AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

শুভেন্দু অধিকারী

শুভেন্দু অধিকারী

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামের বিধায়ক তিনি। ছাত্র রাজনীতি দিয়ে রাজনীতির হাতেখড়ি। ১৯৯৫ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত কাঁথি পুরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস কাউন্সিলর ছিলেন। এরপর তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান। যে তমলুককে এক সময় সিপিএম নেতা লক্ষ্মণ শেঠের তালুক বলা হত, ২০০৯ সালে সেখানেই ঘাসফুল ফোটান শুভেন্দু। যার মাটি তৈরি হয়েছিল ২০০৭ সালে নন্দীগ্রাম আন্দোলনের হাত ধরে। তখন তিনি অবশ্য দক্ষিণ কাঁথির তৃণমূল বিধায়ক। ২০১৬ সালে নন্দীগ্রামের বিধায়ক হন তিনি। ছেড়ে দেন তমলুকের সাংসদ পদ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারে রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রীও হয়েছেন। ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপিতে যোগদান। আবারও নন্দীগ্রাম থেকে লড়াই এবং পদ্মপ্রতীকে জয়।

Read More

Suvendu on Mamata: ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের নেতৃত্বে পরিকল্পিতভাবে নামের বানান পদবি ভুল করা হয়েছে’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

Suvendu Adhikari attacks CM Mamata: শুভেন্দুর স্পষ্ট কথা, “প্রথমদিন থেকে লাগাতার ভয় দেখানো হচ্ছে, আতঙ্ক তৈরি করা হচ্ছে। সমস্ত লোকের নামের বানান ভুল, পদবির বানান ভুল। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে করেছে। বিএলও, ইআরও, এইআরও-দের একাংশ দিয়ে, আইপ্যাককে বসিয়ে নাম ও পদবির বানান ভুল করে লক্ষ লক্ষ লোককে শুনানিতে ডেকে নিয়ে গিয়ে হয়রানি করা হয়েছে।”

আক্রমণ শুভেন্দুর, একযোগে জবাব কুণাল-সেলিমের, কী হল?

৩৪ বছর রাজ্যে ক্ষমতায় ছিল বামেরা। আর গত প্রায় ১৫ বছর ক্ষমতায় রয়েছে তৃণমূল। বাম ও তৃণমূল মিলিয়ে এই ৪৯ বছরে বাংলা পিছিয়ে গিয়েছে বলে তোপ দাগলের বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। গতকাল বাগনানের সভা থেকে সেই পরিসংখ্যান দেন তিনি। স্বাধীনতার পর বাংলা যে জায়গায় ছিল, এই ৪৯ বছরে সেখান থেকে অনেকটা পিছিয়ে পড়েছে বলে আক্রমণ শানান শুভেন্দু। বিধানসভার বিরোধী দলনেতার আক্রমণের পাল্টা জবাব দিল সিপিএম ও তৃণমূল। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম ও তৃণমূলের কুণাল ঘোষ পাল্টা শুভেন্দুকে নিশানা করেন।

Suvendu Adhikari: আনন্দপুরে কেন যাননি? কারণ জানালেন শুভেন্দু

Suvendu on Anandapur: সরকারের তীব্র সমালোচনা করে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে শুভেন্দু বলেন, “আমরা মনে করি ওই এলাকায় এই দুর্ঘটনার পিছনে দুর্নীতি আছে, স্থানীয় বিধায়ক, থানা, পৌরসভা এবং অবৈধ কারখানার মালিকের যোগসাজসে জলাজমি ভরিয়ে সম্পূর্ণ বেআইনি পরিকাঠামো তৈরি করা হয়েছিল। একাধিক দুর্ঘটনা গত কয়েক বছরে ঘটার পরেও এই সরকার, অগ্নিনির্বাপণ দফতর কোনও শিক্ষা নেয়নি।”

CPM-ISF-Congress: এবার কি একলা হাঁটবে সিপিএম?

Bengal Politics: ভোট এলেই বাংলায় বারবার ফিরে ফিরে এসেছে থার্ড ফ্রন্টের ছবিটা। লড়াইয়ে থেকে বাম কংগ্রেস। একুশের বিধানসভায় বাংলা দেখেছে বাম কংগ্রেস আইএসএফের সংযুক্ত মোর্চা। কিন্তু এবার ছাব্বিশের ভোটে কী ফের সেই জোটের ছবি দেখা যাবে? জল কোন দিকে গড়াচ্ছে? চলুন একবার ৩৬০ ডিগ্রি অ্য়াঙ্গেলে ঘুরে দেখি কী বলছে আলিমুদ্দিন স্ট্রিট থেকে ফুরফুরা শরিফ।

Suvendu Adhikari: ‘সব জায়গায় CCTV লাগাও, যত টাকা লাগে আমি দেব’, হিংসায় তপ্ত নন্দীগ্রাম থেকে হুঙ্কার শুভেন্দুর

Nandigram Politics: সমবায় ভোটে তৃণমূলের জয়ের পর থেকেই নতুন অক্সিজেন পেয়েছে নন্দীগ্রামের ঘাসফুল শিবির। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বড় অংশের মতে, ‘অপারেশন নন্দীগ্রামে’ তৃণমূলের ভরসা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মডেল সেবাশ্রয়। সেবাশ্রয় ক্য়াম্পের পরেই নন্দীগ্রামে সমবায় ভোট হয়েছে। সেই ভোটেই জয় পেয়েছে রাজ্যের শাসকদল।

Suvendu Adhikari: ‘মা-বাবার সঙ্গেই তাপসকে পেট্রল ঢেলে মারা চেষ্টা করেছিল’, ওন্দায় গিয়ে আক্রান্ত কর্মীকে বাড়ি তৈরির অর্থ সাহায্য শুভেন্দুর

Suvendu in Bankura: সভা থেকে গর্জে ওঠেন শুভেন্দু। বাঁকুড়ার জনপ্রতিনিধিদের পাশে নিয়ে বলেন, “আমরা প্রথমেই তাপস বারিকের বাড়িতে গিয়েছি। গোটা বাড়িতে কান্নার রোল। মা-বাবা মূর্ছা যাচ্ছেন। দৃশ্য চোখে দেখা যায় না। আমরা গোটা বাড়ি দেখেছি।” ঘটনার বীভৎসতা নিয়ে বলতে গিয়ে পুলিশের ভূমিকা প্রশ্ন তুলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

‘মাছবাজার নাকি?’ হঠাৎ কেন বললেন শুভেন্দু?

এসআইআর হিয়ারিং নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর বাড়ছে। কমিশনের বিরুদ্ধে সরব তৃণমূল। আবার এসআইআর নিয়ে তৃণমূলকে নিশানা করছে বিজেপি। এই আবহে তারকেশ্বর বিডিও অফিসের সামনে শুনানি চলাকালীন তৃণমূল নেতার মাইকে বক্তব্য রাখার ভিডিয়ো সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে খোঁচা দিলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু অধিকারী লেখেন, “পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর হিয়ারিং সেন্টারগুলোতে নৈরাজ্যই এখন নিত্যদিনের ঘটনা, যা তৃণমূল নেতারা করছেন এবং তারা প্রকাশ্যেই গেটের সামনে, এমনকি প্রতিষ্ঠানের ভেতরেও বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে জনতাকে উস্কে দিচ্ছেন।” তাঁর প্রশ্ন, এটা এসআইআর হিয়ারিং সেন্টার নাকি মাছের বাজার? 

এবার শুভেন্দুর মুখে ‘খেলা হবে’ স্লোগান, কোন খেলা হবে নন্দীগ্রামে?

একুশের নির্বাচনে সাড়া ফেলেছিল তৃণমূলের ‘খেলা হবে’ স্লোগান। ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে সেই ‘খেলা হবে’ স্লোগান নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিয়েছেন, এবারের খেলা হবে ‘ফাটাফাটি’। বিজেপিও যে এবার খেলবে, সেকথা বলেছেন মিঠুন চক্রবর্তী। এবার ‘খেলা হবে’ স্লোগান শোনা গেল বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গলায়। একুশের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়েছিলেন শুভেন্দু। সেই ফলের কথাই শুক্রবার নন্দীগ্রামে গিয়ে মনে করালেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। নন্দীগ্রামে একটি সরস্বতী পুজোর অনুষ্ঠানে এসে তিনি বলেন, “খেলা হবে। একুশের মতো খেলা হবে। একুশে খেলা হয়েছিল নন্দীগ্রামে। আবার হবে। খেলো তোমরা দেখতে থাকবে। দেখবি আর জ্বলবি, লুচির মতো ফুলবি।”

Suvendu Adhikari: ‘একুশে খেলা হয়েছিল নন্দীগ্রামে’, কীসের বার্তা দিলেন শুভেন্দু?

Suvendu Adhikari on Khela habe: ছাব্বিশের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে তৃণমূল ও বিজেপির প্রার্থী কারা হবেন, তা নিয়ে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। কোনও দলই এখনও প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি। শুভেন্দুর এই মন্তব্যের পর জল্পনা বাড়ছে, তাহলে কি বিধানসভার বিরোধী দলনেতা-ই ফের প্রার্থী হবেন নন্দীগ্রামে?

কমিশনের কী করা উচিত? এবার বলে দিলেন শুভেন্দু

বাংলায় এসআইআর নিয়ে রাজনৈতিক তরজা বাড়ছে। প্রতিদিনই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তোপ দেগে চলেছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। আবার কয়েকদিন আগে রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেছিলেন, দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে দিল্লিতে বসে থাকলে চলবে না। রাজ্যে এসে বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখতে হবে। এবার কমিশনকে নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, চিঠি নয়, অ্যাকশন চাই। কমিশন কেন নমনীয় মনোভাব দেখাচ্ছে, সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি। বিধানসভার বিরোধী দলনেতার বক্তব্য, চিঠি-চাপাটিতেই সীমাবদ্ধ কমিশনের পদক্ষেপ। বাংলার মানুষ ভাষণ নয়, অ্যাকশন চায়। শুভেন্দুর এই বক্তব্য নিয়ে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল।