দ্বিতীয়বার গদিতে বসার পর থেকেই ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর নানারকম নীতির জন্য নিজের দেশের একটা অংশের মানুষের কাছে তীব্রভাবে সমালোচিত। আর ইরান যুদ্ধে আমেরিকার ল্যাজে-গোবরে দশার পর সমালোচনা ধিক্কারে পরিণত হয়েছে। সবশেষে চিনে গিয়ে ট্রাম্পের কপালে যা জুটল, উল্টোদিকে জিনপিংয়ের কাছে ভ্লাদিমির পুতিন যেমন খাতির পেলেন, এ দুয়ের তুলনা করে প্রেসিডেন্টকে তুলোধনা করে ছাড়ছেন মার্কিন জনগণের একটা বড় অংশ। প্রথমে মার্কিন প্রেসিডেন্টের চিন সফরের কথাতে আসি। শি জিনপিংয়ের সঙ্গে মুখোমুখি বৈঠকে ট্রাম্পকে নিচু চেয়ারে বসতে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। ট্রাম্পের চিনে যাওয়ার অন্যতম কারণ ছিল, জিনপিংকে বোঝানো যে তিনি ইরানকে মদত দেওয়া যেন বন্ধ করেন। শি কোনও আশ্বাস দেননি। উল্টে আগাম বলে দেন, তাইওয়ান নিয়ে কোনও আলোচনা মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে হবে না।