TOKYO OLYMPICS 2020 : রেফারির সিদ্ধান্তে গোঁসা! বক্সিং রিংয়ে অভিনব প্রতিবাদ

   রিংয়ের পাশেই ধর্নায় বসে পড়লেন। নট নড়নচড়ন। ফ্রান্সের সাপোর্টিং স্টাফরা এগিয়ে আসেন তাঁর কাছে। জল দেন। বোঝানোর চেষ্টা করেন তাঁকে।না, তখনও তিনি বোঝেননি।

TOKYO OLYMPICS 2020 : রেফারির সিদ্ধান্তে গোঁসা! বক্সিং রিংয়ে অভিনব প্রতিবাদ
সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ অ্যালিভ। বসে পড়লেন রিংয়ের পাশে

টোকিওঃ প্রথম রাউন্ডে পিছিয়ে ছিলেন। দ্বিতীয় রাউন্ডের একেবারে শেষ দিকে হঠাৎই  প্রতিপক্ষকে ঢুঁসো মারেন। আর তাতেই রেফারি তাকে শাস্তিস্বরূপ করেন। ক্ষিপ্ত হয়ে সেই বক্সার রিংয়ের পাশে ধর্নায় বসে যান। তিনি ওখান থেকে নড়বেন না, যতক্ষণ রেফারি নিজের সিদ্ধান্ত বদল না করবেন। ঘটনা ঘটেছে অলিম্পিকে। বক্সারের নাম মৌরাদ অ্যালিভ। ফ্রান্সের বক্সার তিনি। কি ঘটেছিল?

সতীশ কুমার এদিন যে ইবেন্টে নেমেছিলেন সই সুপার হেভিওয়েট বক্সিংয়ের ঘটনা। অন্য কোয়ার্টার ফাইনালে। মুখোমুখি হয়েছিলেন ব্রিটিশ প্রতিপক্ষ ফ্রেজার ক্লার্কের বিরুদ্ধে নেমেছিলেন ফ্রান্সের বক্সার মৌরাদ অ্যালিভ। প্রথম রাউন্ডে জেতেন মৌরাদ। দ্বিতীয় রাউন্ডের তখন শেষ হতে বাকি মাত্র ৪ সেকেন্ড। হঠাৎই প্রতিপক্ষকে ঢুঁসো মারেন মৌরাদ। সঙ্গে সঙ্গে মৌরাদকে সাসপেন্ড করেন রেফারি। এতেই গোঁসা হয় ফরাসি বক্সারের। বেরিয়ে যেতে বলা হয় মৌরাদকে। এরপরেই ঘটালেন সেই কাণ্ড।

রিংয়ের পাশেই ধর্নায় বসে পড়লেন। নট নড়নচড়ন। ফ্রান্সের সাপোর্টিং স্টাফরা এগিয়ে আসেন তাঁর কাছে। জল দেন। বোঝানোর চেষ্টা করেন তাঁকে।না, তখনও তিনি বোঝেননি। এরপর আধঘন্টা কেটে যায়, এরপর স্টেডিয়ামে উপস্থিত সব কর্তাই বোঝাতে যান অ্যালিভকে। রিংয়ের পাশে আলোচনা সারলেন। তবে সমাধানসূত্র না বেরিয়ে আসায় ১৫ মিনিট পর  ফের সেই জায়গাতেই বসে পড়লেন তিনি।

যখন তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল, তখন সিদ্ধান্তে অখুশি বলতে থাকেন, “সবাই জানেন আমিই জিতেছি।” প্রতিপক্ষ ক্লার্ক তাঁকে শান্ত করতে এলেও তাঁকে সরিয়ে দেন অ্যালিভ।

অবশেষে রেফারি ম্যাচ বাতিল করে জিতিয়ে দেন ক্লার্ককে। সেমিফাইনালে ক্লার্ক উঠলেন ফাইনালে। আর ক্ষুব্ধ মৌরাদ অনেকক্ষণ রিংয়ের পাশে বসে থাকার পর অবশেষে মেনে নিয়েছেন রেফারির সিদ্ধান্ত।

                  টোকিওর আরও খবর জানতে ক্লিক করুনঃ টোকিও অলিম্পিক ২০২০

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla