নিরাপত্তার দিক থেকে উত্তর-পূর্ব এখন কেন্দ্রের টপ প্রায়োরিটি। আপনারা যদি সেনার এই নতুন অ্যাকসেস সেন্টারগুলোর অবস্থান খেয়াল করেন তাহলে দেখুন সব মিলে যাচ্ছে। সবক’টাই বাংলাদেশ লাগোয়া। যখন কিনা বাংলাদেশের লালমণিরহাট, ছাতানগরের মতো এলাকায় দেখা যাচ্ছে সামরিক তত্পরতা। কোথাও চিন বায়ুসেনা ঘাঁটি তৈরি করছে। কোথাও আবার পাকিস্তান-বাংলাদেশ যৌথ মহড়া চালাচ্ছে। এইসব নজরে রেখেই নজিরবিহীন দ্রুততায় নতুন ঘাঁটি তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেনা। এই প্রসঙ্গে আরও একটা খবর দিই। শক্রর হামলা হলে আমাদের সুরক্ষার জন্য মোতায়েন হচ্ছে কামিকাজে ড্রোন। বাংলা, বিহার সহ উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলোর নিরাপত্তায় এই ড্রোন নামাচ্ছে স্বরাষ্ট্র এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রক। ভারতের স্টার্ট আপ সংস্থা মাত্র ৬০ দিনে আটশোর বেশি বেশি কামিকাজে ড্রোন সরবরাহ করেছে। আপনারা জানেন, কামিকাজে মানে আত্মঘাতী ড্রোন। অনেকটা আত্মঘাতী বোমার ঢংয়ের টার্গেটের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এই ড্রোনগুলো। ইউক্রেন-রাশিয়া থেকে ইরান-আমেরিকা যুদ্ধে যে জিনিসটা নিয়ে সবচেয়ে বেশি জল্পনা - সেটা এই কামিকাজে ড্রোন। ভারতের স্টার্ট আপ যে কামিকাজে ড্রোনগুলো তৈরি করেছে, সেগুলো যে কোনও পরিস্থিতিতে একটানা ৮ ঘণ্টা উড়তে পারে। গতি ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার। আড়াই কেজি বিস্ফোরক বহন করতে পারে। ১০ কিলোমিটার পর্যন্ত টার্গেট চিহ্নিত করে হামলা করতে পারে। শক্র ড্রোন হামলা চালালে কাজে নামবে ভারতের নিজস্ব কামিকাজে ড্রোন। সেনাসূত্রে খবর, নতুন ৪টি সেনাঘাঁটিতে আলাদা করে ড্রোন ইউনিট রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেনা।