ক্লাস ফাইভের ইংরেজি বইয়ে সলমন-ঐশ্বর্যর ‘নিম্বুড়া নিম্বুড়া’!

পর্দায় ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের সেই দুর্দান্ত নাচ, রাজস্থানি লোকসঙ্গীতের সুর আর সলমন খানের উপস্থিতি আজও দর্শকের মনে টাটকা। কিন্তু এবার কোনও মিউজিক প্ল্যাটফর্ম বা ইউটিউবে নয়, খোদ পঞ্চম শ্রেণীর সরকারি স্কুলের ইংরেজি পাঠ্যবইয়ের পাতায় জায়গা করে নিল এই বলিউড গান! ওড়িশার একটি স্কুলের পাঠ্যবইয়ের এই মারাত্মক ভুলের ঘটনাটি সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে শিক্ষা মহলে।

ক্লাস ফাইভের ইংরেজি বইয়ে সলমন-ঐশ্বর্যর ‘নিম্বুড়া নিম্বুড়া’!

|

Jul 01, 2026 | 2:33 PM

১৯৯৯ সালে মুক্তি পাওয়া সঞ্জয় লীলা বনশালির ব্লকবাস্টার ছবি ‘হাম দিল দে চুকে সনম’-এর সেই জনপ্রিয় গান ‘নিম্বুড়া নিম্বুড়া’ শোনেননি, এমন মানুষ মেলা ভার। পর্দায় ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের সেই দুর্দান্ত নাচ, রাজস্থানি লোকসঙ্গীতের সুর আর সলমন খানের উপস্থিতি আজও দর্শকের মনে টাটকা। কিন্তু এবার কোনও মিউজিক প্ল্যাটফর্ম বা ইউটিউবে নয়, খোদ পঞ্চম শ্রেণীর সরকারি স্কুলের ইংরেজি পাঠ্যবইয়ের পাতায় জায়গা করে নিল এই বলিউড গান! ওড়িশার একটি স্কুলের পাঠ্যবইয়ের এই মারাত্মক ভুলের ঘটনাটি সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে শিক্ষা মহলে।

সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া এক ভিডিয়ো অনুযায়ী, ওড়িশা বোর্ডের পঞ্চম শ্রেণীর একটি ইংরেজি টেক্সটবইয়ে বড়সড় মুদ্রণ বিভ্রাট (Printing Error) ধরা পড়েছে। সেখানে একটি ইংরেজি অধ্যায়ের অংশ হিসেবে হুবহু ছেপে দেওয়া হয়েছে ‘নিম্বুড়া নিম্বুড়া’ গানের কথা!

স্কুল পড়ুয়াদের পাঠ্যবইয়ে এই ধরণের চটকদার বলিউড গানের অন্তর্ভুক্তি স্বাভাবিকভাবেই শিক্ষা দপ্তরের গাফিলতি এবং বই তৈরির সম্পাদকীয় প্রক্রিয়া নিয়ে একাধিক গুরুতর প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। একটি স্কুল পাঠ্যবই চূড়ান্ত মুদ্রণ এবং ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বিতরণের আগে তা স্ক্রিনিং, প্রুফ রিডিং এবং একাধিক স্তরের বিশেষজ্ঞ কমিটির পর্যালোচনার মধ্যে দিয়ে যায়। এতগুলো ধাপ পেরিয়ে কীভাবে এই ধরনের একটি ভুল সবার চোখ এড়িয়ে গেল, তা নিয়ে জোর চর্চা নেটপাড়ায়।

এদিকে, এই ঘটনার পর বইয়ের পাতার সেই বিতর্কিত অংশের স্ক্রিনশট সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতে মোটেও সময় নেয়নি। নেটপাড়ার একাংশ বিষয়টিকে নিয়ে রসাত্মক মিম এবং ট্রোল বানাতে ব্যস্ত হলেও, সচেতন নেটিজেন ও অভিভাবকেরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের মতে, স্কুল স্তরের একটি পাঠ্যবইয়ে এই ধরণের চূড়ান্ত অপেশাদারিত্ব এবং বড়সড় ত্রুটি কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। শিক্ষার মান নিয়ে প্রশাসনের আরও সতর্ক হওয়া উচিত ছিল।

Follow Us