
নাহ, সইফকে আর একা ছাড়া যাবে না। বরং সিসিটিভির বাইরেও, করিনার চোখ হবে গোপন ক্যামেরা। সইফ কোথায়, কখন যাচ্ছেন, কোন সময়ে, কার সঙ্গে বাড়ি ফিরছেন তা নখদর্পণে রেখেছেন করিনা। সইফের উপর হামলার পর থেকেই একটু বেশিই সচেতন করিনা। তবে শুধু সইফের জন্য নয়। করিনা চোখে চোখে রাখছেন দুই ছেলে তৈমুর ও জাহাঙ্গিরকেও। আর এই কারণেই বড় সিদ্ধান্ত নিলেন করিনা কাপুর খান।
বলিউড সূত্র থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী, করিনা ও সইফের নিরাপত্তার যাঁরা দেখছেন, তাঁদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পাপারাজ্জিরা যেন তাঁদের দুই ছেলের ছবি না তোলেন। এমনকী,সইফ ও করিনার ছবি, ভিডিও তোলার জন্যও যেন বাড়ির সামনে ক্যামেরা নিয়ে না ঢুঁ মারেন। তাঁদের পরিবারের নিরাপত্তার জন্যই এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন করিনা কাপুর খান। তাই পাপারাজ্জিদের অনুরোধ করেছেন, তাঁরা যেন খান পরিবারের সদস্যদের ক্যামেরা থেকে দূরেই রাখেন।
১৫ জানুয়ারি, বুধবার মধ্যরাতে নিজের বাড়িতেই আক্রান্ত হন সইফ আলি খান। তাঁর উপর আক্রমণ করেন এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি। ছুরি দিয়ে বলিউড তারকার উপর আঘাত করেন সেই ব্যক্তি। লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি করা হয় সইফ আলি খানকে। ৫ ঘণ্টা ধরে অস্ত্রোপচার চলে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন সইফ।
শনিবার পুলিশের কাছে বয়ান রেকর্ড করার সময় সেই রাতের ঘটনার বিবরণ দিয়েছেন সইফপত্নী করিনা কাপুর খান। অভিনেত্রী বলেন, “আক্রমণকারী মারাত্মক হিংস্র। নৃশংসভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল সইফের উপরে। এলোপাথাড়ি কোপাচ্ছিল।” করিনা আরও জানিয়েছেন, তাঁরা সবাই এখনও খুবই দুশ্চিন্তায়। ছোট ছেলে জেহের চোখে মুখে এখনও আতঙ্কের ছাপ রয়েছে।