AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Nadia Kidnapping Case: ফিল্মি কায়দায় তৃণমূলের প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতিকে অপহরণ, তারপর যা হল…

Former TMC Panchayat Samiti president Kidnapped in Nadia: ঘটনায় এখনও আতঙ্কে রয়েছেন হরিদাস। এদিন বাড়িতে বসে তিনি বলেন, "জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে গাড়ি থেকে নামায় আমায়। তারপর দেড় কোটি টাকা চায়। আমি বলি, দেড় কোটি টাকা কোথায় পাব। তখন চোখ বেঁধে আবার একটি ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে গিয়ে ফের টাকা চায়। আমি দিতে পারব না বলায় প্রচণ্ড মারধর শুরু করে। তখন আমি বলি, আমাকে বাড়ি যেতে দাও, আমি টাকা দেব। তখন আমায় একটি মোটরবাইকে বসিয়ে চোখ বেঁধে বাড়ির কিছুটা দূরে নামিয়ে দিয়ে যায়।

Nadia Kidnapping Case: ফিল্মি কায়দায় তৃণমূলের প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতিকে অপহরণ, তারপর যা হল...
হরিদাস দেবনাথ Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jun 09, 2026 | 9:16 PM
Share

নদিয়া: একেবারে ফিল্মি কায়দা। একটি গাড়ি ও পিছনে ২০-২৫টি বাইক। বাড়ির সামনে থেকে অপহরণ করা হল তৃণমূলের প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতিকে। দেড় কোটি টাকা চাওয়া হল। শেষ পর্যন্ত টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ছাড়া পেলেন প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। এমনই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটল নদিয়ার নবদ্বীপ থানার চর ব্রহ্মনগরে। ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

জানা গিয়েছে, প্রতিদিনের মতো সোমবার বিকেলে বাড়ির গেটের সামনে চেয়ারে বসেছিলেন তৃণমূলের প্রাক্তন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হরিদাস দেবনাথ। হঠাৎই একটি চার চাকা গাড়ি এসে তাঁর সামনে দাঁড়ায়। পেছনে প্রায় গোটা কুড়ি-পঁচিশ মোটরবাইক। তৎক্ষণাৎ গাড়ির মধ্যে তুলে নিয়ে গিয়ে তাঁকে চোখ ও হাত বেঁধে দেওয়া হয়। এরপর একটি বাগানে নিয়ে গিয়ে তাঁর উপর চলে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। বেধড়ক মারধর করা হয়। দেড় কোটি টাকা মুক্তিপণ না দিলে তাঁর ছেলে, বৌমা এবং নাতিকে তুলে নিয়ে আসার হুমকি দেয় অপহরণকারীরা। এরপর টাকা দিতে রাজি হলেন হরিদাস দেবনাথ। তিনি বাড়ি ফিরতে চান টাকা জোগাড় করার জন্য।

অপহরণকারীরা আবার হরিদাসের চোখ এবং হাত বেঁধে একটি বাইকের চাপিয়ে নির্জন একটি গলির মধ্যে ছেড়ে দেয়। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় নবদ্বীপ থানার পুলিশ। এদিন নবদ্বীপ থানায় হরিদাস দেবনাথের ছেলে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ঘটনার পর পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ দেখে পাঁচ জনকে গ্রেফতার করে। সেই সঙ্গে যে গাড়িতে করে হরিদাস দেবনাথকে অপহরণ করা হয়েছিল, সেই গাড়িটি উদ্ধার করে। ঘটনায় বাকিদের খোঁজে ইতিমধ্যেই তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

ঘটনায় এখনও আতঙ্কে রয়েছেন হরিদাস। এদিন বাড়িতে বসে তিনি বলেন, “জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে গাড়ি থেকে নামায় আমায়। তারপর দেড় কোটি টাকা চায়। আমি বলি, দেড় কোটি টাকা কোথায় পাব। তখন চোখ বেঁধে আবার একটি ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে গিয়ে ফের টাকা চায়। আমি দিতে পারব না বলায় প্রচণ্ড মারধর শুরু করে। তখন আমি বলি, আমাকে বাড়ি যেতে দাও, আমি টাকা দেব। তখন আমায় একটি মোটরবাইকে বসিয়ে চোখ বেঁধে বাড়ির কিছুটা দূরে নামিয়ে দিয়ে যায়। আতঙ্কে আমি সারারাত ঘুমাতে পারিনি। প্রশাসনের লোকজন আমার কাছে এসেছিল। আমি তাঁদের বলেছি, চোখ বাঁধা থাকায় কাউকে চিনতে পারিনি। কিন্তু, অভিযুক্তদের যেন ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পরে থানায় গিয়ে অভিযোগ জানিয়েছে আমার ছেলে।”

হরিদাস জানান, একসময় পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ছিলেন তিনি। তবে গত কয়েক বছর ধরে তিনি রাজনীতি থেকে দূরে রয়েছেন। কারা তাঁকে অপহরণ করল, তা বুঝতে পারছেন না বলে জানান।

Follow Us