
নয়াদিল্লি: নোটবন্দি ঘোষণার পর দেশের অন্দরে কালো টাকার ‘গোপন’ লেনদেন বন্ধ করতে দু’হাজার টাকার নোট এনেছিল কেন্দ্র সরকার। কিন্তু এক দশকের মধ্য়েই সেই নোটও বাতিল করে দেয় তারা। ২০২৩ সালের ২০ মে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই দু’হাজার টাকার নোট বাতিল করে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক। এই বাতিলের নেপথ্যে সাধারণ লেনদেনে অসুবিধা হওয়ার কারণকেই খাড়া করে তারা। তারপর রাতারাতি পরে যায় লাইন। ব্যাঙ্কে বাতিল নোট ফেরত দিতে ছুটে যায় সাধারণ মানুষ।
তবে সেই দিন এখন কেটেছে। দু’হাজার টাকার নোট বাতিল হয়ে পেরিয়ে গিয়েছে দু’বছর। কিন্তু ব্যাঙ্কের কাছে এখনও ফেরেনি অনেকটা অঙ্কের বাতিল নোট। সম্প্রতি এই প্রসঙ্গে একটি বিবৃতি জারি করে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া।
সেই বিবৃতি মাধ্য়মে কী জানিয়েছে তারা? জানিয়েছে যে বাজারে চলা ৯৮ শতাংশ বাতিল দু’হাজার টাকার নোট ব্যাঙ্কের লকারে ফিরে এলেও, এখনও ফেরেনি সামান্য পরিমাণ অঙ্কের টাকা। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সূত্রে খবর, সেই বাতিল লগ্নে দেশের বাজারে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল মোট ৩.৫৬ লক্ষ কোটি টাকা মূল্যের দু’হাজারের নোট। যার মধ্য়ে বেশির ভাগটাই বাতিলের পর কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের ঘরে এলেও, ফেরত আসেনি মোট অঙ্কের দুই শতাংশ অর্থ।
তবে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের কাছে এই অঙ্ক দুই শতাংশ হলেও, সাধারণের জন্য কিন্তু তা মোটেই অল্প নয়। জানা গিয়েছে, খাতায় কলমে হিসাব করতে বসলে, এই দুই শতাংশের পরিমাণ দাঁড়াচ্ছে মোট ৬ হাজার ৫৭৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ, এখনও সাধারণের পকেট থেকে পুরোপুরিভাবে উধাও হয়নি দু’হাজার টাকার নোট। বাজারে ঘুরে বেড়াচ্ছে সেগুলি।