অ্যামকা, ভারতের নিজস্ব ফিফথ জেনারেশন যুদ্ধবিমান। এই প্রকল্পে বড় ধাপ পার করল প্রতিরক্ষামন্ত্রক। সরকারি সংস্থা হ্যাল বাদ। যুদ্ধবিমান তৈরির জন্য তিনটে বেসরকারি সংস্থাকে বাছাই করল কেন্দ্র। ঐতিহাসিক পদক্ষেপ বটে। ভেবে দেখুন, সেই স্বাধীনতার পর থেকে ভারতের অধিকাংশ প্রতিরক্ষা প্রকল্প সরকারি সংস্থার হাতে গিয়েছে। আমি গত ৩০-৪০ বছরের রিপোর্ট কার্ডটা খুঁটিয়ে দেখছিলাম জানেন। বেশিরভাগ বড় প্রকল্প ১৫-২০ বছর দেরিতে চলছে। কয়েকটা প্রকল্প তো দিনের আলোই দেখেনি। ঘুরেফিরে সেই হ্যাল নয়তো অন্য কোনও সংস্থা। প্রতিযোগিতার ব্যাপার নেই, জবাবদিহির ব্যাপার নেই, প্রকল্প চলছে তো চলছেই। এই সুখোই তেজস এমকে ওয়ানের কথাই ধরুন। ২০২২ সালে সেনার হাতে প্রথম যুদ্ধবিমান তুলে দেওয়ার কথা। আজ পর্যন্ত কটা বিমানের ডেলিভারি হয়েছে? একটাও নয়।