Maoist Attack: মাওবাদীদের সঙ্গে প্রবল গুলির লড়াই, মৃত্যু তিন জওয়ানের, আহত একাধিক

Maoist Attack: ছত্তিসগঢ়ের জঙ্গলে মাওবাদীদের উপস্থিতি অনেকদিন ধরেই রয়েছে। মঙ্গলবার বিজাপুর-সুকমা সীমান্তের কাছে এই গুলির লড়াই চলেছে বলে জানা গিয়েছে। আহতদের সুকমা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে রায়পুরে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।

Maoist Attack: মাওবাদীদের সঙ্গে প্রবল গুলির লড়াই, মৃত্যু তিন জওয়ানের, আহত একাধিক
ফাইল ছবিImage Credit source: twitter

Jan 30, 2024 | 6:57 PM

ছত্তিসগঢ়: ফের মাওবাদী হানায় মৃত্যু জওয়ানের। মঙ্গলবার ছত্তিসগঢ়ের জঙ্গলে ব্যাপক গুলির লড়াই চলে সিআরপিএফ জওয়ান ও মাওবাদীদের মধ্যে। একের পর এক জওয়ান গুলিবিদ্ধ হন। শেষ পর্যন্ত পাওয়া খবরে তিন জওয়ানের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। আহত হয়েছেন অন্তত ১৪ জন জওয়ান। এদিন বিজাপুর-সুকমা সীমান্তের কাছে এই গুলির লড়াই চলেছে বলে জানা গিয়েছে। আহতদের সুকমা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে রায়পুরে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।

জানা গিয়েছে, বিজাপুর-সুকমা সীমান্তের কাছে তেকালাগুদিয়াম গ্রামে অভিযানে যাওয়ার সময় জওয়ানদের লক্ষ্য করে মাওবাদীরা গুলি চালায় বলে অভিযোগ। অতর্কিতে হামলা হওয়ায়, কিছু বুঝে ওঠার আগেই আক্রান্ত হন জওয়ানরা।

সুকমা সহ ছত্তিসগঢ়ের একাধির জায়গা মাওবাদীদের প্রভাব উল্লেখযোগ্য। জানা গিয়েছে, মাওবাদীদের ওপর নজর রাখতেই ওই এলাকায় এদিন অভিযান চালানো হচ্ছিল। সেই কারণেই একটি ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছিল। সেখানে টহল দিচ্ছিল ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড, কোবরা ব্যাটেলিয়ন ও স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। মাওবাদীরা গুলি চালানোর সঙ্গে সঙ্গে পাল্টা জবাব দিকে থাকে জওয়ানরাও। এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় মাওবাদীরা।

২০২১ সালে এই তেকুলাগুদাম জঙ্গলেই ২২ জন জওয়ানের মৃত্যু হয় মাওবাদী হানায়। বাস্তার রেঞ্জের ইন্সপেক্টর জেনারেল সুন্দররাজ পি জানিয়েছেন, এতজন জওয়ানের মৃত্যুর পরও শান্তিরক্ষায় ওই জঙ্গলে একটি ক্যাম্প তৈরি করা হয়েছিল।

Follow Us