‘বিজেপি করি বলে এমন করবে!’, ‘অপরাধের’ মাসুল এভাবেই দিচ্ছেন শতাধিক পরিবার!

100 Days Work: অভিযোগ, বিধানসভা নির্বাচনে মনোহরপুরের ১৫৩ নম্বর বুথ থেকে ২০০ ভোটে এগিয়েছিল বিজেপি। তারপর থেকেই শুরু হয়েছে নানারকম অত্যাচার। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, প্রথমে রেশন জলের কল ও অন্যান্য সরকারি প্রকল্প থেকে  বঞ্চিত করা হয়।

'বিজেপি করি বলে এমন করবে!', 'অপরাধের' মাসুল এভাবেই দিচ্ছেন শতাধিক পরিবার!
বিজেপি নেত্রী সৌমি বন্দ্যোপাধ্যায়, নিজস্ব চিত্র

বীরভূম: সম্প্রতি, একশো দিনের কাজে ভারতে শীর্ষস্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। মমতা সরকারের এ হেন সাফল্যই এ বার শ্রমিকদের প্রশ্নের মুখে। দলের ‘রঙ’ দেখে কাজ দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের (TMC) বিরুদ্ধে। বীরভূমের মনোহরপুর গ্রামে বিজেপি (BJP) করার অপরাধে সরকারি প্রকল্প ও ১০০ দিনের কাজের সুবিধা না  মেলার অভিযোগ করল প্রায় শতাধিক পরিবার।

অভিযোগ, বিধানসভা নির্বাচনে মনোহরপুরের ১৫৩ নম্বর বুথ থেকে ২০০ ভোটে এগিয়েছিল বিজেপি। তারপর থেকেই শুরু হয়েছে নানারকম অত্যাচার। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, প্রথমে রেশন জলের কল ও অন্যান্য সরকারি প্রকল্প থেকে  বঞ্চিত করা হয়। গ্রামের ছোট ছোট মেয়েরা ‘কন্যাশ্রী’,  ‘রূপশ্রী’-র মতো প্রকল্পগুলির সুবিধা পাননি বলে অভিযোগ। সম্প্রতি, নতুন করে ১০০ দিনের কাজ না পাওয়ারও অভিযোগ করলেন বিজেপি (BJP) সমর্থকেরা। তাঁদের অভিযোগ, গ্রামে যে সকল পরিবার বিজেপির সমর্থক, তাঁদের কাজ দেওয়া হচ্ছে না। বাকিরা ঠিকই কাজ পাচ্ছেন। একাধিকবার প্রশাসনকে বলেও কোনও লাভ হয়নি।

মনোহরপুর গ্রামের বিজেপি নেত্রী সৌমি বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, “এখন লকডাউনে রোজের খাবার জোটানোটাও কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর এরা তৃণমূল-বিজেপি করছে। সরকারি প্রকল্পের সুবিধা তো সবার জন্য। আমরা বিজেপি করি বলি এমন  করবে! পেটের ভাত মারবে! যারা তৃণমূল (TMC) করে তাদের তো কাজ পেতে অসুবিধা হচ্ছে না। প্রতিবাদ করলে বাড়ি বাড়ি এসে হুমকি দিয়ে যাওয়া হচ্ছে।” যদিও মনোহরপুর পঞ্চায়েতের অঞ্চল সভাপতি জানিয়েছেন, এই সমস্ত অভিযোগই ভিত্তিহীন। সরকারি নিয়মমাফিকই কাজ দেওয়া হচ্ছে। কেউ কাজে না এলে তাকে বাড়ি গিয়ে কাজ দেওয়া সম্ভব নয় বলেই জানিয়েছেন তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি। আরও পড়ুন: ‘জেঠু বেঁচে নেই’, তবু জব কার্ডে মিলছে টাকা! কাঠগড়ায় বিজেপির পঞ্চায়েত প্রধান

 

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla