ছেলের প্রেমিকার অন্য সম্পর্ক! প্রতিবাদ করায় আক্রান্ত পুলিশ কর্তা, বিচার না পেলে আত্মহত্যার হুমকি

Baruipur: বারুইপুর হাসপাতালে সিভিক ভলেন্টিয়ারদের সামনেই তাঁকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ।

ছেলের প্রেমিকার অন্য সম্পর্ক!  প্রতিবাদ করায় আক্রান্ত পুলিশ কর্তা, বিচার না পেলে আত্মহত্যার হুমকি
নিগৃহীত তরুণী (নিজস্ব চিত্র)

দক্ষিণ ২৪ পরগনা:   ত্রিকোণ প্রেমের জেরে ক্যানিং থানার এক সাব ইন্সপেক্টরের পরিবার আক্রান্ত। আক্রান্ত হতে হয়েছে পুলিশ অফিসারকেও। বারুইপুর হাসপাতালে সিভিক ভলেন্টিয়ারদের সামনেই তাঁকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য বারুইপুরে।

ঘটনার সূত্রপাত ওই পুলিশ কর্তার ছেলের প্রেম নিয়ে। বারুইপুরে ছেলে-মেয়ে স্ত্রীকে নিয়ে থাকেন ওই পুলিশ অফিসার। তাঁর ছেলের সঙ্গে এলাকারই এক মেয়ের বন্ধুত্ব হয়। পরে তা গাঢ় হয়। দু’জনের মধ্যে সম্পর্ক দানা বাঁধে। পরিবারের সদস্যরাও সে কথা জানতেন।

তবে পুলিশ কর্তার পরিবারের দাবি, সেই মেয়েটি ইদানীং প্রীতম নামে অন্য এক ছেলের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। সেই বিষয়টি জানতে পারেন পুলিশ কর্তার ছেলে। এই নিয়ে প্রথমে ওই মেয়েটিকে বোঝানোর চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু তাতে কাজ হয় না। পরে যে ছেলেটির সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন তাঁর প্রেমিকা, তাঁকে শাসান বলে অভিযোগ। এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

প্রীতম নামে ওই  ছেলেটি তাঁর দলবল নিয়ে পুলিশ কর্তার ছেলের ওপর চড়াও হন। পুলিশ কর্তার ছেলেকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এই নিয়ে দুপক্ষের ঝামেলা হয়।  পরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়।

ছেলেকে উদ্ধার করে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিত্সা করাতে নিয়ে আসেন পুলিশ কর্তা। সেখানে তাঁর স্ত্রী-মেয়েও ছিল। অভিযোগ, হাসপাতালেই প্রীতম তাঁর দলবল নিয়ে চড়াও হন। সেখানে পুলিশ কর্তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তাঁর মেয়ে ও স্ত্রীকেও শ্লীলতাহানি করা হয়। ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ।

টেনে হিঁচড়ে পুলিশ কর্তার মেয়েকে এলাকা থেকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। মেয়েকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন পুলিশ কর্তাও। চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। সঠিক বিচারের দাবি তুলেছেন আক্রান্ত পুলিশ কর্তা। তা না হলে সপরিবারে আত্মহত্যা করবেন বলেও হুমকি দিয়েছেন তিনি। এক জন পুলিশ কর্তার পরিবারকেই যদি এইভাবে আক্রান্ত হতে হয়, তাহলে বাকিদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে আক্রান্ত পুলিশ কর্তা বলেন, “হাসপাতালের মধ্যে আমার বউ ও মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছে। কেউ দেখেনি। এখানে ৪০ জন দাঁড়িয়ে সব দেখছিল।” পুলিশ কর্তার অভিযোগ, অভিযোগকারীরা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত। তাই হাসপাতালে এত লোকের মাঝেও এত কিছু ঘটে গেল, তবুও কেউ কোনও প্রতিবাদ করলেন না। সবাই দাঁড়িয়ে দেখেছেন। এই ঘটনায় সঠিক বিচারের দাবি তুলেছেন তিনি। এই ঘটনায় অভিযুক্তের পক্ষের কোনও বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: জ্বর তো রয়েইছে, সঙ্গে আরও উপসর্গ! জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি ১০৫ শিশু

আরও পড়ুন: Mystery Fever: অজানা জ্বরে কাবু বাংলা, একের পর এক চিঠি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে

 

 

Read Full Article

Click on your DTH Provider to Add TV9 Bangla