ভোটের ফলের আগেই বড় সাফল্য, পুলিশি এনকাউন্টারে খতম উলফা শীর্ষ নেতা, ধৃত ১

জানা গিয়েছে, ভোর সাড়ে পাঁচটা নাগাদ শুরু হয় গুলির লড়াই। দীর্ঘক্ষণ গুলির লড়াই চলার পর উলফার পশ্চিম বিভাগের কম্যান্ডার দ্বীপেন সৌদের মৃত্যু হয় পুলিশের গুলিতে। এরপরই ঘটনাস্থান ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করে জঙ্গীরা।

ভোটের ফলের আগেই বড় সাফল্য, পুলিশি এনকাউন্টারে খতম উলফা শীর্ষ নেতা, ধৃত ১
প্রতীকী চিত্র।

গুয়াহাটি: উলফা জঙ্গি দমনে বড় সাফল্য পেল নিরাপত্তা বাহিনী। বৃহস্পতিবার অসমের বনগাইগাঁও জেলার বেসিমারি এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াই শুরু হয় উলফা জঙ্গি গোষ্ঠীর। গুলিতে নিহত হন উলফা গোষ্ঠীর পশ্চিম বিভাগের সদ্য নিয়োজিত নেতা দ্বীপেন সৌদ। আহত হয়েছেন আরও এক শীর্ষ নেতা।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্র মারফত খবর পেয়েই এ দিন ভোরবেলায় বনগাইগাঁও জেলার ওই অঞ্চলে তল্লাশি অভিযান চালায় পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী। ভোর সাড়ে পাঁচটা নাগাদ শুরু হয় গুলির লড়াই। দীর্ঘক্ষণ গুলির লড়াই চলার পর উলফার পশ্চিম বিভাগের কম্যান্ডার দ্বীপেন সৌদের মৃত্যু হয় পুলিশের গুলিতে। এরপরই ঘটনাস্থান ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করে জঙ্গীরা। তবে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যায় পাদুম রাই নামক আরেক জঙ্গি। ঘটনাস্থান থেকে নানা অস্ত্র ও গ্রেনেড উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

এই বিষয়ে অসমের ডিজিপি ভাস্কর জ্যোতি মাহান্ত জানান, অসম পুলিশের কাছে খবর এসেছিল যে ভোট পরবর্তী আবহে আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিদের অপহরণের পরিকল্পনা ছিল। এছাড়াও দেশবিরোধী কার্যকলাপের পরিকল্পনাও ছিল তাদের।

এ দিনের অভিযানের সফলতার কথা জানিয়ে তিনি টুইটে বলেন, “বনগাইগাঁও জেলায় বেসিমারি এলাকায় পুলিশ ও উলফা জঙ্গিদের মধ্যে এনকাউন্টারে উলফা পশ্চিম বিভাগের কম্যান্ডার দ্বিপেন সৌদ নিহত হয়েছেন। সম্প্রতিই তাঁকে দৃষ্টি রাজখোয়ার পরিবর্তে এই পদে বসানো হয়েছিল। বুলেটের আঘাতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তাঁর মৃতদেহ বনগাইগাঁও সিভিল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।”

আরও পড়ুন: ‘পর্যাপ্ত টিকা নেই, অপেক্ষা করুন’, ১ মে থেকে ১৮ উর্ধ্বদের টিকাকরণে ‘না’ মুম্বইয়েরও