Saif Ali Khan- Rani Mukherjee: সইফকে চুমু খেতে গিয়ে বিপাকে পড়েন রানি! কী ঘটেছিল সেই রাতে?

Saif-Rani's iconic kiss: সইফ আলি খান ও রানি মুখোপাধ্যায় অভিনীত ‘হাম তুম’ (Hum Tum)। কিন্তু এতদিন পর সেই ছবিরই একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও আইকনিক দৃশ্য নিয়ে এক বিস্ফোরক ও মজাদার স্বীকারোক্তি করলেন ছবির পরিচালক কুণাল কোহলি। সইফ ও রানির মধ্যকার সেই অন-স্ক্রিন চুম্বনদৃশ্যটিকে ‘হিন্দি সিনেমার ইতিহাসের অন্যতম জঘন্য কিস’ বলে আখ্যা দিলেন পরিচালক। একই সঙ্গে খোলসা করলেন সেই দৃশ্যের পেছনের আসল রহস্যও।

Saif Ali Khan- Rani Mukherjee: সইফকে চুমু খেতে গিয়ে বিপাকে পড়েন রানি! কী ঘটেছিল সেই রাতে?

|

May 29, 2026 | 6:34 PM

মুক্তির পর কেটে গিয়েছে দুই দশকেরও বেশি সময়। আজও বলিউডের অন্যতম সেরা রোম্যান্টিক ড্রামা হিসেবে দর্শকদের মনে জায়গা ধরে রেখেছে সইফ আলি খান ও রানি মুখোপাধ্যায় অভিনীত ‘হাম তুম’ (Hum Tum)। কিন্তু এতদিন পর সেই ছবিরই একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও আইকনিক দৃশ্য নিয়ে এক বিস্ফোরক ও মজাদার স্বীকারোক্তি করলেন ছবির পরিচালক কুণাল কোহলি। সইফ ও রানির মধ্যকার সেই অন-স্ক্রিন চুম্বনদৃশ্যটিকে ‘হিন্দি সিনেমার ইতিহাসের অন্যতম জঘন্য কিস’ বলে আখ্যা দিলেন পরিচালক। একই সঙ্গে খোলসা করলেন সেই দৃশ্যের পেছনের আসল রহস্যও।

সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে কুণাল কোহলি ছবির সুপারহিট গান ‘সাঁসো কো সাঁসো মেঁ’-র শুটিংয়ের দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করেন। সেখানেই তিনি জানান, ওই চুম্বনের দৃশ্যটি স্ক্রিনে যতটা রোম্যান্টিক লেগেছিল, বাস্তবে তার শুটিং হয়েছিল অত্যন্ত অদ্ভুত ও অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে।

পরিচালক বলেন, “আমরা সারারাত ধরে ওই গানের শুটিং করছিলাম। প্রথমে রানি কিছুতেই চুম্বনের দৃশ্যটি শুট করতে রাজি হচ্ছিলেন না। অনেক বোঝানোর পর অবশেষে তিনি বলেন, ‘ঠিক আছে, আমি মাত্র একটা টেক দেব।’ আপনারা যদি ছবিটিতে ওই দৃশ্যটি ভালো করে লক্ষ্য করেন, তবে দেখবেন রানি আসলে হাসছিলেন। উনি একপাশে কাত হয়ে শুয়েছিলেন এবং হাসির চোটে তাঁর শরীর নড়ে উঠছিল। এডিটিংয়ের সময় যখন আমি দৃশ্যটি দেখি, তখন বুঝি যে ও হাসছিল। তাই হ্যাঁ, এটাকে হিন্দি সিনেমার অন্যতম জঘন্য একটা কিস বলতেই হবে।”

এখানেই শেষ নয়, পরিচালক আরও একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করেছেন। তিনি জানান, ছবির শুরুতে সইফ এবং রানির অফ-স্ক্রিন রসায়ন বা সম্পর্ক মোটেও বন্ধুত্বপূর্ণ ছিল না।

কুণাল কোহলির কথায়, “শুটিংয়ের প্রথমার্ধে সেটের পরিবেশ এমন ছিল যে একদিকে আমি আর রানি একটা টিম, আর সইফ সম্পূর্ণ একা। তখন সইফ আর আমি একে অপরকে একেবারেই পছন্দ করতাম না। এমনকি সইফ আর রানির মধ্যেও সম্পর্ক মোটেও ভালো ছিল না।”

তবে সিনেমার শুটিং যখন অ্যামস্টারডামে স্থানান্তরিত হয়, তখন থেকে ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি হতে শুরু করে। কুণাল জানান, সেখানে তিনি সইফের সঙ্গে একান্তে একটি অত্যন্ত গুরুতর আলোচনা করেছিলেন। তিনি সইফকে স্পষ্ট বুঝিয়েছিলেন যে, লিড অভিনেতা বা একক নায়ক হিসেবে বলিউডে নিজের জমি শক্ত করতে এই ‘হাম তুম’ সিনেমাটি তাঁর কেরিয়ারের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

পরিচালক সইফকে বলেছিলেন যে, যদি এই ছবি বক্স অফিসে ব্যর্থ হয়, তবে তিনি চিরকাল শাহরুখ খানের মতো বড় তারকাদের পাশে কেবল পার্শ্বচরিত্র বা সেকেন্ড লিড হিসেবেই থেকে যাবেন (যেমনটা ‘কাল হো না হো’ ছবিতে হয়েছিল)। কুণালের দাবি, এই বাস্তবধর্মী আলোচনাটি সইফের মানসিকতা এবং সেটের পুরো এনার্জি রাতারাতি বদলে দিয়েছিল। এর পর থেকে ছবির কলাকুশলীদের পারস্পরিক সম্পর্ক অনেক সহজ ও স্বাভাবিক হয়ে ওঠে, যা পরবর্তীতে পর্দার রসায়নেও স্পষ্ট ফুটে উঠেছিল।

Follow Us