
কলকাতা: ছেলে একজন, বাবা দুজন! এসআইআর-এর নথির সুপার চেকিংয়ে ধরা পড়েছে অসঙ্গতি। যা দেখে নির্বাচনী কর্তাদের চোখ কপালে! ক্যানিং পূর্ব বিধানসভার ঘটনা। ক্যানিং পূর্ব বিধানসভা এলাকার বাসিন্দা বাগদুল ইসলাম মোল্লা। বাবা হিসাবে নাম রয়েছে আব্দুর রহিম মোল্লা ও রহিম বক্সি মোল্লার। শুনানিতে যে নথি জমা দিয়েছেন, তাতেই ধরা পড়ে এই তথ্য। বাগদুলের বাবা হিসাবে একবার দেখানো হয়েছে আব্দুর রহিম মোল্লাকে। আবার সেই নথিতেই আরেকটি ডকুমেন্ট যোগ করা হয়েছে, যেখানে তাঁর বাবার নাম রহিম বক্সি মোল্লা।
এই দুটোই আপলোড করা হয়েছে। কমিশনের ERO-র পক্ষ থেকে আবার ‘Found Ok’ করা হয়েছে। কিন্তু রোল অবজারভারদের চোখে পড়েছে। এরকম আরও বেশ কয়েকটি উদাহরণ রয়েছে। যেমন সজ্জন বিবি, তাঁর জন্ম দেখানো হয়েছে ১৯৮৩ সালে, তাঁর মা ও স্বামীর নাম এক হয়ে রয়েছে। তাঁর অন্য আরেকটি যে ডকুমেন্ট নেওয়া হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, জন্ম ১৯৮১ সালে।
এরকম একাধিক ক্ষেত্রে EROরা ‘Found Ok’ করে দিলেও, চূড়ান্ত স্ক্রুটিনিতে দেখা যাচ্ছে, একাধিক ক্ষেত্রে অসঙ্গতি রয়েছে। সেগুলি রোল অবজারভারদের চোখে পড়ছে। তাতেই প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে মিলল ছাড়পত্র? তাঁদের নতুন করে ভেরিফিকেশনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরকম সংখ্যাটা, ১ কোটি ২০ লক্ষের কাছাকাছি বলে কমিশন সূত্রে খবর। তাদের মধ্যে প্রায় ৩০ লক্ষ ভোটার রয়েছেন, যাদের নথি রি-ভেরিফিকেশনের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিশনের পক্ষ থেকে। তবে CEO স্পষ্ট করে দিয়েছেন, অমীমাংসিত ভোটারদের ভাগ্য নির্ধারণে অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ হলেও, বাকি ভোটারদের তালিকা প্রকাশ হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি।