Kangana on cjp protest: সংসদের ভিতরে ভয়ে গুটিয়েছিলাম! ‘ককরোচ’ আটকানোয় দিল্লি পুলিশকে কী বললেন কঙ্গনা?

NEET Controversy:আন্দোলন রুখতে কেন্দ্র প্রায় ৫ হাজার পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করলেও ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করেন বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস এবং জলকামান প্রয়োগ করে পুলিশ। বাইরে যখন এই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি, ঠিক সেই সময় সংসদের অন্দরের হাওয়া কেমন ছিল, সেই অভিজ্ঞতাই ভাগ করে নিলেন বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাওয়াত।

Kangana on cjp protest: সংসদের ভিতরে ভয়ে গুটিয়েছিলাম! ককরোচ আটকানোয় দিল্লি পুলিশকে কী বললেন কঙ্গনা?

|

Jul 22, 2026 | 1:57 PM

সংসদের বাদল অধিবেশনের প্রথম দিনেই উত্তাল হয়ে উঠল রাজধানী দিল্লির রাজপথ। নিট (NEET) কেলেঙ্কারি এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) ‘সংসদ অভিযান’কে কেন্দ্র করে যন্তর মন্তর এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রের রূপ নেয়। আন্দোলন রুখতে কেন্দ্র প্রায় ৫ হাজার পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করলেও ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করেন বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস এবং জলকামান প্রয়োগ করে পুলিশ। বাইরে যখন এই অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি, ঠিক সেই সময় সংসদের অন্দরের হাওয়া কেমন ছিল, সেই অভিজ্ঞতাই ভাগ করে নিলেন বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাওয়াত।

সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তারকা সাংসদ জানান, সে সময় সংসদ ভবনের ভেতরে মারাত্মক ভীতিকর এক পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। কঙ্গনার কথায়, “আমরা সমস্ত সাংসদেরা তখন ভেতরে উপস্থিত ছিলাম। আতঙ্কে সকলেই ভেবেছিলাম, এই উন্মত্ত জনতা হয়তো সংসদ ভবনের ভেতরে ঢুকে আমাদের ওপর হামলা চালিয়ে বসবে!”

আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশের বলপ্রয়োগ নিয়ে যখন দেশজুড়ে সমালোচনা ও প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়েছে—এমনকী অনুরাগ কাশ্যপ, অরিজিৎ সিংয়ের মতো তারকারাও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন—তখন ঠিক বিপরীত সুর শোনা গেল কঙ্গনার গলায়। দিল্লি পুলিশের ঢাল হয়ে দাঁড়ানোর প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে তিনি বলেন, “দিল্লি পুলিশ যেভাবে সাধারণ মানুষের সামনে সুরক্ষা কবচ হয়ে থেকে ক্ষতি এড়াতে সাহায্য করেছে, তার জন্য ওরা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার।”

অধিবেশন কক্ষে হট্টগোল ও রাজপথের বিক্ষোভকে নিশানা করে কঙ্গনা সাফ জানান, কোনও বিষয়ে বিশদ আলোচনার জন্যই সংসদের অধিবেশন ডাকা হয়। কিন্তু আলোচনার পথ ছেড়ে এইভাবে চাপ সৃষ্টি করা একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়। মাণ্ডির সাংসদের মন্তব্য, “এটি জনগণের দ্বারা নির্বাচিত একটি গণতান্ত্রিক সরকার। কাকে রাখা হবে বা কাকে বরখাস্ত করা হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার কেবল সরকারেরই। এত আত্মবিশ্বাস থাকলে নির্বাচন লড়াই করে আসাই শ্রেয়।” এর সঙ্গেই তিনি যোগ করেন, “দিনশেষে সবাই বিজেপি এবং সনাতন সংস্কৃতির ভাবধারাতেই আস্থা খুঁজবে, কারণ এটাই আমাদের আসল মূল শিকড়।”

পাশাপাশি, এনডিএ-র সংসদীয় বৈঠকে নিট ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মন্তব্যেরও পুনরাবৃত্তি করেন কঙ্গনা। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন যে, যুবসমাজের ভবিষ্যৎ রক্ষা করা সরকারের অগ্রাধিকার। মোদীর সেই অবস্থানকে সমর্থন জানিয়ে কঙ্গনা জানান, এই সংকট মোকাবিলায় সরকারের দায়িত্ব কী এবং ঠিক কীভাবে তার সমাধান করা হবে, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট দিশা দেখিয়েছেন। তবে দেশের সার্বিক ক্ষোভের মুখে দাঁড়িয়েও কঙ্গনার এহেন বিতর্কিত মন্তব্য এবং পুলিশি পদক্ষেপকে সমর্থন করা নিয়ে বিতর্ক যে আরও এক ধাপ বাড়ল, তা বলাই বাহুল্য।

Follow Us