‘বাথরুমেও বউ গাইতে দেয় না!’, কোন কথা ফাঁস করলেন সজল ঘোষ?

‘জি বাংলা সারেগামাপা ২০২৬’-এর বিজয়ীর ট্রফি ছিনিয়ে নিলেন উত্তরবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুরের ঘরের ছেলে, অনুরাগীদের প্রিয় ‘চকোলেট বয়’ আয়ুষ গুপ্ত। প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই যিনি নিজের কণ্ঠের জাদুতে বিচারক থেকে শুরু করে আপামর দর্শককে মুগ্ধ করে রেখেছিলেন, ফাইনালের মঞ্চেও তার ব্যতিক্রম হল না।

বাথরুমেও বউ গাইতে দেয় না!,  কোন কথা ফাঁস করলেন সজল ঘোষ?

|

Jun 29, 2026 | 2:00 PM

দীর্ঘ আট-নয় মাসের সুরেলা সফরের অবসান ঘটল এক জমকালো রবিবাসরীয় সন্ধ্যায়। টানটান উত্তেজনা আর সুরের মহাযুদ্ধ শেষে ‘জি বাংলা সারেগামাপা ২০২৬’-এর বিজয়ীর ট্রফি ছিনিয়ে নিলেন উত্তরবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুরের ঘরের ছেলে, অনুরাগীদের প্রিয় ‘চকোলেট বয়’ আয়ুষ গুপ্ত। প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই যিনি নিজের কণ্ঠের জাদুতে বিচারক থেকে শুরু করে আপামর দর্শককে মুগ্ধ করে রেখেছিলেন, ফাইনালের মঞ্চেও তার ব্যতিক্রম হল না। চ্যাম্পিয়নের ট্রফির পাশাপাশি দর্শকদের ভালোবাসায় ‘ভিউয়ার্স চয়েস অ্যাওয়ার্ড’ও পকেটে পুরেছেন আয়ুষ। পুরস্কার হিসেবে ট্রফির সঙ্গে তিনি বাড়ি নিয়ে গেলেন নগদ ছয় লাখ টাকা, একটি ঝকঝকে নতুন গাড়ি এবং সোনার গয়না।

এবারের আসরে তুমুল লড়াই দিয়ে রানার্স-আপ বা দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছেন সুভাষগ্রামের মেয়ে গীতশ্রী চৌধুরী। অন্যদিকে, জোরদার টক্কর দিয়ে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন হাওড়ার আন্দুলের বাসিন্দা সৃজন পোড়েল। মঞ্চে গানের পাশাপাশি স্টাইলের ছটায় নজর কেড়ে ‘মোস্ট স্টাইলিশ পারফর্মার’-এর খেতাব জিতে নিয়েছেন সায়ন্তনী ঘোষ।

এদিনের মেগা ফাইনালের মঞ্চে বসেছিল চাঁদের হাট। টলিউডের মেগাস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় থেকে শুরু করে টলিউডের প্রায় সব তারকারাই যেমন হাজির ছিলেন, তেমনই উপস্থিত ছিলেন জি বাংলার একঝাঁক ছোটপর্দার জনপ্রিয় নায়ক-নায়িকারা। বিনোদন দুনিয়ার পাশাপাশি এদিন দর্শকাসনে আলো ছড়ালেন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরাও।বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির টিকিটে জয়ী দুই বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ ও সজল ঘোষকে এদিন এক ফ্রেমে দেখা যায়।

সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজের চেনা রসিক মেজাজে ধরা দেন বরানগরের নতুন বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ। গানের প্রতি তাঁর অনুরাগের কথা টেনে যখন জানতে চাওয়া হয় তিনি নিজে গান গাইতে ভালোবাসেন কি না, হেসে হেসেই বিধায়কের উত্তর, “না না, আমি শুধু দেখতেই পছন্দ করি, আমাকে দেখতেই দাও!” এখানেই না থেমে ঘরোয়া রসিকতা জুড়ে তিনি আরও বলেন, “আমার বউ তো বাড়িতেই আমার গান গাওয়া বন্ধ করে রেখেছে, বাথরুমেও গাইতে দেয় না। দেখতে ভালোবাসি, তাই এখানে চলে এসেছি।”

প্রসঙ্গত, কংগ্রেসের হাত ধরে প্রয়াত পিতা প্রদীপ ঘোষের ছত্রছায়ায় রাজনৈতিক জীবন শুরু করা সজল ঘোষ মাঝখানে তৃণমূল ঘুরে ২০২১ সালে বিজেপিতে যোগ দেন। সে বছরই কলকাতার ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হন তিনি। ২০২৪ সালের বরানগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে অভিনেত্রী সায়ন্তিকা ব্যানার্জির কাছে পরাজিত হলেও, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে সায়ন্তিকাকে হারান তিনি এবং বরানগরের বিধায়ক নির্বাচিত হন।

 

Follow Us