
পুনে: একটু বেশি রাত হয়ে গিয়েছিল। বাইকে চেপে বাড়ি ফিরছিলেন তাঁরা। আচমকা পিছন থেকে সজোরে ধাক্কা মারে একটি পোরশে গাড়ি। ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান দুই বাইক আরোহী। যে গাড়ির ধাক্কায় দুর্ঘটনাটি ঘটে, সেই গাড়ির চালকের বয়স ১৮ বছরও হয়নি। গ্রেফতার হওয়ার ১৫ ঘণ্টার মধ্যে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে তাঁকে। আর তাতেই প্রশ্ন তুলেছে মৃতদের পরিবার। শোকস্তব্ধ আত্মীয়রা বলছেন ‘এটা দুর্ঘটনা নয়, এটা খুন।’
গত শনিবার গভীর রাতে ঘটে ঘটনাটি। মৃত্যু হয়েছে অনীশ আওয়াধিয়া ও অশ্বিনী কোষ্টা নামে দুই যুবক-যুবতীর। তাঁরা দুজনেই তথ্য প্রযুক্তি সংস্থায় কর্মরত ছিলেন। একটি অনুষ্ঠান থেকে ফিরছিলেন তাঁরা রাত ২ টো ১৫ মিনিট নাগাদ। পিছন দিক থেকে ধাক্কা মারে গাড়িটি। গ্রেফতার হয় গাড়ির চালক। পরে কয়েকটি সহজ শর্তে ছেড়ে দেওয়া হয় তাঁকে। তার বাবাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার ভোরে মধ্যপ্রদেশের বাড়িতে দেহ পৌঁছনোর পর অনীশ আওয়াধিয়ার পরিবার রীতিমতো ভেঙে পড়ে। তাঁর এক আত্মীয় অখিলেশ আওয়াধিয়া বলেন, ‘অভিযুক্ত প্রাপ্তবয়স্ক নয়। সে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিল। ২৪০ কিমি গতিতে গাড়িটি নিয়ে যাচ্ছিল অভিযুক্ত। তার কাছে কোনও ড্রাইভিং লাইসেন্সও ছিল না। এটা দুর্ঘটনা নয়, এটা খুন।’
এদিকে জব্বলপুরে পৌঁছেছে অশ্বিনী কোষ্টার দেহ। তাঁর পরিবারের দাবি, ১৫ ঘণ্টার মধ্যে এভাবে অভিযুক্তকে ছেড়ে দেওয়া উচিত হয়নি। তদন্তের দাবি জানাচ্ছেন অশ্বিনীর আত্মীয়রা। তাঁর এক আত্মীয় বলেন, “অশ্বিনীর জীবনে অনেক স্বপ্ন ছিল। অনেক বড় হয়ে বাবা-মাকে গর্বিত করবে, এই ইচ্ছা ছিল। সব শেষ হয়ে গেল একটা ঘটনায়।”