কার্ফু না মেনে বিয়ের অনুষ্ঠান, অতিথি তাড়ানোয় জেলাশাসকের শাস্তির দাবি ৫ বিজেপি বিধায়কের

ভাইরাল ভিডিয়োতে দেখা যায়, লাঠিপেটা করে অতিথিদের বের করে দিচ্ছেন পুলিশ। বিয়ের কনেকেও মঞ্চ থেকে নেমে আসতে বলা হয়।

কার্ফু না মেনে বিয়ের অনুষ্ঠান, অতিথি তাড়ানোয় জেলাশাসকের শাস্তির দাবি ৫ বিজেপি বিধায়কের
ধমক খাচ্ছেন পুলিশরাও। ছবি:টুইটার।

আগরতলা: নাইট কার্ফুর নিয়মবিধি অমান্য করেই চলছিল দুটি বিয়েবাড়ির অনুষ্ঠান। আচমকাই হাজির হন জেলাশাসক। কার্যত ঘারধাক্কা দিয়ে বের করে দেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে। বর-কনে সহ একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতারও করা হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় জেলাশাসকের দাবাং ভূমিকা বাহবা কুড়োলেও তাঁর অপসারণের দাবি জানালেন ত্রিপুরার পাঁচ বিজেপি বিধায়ক।

করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আগরতলায় জারি করা হয়েছে নৈশ কার্ফু। বিয়েবাড়ির অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিতের সংখ্যাও নির্ধারিত করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নিয়ম ভঙ্গ করায় গতকাল দুটি বিয়েবাড়িতে হানা দেন জেলাশাসক। দায়িত্বে থাকা পুলিশ অফিসারদের বরখাস্তের হুমকির পাশাপাশি সকলকে বেরও করে দেন তিনি। ছাড় পাননি বর-কনেও।

মঞ্চ থেকে নামিয়ে আনা হয় বিয়ের কনেকেও।

জেলাশাসকের এই রাগী রূপের প্রশংসাও যেমন অনেকে করেছেন, তেমনই তাঁর দুর্ব্যবহার নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। বিজেপির পাঁচ বিধায়ক, আশীষ কুমার সাহা, দিবাচন্দ্র , রাম প্রসাদ পাল, সুশাসন্ত চৌধুরি ও আশীষ দাস রাজ্যের মুখ্য সচিব মনোজ কুমারকে চিঠি লিখে জেলাশাসক শৈলেশ কুমার যাদবের বিরুদ্ধে কড়া শাস্তির দাবি জানান।

তাঁরা চিঠিতে লেখেন, শৈলেশ কুমার কেবল বর-কনেকে শারীরিক হেনস্থাই করেননি, একইসঙ্গে আমন্ত্রিতেদের অপমান ও পুরোহিতকে গলা ধাক্কাও দিয়েছেন। মহিলাদের সঙ্গেও খারাপ ব্যবহার করেছেন তিনি। “অসভ্য” ব্যবহার করেছেন তিনি।

যদিও ভিডিয়ো ভাইরাল হওয়ার পরই ক্ষমা চেয়ে নেন শৈলেশ কুমার যাদব। তিনি বলেন, “আমার ব্যবহারে যদি কোনও একক ব্যক্তি বা গোষ্ঠী আঘাত পেয়ে থাকেন, তবে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।তবে আমি সাধারণ মানুষের সুরক্ষা ও মঙ্গলকামনা করেই ওই পদক্ষেপ করতে বাধ্য হয়েছিলাম। কাউকে আঘাত করা বা দুঃখ দেওয়া আমার লক্ষ্য ছিল না।”

আরও পড়ুন: ‘লাইসেন্স আছে?’ বিনামূল্যে ফ্যাবিফ্লু বিতরণ ঘিরে দিল্লি হাইকোর্টের ভৎসনার মুখে সাংসদ গম্ভীর

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla