
নয়া দিল্লি: দেশ জুড়ে চর্চায় রয়েছে জিডিপি। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে (এপ্রিল-জুন) ভারতের GDP বৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৭.৮ শতাংশে। গত অর্থবর্ষের একই ত্রৈমাসিকে GDP বৃদ্ধির হার ছিল ৬.৯ শতাংশ। চলতি অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে ভারতের প্রকৃত GDP-র পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮১.৩৬ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু সরকারের এই হিসেব নিয়ে শুরু হয়েছে নানা তর্ক-বিতর্ক।
কেন্দ্রীয় সরকারের জিডিপি-র এই হিসেব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে। তবে, জিডিপি-র ব্যাখ্যা ইতিমধ্যেই দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। স্পষ্ট বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে, ডবল ডিফ্লেশন পদ্ধতিতে উৎপাদিত পণ্য এবং উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামালের দাম আলাদাভাবে হিসাব করা হয়। এই সময়ে কাঁচামালের দাম উৎপাদিত পণ্যের দামের তুলনায় বেশি হারে বেড়েছে। ফলে নূন্যতম গ্রস ভ্যালু অ্যাডেড ৭.৭ শতাংশ বাড়লেও, আসল গ্রস ভ্যালু অ্যাডেড বেড়েছে ৯.২ শতাংশ। এর ফলেই ডিফ্লেটর ঋণাত্মক হয়েছে। এই ইস্যুতেই এবার মুখ খুললেন অর্থনীতিবিদ আনন্দ শ্রীধরন। এক্স মাধ্যমে লিখেছেন তিনি। সেই বক্তব্য ইতিমধ্যেই ভাইরাল।
আনন্দ শ্রীধরন লিখেছেন, ভারতে সরকারিভাবে ‘রিয়েল জিডিপি’ এবং ‘নোমিনাল জিডিপি’র পরিসংখ্যানই প্রকাশ করা হয়। কটাক্ষ করে তিনি বলছেন, MoSPI (পরিসংখ্যান মন্ত্রক) নাকি এখন “অ্যানেকডোটাল জিডিপি” (মনগড়া জিডিপি) প্রকাশ করবে। শুধু তাই নয়, অর্থনীতিবিদের বক্তব্য, এনআরআই অর্থনীতিবিদ, অবসরপ্রাপ্ত আমলা বা জেএনইউ-র ছাত্রদের মনগড়া গল্পের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হবে জিডিপি।