
এলাহবাদ: পণ নেওয়া অপরাধ তো বটেই, কিন্তু পণ দেওয়াও ঠিক নয়। যিনি পণ দিচ্ছেন, আইনের চোখে তিনিও সমান অপরাধী। একটি মামলায় এমনই পর্যবেক্ষণ এলাহবাদ হাইকোর্টের। পাশাপাশি, পণ নেওয়ার মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার কথাও বলেছে আদালত।
বিচারপতি বিক্রম ডি চৌহান বলেন, পণ দেওয়ার জন্য শাস্তি দেওয়া যায় না ঠিকই, তবে আইনের ৩ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তাঁরাও অপরাধী। পর্যবেক্ষণে আরও বলা হয়েছে যে, পণ চাওয়ার জন্য শাস্তির মেয়াদ ২ বছর পর্যন্ত হতে পারে। ফলে, অনেক ক্ষেত্রে কণের পরিবারের তরফে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হয় বলেও উল্লেখ করেছে আদালত।
এলাহবাদ হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, পণ নেওয়া বা দেওয়ার ক্ষেত্রে সঠিক তথ্য অনেক সময় দেওয়া হয় না। এমনকী এফআইআর হওয়ার পরও পণের জিনিসপত্রের তালিকা চান না তদন্তকারী অফিসাররা। ফলে বিয়েতে পাওয়া উপহার বা যৌতুককে কেউ পণ বলে দাবি করছেন কি না, সেটাও স্পষ্ট হয় না। এ ব্যাপারে রাজ্যের নিয়োগ করা চিফ ডাউরি প্রহিবিশন অফিসারকে উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
এ ব্যাপারে মানুষকে সতর্ক করতে উদ্যোগ নিতে হবে বলেও জানিয়েছে আদালত। সব শেষে আদালত ডিজিপি-কে নির্দেশ দিয়েছে, কেন পণ নিয়ে সঠিক তদন্ত হচ্ছে না, সেই নির্দেশ দিতে হবে। প্রয়োজনে ম্যারেজ হল থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় নোটিস দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।