এই দেশে ৯৬ বছরে জন্মায়নি একটাও শিশু, কারণ জানলে চমকে যাবেন
credit: Meta AI
TV9 Bangla
গোটা বিশ্বে কত রকমের যে নিয়ম আছে তা বোঝা দায়। এমনিতেই পাশ্চাত্যের বহু দেশে জনসংখ্যা এতটাই কমে যাচ্ছে যে দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত সরকার। তবে সেই সব দেশকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে একটি জায়গা।
ইউরোপের ছবির মতো সুন্দর দেশ ভ্যাটিকান সিটি। শুনলে অবাক, হবেন সেই অপূর্ব সুন্দর দেশেই নাকি ১৯২৯ সালের পরে জন্ম হয়নি কোনও শিশুর।
অঙ্ক বলছে গত ৯৬ বছরে কোনও নতুন মানুষ জন্ম নেয়নি সেই দেশে। আরও অদ্ভুত বিষয় হল এই দেশে বসবাসকারী শতকরা ৯০ ভাগই দেশের অস্থায়ী নাগরিক। কাউকেই স্থায়ী নাগরিকত্ব দেওয়া হয় না।
পোপ অনুমোদন দিলেই তবেই নাগরিকত্ব দেওয়া হয় ভ্যাটিকান সিটির। এই দেশে শিশুর জন্ম দেওয়ার বন্দোবস্ত নেই কোনও হাসপাতালে। নেই লেবার রুমও।
সরকার নয় এখনও বিশ্বের ক্ষুদ্রতম দেশে শাসন কর্তা পোপ। বাস্তবে আগে এটি একটি শহর ছিল। ১৯২৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি দেশের তকমা পায় ভ্যাটিকান সিটি।
যদি কোনও মহিলা গর্ভবতী হন এবং তাঁর প্রসবের তারিখ এগিয়ে আসে তাহলে এখানকার নিয়ম অনুসারে তাঁকে অন্যত্র নিয়ে চলে যাওয়া হয়। প্রসব না হওয়া পর্যন্ত ফেরা যায় না দেশে।
দেশের বাইরে জন্ম হওয়ার কারণে ভ্যাটিকান সিটির নাগরিকত্ব পান না সেই সব নব জাতকরা। শোনা যায়, ১৯২৯ দশকে একবার চরম অর্থনৈতিক কষ্টের মধ্যে পড়ে ভ্যাটিকান সিটি।
তখন হাতেগোনা কয়েক জন ছাড়া আর কেউই সন্তান ধারণের কথা ভাবেনি। স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নতি হয়নি। সেই ধারই বজায় রয়েছে আজও।