তৃণমূলের ‘একুশে’ বাজল ডিজে, বলি দেওয়া হল জোড়া পাঁঠা

সকাল থেকে ঘাটালে উৎসবের মেজাজ। ঢাক বাজিয়ে মন্দিরে গেলেন তৃণমূল নেতারা।

তৃণমূলের 'একুশে' বাজল ডিজে, বলি দেওয়া হল জোড়া পাঁঠা
পাঁঠা নিয়ে মন্দিরে যাচ্ছেন এলাকাত তৃণমূল নেতারা

ঘাটাল: ঘাসফুল শিবিরের সব নেতারাই বারবার দাবি করছেন এ বার ‘একুশে জুলাই’ অন্যান্যবারের তুলনায় অনেকটাই আলাদা। অন্যান্য রাজ্যে জায়ান্ট স্ক্রিন লাগিয়ে শোনানো হয়েছে তৃণমূল নেত্রীর বক্তব্য। অন্যদিকে, ঘাটালে ধরা পড়ল শহিদ দিবস উদযাপনের ভিন্ন ছবি। সকালেই এলাকার মন্দিরের দিকে রওনা দিলেন এলাকার তৃণমূল নেতারা, সঙ্গে জোড়া পাঁঠা। কেউ ঢাক বাজাচ্ছেন, কোথাও আবার মাইকে বাজছে ‘খেলা হবে।’

আজ, বুধবার সকাল থেকেই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঘাটাল ব্লকের মনসুকা ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে আনন্দপুর এলাকায় কার্যত উৎসবের ছবি চোখে পড়ে। শতাধিক তৃণমূল কর্মী সমর্থকের জমায়েত দেখা যায়। ছিলেন প্রাক্তন বিধায়ক শঙ্কর দলুই। জোড়া পাঁঠা নিয়ে মন্দিরের দিকে এগিয়ে যান তাঁরা। পরে প্রাক্তন বিধায়ক নিজেই ঢাক বাজান। দুপুর ১ টা নাগাদ হঠাৎ বাজতে শুরু করে ডিজে।

তৃণমূল নেতা সঞ্জয় পড়ের দাবি, ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে মা কালীর কাছে তিনি মানত করেছিলেন রাজ্যে যেন তৃতীয়বার তৃণমূলই সরকার গঠন করে। মনষ্কামনা পূরণ হলে তিনি জোড়া পাঁঠা দিয়ে মা কালীর পূজা দেবেন বলেও জানিয়েছিলেন। ২১ শে জুলাই তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সেই জোড়া পাঁঠা বলি দিয়ে পুজো দিলেন তিনি। তিনিই এ দিন আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ঘাটালের প্রাক্তন বিধায়ক শঙ্কর দলুইকে।

শঙ্কর দলু্ই বলেন, ‘বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা ডেলি পেসেঞ্জারি করেছিলেন, তাতেও কোনও লাভ হয়নি। বাংলার মানুষকে বিভ্রান্ত করা যায়নি। আর তৃতীয়বার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার গঠন চেয়ে জাগ্রত কালী মন্দিরে মানত করেছিলেন তৃণমূলকর্মীরা।’

এ দিন শুধু ঢাক বাজিয়ে পুজোই দেওয়া হয়নি, পুজো শেষে সন্ধায় চারটি বুথের প্রতি পরিবারের একজন সদস্যকে খাওয়ার জন্য নিমন্ত্রণও করা হয়েছে। তৃণমূল নেতা সঞ্জয় পোড়ে জানিয়েছেন, আনন্দপুর ও বলরামপুর এই দুটি বুথ মিলেই মা কালীর কাছে পুজো দেওয়া হয়েছে। রাতে করোনা বিধি মেনে খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। আরও পড়ুন: ‘একুশে জুলাই’ শুনে ঠিক সাড়া দেবেন, বাবার ‘অসাধ্য সাধনের’ দিকে তাকিয়ে মেয়ে

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla