আমি বলতে চাইছি অন্য কথা। এতদিন, আমরা দেখেছি সময় যতো এগোচ্ছে ততই নানা সংস্থা তাদের এআই-এর নতুন নতুন অ্যাডভান্সড মডেল বাজারে আনছে। যেমন ওপেনআই গত জানুয়ারি মাসে তাদের লেটেস্ট মডেল GPT-5.5 লঞ্চ করেছে। একটা কথা বলা হচ্ছিল যে কৃত্রিম মেধা চাকরি খাবে, তা ঠিক। তবে, এআই মডেলগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ এবং অ্যাডভান্সড মডেল তৈরির জন্য মানুষকে তো লাগবেই। সম্প্রতি, এআই ক্লড-কে নিয়ে নিজেদের ব্লগে গবেষণামূলক একটা লেখা পোস্ট করেছে অ্যানথ্রোপিক। আর তা নিয়ে দুনিয়া জুড়ে শোরগোল পড়ে গেছে। অ্যানথ্রোপিক দাবি করেছে তাদের লেটেস্ট এআই মডেল ক্লড ওপাস ৪.৬ নিজেই নিজের অ্যাডভান্সড ভার্সন তৈরি করতে পারছে। মানে, মন দিয়ে ব্যাপারটা বোঝার চেষ্টা করুন। একটা ভালো এআই মডেল তার চেয়েও ভালো একটা দ্বিতীয় মডেল তৈরি করবে। সেই দ্বিতীয় মডেলটা আবার তার চেয়েও শক্তিশালী তৃতীয় একটা মডেল তৈরি করবে। অর্থাত্, এআই এখন নিজেই নিজের সন্তানের জন্ম দিতে শিখে গেছে। এবং বংশগতি বজায় রাখতেও শিখে গেছে। মানে মানুষের আর কোনও প্রয়োজন নেই। সুতরাং, চাকরি-বাকরি তো সব গেল। অ্যানথ্রোপিক তাদের ব্লগে লিখছে যে শুরুতে সফট্অয়্যার তৈরি করতে ইঞ্জিনিয়াররা হাতে-কলমে কোড লিখতেন। তারপর এল এআই চ্যাটবট। তারা ছোটখাটো কোড লিখতে সাহায্য করত। সেটা এখন কোডিং এজেন্টে পরিণত হয়েছে। ফলে ওই ইঞ্জিনিয়ারদের আর কোনও দরকার নেই।