বিরোধিতা করলে জিতেন্দ্র বলতেন কাউকে বঞ্চনা করে না মমতার সরকার! কটাক্ষ অশোকের

বৃহস্পতিবার শুভেন্দু অধিকারী দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করার পরপরই পুর-প্রশাসক পদ থেকে ইস্তফা দেন আসানসোলের তৃণমূল নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি।

বিরোধিতা করলে জিতেন্দ্র বলতেন কাউকে বঞ্চনা করে না মমতার সরকার! কটাক্ষ অশোকের
ফাইল চিত্র

শিলিগুড়ি: তৃণমূল ভাঙছে তাসের ঘরের মতো। শুভেন্দু অধিকারীর পর বৃহস্পতিবার জিতেন্দ্র তিওয়ারি আসানসোলের পুর-প্রশাসক ও জেলা সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। দল ও রাজ্য সরকারের প্রতি এক রাশ ক্ষোভ উগড়ে জিতেন্দ্র জানিয়েছেন, গত পাঁচ বছর ধরে আসানসোলের মানুষের প্রতি বঞ্চনা করা হয়েছে। তাঁর এই অভিযোগের সমালোচনা করলেন শিলিগুড়ি পুর-প্রশাসক তথা সিপিএম বিধায়ক অশোক ভট্টাচার্য।

জিতেন্দ্রর যে কারণ দেখিয়ে পুর-প্রশাসক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন, সেই কারণ সঙ্গত নয় বলে মনে করছেন অশোকবাবু। তাঁর কথায়, এত দিন কেন বঞ্চনার অভিযোগ আনেননি জিতেন্দ্র তিওয়ারি। এমনকী শিলিগুড়ি প্রতি বঞ্চনার অভিযোগ তুললে জিতেন্দ্রকেই সবচেয়ে বেশি সরব হতে দেখা গিয়েছে। অশোক ভট্টাচার্যের দাবি, সে সময় বিরোধিতা করে জিতেন্দ্র বলতেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার কাউকে বঞ্চনা করে না। শিলিগুড়ি পুর প্রশাসকের আরও কটাক্ষ, সংকীর্ণ রাজনীতি করছেন জিতেন্দ্র। মানুষের স্বার্থের সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই।

আরও পড়ুন- ‘আসানসোলের মানুষই ওঁকে পছন্দ করেন না’, জিতেন্দ্রর বিজেপি-যোগ সম্ভাবনায় বিস্ফোরক অগ্নিমিত্রা

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার শুভেন্দু অধিকারী দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করার পরপরই পুর-প্রশাসক পদ থেকে ইস্তফা দেন আসানসোলের তৃণমূল নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি। ইস্তফা দেওয়ার পর জিতেন্দ্র বলেন, “আমি তো ঠিক করেছিলাম আগামিকাল দিদির সঙ্গে দেখা করে সব কথা বলব। তারপর উনি যা বলবেন সেটা করব। কিন্তু আজ প্রশাসক পদ ছাড়ার পরই আধ ঘণ্টাও কাটেনি একদল দুষ্কৃতী পাঠিয়ে আমার পাণ্ডবেশ্বরে যে বিধায়ক কার্যালয় তাতে ভাঙচুর করা হল। জিনিসপত্র তুলে নেওয়া হল। আমি বিশ্বাস করি কলকাতার নেতাদের অনুমতি ছাড়া এটা সম্ভব নয়। তাঁরাই এটা করিয়েছেন। তাঁরা চাইছেন না আমি দলে থাকি। তাই জেলা সভাপতি পদ এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে আমার সমস্ত সম্পর্ক বিচ্ছেদ করেছি। ”