
নয়া দিল্লি: কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী এবং সে রাজ্যের সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব হলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী। তাঁর অভিযোগ, কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া একাধিক দুর্নীতিতে জড়িত। রবিবার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, দু’টি দুর্নীতিতে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী ও সে রাজ্যের সরকার জড়িত। সেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা যায়, তা নিয়ে বিশদে আলোচনা হয়েছে।
কর্নাটকের ধারওয়াড় লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ প্রহ্লাদ জোশী। এদিন তিনি বলেন, “দু’টি বড় দুর্নীতি হয়েছে। এবং ওই দুর্নীতির টাকা লোকসভা নির্বাচনের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। কংগ্রেস হাইকম্যান্ড সব জানে। রাহুল গান্ধীও এই দুর্নীতি সম্পর্কে অবহিত।”
গতকাল নীতি আয়োগের বৈঠকে যোগ দেননি কংগ্রেস শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীরা। স্বাভাবিকভাবেই বৈঠকে ছিলেন না কংগ্রেস শাসিত কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া। নীতি আয়োগের বৈঠকে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীর অনুপস্থিতি নিয়ে প্রহ্লাদ জোশী বলেন, “নিজেকে রক্ষা করতে এবং অস্বস্তির হাত থেকে বাঁচতেই নীতি আয়োগের বৈঠক এড়িয়ে গিয়েছেন সিদ্দারামাইয়া।”
গত বৃহস্পতিবার প্রহ্লাদ জোশী অভিযোগ করেছিলেন, বাল্মীকি বোর্ড দুর্নীতিতে জড়িত ছিলেন সিদ্দারামাইয়া। তিনি বলেন, “তফসিলি জাতি ও উপজাতিদের জন্য বরাদ্দ টাকা নয়ছয় করেছে কর্নাটক সরকার। ১৮৯ কোটি টাকার জায়গায় ৮৯ কোটি টাকা দেওয়া হয়। এটা বড় দুর্নীতি। সিট গঠন করা হয়েছিল। অভিযুক্ত মন্ত্রী চাপে পড়ে পদত্যাগ করেন। কিন্তু, তাঁর বিরুদ্ধে কোনও তদন্ত হয়নি। যখন ইডি হস্তক্ষেপ করল, ইডির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করল।”