‘এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কি দেশ ভাঙতে পারে?’, JNU ছবির পোস্টার মুক্তি পেতেই বিতর্ক

JNU: অতীতে 'দ্য কাশ্মীর ফাইলস', 'দ্য কেরালা স্টোরির' মতো ছবি নিয়ে বারেবারে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টে অভিযোগে বাংলায় নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল 'দ্য কেরালা স্টোরি'।

এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কি দেশ ভাঙতে পারে?, JNU ছবির পোস্টার মুক্তি পেতেই বিতর্ক

Mar 12, 2024 | 6:53 PM

ছবির নাম JNU, পরিচালক বিনয় শর্মা। মঙ্গলবার ছবির পোস্টার মুক্তি পেতেই চতুর্দিকে হইচই। কেউ বলছেন, ‘প্রোপাগান্ডা’। আবার কারও মতে, ‘সত্যিই দরকার ছিল’? নির্মাতারা দাবি করেছেন নামের মিল থাকলেও ছবির এই JNU, ছাত্র রাজনীতির পিঠস্থান জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয় নয়। বরং ছবিতে JNU-এর সম্পূর্ণ নাম রাখা হয়েছে জাহাঙ্গীর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। তবে ছবির পোস্টারে লেখা নিয়েই মূলত দানা বেঁধেছে বিতর্ক। মুষ্টিবদ্ধ হাত ধরে আছে দেশের রেপ্লিকা, তার রঙ গেরুয়া, তাতে লেখা, “একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কি দেশকে গুঁড়িয়ে দিতে পারে?” এর পরেই নেটিজেনদের একটা বড় অংশ লিখেছেন, “পোস্টার দেখেই মনে হচ্ছে এই ছবি বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে বানানো হয়েছে। লোকসভা নির্বাচনের আগেই এই ছবি মুক্তি কি বিশেষ রাজনৈতিক পদক্ষেপ?” তবে এই ছবির স্টারকাস্ট কিন্তু বেশ নামী। বিশেষ দৃশ্যে রয়েছে উর্বশী রাউতেলা। এ ছাড়াও অভিনয় করবেন, “সিদ্ধার্থ বোরকে, পিয়ুষ মিশ্র, রাশামি দেশাই, রবি কিষণ, বিজয় রাজসহ অন্যান্য।

অতীতে ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’, ‘দ্য কেরালা স্টোরির’ মতো ছবি নিয়ে বারেবারে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টে অভিযোগে বাংলায় নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল ‘দ্য কেরালা স্টোরি’। এই ছবির ক্ষেত্রেও কি সেরকম কিছু হতে চলেছে? সমালোচনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। দিল্লির জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটা নানা রাজনৈতিক ইস্যুকে কেন্দ্র করে হয়েছে বিতর্ক। জড়িয়েছে সিনেপাড়ার নামও। ‘রাঞ্জনা’, ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’সহ বিভিন্ন ছবিতে পরোক্ষ অথবা প্রত্যক্ষ ভাবে উল্লেখ করা হয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের। ২০২০ সালে জেএনইউয়ের ছাত্রদের উপর হামলার পর পাশে থাকার বার্তা নিয়ে সেখানে পৌঁছেছিলেন দীপিকা পাড়ুকোন। তা নিয়ে কম আলোচনা হয়নি। কিন্তু তাই বলে, অনুরূপ নাম নিয়ে ছবি! মুক্তি পাবে আগামী ৫ এপ্রিল। সাধারণ মানুষ এই ছবি নিয়ে কী প্রতিক্রিয়া দেন, এখন সেটাই দেখার।

Follow Us