মৃত্যুর আগে কী এমন দায়িত্ব হেমাকে দিয়ে যান ধর্মেন্দ্র, যা শেষ জীবন পর্যন্ত করে যাবেন ড্রিম গার্ল?

জীবনসঙ্গী চলে গেলেও তাঁর স্মৃতি আর আদর্শকে আঁকড়েই এখন দিন কাটছে ‘ড্রিম গার্ল’-এর। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে স্বামীর স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন অভিনেত্রী। সেই সঙ্গেই ফাঁস করেন, মৃত্যুর আগে সন্তানদের নিয়ে ধর্মেন্দ্র তাঁকে ঠিক কী পরামর্শ দিয়ে গিয়েছিলেন?

মৃত্যুর আগে কী এমন দায়িত্ব হেমাকে দিয়ে যান ধর্মেন্দ্র, যা শেষ জীবন পর্যন্ত করে যাবেন ড্রিম গার্ল?

|

Jul 07, 2026 | 6:52 PM

হেমা মালিনী এবং ধর্মেন্দ্রের রুপোলি পর্দার প্রেম যেমন ইতিহাস, তেমনই তাঁদের বাস্তব জীবনের রসায়নও ছিল চর্চার কেন্দ্রবিন্দু। গত বছর অভিনেতা ধর্মেন্দ্রের প্রয়াণের পর হেমার জীবনে যে মস্ত বড় শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা তিনি বারবার অকপটে স্বীকার করেছেন। জীবনসঙ্গী চলে গেলেও তাঁর স্মৃতি আর আদর্শকে আঁকড়েই এখন দিন কাটছে ‘ড্রিম গার্ল’-এর। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে স্বামীর স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন অভিনেত্রী। সেই সঙ্গেই ফাঁস করেন, মৃত্যুর আগে সন্তানদের নিয়ে ধর্মেন্দ্র তাঁকে ঠিক কী পরামর্শ দিয়ে গিয়েছিলেন?

সাক্ষাৎকারে হেমা আক্ষেপের সুরে জানান, ব্যস্ততার কারণে ব্যক্তিগত জীবনে দু’জনের একসঙ্গে সেভাবে কখনও ঘুরতে যাওয়াই হয়ে ওঠেনি। আর সেই খামতি মেটাতেই নাকি তাঁরা ব্যাক-টু-ব্যাক ছবিতে একসঙ্গে কাজ করতেন, যাতে শুটিংয়ের বাহানায় অন্তত কিছুটা বাড়তি সময় পাশাপাশি কাটানো যায়। ধর্মেন্দ্রর অনুপস্থিতি আজও মেনে নিতে পারেন না হেমা। তাঁর কথায়, “উনি যে আর নেই, এটা আমি এখনও বিশ্বাস করতে পারি না। এখন শুধু ওঁর সঙ্গে পরপারে আবার দেখা হওয়ার অপেক্ষা করছি।”

ধর্মেন্দ্র বেঁচে থাকাকালীন তাঁর প্রথম পক্ষের দুই সন্তান— সানি দেওল ও ববি দেওলের সঙ্গে হেমার সমীকরণ কেমন, তা নিয়ে বলিপাড়ায় কৌতূহলের শেষ ছিল না। অভিনেতার মৃত্যুর পর সেই চর্চা আরও বাড়ে। গুঞ্জন রটেছিল, ধর্মেন্দ্রর প্রয়াণের পর দুই পরিবারের দূরত্ব নাকি আরও চওড়া হয়েছে। তবে এই সমস্ত জল্পনায় জল ঢেলে হেমা জানান, ধর্মেন্দ্র সবসময় সানি ও ববিকে নিয়ে চিন্তিত থাকতেন এবং পরিবারকে একসূত্রে বেঁধে রাখার কথা বলতেন।

হেমার কথায়, “ধর্মজি সবসময় বলতেন, সন্তানদের সঙ্গে যতটা সম্ভব বেশি সময় কাটাতে। পরিবারকে আগলে রাখা যে আজকের দিনে কতটা জরুরি, উনি সেটা বারবার মনে করিয়ে দিতেন। এখনকার ছেলেমেয়েরা তো নিজেদের মতো আলাদা হয়ে যায়, তাই উনি বলতেন— যাই হয়ে যাক, পরিবারই সবার আগে।”

দুই পরিবারের মধ্যে তিক্ততার জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে হেমা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তাঁদের মধ্যে কোনও দূরত্ব বা বিভাজন নেই। সানি এবং ববি মানুষ হিসেবে অত্যন্ত ভালো এবং দুই পরিবার এখনও একসঙ্গেই রয়েছে। স্বামীর শেষ ইচ্ছেকে মর্যাদা দিয়ে দেওল পরিবার আজও একজোট— হেমার কথায় যেন সেই বার্তাই স্পষ্ট হয়ে উঠল। আর ধর্মেন্দ্র পরিবারকে একজোট রাখার সেই বার্তাকেই দায়িত্ব হিসেবে মেনে নিয়েছেন হেমা।

Follow Us