
জার্মানি: ঝাঁ চকচকে বিমানবন্দরে মশার দেখা মেলেনা বলেই চলে। জল জমে না, নোংরাও নেই তেমন। সেই বিমানবন্দরের কর্মীর মৃত্যু ম্যালেরিয়ায়। আক্রান্ত ওই বিমানবন্দরের আরও ৬ কর্মী। মৃত কর্মী ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। মশা কামড়াল কীভাবে, কোথা থেকে এল ম্যালেরিয়ার মশা! বুঝে উঠতে পারছে না জার্মানির ফ্র্যাঙ্কফুর্ট এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষ।
বিমানবন্দরের তরফে নিশ্চিত করা হয়েছে যে মৃত কর্মীর ম্যালেরিয়া হয়েছিল। বাকিদের চিকিৎসা চলছে এখনও। প্রাথমিকভাবে আধিকারিকরা মনে করছেন কোনও বিমানেই ওই মশা ফ্র্যাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দরে পৌঁছয়। উল্লেখ্য, এটি জার্মানির ব্যস্ততম এয়ারপোর্ট। জার্মানির পাবলিক হেল্থ অথরিটি মশার উৎস বোঝার চেষ্টা করছে।
ঘটনার পর তৎপর বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। সব কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে তাঁরা কোনও রকম উপসর্গ বুঝতে পারলেই চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এছাড়া বিমানবন্দরে মশার জন্য বিশেষ ট্র্যাপ বা জাল লাগানো হয়েছে। কোনও মশা ধরা পড়লেই ল্যাবরেটরিতে পাঠিয়ে তার প্রজাতি শণাক্ত করা হচ্ছে।
জানা যায়, জার্মানিতে ম্যালেরিয়া আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা কার্যত বিরল। আর এয়ারপোর্টে ম্যালেরিয়া হওয়ার ঘটনাও ঘটেনি কখনও। তাই এই ঘটনায় হতবাক কর্তৃপক্ষ। স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার কামড়েই হয়ে থাকে ম্যালেরিয়া। এরাই এই রোগ বহন করে। তাই ,স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশা দ্রুত চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে জার্মানি।