Iran-UAE Leaders Meet in India: ব্রিকসের ফাঁকে কোন ‘জাদুবলে’ বৈঠকে বসেছিল ইরান-UAE? মোদীর ‘মাস্টারস্ট্রোক’ নিয়ে ঘোর কাটছে না আন্তর্জাতিক মহলের

India Facilitates Iran-UAE High-Level Meeting: দু'মাস আগে আমীরশাহীর সঙ্গে স্ট্র্যাটেজিক অয়েল পার্টনারশিপ নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে নয়াদিল্লি। ইউএই- ওপেক ছাড়ার পর প্রথম ভারতের সঙ্গে এনিয়ে কথাবার্তা চালাচ্ছে ওরা। এর অর্থ, এই চুক্তি হলে ভারত আমীরশাহী থেকে নিজেদের মতো করে তেল কিনতে পারব। এখানে ওপেক বা অন্য সংগঠনের কোনও হস্তক্ষেপ থাকবে না।

Iran-UAE Leaders Meet in India: ব্রিকসের ফাঁকে কোন জাদুবলে বৈঠকে বসেছিল ইরান-UAE? মোদীর মাস্টারস্ট্রোক নিয়ে ঘোর কাটছে না আন্তর্জাতিক মহলের
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং আবুধাবির প্রিন্স শেখ খালেদ বিন মহম্মদ বিন জায়েদ আল নহয়ান বৈঠক করেন।

Sep 16, 2026 | 5:02 PM

নয়াদিল্লি: ব্রিকসের ফাঁকে মুখোমুখি দুই যুযুধান। পিছনে কি ভারতের হাত? উত্তরটা হ্যাঁ। ভারতের উদ্যোগেই মুখোমুখি বসেন ইরান এবং সংযুক্ত আরব আমীরশাহীর (UAE) শীর্ষনেতা। ইরান- আমেরিকা সংঘাত শুরুর পর কম করেও ১৮০ বার সংযুক্ত আরব আমীরশাহীর উপর মিসাইল, ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। ইউএই-র তেলের খনি, শোধনাগার এবং গ্যাস উৎপাদন ক্ষেত্রের ৪০ শতাংশ এখন হয় বন্ধ। নয়তো অর্ধেক উত্‍পাদন হচ্ছে। সংযুক্ত আরব আমীরশাহীও ইরানের উপর মিসাইল, ড্রোন হামলা চালিয়েছে। শুধু ইউএই তো নয়, উপসাগরীয় এলাকায় অধিকাংশ দেশ আমেরিকার ঘনিষ্ঠ সহযোগী। কমবেশি এইসব দেশকেই টার্গেট করেছে ইরান। সেই অধ্যায় পাশে রেখেই নয়াদিল্লিতে মুখোমুখি বসল দুই দেশ।

ব্রিকসের ফাঁকে বৈঠক করেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং আবুধাবির প্রিন্স শেখ খালেদ বিন মহম্মদ বিন জায়েদ আল নহয়ান। সেই বৈঠকের পর আন্তর্জাতিক মিডিয়া বিস্ময়ের ঘোর কাটাতে পারছে না। ঘটনা হল, ভারত না থাকলে এই মিটিংটা সম্ভবই হত না। এবং ভারত যেভাবে এই অসাধ্যসাধন করেছে তা গোটা দুনিয়াকে চমকে দিয়েছে। এই দুই ঝগড়া সরিয়ে রেখে কেন মুখোমুখি বসল বোঝাই যাচ্ছে। দুই দেশেরই এতে কৌশলগত এবং ব্যবসায়িক স্বার্থ আছে। কিন্তু ভারত এই বৈঠক করাতে উদ্যোগী হল কেন? বিদেশমন্ত্রক সূত্রে খবর, ইরান এবং ইউএই-র যত তাড়াতাড়ি নিজেদের মধ্যে মতবিরোধ মিটিয়ে নেবে, ততই ভালো। ওদেরও ভালো। ভারতেরও।

ভারতের ভালো কীভাবে? দু’মাস আগে আমীরশাহীর সঙ্গে স্ট্র্যাটেজিক অয়েল পার্টনারশিপ নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে নয়াদিল্লি। ইউএই- ওপেক ছাড়ার পর প্রথম ভারতের সঙ্গে এনিয়ে কথাবার্তা চালাচ্ছে ওরা। এর অর্থ, এই চুক্তি হলে ভারত আমীরশাহী থেকে নিজেদের মতো করে তেল কিনতে পারব। এখানে ওপেক বা অন্য সংগঠনের কোনও হস্তক্ষেপ থাকবে না। দুই দেশ কথা বলে দেশের দাম ঠিক করবে। আর সেই তেলটা আনার জন্য ইরানের সাহায্য প্রয়োজন। ইরান এবং ইউএই- দুই দেশেরও দুই দেশকে দরকার। দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব ভারতে এলে তাঁদের কাছে সেটা ব্যাখ্যা করা হয়। এবং ভারতের উদ্যেোগেই মুখোমুখি বসতে রাজি হন দুই দেশের শীর্ষনেতা।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us