
চণ্ডীগড়: গত বছর এই নির্বাচনেই ভোট কারচুপির দায়ে মুখ পুড়েছিল বিজেপির। বছর বদলেছে। নতুন করে বেজেছে নির্বাচনী ঘণ্ট। আর তাতেই ‘জয়ধ্বনি’ বিজেপির। পদ্ম শিবিরের বিরুদ্ধে লড়তে জোট বেঁধেছিল আপ-কংগ্রেস। দিল্লির বিধানসভা নির্বাচনে তারা বিরোধী, কিন্তু চণ্ডীগড়ে হাতে-হাত মিলিয়ে লড়ছে আপ-কংগ্রেস। তবে তাতেও লাভের লাভ কিছুই হয়নি। ১৯ ভোটে বিরোধী জোটকে হারিয়ে চণ্ডীগড় মেয়র নির্বাচনে জয়ী বিজেপি।
প্রতিবছরের ন্যয় এই বছরও চণ্ডীগড়ে ছিল মেয়র নির্বাচন। সম্প্রতি, পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাই কোর্টের রায়ের ভিত্তিতে বদল হয়েছিল নির্বাচনের দিনক্ষণ। ৩০ জানুয়ারি অর্থাৎ আজ ছিল সেই ভোটপর্ব। আর তাতেই ছক্কা হাঁকাল বিজেপি। মেয়র, সিনিয়র মেয়র ও ডেপুটি মেয়র পদে জন্য আয়োজন হয়েছিল নির্বাচনের।
সেখানে বিজেপির তরফে ছিল বিশেষ চমক। গত বছরের ধাক্কার পর মেয়র পদের জন্য মহিলা মুখ তুলে আনে পদ্ম শিবির। স্থানীয় বিজেপি নেত্রী হরপ্রীত কর বাবলাকে মেয়র পদের জন্য মনোনীত প্রার্থী হিসাবে দাঁড় করায় তাঁরা। থেমে থাকেনি আপ-কংগ্রেস জোটও। ভোট টানতে মহিলা মুখেই ঝোঁক দেখায় তাঁরাও।
কার থলিতে কত ভোট?
মোট ৩৫ আসনের নির্বাচনে বিজেপির থলিতে গেল ১৯টি আসন ও ১৭টি আসন পেয়েছে আপ-কংগ্রেস জোট। চলতি নির্বাচনে ভোট কারচুপি এড়াতে নজরদারির ব্যবস্থা করেছিল খোদ শীর্ষ আদালত। শুধুমাত্র চণ্ডীগড় মেয়র নির্বাচনের নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ও কারচুপি এড়াতে একজন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছিল শীর্ষ আদালত তরফে।
উল্লেখ্য, গত বছর ভোটে জিতেও হারতে হয়েছিল চণ্ডীগড় পুরনিগমের আপ ও কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থী কুলদীপ সিংকে। বিজেপির বিরুদ্ধে উঠেছিল নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ। সেই কর্মকাণ্ডে পদ্ম শিবিরের সঙ্গী হয়েছিল প্রিসাইডিং অফিসার অনিল মসিহা। অবশ্য পরবর্তীতে মামলা ওঠে সুপ্রিম কোর্টে। বিজেপি ও প্রিসাইডিং অফিসারের কর্মকাণ্ডকে অবৈধ ঘোষণা করে আপ-কংগ্রেস প্রার্থীকেই মেয়র হিসাবে ঘোষণা করে শীর্ষ আদালত।