Subhasish Chakraborty: CID-র সঙ্গে বাকবিতণ্ডা, মমতা-অভিষেকের হয়ে প্রবল লড়াই, এই শুভাশিসকে চেনেন?
তখন বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন তৃণমূলের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ শুভাশিস চক্রবর্তী। বেশ কিছুক্ষণ সিআইডি (CID)-র সঙ্গে চলে বচসা। একদিকে যখন তৃণমূলের অর্ধেকের বেশি নেতারা ব্যস্ত দলের বদনাম করতে, দল থেকে বেরিয়ে যেতে সেই সময় কার্যত মমতার বাড়ি আগলে রাখলেন শুভাশিস।

কলকাতা: প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বর্তমানে দিল্লিতে। আর ঠিক সেই সময়ই বদলে গেল ৩০ বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের চেহারা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির ঠিকানাতেই তৃণমূলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তল্লাশি চালাতে যান সিআইডি অফিসাররা। অনেকক্ষণ ডাকাডাকি করেন। তখন বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন তৃণমূলের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ শুভাশিস চক্রবর্তী। বেশ কিছুক্ষণ সিআইডি (CID)-র সঙ্গে চলে বচসা। একদিকে যখন তৃণমূলের অর্ধেকের বেশি নেতারা ব্যস্ত দলের বদনাম করতে, দল থেকে বেরিয়ে যেতে সেই সময় কার্যত মমতার বাড়ি আগলে রাখলেন শুভাশিস।
কে এই শুভাশিস চক্রবর্তী?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তখন যাদবপুরের MP। সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়কে পরাজিত করে সাংসদ হন সেখানকার। সেই সময় কুঁদঘাট, বেহালার মতো জায়গায় প্রচুর তরুণ যুবক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামী হয়েছিলেন। সেই অনুগামীদের মধ্যে যেমন ছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়, তেমনই একজন ছিলেন শুভেশিস চক্রবর্তী। তিনি কোনও দিন ক্যারিশ্মাটিক ছিলেন না। তবে দক্ষ সংগঠক। বেশির ভাগ সময়ই শুধু তৃণমূল কংগ্রেসটুকুই করেছে। কোনও দিনই দলবদল করেননি তিনি। সেই প্রথম থেকে এখনও পর্যন্ত তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গী।
তবে, শুভাশিসের স্ত্রী কাউন্সিলর। পরবর্তীতে দল শুভাশিসকে রাজ্যসভার সাংসদ করে। এরপর দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা সভাপতি হন। এরপর ২০২৬ সালে তাঁকে টিকিট দেওয়া হয় বিধানসভার। তবে পরাজিত হন তিনি।
আজ যখন সিআইআডি আসে সেই সময় শুভাশিস বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপস্থিতিতে আমি ঢুকতে দিতে পারব না। আমার নাম শুভাশিস চক্রবর্তী। যে চিঠি দিয়েছে, তার অ্যাবসেন্সে কী করে ঢুকতে দেব? আমিও আইনের ছাত্র। ৪০ বছর ধরে আইনজীবী হিসেবে কাজ করছি।” ফলত, মমতা-অভিষেকের অনুপস্থিতিতে তিনিই বাধ সাধলেন।
