AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Hindu Hostel: ‘চারদিন রান্না বন্ধ, বেশিরভাগ সময় এক বেলা খাচ্ছি’, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আঁচ এবার ঐতিহ্যবাহী হিন্দু হস্টেলেও

Gas Crisis in Hindu Hostel: প্রতিদিন গড়ে একটি করে সিলিন্ডার লাগে আবাসিকদের রান্নার জন্য। মাসে ২৭ থেকে ২৮টি সিলিন্ডার প্রয়োজন হয়। গত মঙ্গলবার সকাল থেকে রান্না না হওয়ায় প্রায় দ্বিগুণ খরচে বাইরে খেতে হচ্ছে পড়ুয়াদের। অনেক পড়ুয়ার আর্থিক অবস্থা ভাল নয়। ফলে উদ্বেগ বাড়ছেই। কতদিন বাইরে থেকে খাবার কিনে খাওয়া সম্ভব হবে তা ভাবাচ্ছে অনেককেই।

Hindu Hostel: ‘চারদিন রান্না বন্ধ, বেশিরভাগ সময় এক বেলা খাচ্ছি’, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আঁচ এবার ঐতিহ্যবাহী হিন্দু হস্টেলেও
কী বলছেন আবাসিকরা? Image Credit: TV 9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Mar 12, 2026 | 5:37 PM
Share

কলকাতা: ঐতিহ‍্যবাহী হিন্দু হস্টেলের রান্না ঘরে তালা! মধ্যপ্রাচ‍্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তৈরি হয়েছে গ‍্যাসের সঙ্কট। গ্যাস সিলিন্ডারের অভাবে হস্টেলের মেসে প্রায় তিন দিন ধরে বন্ধ রান্না। প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১২০ জন পড়ুয়া হিন্দু হস্টেলের আবাসিক। দু’বেলাই প্রায় ১২০ জন পড়ুয়ার জন্য রান্না হয় হস্টেলের মেসে। সোমবার রাতে হস্টেলের রান্নাঘরে গ‍্যাস শেষ হয়ে যায়। গ্যাস না থাকায় মঙ্গলবার সকাল থেকে বন্ধ হয়ে যায় রান্না।

প্রতিদিন গড়ে একটি করে সিলিন্ডার লাগে আবাসিকদের রান্নার জন্য। মাসে ২৭ থেকে ২৮টি সিলিন্ডার প্রয়োজন হয়। গত মঙ্গলবার সকাল থেকে রান্না না হওয়ায় প্রায় দ্বিগুণ খরচে বাইরে খেতে হচ্ছে পড়ুয়াদের। অনেক পড়ুয়ার আর্থিক অবস্থা ভাল নয়। ফলে উদ্বেগ বাড়ছেই। কতদিন বাইরে থেকে খাবার কিনে খাওয়া সম্ভব হবে তা ভাবাচ্ছে অনেককেই। কেউ ইতিমধ্যে জল মুড়ি খেয়ে কোনওমতে দিন গুজরান করছেন। 

কর্তৃপক্ষের তরফে বলা হচ্ছে বুধবার গ্যাস আসার কথা থাকলেও তা আসেনি। তবে এদিন দুপুরের পরে তিনতি সিলিন্ডারের ব্যবস্থা করা গিয়েছে। তাতে আজ রাত থেকে পড়ুয়াদের জন্য আবার রান্না শুরু হলেও সেই গ্যাস শেষ হলে পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেওয়া যাবে সেই উত্তর নেই কারও কাছে। হস্টেলের এক আবাসিক রীতিমতো উদ্বেগের সুরে বললেন, “বিগত চারদিন ধরে রান্না হচ্ছে না। কিন্তু আমাদের ক্লাসে যেতে হয় সকালে। রাতে পড়াশোনা করে, সকালে রান্না করা তো আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। এই ক’দিন বেশিরভাগ সময়ই এক বেলা করে খাচ্ছি। কখনও আবার রাতের বেলা কখনও রুটি কিনে এনে খাচ্ছি। বেশিরভাগটাই এখন বাইরের খাবারের উপর নির্ভর করতে হচ্ছে। মাসিক যে খরচ আমরা করি বাইরে খেলে দ্রুত তাতেও টান পড়বে।” আর এক ছাত্র বললেন, “বাইরে রুটি কিনতে গেলে তো এখন তিন টাকার রুটি ৮ থেকে ১০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। আর্থিক সমস্যা আছে বলেই তো আমরা এখানে আছি। বেশি দিবন তো আর টানতে পারব না। দেখি কী হয়।” 

Follow Us