বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্য়ায়ের নবান্নে পা রাখার পর থেকেই নানা মহলে জল্পনা শুরু হয়, তাঁর এই নবান্নের হাজিরা নিয়ে। গত সোমবার অমিত শাহর, প্রসেনজিতের বাড়িতে যাওয়ার সঙ্গে এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সাক্ষাৎকে অনেকেই দুইয়ে দুইয়ে চার করেছিলেন। তবে তাঁর রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সব জল্পনায় ইতি টেনে টলিউডের বুম্বাদা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বৃহস্পতিবার ঠিক কী কী কারণে তিনি দেখা করলেন শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে।
বৈঠক শেষে কী বললেন প্রসেনজিৎ?
এদিন নবান্ন থেকে বেরিয়ে প্রসেনজিৎ বলেন,মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কোনও রাজনীতির আলোচনা হয়নি। সঙ্গে প্রসেনজিৎ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তিনি রাজনীতিতে আসলে অবশ্যই সংবাদ মাধ্যমকে জানাবেন। অভিনেতা জানান, বিনোদন জগতের উন্নয়ন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। মূলত ৩ সেপ্টেম্বর, মহানায়ক উত্তম কুমারের জন্মদিন এবার বড় আকারে পালন করতে চায় বিনোদন জগত। যেহেতু এবছর মহানায়কের জন্মশতবর্ষ। সেই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কোনও বিনিয়োগ আসছে কিনা সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন এখনই নয় তবে আগামী দু-তিন মাসে সেরকম সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন প্রসেনজিৎ।
এদিন প্রসেনজিৎ আরও বলেন, ”আমার সঙ্গে কারোর কোনও রাজনৈতিক কথা আলোচনা সেদিনও হয়নি, আজও হয়নি। যেটা হয়েছে আমাদের কথা, আমাদের ইন্ডাস্ট্রির কথা। পশ্চিমবাংলায় বিশেষ করে মহানায়ক উত্তম জ্যোঠুকে নিয়ে, তাঁর জন্মশতবর্ষের প্ল্যানিং নিয়ে কথা হয়েছে। উত্তমকুমার আমার ইমোশন, আমাদের, বাঙালির ইমোশন এবং আমি মনে করি তিনি শুধু বাংলার নন, তিনি সারা ভারতবর্ষর। এই সমস্ত আলোচনা হয়েছে। যাঁরা যেটা বলছেন, তাঁরা বিশ্বাস করুন আমাদের অন্য অনেক কথা থাকে, আমাদের অনেক প্রয়োজন থাকে। আমাদের নিজস্ব সুবিধা, অসুবিধে থাকে। সেই কথাগুলো বলার জন্যই এসেছিলাম।”
ইন্ডাস্ট্রির উন্নয়নের জন্য কোনও নির্দিষ্ট দায়িত্ব পাচ্ছেন প্রসেনজিৎ? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ”এগুলো আমি এখন বলতে পারব না। কারণ এইগুলো প্রথমত এখনও এই আলোচনাও হয়নি। সবাই জানেন যে আমি আমার ইন্ডাস্ট্রির জন্য সব সময় রয়েছি। রাত দুটোর সময় ডাকলেও আমি দাঁড়াব। কারণ ওটা আমার জায়গা। তো এরকমভাবে যদি কখনও মনে হয়, আমাকে ডাকেন আমার যদি কোন একটুখানি পরামর্শ আমার ইন্ডাস্ট্রিকে ভালো করে, আরও উন্নতি হয়, কেন আসব না? এটা তো আমার জায়গা।”
বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্য়ায়ের নবান্নে পা রাখার পর থেকেই নানা মহলে জল্পনা শুরু হয়, তাঁর এই নবান্নের হাজিরা নিয়ে। গত সোমবার অমিত শাহর, প্রসেনজিতের বাড়িতে যাওয়ার সঙ্গে এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সাক্ষাৎকে অনেকেই দুইয়ে দুইয়ে চার করেছিলেন। তবে তাঁর রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সব জল্পনায় ইতি টেনে টলিউডের বুম্বাদা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বৃহস্পতিবার ঠিক কী কী কারণে তিনি দেখা করলেন শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে।
বৈঠক শেষে কী বললেন প্রসেনজিৎ?
এদিন নবান্ন থেকে বেরিয়ে প্রসেনজিৎ বলেন,মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কোনও রাজনীতির আলোচনা হয়নি। সঙ্গে প্রসেনজিৎ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তিনি রাজনীতিতে আসলে অবশ্যই সংবাদ মাধ্যমকে জানাবেন। অভিনেতা জানান, বিনোদন জগতের উন্নয়ন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। মূলত ৩ সেপ্টেম্বর, মহানায়ক উত্তম কুমারের জন্মদিন এবার বড় আকারে পালন করতে চায় বিনোদন জগত। যেহেতু এবছর মহানায়কের জন্মশতবর্ষ। সেই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে কোনও বিনিয়োগ আসছে কিনা সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন এখনই নয় তবে আগামী দু-তিন মাসে সেরকম সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন প্রসেনজিৎ।
এদিন প্রসেনজিৎ আরও বলেন, ”আমার সঙ্গে কারোর কোনও রাজনৈতিক কথা আলোচনা সেদিনও হয়নি, আজও হয়নি। যেটা হয়েছে আমাদের কথা, আমাদের ইন্ডাস্ট্রির কথা। পশ্চিমবাংলায় বিশেষ করে মহানায়ক উত্তম জ্যোঠুকে নিয়ে, তাঁর জন্মশতবর্ষের প্ল্যানিং নিয়ে কথা হয়েছে। উত্তমকুমার আমার ইমোশন, আমাদের, বাঙালির ইমোশন এবং আমি মনে করি তিনি শুধু বাংলার নন, তিনি সারা ভারতবর্ষর। এই সমস্ত আলোচনা হয়েছে। যাঁরা যেটা বলছেন, তাঁরা বিশ্বাস করুন আমাদের অন্য অনেক কথা থাকে, আমাদের অনেক প্রয়োজন থাকে। আমাদের নিজস্ব সুবিধা, অসুবিধে থাকে। সেই কথাগুলো বলার জন্যই এসেছিলাম।”
ইন্ডাস্ট্রির উন্নয়নের জন্য কোনও নির্দিষ্ট দায়িত্ব পাচ্ছেন প্রসেনজিৎ? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ”এগুলো আমি এখন বলতে পারব না। কারণ এইগুলো প্রথমত এখনও এই আলোচনাও হয়নি। সবাই জানেন যে আমি আমার ইন্ডাস্ট্রির জন্য সব সময় রয়েছি। রাত দুটোর সময় ডাকলেও আমি দাঁড়াব। কারণ ওটা আমার জায়গা। তো এরকমভাবে যদি কখনও মনে হয়, আমাকে ডাকেন আমার যদি কোন একটুখানি পরামর্শ আমার ইন্ডাস্ট্রিকে ভালো করে, আরও উন্নতি হয়, কেন আসব না? এটা তো আমার জায়গা।”