করেছিলেন পরকীয়া, কার ভয়ে লুকিয়ে-লুকিয়ে বেড়াতেন হেলেন?

১৯৭৯ সালে হেলেনাকে ভালবেসে বিয়ে করেছিলেন মিঠুন। কিন্তু সেই একই বছরে তাঁদের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। হেলেনাকে ডিভোর্স করেন মিঠুন। কে ছিলেন এই হেলেনা?

করেছিলেন পরকীয়া, কার ভয়ে লুকিয়ে-লুকিয়ে বেড়াতেন হেলেন?

Mar 19, 2025 | 12:21 PM

বলিউডের বিখ্যাত খান পরিবারের সদস্য হেলেন। তিনি সলমন, আরবাজ় এবং সোহেল খানের সৎ মা। তাঁদের বাবা সেলিম খান অনেক পরে ভালবেসে হেলেনকে খান পরিবারের সদস্যা করে তুলেছিলেন এবং আগে থেকেই বর্তমান ছিলেন সেলিমের প্রথম স্ত্রী সালমা। সালমা-হেলেন এই দুই মায়ের ছত্রছায়া এবং স্নেহ-আদর-ভালবাসায় বড় হয়েছেন সলমন-আরবাজ়-সোহেল, তাঁদের দুই বোন অর্পিতা এবং আলবিরা। কিন্তু খান পরিবারে প্রবেশ করা সহজ ছিল না হেলেনের কাছে। শুরু থেকেই তিনি সালমাকে ডরাতেন। কেবল তাই নয়, হিংসা, ভয় ভাঙা তো দূর, সালমাকে অসম্ভব সম্মান করতেন হেলেন। প্রেমিকের স্ত্রী বলে কথা!

আরবাজ় খানের সঙ্গে হেলেনের একটি সাক্ষাৎকার পর্ব ঘটে সম্প্রতি। সেই সাক্ষাৎকারে সেলিম খানের পরিবারের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে অকপট কিছু কথা বলেন হেলেন।

সেলিম যখন হেলেনকে বিয়ে করেন, বাড়িতে আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন তাঁর প্রথম পক্ষের স্ত্রী সালমা। শুরুর দিকে সালমার মুখোমুখি হতে কুণ্ঠাবোধ করতেন হেলেন। তিনি বলেছেন, “আমার মনে আছে, শুরুর দিকে ব্যান্ডস্ট্যান্ড দিয়ে যখন যেতাম, জানতাম সালমা বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকবে। আমি গাড়ির মধ্যে লুকিয়ে পড়তাম, যাতে ও আমাকে দেখতেই না পায়। চেষ্টা করতাম যাতে ও একটি খালি গাড়িকেই দেখতে পায়। আমি আসলে ওকে খুবই সম্মান করতাম।”

কিন্তু ধীরে-ধীরে খান পরিবার হেলেনকে আপন করে নিয়েছিলেন। সলমন খান বিশেষ করে, হেলেনকে নিজের মায়ের দরজা দিয়েছিলেন। তাঁকে এখনও পর্যন্ত সেই সম্মানই দিয়ে থাকেন ভাইজান। শুরুর দিকে হেলেন খান পরিবারের কোনও অনুষ্ঠানে অংশ নিতেন না। সালমাই নাকি প্রশ্ন করতেন, কেন হেলেন অনুপস্থিত। এখনও নাকি পরিবারের কোনও জলসা হলে সালমাই হেলেনকে ফোন করে সবার আগে তলব করে জিজ্ঞেস করেন, “হেলেন তুমি কোথায়? কখন আসবে বলো…”

আরবাজ তাঁর সৎ মা হেলেনকে অকপট জিজ্ঞেস করেছিলেন, তাঁর নিশ্চয়ই এক বিবাহিত পুরুষের সঙ্গে থাকতে অসুবিধা হয়েছে। হেলেন নিজের কথা না বলে এদিন বলেছিলেন, “আমার জন্য ততটা কষ্টের ছিল না বিষয়টা। বরং অনেক বেশি কষ্টকর ছিল সালমার জন্য। ওকেই অনেক যন্ত্রণা পেতে হয়েছে হয়তো। কিন্তু ভাগ্য! তোমাদের সঙ্গে থাকাই ছিল আমার নসিব। তাই আমি তোমাদের সঙ্গে জুড়ে থাকতে পেরেছি।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us