
৫৪ দিন আগে অভিনেতা-বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিকের সঙ্গে বিয়েটা আইনিভাবে ভাঙে তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ৭ দিন আগেই কাঞ্চন তৃতীয় বিয়েটা করেছেন তাঁর চর্চিত প্রেমিকা শ্রীময়ী চট্টরাজকে। গোটা বিষয়টাই দূর থেকে পর্যবেক্ষণ করেছেন পিঙ্কি। নিজে না খোঁজ করলেও বন্ধুরা সময়ে-অসময়ে পিঙ্কিকে জুগিয়েছেন কাঞ্চনের জীবনের নানা খবর। কিছু খবরে তিনি কর্ণপাত করেছেন, কিছুতে করেননি। তাঁর এবং পুত্র ওশের খোঁজ নিতে TV9 বাংলাও যখন পিঙ্কির সঙ্গে যোগাযোগ করেন, তিনি সাফ বলেছেন, “আমাকে খারাপ রাখা খুবই কঠিন বিষয়”। আর কাঞ্চন? যাঁর তিন নম্বর বিয়ে নিয়ে এই মুহূর্তে তোলপাড় গোটা নেটমহলে, তাঁর এবং তাঁর নতুন বিয়ে করা বউকে নিয়ে পিঙ্কি বলেছেন, “আমি এই দুই ব্যক্তিকে সাধুবাদ জানাতে চাই, ওরা সাহস করে বিয়েটা করতে পেরেছে শেষমেশ। দেখে ভাল লাগছে।”
এই কথাগুলো কেবল TV9 বাংলাকে নয়, পিঙ্কি বলেছেন তাঁর নিকটতম বন্ধুদেরও। এবং অপরদিক থেকে ধেয়ে এসেছে বকুনি। পিঙ্কি বলেছেন, “জানেন, আমার বন্ধুরা ঝাঁঝিয়ে উঠে বলেছেন, তুই ওর ভাল চাইছিস, ভুলে গেলি ও কী করেছে তোর সঙ্গে?”
‘সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে’, ২০১০ সালে এই ধারাবাহিকে স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন পিঙ্কি-কাঞ্চন। সেই ধারাবাহিকে অভিনয় করতে গিয়েই সম্পর্ক শুরু হয় তাঁদের এবং তারপর বিয়ে। বিয়ের পর সুখের সংসার ছিল কাঞ্চন-পিঙ্কির। তাতে ছেদ পড়ে লকডাউনের সময়। প্রবেশ ঘটে তৃতীয় ব্যক্তি শ্রীময়ী চট্টরাজের। পিঙ্কির দাবী, কাঞ্চনের পরকীয়া প্রেম তিনি ধরে ফেলেছিলেন। সেই সময় কাঞ্চন-পিঙ্কির সন্তান ওশ খুবই ছোট। বাবা-মায়ের মাঝে সমস্যার কথা সে জেনে গিয়েছে ততদিনে। সেই সমস্যা ডিভোর্সে গড়ায়। ছেলে মায়ের কাছেই থাকতে চায়। কাঞ্চন ছেলের কাস্টডিও দাবি করেননি, জানিয়েছেন পিঙ্কি। এই মুহূর্তে ওশ-সর্বস্ব জীবন পিঙ্কির। ছেলে যাতে ভাল মানুষ হতে পারে, দায়িত্ববান পুরুষ হতে পারে, সেদিকেই মন দিয়েছেন ‘সিঙ্গল মাদার’ পিঙ্কি। কাঞ্চন-শ্রীময়ীর সংসার থেকে অনেক দূরে সরে গিয়েছেন তিনি। ‘ওরা ভাল থাকুক’, এটাই বলছে পিঙ্কির ঠোঁট আর মন বলছে, ‘দূরবিনে চোখ রাখব না… না… না…’