Saba Pataudi: কথা ছিল কলকাতার পাত্রকে বিয়ে করার, কেন ৫০ পেরিয়েও অবিবাহিত সইফের বোন সাবা?

Saba Pataudi Unmarried: গ্ল্যামার দুনিয়ার আলোকবৃত্ত থেকে বরাবরই নিজেকে দূরে রাখতে ভালোবাসেন তিনি। পরিবারের নানা উদযাপনে মা কিংবা ভাইবোনদের সঙ্গে তাঁর উপস্থিতি চোখে পড়লেও, ৫০ বছর বয়সে এসেও সাবা আজও অবিবাহিত। এতদিন পর নিজেই ফাঁস করলেন, কেন আজও তাঁর সংসার বাঁধা হয়ে ওঠেনি।

Saba Pataudi: কথা ছিল কলকাতার পাত্রকে বিয়ে করার, কেন ৫০ পেরিয়েও অবিবাহিত সইফের বোন সাবা?

|

Aug 07, 2026 | 6:41 PM

মা শর্মিলা ঠাকুরের পথ ধরে রুপোলি পর্দায় নাম কামিয়েছেন সইফ আলি খান ও সোহা আলি খান। তবে পতৌদি পরিবারের এই দুই তারকার মাঝে ব্যতিক্রমী সইফের ছোট বোন সাবা পতৌদি। গ্ল্যামার দুনিয়ার আলোকবৃত্ত থেকে বরাবরই নিজেকে দূরে রাখতে ভালোবাসেন তিনি। পরিবারের নানা উদযাপনে মা কিংবা ভাইবোনদের সঙ্গে তাঁর উপস্থিতি চোখে পড়লেও, ৫০ বছর বয়সে এসেও সাবা আজও অবিবাহিত। এতদিন পর নিজেই ফাঁস করলেন, কেন আজও তাঁর সংসার বাঁধা হয়ে ওঠেনি।

সম্প্রতি নেহা ধুপিয়া ও অঙ্গদ বেদীর সঙ্গে এক আড্ডায় নিজের জীবনের এই ব্যক্তিগত অধ্যায় নিয়ে মুখ খোলেন সাবা। তিনি জানান, জীবনে কখনওই তাঁর কোনও প্রেমিক ছিল না। মাত্র ১৮-১৯ বছর বয়স থেকেই বিয়ের পাত্রের সন্ধান আসতে শুরু করে। এমনকী, ১৯ বছর বয়সে কলকাতার এক পাত্রের সঙ্গে তাঁর বিয়ের কথাও প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সে সময়ে মানসিকভাবে প্রস্তুত না থাকায় শেষ পর্যন্ত পিছিয়ে আসেন তিনি।

পরবর্তীকালে বিয়ের ইচ্ছে থাকলেও নিজের মনের মতো সঙ্গীর দেখা পাননি বলে জানান সাবা। এর পেছনে কি বাবা মনসুর আলি খান পতৌদির মতো ব্যক্তিত্ব খোঁজার কোনও ভূমিকা ছিল? প্রশ্নের উত্তরে সাবা বলেন, “আমি বাবাকে খুব কাছ থেকে দেখেছি। অবশ্যই হুবহু বাবার মতো কাউকে খুঁজছিলাম না, তবে ব্যক্তিত্বের দিক থেকে বাবা তো বাবাই! তিনি অত্যন্ত বিনীত, দায়িত্বশীল ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ ছিলেন, যিনি আমাকে স্বাধীন হতে শিখিয়েছিলেন।”

সঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে তাঁর ভাবনার কথা জানাতে গিয়ে অভিনেত্রী তাপসী পান্নুর একটি উক্তি উদ্ধৃত করেন সাবা। তাঁর কথায়, “তাপসী একবার বলেছিলেন, ‘আমার কোনো অপক্ব ছেলে নয়, একজন পূর্ণাঙ্গ ও পরিণত মানুষের প্রয়োজন।’ কথাটা আমার খুব মনে ধরেছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, জীবনে তেমন পরিপক্ব কাউকে খুঁজে পাইনি যার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া যায়।”

মা ও ভাইবোনদের মতো অভিনয়কে পেশা হিসেবে বেছে না নিয়ে সাবা নিজের পরিচিতি গড়ে তুলেছেন গয়না ডিজাইনার (Jewelry Designer) হিসেবে। পাশাপাশি ‘ট্যারট রিডার’ এবং ‘স্পিরিচুয়াল হিলার’ হিসেবেও তাঁর যথেষ্ট সুখ্যাতি রয়েছে। নিজস্ব পছন্দ আর স্বাধীনতায় ভর করেই জীবনের এই রঙিন পথ হেঁটে চলেছেন পতৌদি পরিবারের এই প্রচারবিমুখ কন্যা।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us