AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Nadia: অনাথ নাবালিকাকে ‘আশ্রয়’ দিয়েছিলেন জেঠু, সেখানেই এমন ‘ফাঁদ’ পাতা হয়েছিল…

Minor girl physically harassed: এলাকাবাসীর অভিযোগ, "ওই দম্পতি অনাথ নাবালিকাকে ঘরে আশ্রয় দেওয়ার নামে রেখে বাড়ির কাজ করাতেন। শুধু তাই নয়, ওই কর্মীর সঙ্গে এক ঘরে রাখতেন নাবালিকাকে। তার জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। আমরা দোষীদের কঠোর শাস্তি চাই।" এদিন ওই নাবালিকার জেঠুর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন এলাকাবাসী।

Nadia: অনাথ নাবালিকাকে 'আশ্রয়' দিয়েছিলেন জেঠু, সেখানেই এমন 'ফাঁদ' পাতা হয়েছিল...
প্রতীকী ছবিImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jun 09, 2026 | 10:03 PM
Share

কল্যাণী: বাবা-মা মারা গিয়েছেন। পিতৃ-মাতৃহীন নাবালিকাকে আশ্রয় দেওয়ার নাম করে বাড়িতে এনেছিলেন নিঃসন্তান জেঠু ও জেঠিমা। আর সেই জেঠুর কারখানার এক কর্মীর বিরুদ্ধে নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল। বছর চোদ্দোর ওই নাবালিকা এখন পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি নদিয়ার কল্যাণীর।

নির্যাতিতা নাবালিকার দাদা বলেন, “আমাদের ছোটবেলাতেই বাবা-মা মারা গিয়েছেন। বোন মামাবাড়িতে থাকত। আমার জেঠু-জেঠিমা আমার বোনকে তাদের বাড়িতে এনে রাখে। জেঠুর গিটার তৈরির কারখানা রয়েছে। সেই কারখানার কর্মীই আমার বোনের সঙ্গে এ কাজ করেছে। তার আমরা কঠোর শাস্তি চাই।”

এলাকাবাসীর অভিযোগ, “ওই দম্পতি অনাথ নাবালিকাকে ঘরে আশ্রয় দেওয়ার নামে রেখে বাড়ির কাজ করাতেন। শুধু তাই নয়, ওই কর্মীর সঙ্গে এক ঘরে রাখতেন নাবালিকাকে। তার জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। আমরা দোষীদের কঠোর শাস্তি চাই।” এদিন ওই নাবালিকার জেঠুর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন এলাকাবাসী।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আছে কল্যাণী থানার পুলিশ। নির্যাতিতার জেঠু ও কারখানার কর্মীকে গ্রেফতার করেছে। নাবালিকার জেঠিমা পলাতক বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত কারখানার কর্মীর বয়স ৫৫ বছর। তাঁর বাড়ি নদিয়ারই তেহট্টে। নাবালিকার জেঠুর বাড়িতে থেকে কাজ করতেন।

অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার মহিলা মোর্চার নেত্রী তানিয়া ভট্টাচার্য বলেন, “দাদাকে না জানিয়েই নাবালিকার বিয়ে দেবে বলে নিয়ে এসেছিল। চাকু দেখিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে। অভিযুক্তদের ফাঁসি দেওয়া হোক। মেয়েটিকে হোমে নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু, মেয়েটি হোমে যেতে চাইছে না। আমরা দেখছি কী করা যায়।”

Follow Us