্য, তেমনই বিষাদের দিনেও এর একটা ভূমিকা থাকে। জলভরা, কালাকাঁদ, তালশাঁস কিংবা শীতের নলেন গুড়ের সন্দেশে বছরের পর বছর ধরে মজে রয়েছে গোটা বাংলা। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/round-print-sandwsh.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সাধারণ মানুষের মুখে মুখে বহু দিন ধরেই প্রচলিত যে ইংরেজিতে সন্দেশকে বলা যেতে পারে ‘Sort of Sweet’। যেহেতু এটি কম-বেশি সবারই ভীষণ পছন্দের একটি মিষ্টি পদ, তাই সাধারণ কথোপকথনে বা চলতি ধারায় বোঝানোর জন্য অনেকেই এই সহজ অভিব্যক্তিটি ব্যবহার করে থাকেন। তবে রন্ধনবিজ্ঞানের দরবারে এর আরও কিছু পোক্ত ব্যাখ্যা রয়েছে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/saankh.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ প্রকৃতপক্ষে অক্সফোর্ড বা আন্তর্জাতিক ইংরেজি অভিধানে সন্দেশের কোনও সরাসরি বা আক্ষরিক একক প্রতিশব্দ নেই। তবে বিশ্বমঞ্চে বিদেশি শেফ ও খাদ্যরসিকদের বোঝানোর সুবিধার্থে উপকরণ অনুযায়ী এর বেশ কয়েকটি চমৎকার ইংরেজি নাম দেওয়া হয়েছে। ফলে রন্ধনশৈলীর খাতায় এটি নির্দিষ্ট কয়েকটি বর্ণনামূলক পরিচয়েই পরিচিতি পেয়েছে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/sandy.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আন্তর্জাতিক ফুড কালচারে সন্দেশকে সবচেয়ে বেশি ডাকা হয় ‘ইন্ডিয়ান কটেজ চিজ ফাজ’ (Indian Cottage Cheese Fudge) নামে। পশ্চিমের দেশে মিষ্টি পনির দিয়ে তৈরি নরম মিষ্টান্নকে ফাজ বলা হয়, আর সন্দেশ যেহেতু খাঁটি তাজা ছানা ও চিনি পাকিয়ে শুকনো আকারে গড়া হয়, তাই তাদের কাছে এই ব্যাখ্যাটি অত্যন্ত মানানসই। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/pradeep-sankha.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আবার অনেক বিদেশি রন্ধন বিশেষজ্ঞ একে সরাসরি ‘সুইটেন্ড মিল্ক ফাজ’ (Sweetened Milk Fudge) বা ‘বেঙ্গলি সুইটমিট’ (Bengali Sweetmeat) হিসেবেও উল্লেখ করেন। রসগোল্লা বা পান্তুয়ার মতো এতে কোনও রস থাকে না বলে একে মূলত ড্রাই ডেজার্ট বা ড্রাইড মিল্ক পেস্ট্রি গোত্রীয় মিষ্টি হিসেবেই চিহ্নিত করা হয়ে থাকে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/redline.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বর্তমানে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভারতীয় খাবারের জনপ্রিয়তা বাড়ায় একাধিক বড় অভিধানে ‘Sandesh’ শব্দটিকে সরাসরি নিজস্ব নামেই ঠাঁই দেওয়া হয়েছে। যেমন পিৎজা, পাস্তা কিংবা জাপানি সুশি সারা বিশ্বে নিজের আঞ্চলিক পরিচয়েই বিখ্যাত, তেমনই বিশ্ব দরবারে সন্দেশও এখন নিজের দেশি নামেই এক স্বতন্ত্র ব্র্য়ান্ড। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/barfi.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পরের বার বাড়িতে আড্ডা চলাকালীন বা বন্ধুদের আড্ডায় এই মজার প্রশ্নটি তুলে সবাইকে এক নিমেষে চমকে দিতে পারেন। রসনাতৃপ্তির পাশাপাশি চেনা মিষ্টির এই আন্তর্জাতিক ইংরেজি ব্যাখ্যা জেনে রাখা আপনার জ্ঞানের পরিধিও বাড়িয়ে তুলবে। তাই মিষ্টান্নপ্রেমীদের সঙ্গে ভাগ করে নিন অত্যন্ত প্রিয় সন্দেশের এই অজানা তথ্য। Free Pik ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/what-do-925-and-800-mean-on-silver-how-to-check-hallmarked-silver-purity-before-buying-1344448.html</loc><lastmod>2026-09-06T14:43:51+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/precious-metal.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Precious Metal ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/precious-metal.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ উৎসবের মরশুমে সোনা কেনার পাশাপাশি রুপোর গয়না বা বাসনপত্র কেনার ঝোঁক বহু গুণ বেড়ে যায়। কিন্তু কেনার সময়ে সেই রুপো কতটা খাঁটি, তা যাচাই না করলে পরবর্তী সময়ে বড় আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা থেকেই যায়। গ্রাহকদের খাঁটি ধাতু পাওয়ার নিশ্চয়তা দিতেই মূলত কাজ করে ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডস বা বিআইএস (BIS)-এর হলমার্কিং ব্যবস্থা। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/1-kilo-silver.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সোনার গয়নায় হলমার্কিং বাধ্যতামূলক হলেও ২০০৫ সালের অক্টোবর মাস থেকে রুপোর ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়াটি ঐচ্ছিক হিসেবে চালু রয়েছে। যদিও দেশে সচেতনতা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় ইতিমধ্যেই ২৫ হাজারের বেশি রুপো বিক্রেতা বিআইএস-এর অধীনে নিজেদের নথিভুক্ত করিয়েছেন। বর্তমানে দেশের ১০২টি জেলায় প্রায় ৩৪১টি কেন্দ্র রূপোর মান যাচাইয়ের কাজ চালাচ্ছে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/line-number.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ রুপোর গয়না বা অন্যান্য জিনিসে ৯২৫ কিংবা ৮০০-র মতো সংখ্যা খোদাই করা থাকলে সেটির খাঁটি মান বোঝা সহজ হয়। ৯২৫ সংখ্যার অর্থ হল জিনিসটিতে ৯২.৫ শতাংশ খাঁটি রুপো রয়েছে, যাকে চলতি কথায় স্টার্লিং সিলভার বলা হয়। অন্যদিকে ৮০০ সংখ্যার অর্থ হল সামগ্রীটির মধ্যে ৮০ শতাংশ খাঁটি রুপো এবং বাকি অংশে অন্য ধাতু মিশিয়ে শক্তপোক্ত করা হয়েছে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/9998-silver.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সমীক্ষা অনুসারে বাজারে বিক্রি হওয়া মোট হলমার্ক করা রুপোর সামগ্রীর প্রায় ৯৫ শতাংশই তৈরি হয় এই ৯২৫ এবং ৮০০ গ্রেডের মাধ্যমে। হলমার্ক ছাড়া সাধারণ রুপো কিনলে পরবর্তী সময়ে তা বিক্রি করতে গিয়ে ঠকে যাওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই বেশি থাকে। কারণ সাধারণ রূপোয় দাবির তুলনায় রুপোর প্রকৃত পরিমাণ অনেক সময়েই কম পাওয়া যায়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/999-silver.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বিআইএস-এর নিয়ম অনুযায়ী রুপোর জিনিসে মূলত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ চিহ্ন দেখতে পাওয়া যায়। প্রথমত বিআইএস মানক লোগো, দ্বিতীয়ত ইংরেজিতে স্পষ্ট হরফে লেখা ‘SILVER’ শব্দটি এবং এর সঙ্গেই ধাতুর নির্দিষ্ট গ্রেড সংখ্যা। এই চিহ্নগুলি ঠিকঠাক থাকলে বোঝা যায় সংশ্লিষ্ট সামগ্রীটি নির্ধারিত গুণমান মেনেই বাজারে আনা হয়েছে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/tree-silver.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ হলমার্কিং আরও নিখুঁত ও সুরক্ষিত করতে সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে রুপোর গয়নাতেও ছয় সংখ্যার বিশেষ আলফানিউমেরিক ‘এইচইউআইডি’ (HUID) কোড থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। লেজারের মাধ্যমে খোদাই করা এই ডিজিটাল নম্বরটির কারণে কোনও রকম নকল বা অসদুপায় অবলম্বন করার সুযোগ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/glow.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বাজারে কেনাকাটা করার সময়েই গ্রাহকরা এখন খুব সহজে স্মার্টফোনের মাধ্যমে রুপোর আসল সত্যতা যাচাই করে নিতে পারেন। কেন্দ্র সরকারের তৈরি ‘BIS CARE’ অ্যাপে গিয়ে গয়নার গায়ে থাকা ছয় সংখ্যার এইচইউআইডি কোডটি দিলেই বিক্রেতা ও বিশুদ্ধতা সংক্রান্ত সম্পূর্ণ তথ্য স্ক্রিনে ভেসে ওঠে। ফলে কোনও ধোঁয়াশা ছাড়াই নিশ্চিন্তে কেনাকাটা করা যায়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/many-bar.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বিআইএস-এর সমীক্ষা থেকে জানা গিয়েছে যে গোটা দেশের মধ্যে দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলিতেই রুপোর হলমার্কিংয়ের প্রবণতা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। সামগ্রিক চাহিদার নিরিখে ১০ থেকে ৫০ গ্রাম ওজনের সামগ্রী, বিশেষ করে রূপোর চেন, আংটি, নুপূর, ব্রেসলেট কিংবা বাচ্চার সামগ্রী সাধারণ মানুষের পছন্দের তালিকায় সবার শীর্ষে অবস্থান করছে। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/bitter-gourd-karela-bitterness-momordicin-cucurbitacin-health-effects-1344418.html</loc><lastmod>2026-09-06T13:33:05+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/three-korola.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Three Korola ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/three-korola.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পাতে করলা পড়লেই মন খারাপ হয়ে যায়? বিজ্ঞান বলছে, করলা বা উচ্ছের এই তীব্র তিক্ততার পিছনে রয়েছে ‘মমর্ডিসিন’ এবং বিভিন্ন cucurbitane-type triterpenoid, যার মধ্যে cucurbitacin-জাতীয় যৌগও রয়েছে। সহজ কথায়, এই তিক্ত রাসায়নিকগুলো উদ্ভিদের প্রাকৃতিক আত্মরক্ষা ব্যবস্থার অংশ এবং তৃণভোজী প্রাণী ও পোকামাকড়ের বিরুদ্ধে উদ্ভিদকে সুরক্ষা দিতে ভূমিকা রাখতে পারে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/from-tree.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পোকাদের জন্য এই যৌগ ঠিক কতটা ক্ষতিকর? আন্তর্জাতিক জার্নাল Pest Management Science-এ প্রকাশিত গবেষণা অনুযায়ী, cucurbitacin B পোকার শরীরে থাকা গুরুত্বপূর্ণ স্টেরয়েড হরমোন 20-hydroxyecdysone (20E)-এর স্বাভাবিক signalling-এ বাধা দিতে পারে। এর ফলে পোকার লার্ভার স্বাভাবিক বৃদ্ধি, খোলস ছাড়ার প্রক্রিয়া এবং metamorphosis বা দেহের বিকাশ ব্যাহত হয়। গবেষণায় Bombyx mori এবং Drosophila melanogaster-এর লার্ভায় খোলস ছাড়ার ত্রুটি ও মৃত্যুহারও দেখা গিয়েছিল। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/ucche.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পোকার শরীরে আরও কী প্রভাব ফেলে এই যৌগ? কিউকারবিটাসিন নিয়ে বিভিন্ন গবেষণায় কোষীয় প্রক্রিয়া ও oxidative stress-এর উপর প্রভাবের কথা উঠে এসেছে। তবে পোকার ক্ষেত্রে “কোষ বিভাজন পুরোপুরি তছনছ হয়ে যায়” বা “অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে মৃত্যু নিশ্চিত”—এমন দাবি করার মতো নির্দিষ্ট প্রমাণ নেই। যেটা অনেকেই মনে করেন।  Pest Management Science-এর গবেষণা থেকে নিশ্চিতভাবে বলা যায়, cucurbitacin B কিছু পোকার ক্ষেত্রে খাদ্যগ্রহণ কমানো, লার্ভার বৃদ্ধি ব্যাহত করা এবং molting ও metamorphosis-এ বাধা তৈরি করতে পারে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/in-bazar-bitter-ground.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সাধারণ শসা বা অন্যান্য cucurbit আমরা সাধারণত তেতো স্বাদের জন্য খাই না, কিন্তু গাছটি বিভিন্ন ধরনের stress-এর মধ্যে পড়লে কিছু কিউকারবিট-এ কিউকারবিটাসিন-এর মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। তখন শসা, জুকিনি, স্কোয়াশ-এর মতো সাধারণত কম-তেতো সবজিও অস্বাভাবিক তেতো হয়ে উঠতে পারে। Poison Control-এর তথ্য অনুযায়ী, উচ্চ মাত্রার কিউকারবিটাসিন থাকা এই ধরনের সবজি দেখতে ও গন্ধে স্বাভাবিক হলেও স্বাদে অত্যন্ত তেতো হতে পারে। তবে করলার গল্পটা আলাদা, Momordica charantia-র ফল স্বাভাবিকভাবেই তেতো এবং এর তিক্ততার সঙ্গে বিভিন্ন bioactive compound-এর সম্পর্ক রয়েছে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/single-bitter-ground.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পোকা ঠেকাতে গাছের তৈরি এই তিক্ত যৌগ মানুষের শরীরে গিয়ে কী করে? স্বাভাবিকভাবে খাওয়া করলা এবং অন্যান্য সবজির স্বাভাবিক তিক্ততাকে বিষক্রিয়ার সঙ্গে এক করে দেখা ঠিক নয়। তবে Poison Control-এর তথ্য অনুযায়ী, কোনও cucurbit-এ অস্বাভাবিকভাবে বেশি কিউকারবিটাসিন থাকলে তা খেয়ে ‘Toxic Squash Syndrome’ হতে পারে। এর ফলে তীব্র পেটব্যথা, বমি, ডায়রিয়া, ডিহাইড্রেশন, রক্তচাপ কমে যাওয়া এবং দ্রুত হৃদস্পন্দনের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/plastic-line.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেকেই ভাবেন রোজ সকালে করলার কাঁচা রস গোগ্রাসে গিললেই ডায়াবেটিস নির্মূল হয়ে যাবে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এমন কোনও প্রমাণ নেই যে করলার রস diabetes নির্মূল করতে পারে। করলা বা Momordica charantia নিয়ে মানুষের উপর করা গবেষণার ফলও একেবারে একমুখী নয়। ২০২৪ সালের একটি systematic review ও meta-analysis-এ ৯টি গবেষণা এবং ৪১৪ জন রোগীর তথ্য বিশ্লেষণ করে placebo-র তুলনায় fasting blood glucose বা HbA1c-তে উল্লেখযোগ্য সামগ্রিক সুবিধা পাওয়া যায়নি। গবেষকরা জানিয়েছেন, আরও বড় ও দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা করা প্রয়োজন। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/dark-green-bitter.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তাহলে কি করলা খাওয়া পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়া উচিত? একেবারেই নয়। স্বাভাবিক করলা একটি পরিচিত সবজি এবং এতে ফাইবার ও বিভিন্ন bioactive compound রয়েছে। তবে এখানে গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা আছে। Poison Control-এর তথ্য অনুযায়ী, অস্বাভাবিকভাবে তেতো শসা, জুকিনি, স্কোয়াশ বা অন্য কোনও কিউকারবিট খাওয়া উচিত নয়। কারণ উচ্চ মাত্রার কিউকারবিটাসিন থাকলে রান্না, সেদ্ধ বা বেক করলেও সেই টক্সিন তাপে নিষ্ক্রিয় হয় না। তাই অস্বাভাবিক তেতো স্বাদ পেলে না খেয়ে ফেলে দেওয়াই নিরাপদ। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/korola-bitter.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ করলার তেতো ভাব প্রকৃতির এক তুখোড় রাসায়নিক আত্মরক্ষা কৌশলের অংশ। Pest Management Science-এ প্রকাশিত গবেষণা দেখিয়েছে, cucurbitacin B কিছু পোকার বৃদ্ধি ও বিকাশে বাধা দিতে পারে। তবে করলার স্বাভাবিক তিক্ততা এবং কিউকারবিটাসিন-এর অস্বাভাবিক উচ্চমাত্রাজনিত বিষক্রিয়াকে এক করে দেখা ঠিক নয়। পরিমিত পরিমাণে স্বাভাবিক করলা খাবারের অংশ হতে পারে, কিন্তু কাঁচা করলার রসের কোনও অলৌকিক ক্ষমতা নেই এবং এটি ডায়াবেটিসের চিকিৎসার বিকল্পও নয়। তাই অন্ধ বিশ্বাসে নয়, চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে খান।  Getty Images   তথ্যসূত্র: Pest Management Science ও PubMed-এ প্রকাশিত গবেষণা, Poison Control-এর Toxic Squash Syndrome সংক্রান্ত তথ্য এবং ২০২৪ সালের Momordica charantia নিয়ে প্রকাশিত systematic review ও meta-analysis। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/cat-crosses-your-path-heres-why-people-stop-and-wait-the-real-reason-explained-1344400.html</loc><lastmod>2026-09-06T13:29:35+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Cat-9.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Cat 9 ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Cat-.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বিড়াল রাস্তা কাটলে নাকি বিপদ হয়! এই অন্ধবিশ্বাস অনেকের। সেই বিশ্বাস থেকেই এখনও কোনও বিড়াল যদি হঠাৎ রাস্তা পার করে, তাহলে অনেকে দাঁড়িয়ে যান। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Cat-1-.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তবে এই অন্ধবিশ্বাসের কি আদৌ কোনও ভিত্তি আছে? কেনই বা বিড়াল রাস্তা কাটলে লোকজন বা গাড়ি দাঁড়িয়ে পড়ে? ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Cat-7.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বিড়াল রাস্তা কাটলে বিপদ হয়-এই ধরনের বিশ্বাসের সপক্ষে কোনও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। যাত্রার সময় বিড়াল রাস্তা পার করলে কোনও দুর্ঘটনা বা খারাপ ঘটনা ঘটে, এমন কোনও প্রমাণ নেই। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Cat-5.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এবার প্রশ্ন উঠতেই পারে যে তাহলে অতীতে কেন এই নিয়ম বা বিশ্বাস অনুসরণ করতেন সকলে? এর নেপথ্যে রয়েছে একটি ব্যাখ্যা। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Cat-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আগেকার দিনে আজকের মতো ভালো রাস্তা, রাস্তার আলো ছিল না। দ্রুতগামী কোনও যানবাহনও ছিল না।  মানুষ পায়ে হেঁটে বা গরুর গাড়িতে চেপে বন, ঝোপঝাড় ও নির্জন এলাকার মধ্য দিয়ে যাতায়াত করত। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Cat-6.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এই ধরনের জায়গা দিয়ে যাতায়াতের সময় বন্যপ্রাণী, সাপ বা অন্যান্য বিপদ সম্পর্কে সতর্ক থাকা প্রয়োজন ছিল। বিড়ালরা সাধারণত তাদের চারপাশে সামান্যতম শব্দ বা গতিবিধিতেই দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখায়, কারণ তাদের কান তীক্ষ্ণ। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Cat-3.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ যদি কোনও বিড়াল স্বাভাবিকভাবে হাঁটার পরিবর্তে হঠাৎ ভয়ে এদিক-ওদিক ছোটাছুটি করে, তখন মনে করা হত যে আশেপাশে কোনও বিপজ্জনক প্রাণী থাকতে পারে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Cat-4.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সেই সময় মানুষ বিশ্বাস করত যে বিড়ালের এমন আচরণ বিপজ্জনক। তাই জঙ্গল এবং নির্জন পথ দিয়ে যাওয়ার সময় মনে করা হত যে বিড়ালের হঠাৎ ছুটে আসার পিছনে কোনও কারণ থাকতে পারে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Cat-8.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সেই কারণেই হঠাৎ কোনও বিড়ালকে রাস্তা পার করতে দেখলে চারপাশে বিপদ আছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করার জন্য এক মুহূর্তের জন্য থেমে যেতেন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Cat-11.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই সতর্কতামূলক অভ্যাসটি বিশ্বাসে রূপান্তরিত হয়েছে যে রাস্তার মধ্যে হঠাৎ বিড়াল চলে এলে, তা খারাপ ইঙ্গিত। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Cat-12.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তবে গাড়ি চালানোর সময়, বিশেষ করে বন বা ঝোপঝাড়ের মাঝখান থেকে গাড়ি চালালে, কোনও প্রাণী এগিয়ে এলে, গাড়ির গতি কমিয়ে দেওয়া উচিত যাতে দুর্ঘটনা না হয়। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/why-are-atm-keypads-made-of-metal-the-surprising-security-secret-1344349.html</loc><lastmod>2026-09-06T10:38:15+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/atm-pin.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Atm Pin ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/atm-pin.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ টাকা তোলার তাড়াহুড়োয় এটিএম কাউন্টারে ঢুকে কার্ড পাঞ্চ আর পিন টাইপ করা তো রোজকার চেনা ছবি। কিন্তু পিন দেওয়ার ধাতব বোতামগুলোর কথা কখনও আলাদা করে ভেবে দেখেছেন কি? কোটি কোটি টাকার লেনদেন সামলানো এই যন্ত্রে প্লাস্টিকের বদলে কেন শক্তপোক্ত মেটাল ব্যবহার করা হয়, তার পেছনে কিন্তু রয়েছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কারণ! Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/side-pin.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ প্রথম বড় কারণটাই হল সহ্যক্ষমতা! শহরের এক একটা এটিএমে দিনে শত শত মানুষের আঙুলের চাপ পড়ে ওই ছোট্ট বোতামগুলোর ওপর। সাধারণ প্লাস্টিকের কিপ্যাড হলে দীর্ঘদিনের ব্যবহারে ঘষা লেগে অক্ষর বা সংখ্যা মুছে যেতে পারে, আবার বোতাম ক্ষতিগ্রস্তও হতে পারে। মজবুত ধাতব কিপ্যাড তাই বারবার ব্যবহারের চাপ ও ঘর্ষণ অনেক ভালোভাবে সহ্য করতে পারে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/secreat-pin.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শুধু মানুষের আঙুলই নয়, এটিএমের কিপ্যাডকে বিভিন্ন পরিবেশগত পরিস্থিতিও সামলাতে হয়। দেশের বহু এটিএম কিয়স্ক থাকে রাস্তার ধারে, যেখানে চড়া রোদ, আর্দ্রতা আর বৃষ্টির মতো পরিবেশগত প্রভাবের মুখোমুখি হতে হয় মেশিনকে। নির্দিষ্ট মানের ধাতু ও protective coating ব্যবহার করা হলে কিপ্যাডের স্থায়িত্ব বাড়ে এবং দীর্ঘদিন ব্যবহারের উপযোগী থাকে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/school-girl-pin.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ভাঙচুর ও অননুমোদিত হস্তক্ষেপ থেকে রক্ষা পাওয়াও এই ধরনের মজবুত কিপ্যাড ব্যবহারের অন্যতম কারণ। এটিএমের কিপ্যাডে গ্রাহক নিজের গোপন PIN দেন, তাই সেটিকে এমনভাবে তৈরি করা হয় যাতে সহজে ক্ষতিগ্রস্ত বা tamper করা না যায়। ধাতব নির্মাণ এই ক্ষেত্রে কিপ্যাডকে অতিরিক্ত শক্তপোক্ত করে তুলতে পারে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/blue-card.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এবার আসা যাক আরও একটি আলোচিত নিরাপত্তা ঝুঁকির কথায়, যার নাম ‘থার্মাল হ্যাকিং’! আঙুলের স্পর্শের কারণে কিপ্যাডের বোতামে সাময়িক তাপের পার্থক্য তৈরি হতে পারে, যা বিশেষ ধরনের thermal imaging camera দিয়ে কখনও কখনও বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করা হয়। তবে শুধু কিপ্যাড মেটালের হলেই thermal attack পুরোপুরি ঠেকানো যায়—এমনটা বলা ঠিক নয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/red-card.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ধাতুর তাপ পরিবাহিতা সাধারণত প্লাস্টিকের তুলনায় বেশি। ফলে ধাতব পৃষ্ঠে আঙুলের তাপ তুলনামূলক দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। তবে এটিকে ATM-এ metal keypad ব্যবহারের একমাত্র বা প্রধান কারণ হিসেবে ধরা ঠিক নয়। PIN নিরাপত্তার ক্ষেত্রে keypad design, encryption, tamper-resistant technology এবং ব্যবহারকারীর সতর্কতা—সবকিছুরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/atm-card.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তবে কেবল মেটালের কিপ্যাড থাকলেই যে নিশ্চিন্তে ঘুমোনো যাবে, তা কিন্তু নয়। আধুনিক ATM-এ PIN সুরক্ষার জন্য tamper-resistant hardware, encrypted PIN transmission-সহ একাধিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ বাইরে থেকে মজবুত কিপ্যাডের সুরক্ষা আর ভেতরে প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থা—দুই মিলেই PIN সুরক্ষিত রাখার চেষ্টা করা হয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/grey-card.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পরের বার এটিএমে ঢুকে খটখট করে মেটালের কিপ্যাডে পিন টাইপ করার সময় একটু থেমে ভেবে দেখুন তো! খুব সাধারণ একটা ধাতব প্লেট মনে হলেও এর পেছনে রয়েছে স্থায়িত্ব, ব্যবহারিক সুবিধা এবং নিরাপত্তার একাধিক কারণ। ব্যাংকিং প্রযুক্তিতে এমন ছোট ছোট ডিজাইন সিদ্ধান্ত যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, এই কিপ্যাডই তার ভালো উদাহরণ। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/lifestyle/brush-injury-gum-pain-home-remedies-instant-relief-1344259.html</loc><lastmod>2026-09-05T17:38:30+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Brush-1.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Brush ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Brush.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ দাঁত মাজতে গিয়ে আচমকা মাড়িতে ব্রাশের শক্ত খোঁচা লাগা বেশ সাধারণ ঘটনা। কিন্তু এই সামান্য অসাবধানতার ফল হতে পারে মারাত্মক যন্ত্রণাদায়ক। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Tooth-Brush.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মাড়ির চামড়া উঠে যাওয়া বা ক্ষত তৈরি হলে খাওয়ার সময় জ্বালাযন্ত্রণা বহুগুণ বেড়ে যায়। চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার আগে বাড়িতে বসেই এই ব্যথা কমানোর ৮টি কার্যকারী উপায়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Tooth-Pain.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এক গ্লাস ইষদুষ্ণ জলে আধা চামচ নুন মিশিয়ে দিন। দিনে ৩-৪ বার কুলকুচি করলে ক্ষতের জীবাণু ধ্বংস হয় এবং মাড়ির ফোলা ও ব্যথা দ্রুত কমে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Image.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ফ্রেশ অ্যালোভেরা গাছের পাতা থেকে জেল বের করে সরাসরি আঘাতপ্রাপ্ত মাড়িতে লাগিয়ে রাখুন। অ্যালোভেরার প্রাকৃতিক কুলিং এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান মাড়ির জ্বালা ভাব দূর করে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Pain.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ একটি ব্যবহৃত গ্রিন টি বা ব্ল্যাক টি-ব্যাগ ঠান্ডা করে মাড়ির ক্ষতের ওপর কিছুক্ষণ চেপে ধরে রাখুন। চায়ের পাতায় থাকা টানিন (Tannin) উপাদান রক্তপাত বন্ধ করতে ও ফোলা কমাতে দারুণ কাজ করে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/TOTT.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সামান্য কাঁচা হলুদ বাটা বা হলুদ গুঁড়োর সাথে মধু মিশিয়ে ক্ষতের মুখে লাগিয়ে রাখুন। হলুদের অ্যান্টিসেপটিক এবং মধুর অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল গুণ মাড়ির ক্ষত দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Truth-Brush-Ho.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সুতির পরিষ্কার কাপড়ে এক টুকরো বরফ মুড়ে গালের বাইরে যে অংশটিতে ব্যথা, সেখানে ৫-১০ মিনিট চেপে ধরুন। বরফের ঠাণ্ডা স্পর্শ ক্ষতস্থানের রক্তনালীকে সংকুচিত করে ফোলা ও যন্ত্রণা কমায়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Wtaer.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ লবঙ্গে থাকা ইউজেনল (Eugenol) উপাদানটি প্রাকৃতিক অ্যানাস্থেটিক হিসেবে কাজ করে। একটি লবঙ্গ ক্ষতের জায়গায় চেপে রাখুন অথবা তুলোয় এক ফোঁটা লবঙ্গ তেল লাগিয়ে মাড়িতে দিলে ব্যথা মুহূর্তে অবশ হয়ে আসে। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/cockroach-infectation-at-home-try-this-home-remedy-with-camphor-clove-1344238.html</loc><lastmod>2026-09-05T16:50:06+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/cockroach-3-1.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Cockroach 3 (1) ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/cockroach.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালে বাড়িতে আরশোলার উপদ্রব বেড়ে যেতে পারে। বিশেষ করে স্যাঁতসেঁতে ও অন্ধকার জায়গা আরশোলার লুকানোর জন্য আদর্শ। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/cockroach-5-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আরশোলা ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/cockroach-1-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ গ্রীষ্ম হোক বা বর্ষা, বাড়িতে আরশোলার উপদ্রব হঠাৎ করেই বেড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে, মানুষ আরশোলা তাড়ানোর জন্য নানা উপায় খোঁজেন। তবে প্রচলিত স্প্রে বা অন্য ওষুধে তেমন সুফল মেলে না। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/cockroach-2-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ আপনি যদি আরশোলা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় খুঁজে থাকেন, তাহলে সবথেকে ভালো উপকরণ হল কর্পূর। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/cockroach-7-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কর্পূরের তীব্র গন্ধ আরশোলা সহ্য করতে পারে না। যার ফলে তারা সঙ্গে সঙ্গে পালিয়ে যায়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/cockroach-10-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কর্পূর ভালোভাবে গুঁড়ো করে নিয়ে এক গ্লাস গরম জলে মেশান। কর্পূরের গুঁড়োর সঙ্গে লবঙ্গ-ও মেশান। এটি ১০ থেকে ১৫ মিনিটের জন্য ভিজিয়ে রাখুন, যাতে কর্পূর এবং লবঙ্গের রস জলে সম্পূর্ণরূপে মিশে যায়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/cockroach-8-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এবার এই মিশ্রণটি ছেঁকে একটি স্প্রে বোতলে ভরে নিন। রাতে রান্নাঘরের সিঙ্কের কাছে, ড্রেনের পাশে, শোবার ঘরের কোণায়, গ্যাস স্টোভের পিছনে এবং ডাস্টবিনের চারপাশে এটি স্প্রে করুন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/cockroach-4-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ যেখানে জল ছিটানো সম্ভব নয়, সেখানে কর্পূরের বড়ি একটি পাতলা কাপড়ে বেঁধে অথবা একটি ব্যাগে রাখুন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/cockroach-6-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কর্পূরের কড়া গন্ধই আরশোলাকে তাড়িয়ে দেবে। আর ফিরেও আসবে না। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/what-is-muri-called-in-english-the-hidden-global-name-and-health-benefits-1344014.html</loc><lastmod>2026-09-04T11:05:32+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/soil-pot-muri.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Soil Pot Muri ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/soil-pot-muri.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সকাল-সন্ধ্যার চায়ের আড্ডা হোক বা বিকেলের জলখাবার, বাঙালির মুড়ি ছাড়া এক মুহূর্তও চলে না। বৃষ্টি পড়লে একমুঠো চানাচুর আর মুড়ি মেখে খাওয়া আমাদের বহুদিনের পরিচিত এক প্রিয় অভ্যাস। কিন্তু রোজ যে খাবারটা এত ভালোবেসে খাচ্ছেন, তার ইংরেজি নামটা কি আপনি জানেন? AI ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/home-muri.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ হঠাৎ কাউকে যদি মুড়ির ইংরেজি নাম জিজ্ঞেস করা হয়, তবে বেশিরভাগ চটপটে মানুষও কিন্তু বেশ থমকে যাবেন। কারণ ছোটবেলা থেকেই আমরা একে খাঁটি দেশি খাবার হিসেবে দেখে অভ্যস্ত, ইংরেজি পরিচয় খোঁজার দরকার পড়েনি। অথচ এই পরিচিত খাবারটির একটি বেশ পরিচিত ইংরেজি নাম রয়েছে। AI ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/jhal-muribadam.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শুধু নাম নয়, মুড়ি বানানোর পদ্ধতিও কিন্তু বেশ চমকপ্রদ। বাংলার ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতিতে চালকে বিশেষভাবে গরম করে ফাঁপিয়ে তোলা হয়। অনেক ক্ষেত্রে গরম বালির সাহায্যে চাল ভেজে ফুলিয়ে তৈরি করা হয় ধবধবে সাদা মুড়ি। তবে অঞ্চল ও প্রস্তুতকারক অনুযায়ী তৈরির পদ্ধতিতে কিছুটা পার্থক্য থাকতে পারে। AI ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/milkmuri.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ নাম জানার আগে এর পুষ্টিগুণের কথাও একটু জেনে নেওয়া যাক। মুড়ি তুলনামূলকভাবে হালকা খাবার এবং এতে ফ্যাটের পরিমাণ কম। তবে শুধু মুড়ি খেলেই ওজন বাড়বে না বা কমবে, এমনটা বলা যায় না। কতটা পরিমাণে খাচ্ছেন এবং তার সঙ্গে কী মেশাচ্ছেন, তার উপর খাবারটির মোট ক্যালোরি ও পুষ্টিগুণ অনেকটাই নির্ভর করে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/yellow-muri.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মুড়ি হালকা ও সহজপাচ্য খাবার হিসেবে অনেকের কাছেই জনপ্রিয়। তবে বুকজ্বালা বা পেটের সমস্যার নির্দিষ্ট চিকিৎসা হিসেবে মুড়িকে ধরা ঠিক নয়। শরীর খারাপের সময় কী ধরনের খাবার উপযুক্ত হবে, তা ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী ঠিক করা উচিত। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/chana-muri.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ শরীরে দ্রুত শক্তি জোগানোর ক্ষেত্রেও মুড়ির ভূমিকা রয়েছে। কারণ চাল থেকে তৈরি হওয়ায় এতে কার্বোহাইড্রেট থাকে, যা শরীরের শক্তির অন্যতম উৎস। তবে শুধু মুড়িকে সম্পূর্ণ পুষ্টিকর খাবার হিসেবে না দেখে, প্রয়োজন অনুযায়ী বাদাম, ছোলা বা অন্য পুষ্টিকর উপাদানের সঙ্গে খেলে জলখাবারটি আরও ভারসাম্যপূর্ণ হতে পারে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/chili-muri.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এবার তবে জেনে নেওয়া যাক সেই বহুল প্রতীক্ষিত ইংরেজি নামটি। মুড়িকে ইংরেজিতে সাধারণত ‘Puffed Rice’ বলা হয়। চালকে বিশেষ পদ্ধতিতে ফুলিয়ে তৈরি করা হয় বলেই এই নাম। ভারতীয় খাবারের প্রসঙ্গে ইংরেজিতেও ‘Muri’ শব্দটি ব্যবহার হতে দেখা যায়, তবে সাধারণ ইংরেজি বর্ণনায় ‘Puffed Rice’ সবচেয়ে পরিচিত শব্দ। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/murii.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অর্থাৎ, পরের বার কেউ যদি আপনাকে মুড়ির ইংরেজি নাম জিজ্ঞেস করেন, অনায়াসেই বলতে পারেন—Puffed Rice। চায়ের সঙ্গে চানাচুর মেখে হোক, ঝালমুড়ি হোক বা শুধু একমুঠো শুকনো মুড়ি, বাঙালির এই চেনা খাবারটি নিজের স্বাদ আর ঐতিহ্য নিয়ে আজও সমান জনপ্রিয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/beware-these-6-things-attracting-snakes-in-your-home-1343921.html</loc><lastmod>2026-09-03T20:37:12+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/snake-2.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Snake 2 ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/snake-2-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বর্ষাকালে সাপের উপদ্রব বাড়ে খুব। অনেক সময়ই দরজা, জানালা দিয়ে সাপ ঘরে ঢুকে পড়ে। আবার অনেক সময় কোনও ফাঁকা পাত্র বা ঘরের কোণে সাপ ঘাপটি মেরে বসে থাকে। বাড়িতে রাখা কোন কোন জিনিস আপনার অজান্তেই সাপকে ডেকে আনে, জানেন? ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/snake-3.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ১. পাখির খাবার ও জল রাখার পাত্র- পাখিকে খাবার দেওয়া ভালো অভ্যাস হলেও, মাটিতে পড়ে থাকা খাবারের দানা ইঁদুরকে আকৃষ্ট করতে পারে। আর ইঁদুর অনেক সাপের অন্যতম প্রধান খাবার। ফলে পাখির খাবারের জায়গা থেকেই পরোক্ষভাবে সাপের আনাগোনা বাড়তে পারে। পাখির বাসা, ডিম বা বাচ্চাও কিছু প্রজাতির সাপের কাছে খাবারের উৎস হতে পারে। একইভাবে পাখির জন্য রাখা জলও সাপকে আকৃষ্ট করতে পারে। তাই পাখির খাবার ও জলের পাত্র বাড়ির দরজা-জানালা থেকে কিছুটা দূরে রাখুন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/snake-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ২. কম্পোস্ট ও ভার্মিকম্পোস্টের স্তূপ- খোলা জায়গায় কম্পোস্ট তৈরি করলে সেটিও সাপকে আকর্ষণ করে। জৈব বর্জ্য পচতে থাকলে, সেখানে পোকামাকড় ও ইঁদুর আসতে পারে। সেই খাবারের সন্ধানেই সাপ ওই এলাকায় চলে আসতে পারে। তাই খোলা কম্পোস্টের স্তূপের বদলে ঢাকনাযুক্ত শক্ত কম্পোস্ট বিন ব্যবহার করা ভালো। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/snake-5.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ৩. বাগানে জমে থাকা জল বা জলাধার- ছোট ফোয়ারা, পুকুর, টবের নিচে জমে থাকা জল—সবই সাপের জন্য জলের উৎস হতে পারে।  এই ধরনের জায়গায় ব্যাঙ ও পোকামাকড়ও জড়ো হয়, যা সাপের খাবার হতে পারে। তাই বিশেষ করে বৃষ্টির পর বাগান ভালো করে দেখে নিন যে কোথাও জল জমে আছে কি না। যেখানে দিনের পর দিন জল জমে থাকে, সেখানে দ্রুত পরিষ্কার করার ব্যবস্থা করুন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/snake-6.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ৪. পাথরের বাগান ও সাজানো পাথরের স্তূপ-  বাগানের সৌন্দর্য বাড়াতে রাখা পাথর বা পাথরের স্তূপের ফাঁকফোকর সাপের লুকিয়ে থাকার আদর্শ জায়গা হতে পারে। সেখানে তারা ছায়া, আশ্রয় এবং নিরাপদে চলাচলের সুযোগ পায়। তাই বাড়ির দরজা, জানালা বা হাঁটার রাস্তার একেবারে পাশে পাথরের স্তূপ না রাখাই ভালো। বাগানের সৌন্দর্য বজায় রেখেই এগুলি বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে রাখা যায়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/snake-7.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ৫. ইঁদুর আকৃষ্ট করে এমন জিনিস- সাপ সাধারণত মানুষকে খুঁজতে বাড়িতে আসে না; অনেক সময় খাবারের সন্ধানেই আসে। খোলা জায়গায় রাখা চাল-গমের বস্তা, পোষা প্রাণীর খাবার, কাঠের স্তূপ বা পুরনো কার্টনের বাক্স ইঁদুরকে আকৃষ্ট করতে পারে। আর যেখানে ইঁদুরের আনাগোনা বেশি, সেখানে সাপও খাবারের সন্ধানে চলে আসতে পারে। তাই খাবার ভালোভাবে বন্ধ করে রাখুন এবং স্টোররুম ও বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/snake-8.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ৬. ঘন লতাগাছ ও ঝোপঝাড়- মানিপ্ল্যান্ট, আইভি বা অন্যান্য লতাগাছ বাড়ির সৌন্দর্য বাড়ালেও অতিরিক্ত বেড়ে গেলে সাপের চলাচলের জন্য আদর্শ আড়াল তৈরি করতে পারে। দেওয়াল বা বেড়া ঘন লতাপাতায় ঢেকে গেলে, সাপ সেখান দিয়ে সহজেই চলাফেরা করতে পারে। মাটির কাছাকাছি ঘন ঝোপঝাড়ও  লুকিয়ে থাকার সুযোগ করে দেয়। তাই নিয়মিত গাছপালা ছাঁটাই করুন, বিশেষ করে বাড়ির দরজা-জানালা ও প্রবেশপথের আশপাশে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/snake-9.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পাখি খাওয়ানো, কম্পোস্ট তৈরি করা বা বাগান সাজানো—সবই করা যায়। শুধু এই জিনিসগুলি বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে রাখা, নিয়মিত পরিষ্কার করা এবং আশপাশে ইঁদুরের আনাগোনা নিয়ন্ত্রণে রাখাই গুরুত্বপূর্ণ। এতে বাড়ির চারপাশে সাপের আসার সম্ভাবনা কমানো যেতে পারে। ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/indian-railways-history-how-a-bengali-man-running-with-a-pot-led-to-the-first-train-toilet-1343817.html</loc><lastmod>2026-09-04T14:26:02+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Train-Toilet-Story-8.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Train Toilet Story 8 ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Train-Toilet-Story-7.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ট্রেনে সফর করেছেন সকলেই। কখনও ভেবেছেন দূরপাল্লার ট্রেনে সফর করছেন, অথচ ট্রেনে কোনও শৌচাগার নেই? কল্পনাতেও নিশ্চয়ই আসে না। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Train-Toilet-Story-9.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ভারতীয় রেলের প্রতিটি দূরপাল্লার ট্রেনের প্রত্যেক কামরার দুই প্রান্তে থাকে শৌচাগার। এছাড়া স্টেশনেও শৌচাগার থাকে।  ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Train-Toilet-Story-6.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তবে ভারতীয় রেলের যখন যাত্রা শুরু হয়েছিল, তখন কিন্তু ট্রেনে থাকত না কোনও শৌচাগার। কীভাবে ট্রেনে শৌচাগার যোগ করার ভাবনা এসেছিল, জানেন? এর নেপথ্যে কিন্তু রয়েছেন একজন বাঙালিই।   ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Train-Toilet-Story-5.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ১৮৫৩ সালে যাত্রা শুরু হয় ভারতীয় রেলওয়ের। সেই সময়ে ট্রেনে কোনও শৌচাগার থাকত না। দূরপাল্লার ট্রেনে সফর করার সময় যাত্রীদের অপেক্ষা করতে হত স্টেশন আসার। একমাত্র তখনই তারা শৌচাগারে যেতে পারতেন।  ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Train-Toilet-Story-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ১৯০৯ সালে অখিল চন্দ্র সেন নামক একজন যাত্রী যখন ট্রেনে সফর করছিলেন, তখন তাঁর পেটে সমস্যা হয়। ট্রেন যখন আহমেদপুর স্টেশনে দাঁড়ায়, তখন তিনি প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে তড়িঘড়ি ট্রেন থেকে নামেন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Train-Toilet-Story-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তবে কাজ শেষ করতে করতেই ট্রেন হুইসেল দিয়ে দেয়। এক হাতে লোটা, এক হাতে ধুতির কোঁচা ধরেই তিনি ট্রেনের পিছনে দৌড় লাগান।   ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Train-Toilet-Story-3.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তবে এমনই ভাগ্য! ট্রেনের পিছনে দৌড়তে দৌড়তে মুখ থুবড়ে পড়ে যান তিনি। খুলে যায় ধুতি। মিস হয় ট্রেন। আর যাওয়া হয় না তাঁর। শুধুমাত্র ট্রেনে শৌচাগার না থাকার জন্যই এমনটা হয়। তখনই অখিল চন্দ্র সেন অনুভব করেন যে তাঁর মতো বাকি যাত্রীদেরও এই অভিজ্ঞতা হতে পারে। ট্রেনে শৌচাগার থাকা দরকার। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Train-Toilet-Story-4.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এই প্রয়োজনীয়তা থেকেই তিনি তৎকালীন ইস্ট ইন্ডিয়া রেলওয়েকে চিঠি লেখেন। সাহিবগঞ্জ ডিভিশনাল রেলওয়ে অফিসে পাঠানো চিঠিতে তিনি লেখেন যে ট্রেনে শৌচাগার থাকা খুব জরুরি। তাঁর এই চিঠিতে টনক নড়ে রেল আধিকারিকদেরও। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Train-Toilet-Story.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অখিল চন্দ্র সেনের চিঠি পেয়েই ব্রিটিশ প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেয় যে ভারতীয় রেলওয়েতে শৌচাগার যোগ করা হবে। ১৯০৯ সাল থেকে ট্রেনে টয়লেট চালু করা হয়। তবে প্রথমে ট্রেনের সমস্ত কোচে শৌচাগার থাকত না। শুধুমাত্র ফার্স্ট ক্লাস কামরার যাত্রীদের জন্যই এই সুবিধা থাকত।  ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Train-Toilet-Story-10.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ তবে প্রথমে ট্রেনের সমস্ত কোচে শৌচাগার থাকত না। শুধুমাত্র ফার্স্ট ক্লাস কামরার যাত্রীদের জন্যই এই সুবিধা থাকত।  ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Train-Toilet-Story-11.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ দীর্ঘ অপেক্ষার পর, ১৯৪০ সাল নাগাদ ট্রেনের সমস্ত কোচেই শৌচাগার যোগ করা হয়। এতে সকল যাত্রীদেরই সুবিধা হয়। দীর্ঘ সময় পর্যন্ত ট্রেনে শৌচকর্ম করলে, তা ট্রেনের ট্র্যাকেই পড়ে থাকত। ২০১০ সাল নাগাদ বায়ো-টয়লেট চালু করা হয়।    ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/how-to-get-rid-of-spiders-use-this-simple-household-remedy-to-keep-your-home-spider-free-1343699.html</loc><lastmod>2026-09-02T21:30:40+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Spider.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Spider ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Spider-1.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বাড়িতে মাকড়সা বাসা বেঁধেছে? ঘরের কোণে, রান্নাঘরে, বাথরুমে মাকড়সা জাল তৈরি করছে?  কিছুতেই তাড়াতে পারছেন না? তাহলে রয়েছে সহজ কিছু টোটকা, যাতে সহজেই বাড়ি থেকে পাই-পাই করে পালাবে।   ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Spider-3.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বর্ষাকালে সাধারণত মাকড়সার উপদ্রব বেশি হয়। ঝুলঝাড়ু দিয়ে সাফ করেও মাকড়সা দূর হয় না। তবে অনেকেই জানেন না যে ঘরে থাকা কিছু জিনিস দিয়েই সহজে মাকড়সা তাড়ানো যায়।  ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Spider-2.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ মাকড়সা তাড়ানোর সবথেকে সহজ উপায় হল সাদা ভিনেগার। ভিনেগারে থাকা অ্যাসিটিক অ্যাসিড মাকড়সা দূর করে।  সমান পরিমাণ জল ও সাদা ভিনেগার মিশিয়ে একটি স্প্রে তৈরি করুন। যেখানে মাকড়সার জাল তৈরি হয়েছে, সেখানে এটি স্প্রে করুন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Spider-4.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[  মাকড়সা পুদিনার তীব্র গন্ধ একেবারেই পছন্দ করে না। একটি স্প্রে বোতলে জল নিন এবং তাতে ১০ থেকে ১৫ ফোঁটা পুদিনার এসেন্সিয়াল অয়েল মেশান। এই মিশ্রণটি আপনার বাড়ির কোণায়, জানালা ও দরজার কাছে স্প্রে করুন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Spider-7.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[  রসুনের তীব্র গন্ধও মাকড়সা দূরে রাখার একটি দারুণ উপায়। কয়েকটি রসুনের কোয়া থেঁতো করে জলে সেদ্ধ করুন। জলটি ঠান্ডা হয়ে গেলে একটি স্প্রে বোতলে ভরে আপনার বাড়ির কোণায় কোণায় স্প্রে করুন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Spider-8.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[  দারুচিনির তীব্র গন্ধও মাকড়সা দূরে রাখতে সাহায্য করতে পারে। বাড়ির যেসব জায়গায় মাকড়সার আনাগোনা বেশি, সেখানে দারুচিনির গুঁড়ো ছিটিয়ে দিন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Spider-10.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এছাড়া দারুচিনির তেলের সঙ্গে জল মিশিয়ে  নিয়মিত স্প্রে তৈরি করে দিলেও, বাড়ি থেকে মাকড়সা দূর হয়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/Spider-5.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ লেবুজাতীয় ফলের গন্ধে মাকড়সা দূরে থাকে। বাড়ির কোণায় এবং জানালার কাছে লেবু বা কমলার খোসা ঘষে দিলে মাকড়সা আসে না। এছাড়া জলের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে স্প্রে করলে, মাকড়শা দূর হয়।  ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/why-is-it-called-zebra-crossing-history-meaning-and-traffic-facts-1343621.html</loc><lastmod>2026-09-02T15:59:07+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/drone-crossing.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Drone Crossing ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/panoroma-crossing.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ব্যস্ত শহরের পিচঢালা রাস্তায় সাদা-কালো ডোরার দাগ এক অত্যন্ত পরিচিত দৃশ্য। ট্রাফিকের লাল আলো জ্বলে উঠলেই পথচারীরা নিরাপদে পারাপারের জন্য বেছে নেন এই বিশেষ পথটি। কিন্তু খুব কম মানুষই জানেন, এই সাধারণ ট্রাফিক চিহ্নের নাম কীভাবে বন্যপ্রাণী জেব্রার সঙ্গে জুড়ে গেল। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/family-cross-road.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বিংশ শতকের শুরুর দিকে ইংল্যান্ডের রাস্তায় হু হু করে গাড়ির সংখ্যা বেড়ে গিয়েছিল। পথচারীদের নিরাপদে রাস্তা পারাপারের ব্যবস্থা করতে ১৯৩০-এর দশক থেকেই ব্রিটেনে নানা ধরনের pedestrian crossing ও চিহ্ন নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলতে থাকে। তবে পুরনো ধরনের crossing অনেক সময় দূর থেকে চালকদের চোখে যথেষ্ট স্পষ্ট হত না। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/women-cross-road.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সমস্যার পাকাপোক্ত সমাধান খুঁজতে ১৯৪০-এর দশকের শেষ দিকে ব্রিটেনের Road Research Laboratory বিভিন্ন ধরনের pedestrian crossing-এর দৃশ্যমানতা নিয়ে পরীক্ষা শুরু করে। বিভিন্ন রং ও নকশার পরীক্ষার পর দেখা যায়, কালো পিচের ওপর চওড়া সাদা-কালো ডোরাকাটা দাগ দূর থেকেই সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে। ১৯৪৯ সালে প্রায় ১,০০০টি পরীক্ষামূলক crossing-এ বিভিন্ন নকশা পরীক্ষা করা হয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/drone-crossing.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এই নতুন নকশার সঙ্গে ‘জেব্রা’ নামটি কীভাবে জুড়ে গেল, তা নিয়েও রয়েছে মজার ইতিহাস। প্রচলিত তথ্য অনুযায়ী, ব্রিটিশ রাজনীতিবিদ জেমস ক্যালাঘান Road Research Laboratory-তে এই ধরনের crossing দেখে মন্তব্য করেছিলেন, নকশাটি দেখতে অনেকটা জেব্রার মতো। তাঁর সেই মন্তব্যের সূত্র ধরেই ‘Zebra Crossing’ নামটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/green-way-crossing.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সাদা-কালো রং বেছে নেওয়ার মূল বৈজ্ঞানিক কারণ হল এর দুর্দান্ত contrast বা দৃশ্যমানতা। কালো পিচের ওপর উজ্জ্বল সাদা দাগ দিনের আলোয় যেমন সহজে চোখে পড়ে, তেমনই গাড়ির হেডলাইটের আলোতেও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ফলে চালকদের কাছে পথচারী পারাপারের জায়গাটি দ্রুত শনাক্ত করা সহজ হয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/one-man-cross-road.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বর্তমানে এটি শুধুমাত্র একটি দেশের নিয়ম নয়, বিশ্বের বহু দেশে পরিচিত pedestrian crossing-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীকে পরিণত হয়েছে। বিশ্বের যে কোনও প্রান্তের চালক অচেনা রাস্তায় গাড়ি চালালেও এই ধরনের নকশা দেখলে পথচারী পারাপারের জায়গা বলে বুঝতে পারেন। রঙের জটিলতা না রেখে সাদা-কালো contrast রাখায় নকশাটি সহজেই চোখে পড়ে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/abroad-crossing.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ বাংলা ভাষায় জেব্রা ক্রসিংয়ের অর্থ করা যায় ‘পথচারী পারাপারের স্থান’ বা ‘পদচারী পারাপার’। চাকার ঘর্ষণ, কড়া রোদ এবং ভারী বৃষ্টির মধ্যেও যাতে রাস্তার এই দাগ যতটা সম্ভব দীর্ঘস্থায়ী হয়, তার জন্য বিভিন্ন ধরনের road-marking material ব্যবহার করা হয়। জায়গা ও ব্যবস্থাপনা অনুযায়ী এই উপকরণে পার্থক্যও থাকতে পারে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/black-and-white.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পরবর্তী সময়ে নিরাপত্তার খাতিরে পেলিকান বা পাফিনের মতো উন্নত প্রযুক্তির signal-controlled crossing এলেও জেব্রা ক্রসিংয়ের গুরুত্ব কমেনি। বিশ্বজুড়ে ব্যস্ততম রাজপথ হোক কিংবা শহরের অলিগলি, ট্রাফিকের মাঝে নির্দিষ্ট জায়গা দিয়ে নিরাপদে রাস্তা পার হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম এই সাদা-কালো দাগ। ট্রাফিকের নিয়ম মেনে এই পথ ব্যবহার করাই পথচারীর সুরক্ষার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চাবিকাঠি। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/what-is-samosa-called-in-english-discover-the-global-name-of-indias-favourite-snack-1343555.html</loc><lastmod>2026-09-03T12:14:19+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/folding-singara-1.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Folding Singara ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/samosa-with-salad.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সন্ধ্যা নামলেই এক কাপ গরম চায়ের সঙ্গে ধোঁয়া ওঠা গরম সিঙারা না হলে আড্ডাটা ঠিক জমে না। এই খাস্তা পদটির ইংরেজি নাম নিয়েও অনেকের কৌতূহল রয়েছে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/proper-singara.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সিঙারাকে ইংরেজিতে সাধারণত ‘Samosa’ নামেই ডাকা হয়। অর্থাৎ এর জন্য আলাদা কোনও নির্দিষ্ট English translation নেই। তবে খাবারটি কী ধরনের, তা বোঝাতে ইংরেজিতে একে ‘triangular savoury pastry filled with spiced vegetables or meat’-এর মতো করে বর্ণনা করা যায়। এই বর্ণনাটি নাম নয়, খাবারটির গঠন ও উপকরণ বোঝানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/oil-fry-singara.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সিঙারার গঠন বোঝাতে ইংরেজিতে অনেক সময় ‘savoury pastry’ বা ‘triangular pastry’ ধরনের বর্ণনা ব্যবহার করা হয়। তবে এগুলি সিঙারার নির্দিষ্ট ইংরেজি নাম নয়। পশ্চিমী পেস্ট্রির সঙ্গে বাহ্যিক মিল থাকলেও মশলা ও পুরের বৈশিষ্ট্যের কারণে সিঙারার স্বাদ একেবারেই আলাদা। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/folding-singara.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ যদিও বিশ্বায়নের যুগে অক্সফোর্ড ডিকশনারি সরাসরি &#039;Samosa&#039; শব্দটিকেই ইংরেজি অভিধানে পাকাপোক্ত জায়গা করে দিয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক যে কোনও মেনু কার্ডে এটি এখন আর ইংরেজি অনুবাদের মুখাপেক্ষী নয়। নিজের আসল নামেই বিশ্বজুড়ে দাপটের সঙ্গে পরিচিতি পেয়েছে এই খাস্তা খাবার। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/corner-singara.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ জানলে অবাক হবেন, আমাদের এই প্রিয় সিঙারার জন্ম কিন্তু ভারতে হয়নি, এর আদি উৎস মধ্য এশিয়ার পারস্য বা ইরানে। মধ্যযুগে ইরান ও মধ্য এশিয়ায় এটি &#039;সাম্বোসা&#039; বা &#039;সাম্বুশক&#039; নামে বেশ জনপ্রিয় ছিল। পর্যটক ও বণিকদের হাত ধরেই ধীরে ধীরে এটি ভারতীয় উপমহাদেশে পা রাখে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/stylish-singara.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, দশম শতাব্দীর পারস্যের ঐতিহাসিক নথিতে মাংসের পুর ভরা ত্রিভুজাকৃতির &#039;সাম্বুসা&#039;র পরিষ্কার উল্লেখ মেলে। পরবর্তীতে দিল্লি সুলতানি ও মুঘল আমলে এটি ভারতীয় রাজদরবারের অভিজাতদের পাতে প্রবেশ করে। কালক্রমে এটি রাজপ্রাসাদ থেকে নেমে আসে সাধারণ মানুষের ঘরে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/special-singara.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ভারতে আসার পর সিঙারার চরিত্রে বিশাল বদল ঘটে এবং আমিষ রূপ ছেড়ে এটি হয়ে ওঠে নিরামিষ আলুর পুরে ঠাসা। বাঙালির নিজস্ব সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে গিয়ে এটি হয়ে ওঠে ফুলকপি, বাদাম আর স্পেশাল ভাজা মশলার সুস্বাদু &#039;সিঙারা&#039;। একেক রাজ্যে এর স্বাদ ও বানানোর কৌশল আলাদা। যদিও আমিষ পুর ভরা সিঙারারও দেখা মেলে। Getty Images ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/samosha.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সুতরাং, সিঙারার জন্য আলাদা কোনও নির্দিষ্ট ইংরেজি অনুবাদ নেই। ইংরেজিতেও এটি ‘Samosa’ নামেই পরিচিত। খাবারটির ধরন বোঝাতে একে ‘triangular savoury pastry filled with spiced vegetables or meat’ বলা যায়। নামের বদল না হলেও স্বাদে-আবেগে সিঙারা আজ ভারতীয় স্ন্যাকসের অন্যতম জনপ্রিয় পরিচয়। Getty Images ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/does-burnt-food-really-cause-cancer-research-reveals-the-truth-about-acrylamide-1343372.html</loc><lastmod>2026-09-01T15:16:27+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/chicken-kebab.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Chicken Kebab ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/chicken-kebab.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ পোড়া খাবার (Burnt Food) অনেকেরই খুব প্রিয় হলেও অতিরিক্ত পোড়া খাবার নিয়মিত খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য একেবারেই ভালো নয়। মা-ঠাকুমারা আগে বলতেন পোড়া খাবার খেলে শরীরে নানা রোগ বাসা বাঁধে, যা অনেকেই এতদিন কুসংস্কার ভাবতেন। তবে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে বড়দের সেই বারণের পেছনে রয়েছে বাস্তব বৈজ্ঞানিক সত্য। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/burnt-bread.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ইউরোপিয়ান ফুড সেফটি অথরিটির তথ্য অনুসারে, খাবারে থাকা এই অ্যাক্রিলামাইড মানুষের শরীরে ক্যানসারের ঝুঁকি অনেক বাড়িয়ে দিতে পারে। গবেষণাগারে প্রাণীদের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে বিজ্ঞানীরা দেখেছেন যে এই উপাদানটি শরীরে ঢুকলে তা সরাসরি কোষের ক্ষতি করে টিউমার তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে ছোট শিশুদের শরীরের ওজন কম হওয়ায় এই রাসায়নিকের ক্ষতিকর প্রভাব তাদের ওপর তুলনামূলক বেশি পড়ে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/burnt-food.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ইউরোপিয়ান ফুড সেফটি অথরিটির তথ্য অনুসারে, খাবারে থাকা এই অ্যাক্রিলামাইড মানুষের শরীরে ক্যানসারের ঝুঁকি অনেক বাড়িয়ে দিতে পারে। গবেষণাগারে প্রাণীদের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে বিজ্ঞানীরা দেখেছেন যে এই উপাদানটি শরীরে ঢুকলে তা সরাসরি কোষের ক্ষতি করে টিউমার তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে ছোট শিশুদের শরীরের ওজন কম হওয়ায় এই রাসায়নিকের ক্ষতিকর প্রভাব তাদের ওপর তুলনামূলক বেশি পড়ে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/brinjal-dark.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ নেদারল্যান্ডসের মাস্ট্রিচ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা দেখেছেন যে নিয়মিত অতিরিক্ত পোড়া খাবার খেলে নারীদের ক্ষেত্রে ওভারিয়ান ও এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যানসারের আশঙ্কা বেড়ে যায়। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন যে এই রাসায়নিক উপাদানটি মানবদেহের নানা হরমোনের স্বাভাবিক গতিপ্রকৃতি পরিবর্তন করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করতে পারে। এর পাশাপাশি গবেষণায় অতিরিক্ত অ্যাক্রিলামাইডের সাথে কিডনি ক্যানসারের সরাসরি যোগসূত্রও খুঁজে পাওয়া গেছে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/burnt-chicken.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ ক্যানসারের আশঙ্কার বাইরেও বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হয়েছেন যে এই রাসায়নিক উপাদানটি মানুষের স্নায়ুতন্ত্র বা নার্ভের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এটি রক্তে মিশে দীর্ঘমেয়াদে নার্ভ কোষের প্রতিরক্ষামূলক প্রোটিন নষ্ট করে মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়। প্রতিদিন অল্প অল্প করে এই বিষাক্ত উপাদান শরীরে প্রবেশ করলে বয়সকালে ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রমের মতো জটিল স্নায়ুরোগ দেখা দিতে পারে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/grilled-chicken.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মতে গর্ভবতী নারী ও গর্ভস্থ সন্তানের জন্য এই ধরনের পোড়া খাবার খাওয়া মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। পানির সাথে সহজে মিশে যাওয়ার ক্ষমতার কারণে অ্যাক্রিলামাইড মায়ের শরীর থেকে সরাসরি গর্ভের শিশুর রক্তে পৌঁছে যেতে পারে। এর ফলে গর্ভস্থ শিশুর সঠিক বিকাশ ব্যাহত হয় এবং জন্মের সময় শিশুর ওজন ও মাথার আকার স্বাভাবিকের চেয়ে কম হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/burnt-corn.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এই স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে প্রিয় খাবার খাওয়া একদম বন্ধ না করে রান্নার পদ্ধতিতে কিছুটা সচেতন পরিবর্তন আনার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। আলু ভাজার আগে বা চিপস তৈরির আগে খোসা ছাড়ানো কাঁচা আলুর টুকরো অন্তত ১০ মিনিট হালকা গরম জলে ভিজিয়ে রাখা প্রয়োজন। এই সাধারণ অভ্যাসের ফলে রান্নার সময় ক্ষতিকর অ্যাক্রিলামাইড তৈরি হওয়ার পরিমাণ প্রায় ৯০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/chicken-tandoori.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ যেকোনও খাবার রান্না বা সেঁকার সময় অতিরিক্ত কড়া আঁচে না পুড়িয়ে হালকা আঁচে হালকা বাদামি করে ভেজে নেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ। ব্রেকফাস্টে পাউরুটি বা টোস্ট অসাবধানতায় বেশি পুড়ে গেলে খাওয়ার আগে অবশ্যই চামচ বা ছুরি দিয়ে পোড়া কালো অংশটি ছেঁচে ফেলে দেওয়া উচিত। রান্নায় সামান্য সচেতনতা ও সঠিক খাদ্যাভ্যাস আপনার পুরো পরিবারকে বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে সহজে দূরে রাখবে।  তথ্যসূত্র - বিবিসি ]]></image:caption></image:image></url><url><loc>https://tv9bangla.com/photo-gallery/how-to-check-lpg-gas-level-at-home-without-lifting-heavy-cylinder-1343340.html</loc><lastmod>2026-09-01T11:57:01+05:30</lastmod><image:image>
					<image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/heat-wafe.jpg</image:loc>
					<image:title><![CDATA[ Heat Wafe ]]></image:title>
				</image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/sad-gas.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ রান্না করতে গিয়ে মাঝপথে হঠাৎ গ্যাস ফুরিয়ে যাওয়া যে কোনও বাড়ির জন্যই এক চরম ভোগান্তির বিষয়। এই ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সিলিন্ডারে আর কতটা গ্যাস অবশিষ্ট রয়েছে তা আগে থেকেই জানা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু ভারী সিলিন্ডার হাতে তুলে বা ঝাঁকিয়ে তার সঠিক ওজন আন্দাজ করা বেশিরভাগ মানুষের পক্ষেই বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/hot-water-test.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সিলিন্ডার তোলার এই ঝক্কি এড়াতে প্রয়োজন সামান্য কিছু কৌশল এবং ঘরে থাকা এক মগ সাধারণ গরম জল। খেয়াল রাখতে হবে জল যেন খুব বেশি ফুটন্ত না হয়, মাঝারি উষ্ণতার গরম জলই এই কাজের জন্য একদম আদর্শ। একটি জগ বা মগে গরম জল নিয়ে সিলিন্ডারের এক পাশ বরাবর উপর থেকে নীচ পর্যন্ত ধীরে ধীরে ঢেলে দিন। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/heat-wafe.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সিলিন্ডারের গায়ে গরম জল ঢালা হয়ে গেলে মাত্র ৫ থেকে ১০ সেকেন্ড সময় অপেক্ষা করতে হবে। এরপর যে দিক দিয়ে জল ঢালা হয়েছে, সেই অংশটিতে উপর থেকে নীচের দিকে হাত বুলিয়ে অনুভব করুন। সিলিন্ডারের ঠিক যে অংশে হাত দিলে তাপমাত্রা বদলে গরম থেকে ঠান্ডা লাগবে, বুঝে নেবেন ঠিক সেই স্তর পর্যন্তই তরল গ্যাস মজুত রয়েছে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/gasses.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সিলিন্ডারের ভেতরে থাকা লিকুইফায়েড পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজি মূলত উচ্চ চাপে তরল অবস্থায় সংরক্ষিত থাকে। এই তরল অংশটি সিলিন্ডারের দেওয়াল থেকে দ্রুত তাপ শোষণ করে নেয় বলে সেই জায়গাটি স্বাভাবিকভাবেই ঠান্ডা হয়ে যায়। অন্যদিকে যে অংশে গ্যাস থাকে না বা খালি হয়ে গিয়েছে, সেই খালি অংশটি গরম জলের তাপ ধরে রেখে বেশ কিছুক্ষণ উষ্ণ থাকে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/chain-gas.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ সিলিন্ডারের উপর থেকে নীচ পর্যন্ত হাত বুলিয়ে যদি কোনও তাপমাত্রার ফারাক না পাওয়া যায় এবং পুরোটাই সমান গরম লাগে, তবে সতর্ক হতে হবে। এর স্পষ্ট অর্থ হল সিলিন্ডারের মজুত গ্যাস প্রায় তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে বা সম্পূর্ণ শেষ হয়ে গিয়েছে। এমন পরিস্থিতি লক্ষ্য করলে কালবিলম্ব না করে দ্রুত নতুন সিলিন্ডারের বুকিং সেরে নেওয়া দরকার। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/bharat-gas.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ অনেক সময় গরম জল ঢালার পর সিলিন্ডারের বাইরের অংশে আর্দ্রতা জমে ঘনীভূত জলের একটি স্পষ্ট রেখা বা দাগ ফুটে ওঠে। এই ঘনীভবন রেখাটিও সিলিন্ডারের ভেতরে তরল গ্যাসের সঠিক উচ্চতা নিখুঁতভাবে নির্দেশ করে দেয়। তবে সিলিন্ডারের গায়ে এমন দাগ স্পষ্টভাবে দেখা না গেলেও কেবল হাতের স্পর্শেই তাপমাত্রার পার্থক্য খুব সহজেই টের পাওয়া সম্ভব। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/cylinde-head.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ এই সহজ ঘরোয়া কৌশলটি আরও বেশি কার্যকর ও স্পষ্ট ফলাফল দেয় যদি রান্না শেষ করার ঠিক পরপরই পরীক্ষাটি করা হয়। রান্নার সময় ওভেন চালু থাকায় ভেতরের তরল এলপিজি গ্যাস দ্রুত গ্যাসে রূপান্তরিত হতে থাকে এবং সিলিন্ডারের দেওয়াল থেকে তাপ টানে। ফলে ওই সময়ে সিলিন্ডারের ঠান্ডা ও গরম অংশের সীমারেখাটি অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবে হাতে ধরা পড়ে। ]]></image:caption></image:image><image:image><image:loc>https://images.tv9bangla.com/wp-content/uploads/2026/09/cylinder.jpg</image:loc><image:caption><![CDATA[ কোনওরকম দামি গ্যাজেট বা ভারী সিলিন্ডার মাটি থেকে তোলার ঝুঁকি ছাড়াই এই সাধারণ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি যে কোনও গৃহস্থালিতে কাজে লাগানো যায়। এতে যেমন কোমরে বা হাতে চোট পাওয়ার কোনও সম্ভাবনা থাকে না, তেমনই গ্যাস ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই আগাম প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হয়। প্রতিদিনের রান্নার ঝামেলা এড়াতে এই সহজ ও নিরাপদ কৌশলটি অত্যন্ত কার্যকর একটি সমাধান। ]]></image:caption></image:image></url></urlset>