
‘মার্ডার’, ‘আশিক বনায়া আপনে’, ‘অকসর’ কিংবা ‘জন্নত’—২০০০-এর দশকে বলিউডে ইমরান হাশমি মানেই ছিল সম্পর্কের টানাপোড়েন, হিট গান আর পর্দার গাঢ় উষ্ণতা। রুপোলি পর্দায় পরপর একাধিক ছবিতে সহ-অভিনেত্রীদের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ দৃশ্য দেখে দর্শকরা তাঁকে তকমা দিয়েছিলেন ‘সিরিয়াল কিসার’-এর। কিন্তু সিনেমার পর্দার এই ‘অন-স্ক্রিন লাভার বয়’-এর বাস্তব জীবনটা সম্পূর্ণ বিপরীত। রিল লাইফে ‘চুম্বনের রাজা’ হলেও রিয়েল লাইফে তিনি একেবারেই একনিষ্ঠ এক স্ত্রীভক্ত পুরুষ। কর্মজীবনে এত নায়িকার সঙ্গে কাজ করলেও কোনও দিনই কোনও সহ-অভিনেত্রীর সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়ে গুঞ্জনের কথা শোনা যায়নি।
তবে ক্যামেরার সামনে নায়িকাদের ঠোঁটঠাসা চুম্বন করতে গিয়ে এক চরম অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়েছিল অভিনেতাকে। একটি পুরনো সাক্ষাৎকারে নিজের সেই অভিজ্ঞতার কথা অকপটে স্বীকারও করেছিলেন ইমরান।
এক সাক্ষাৎকারে যখন ইমরানকে তাঁর কেরিয়ারের ‘সেরা’ ও ‘সবচেয়ে খারাপ’ অন-স্ক্রিন চুম্বনের অভিজ্ঞতার কথা জিজ্ঞেস করা হয়, তখন তিনি বেশ খোলামেলা জবাব দেন। সেরা চুম্বনের স্মৃতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি টেনে আনেন ‘মার্ডার’ ছবির সহ-অভিনেত্রী মল্লিকা শেরাওয়াতের নাম। হালকা রসিকতার সুরে ইমরান জানান, মল্লিকার সঙ্গে দৃশ্যটি সেরা হয়েছিল, পাশাপাশি ‘মার্ডার ২’ ছবিতে জ্যাকলিন ফার্নান্দেজের সঙ্গে তাঁর রসায়ন ও চুম্বনের দৃশ্যও তাঁর পছন্দের তালিকায় ওপরের দিকেই ছিল।
কিন্তু গোল বাঁধে ‘সবচেয়ে খারাপ’ অভিজ্ঞতার বিষয়টি নিয়ে। সেই নায়িকার নাম প্রকাশ্যে না আনলেও তাঁর করুণ অবস্থার কথা প্রকাশ করেন ইমরান। তিনি জানান, শুটিংয়ের সময় এক অভিনেত্রীর মুখের দুর্গন্ধ এতটাই তীব্র ছিল যে দৃশ্যটি শুট করা তাঁর জন্য দুঃস্বপ্ন হয়ে উঠেছিল। ইমরান বলেন, “সকালবেলা ঘুম থেকে ওঠার ঠিক পর মুখে যেমন বিশ্রী গন্ধ থাকে, সেই দৃশ্যে আমাকে তেমনই এক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল।”
অভিনেতার এই মন্তব্যের একটি ভিডিও ক্লিপ পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে এবং নেটিজেন ও অনুরাগীদের মধ্যে জোর জল্পনা শুরু হয়—কার কথা বলছিলেন ইমরান? তবে নিজের পেশাদারিত্ব বজায় রেখে সেই নায়িকার পরিচয় চিরকাল অধরাই রেখে দিয়েছেন এই তারকা।