AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Korean Salt: এক কেজি নুনের দাম ৩০ হাজার টাকা! কেন এত দাম, কী আছে কোরিয়ান বাঁশের নুনে?

Jukyeom: সম্প্রতি নেট দুনিয়ায় ভাইরাল এই নুন। সকলের কাছে পরিচিত কোরিয়ান বাঁশের নুন বা জুকইওম (Jukyeom) নামে। কেন এই নুন নিয়ে চলছে আলোচনা? এর দামই বা এত বেশি কেন? প্রতিদিনের সাধারণ লবণের চেয়ে এই নুন অনেকটাই আলাদা। এর দাম শুনলে ভিড়মি খেতে হয়। কেজি প্রতি প্রায় ৩০,০০০ টাকা। কেন এত দাম?

Korean Salt: এক কেজি নুনের দাম ৩০ হাজার টাকা! কেন এত দাম, কী আছে কোরিয়ান বাঁশের নুনে?
| Updated on: Sep 11, 2025 | 2:51 PM
Share

সাধারণ সাদা নুন, হিমালয়ান রক সল্ট, পিঙ্ক সল্ট, কিংবা বিট নুনের কথা অনেকেই শুনেছেন হয়তো। অনেকে আবার আজকাল সোডিয়াম ডায়েট নুন ব্যবহার করেন সুস্বাস্থ্যের জন্য। কিন্তু কখনও বাঁশের নুনের কথা শুনেছেন? সম্প্রতি নেট দুনিয়ায় ভাইরাল এই নুন। সকলের কাছে পরিচিত কোরিয়ান বাঁশের নুন বা জুকইওম (Jukyeom) নামে। কেন এই নুন নিয়ে চলছে আলোচনা? এর দামই বা এত বেশি কেন?

প্রতিদিনের সাধারণ লবণের চেয়ে এই নুন অনেকটাই আলাদা। এর দাম শুনলে ভিড়মি খেতে হয়। কেজি প্রতি প্রায় ৩০,০০০ টাকা। কেন এত দাম?

জুকইওম লবণের এই সাঙ্ঘাতিক দামের বিশেষত্ব দুর্লভ এবং প্রাচীন প্রস্তুত প্রণালী, অনন্য স্বাদ সঙ্গে উপকারী খনিজের সংমিশ্রণ।

এই বাঁশের লবণ কেন এত বিশেষ?

মূলত এর প্রস্তুত প্রণালী। অত্যন্ত শ্রমসাধ্য প্রক্রিয়ায় তৈরি এই লবণ। সমুদ্র থেকে তৈরি সাধারণ নুন প্রথমে ভরে দেওয়া হয় বাঁশের ক্যানিস্টারে। সেটিকে হলুদ কাদামাটি দিয়ে সিল করা হয়। এবার ওই বাঁশ পাইন কাঠের আগুনে লোহার চুল্লিতে প্রায় ৮০০ °C তাপে ১২–১৪ ঘণ্টা ধরে পোড়ানো হয়।

এই প্রক্রিয়াটি একবারে শেষ হয় না। এমনভাবে নুন পোড়ানো হয় ন’বার পর্যন্ত। এর ফলে নুনে আসে এক অনন্য স্বাদ। যাকে কোরিয়ানরা বলে ‘গামরোজুং’ (Gamrojung)। এর রঙ এবং গঠনও বদলে যায় পোড়ানোর কারণে। বাঁশ থেকে উপকারী পদার্থ খনিজ মিশে যায় নুনে। বারবার পোড়ানোর ফলে লবণ পরিশোধিত হয়, আর কাদার আস্তরণ অশুদ্ধি ছেঁকে দেয়।

কোরিয়ান লোকচিকিৎসায় বহু বছর ধরে ব্যবহার হয়ে আসছে এই বাঁশের লবণ। এই নুন এটি হজমে সহায়ক, দাঁত পরিষ্কার রাখে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, শরীরকে ডিটক্স করে। এতে আছে আয়রন, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, সিলিকন, ম্যাগনেশিয়াম-এর মতো ট্রেস মিনারেল।

কী কী উপকার হয়?

১। ক্যানসার প্রতিরোধ এবং প্রদাহ কমানোয় উপযোগী। ল্যাব টেস্টে ৯ বার পোড়ানো বাঁশের লবণ মানুষের কোলন ক্যানসার সেলের (HCT-116) বৃদ্ধি ৫০%-এর বেশি রোধ করে। সাধারণ সি সল্টের তুলনায় আরও কার্যকরভাবে সেল ডেথ সক্রিয় করেছে। ক্যানসারের ছড়িয়ে পড়া কমিয়েছে।

Research Gate-এ প্রকাশিত এক রিপোর্টে দেখা গেছে, বেগুনি বাঁশের লবণ জিহ্বার ক্যানসার সেলেও একই প্রভাব দেখিয়েছে। টিউমারের বৃদ্ধি ধীর করেছে।

২। রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা ও প্রদাহ দমনে উপযোগী। ২০১৬ সালে Spandidos Publications-এ প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে বাঁশের লবণ এবং এর হাইড্রোজেন সালফাইড উপাদান ইমিউন প্রতিক্রিয়া বাড়িয়েছে।

TNF-α, IFN-γ, IL-2 এর মতো সাইটোকাইন বাড়িয়েছে। স্ট্রেস টেস্ট মডেলেও প্রতিরোধক্ষমতা উন্নত করেছে। পেটের সুরক্ষা ও সংক্রমণ কমানোতেও উপযোগী।

৩। ত্বক এবং দাঁতের স্বাস্থ্য রক্ষায় উপকারী। ত্বকের বার্ধক্য রোধে উপকারী। ত্বকে কোলাজেন এবং ইলাস্টিসিটি বজায় রাখে। গবেষণায় দেখা গেছে, বাঁশের লবণযুক্ত টুথপেস্ট প্লাক, মাড়ির প্রদাহ এবং দাঁতের এনামেলের ক্ষয় কমিয়েছে।

Follow Us