গোল মরিচ এবং গুড় মিশিয়ে খেলেই খেলা শুরু! কী হবে জানেন?
insomnia 3

28 FEB 2025

গোল মরিচ এবং গুড় মিশিয়ে খেলেই খেলা শুরু! কী হবে জানেন?

credit: Meta AI

image

TV9 Bangla

বাড়িতে হয়তো ছোটবেলা থেকে মা-ঠাকুমারা বলে আসছেন গোলমরিচ এবং গুড় খাওয়ার কথা। কম্বিনেশনটা শুনতে যতটা অদ্ভুত আসলে কিন্তু ততটাই উপকারী।

বাড়িতে হয়তো ছোটবেলা থেকে মা-ঠাকুমারা বলে আসছেন গোলমরিচ এবং গুড় খাওয়ার কথা। কম্বিনেশনটা শুনতে যতটা অদ্ভুত আসলে কিন্তু ততটাই উপকারী।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন ভাইরাল জ্বর, সর্দি-কাশির মোক্ষম দাওয়াই থেকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো। এই দুটি উপাদানের আছে বহু স্বাস্থ্যগুণ। জানেন, সেগুলি কী কী?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন ভাইরাল জ্বর, সর্দি-কাশির মোক্ষম দাওয়াই থেকে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো। এই দুটি উপাদানের আছে বহু স্বাস্থ্যগুণ। জানেন, সেগুলি কী কী?

গুড়ে আয়রন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। গোল মরিচের পাইপারিন নামক একটি উপাদান শরীরে পুষ্টির শোষণ বাড়ায় এবং সংক্রমণ থেকেও রক্ষা করে।

গুড়ে আয়রন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। গোল মরিচের পাইপারিন নামক একটি উপাদান শরীরে পুষ্টির শোষণ বাড়ায় এবং সংক্রমণ থেকেও রক্ষা করে।

গুড় একটি প্রাকৃতিক ডিটক্সিফায়ার, শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বার করতে সাহায্য করে। গ্যাস, বদহজম এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দূর করে। গোল মরিচের সঙ্গে খেলে হজমশক্তি উন্নত হয় এবং অ্যাসিডিটি কমে।

গোল মরিচ দ্রুত বিপাকে শাহায্য করে। চর্বি তাড়াতাড়ি পুড়ে যায়। গুড় চিনির একটি স্বাস্থ্যকর বিকল্প। এতে ক্যালোরি কম। ওজন কমাতে চাইলে, সকালে হালকা গরম জলে গুড় এবং গোল মরিচ মিশিয়ে খেতে পারেন।   

গুড়ে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে, যা রক্তাল্পতা নিরাময়ে সাহায্য করে। গোল মরিচ আয়রনের শোষণ বাড়ায়, যা শরীরকে আরও পুষ্টি সরবরাহ করে। এটি খেলে রক্ত ​​সঞ্চালন উন্নত হয় এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে।

গুড় শরীরকে গরম রাখে। গোল মরিচে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ভাইরাল বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা গলা ব্যথা থেকে মুক্তি দেয়। গুড় এবং গোল মরিচ হালকা গরম জলে বা দুধের সঙ্গে খেলে ঠান্ডা এবং কাশি দ্রুত নিরাময় হয়।

গুড় ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়ামের একটি ভালো উৎস, যা হাড়কে শক্তিশালী করে। গোল মরিচ প্রদাহ কমায় এবং জয়েন্টের ব্যথায থেকে উপশম দেয়। আর্থ্রাইটিস বা জয়েন্টের ব্যথায় ভুগলে প্রতিদিন এটি খেতে পারেন।