
নয়াদিল্লি: চিন্তার কোনও কারণ নেই, স্বাভাবিক থাকবে LPG সরবরাহ। বুধবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়ে দিল দেশের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রক। এছাড়াও বেড়েছে এলপিজি উৎপাদনও, দেশের দিকে আসছে আরও দু’টি এলপিজি পরিপূর্ণ কারগো। এক কথায় তৃণমূল স্তরে তৈরি হওয়া জ্বালানি-উদ্বেগকে কাটাতে তৎপর হয়েছে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক।
এদিন পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের যৌথ সচিব সুজাতা শর্মা জানিয়েছেন, “এলপিজি সিলিন্ডার বুকিংয়ের ক্ষেত্রে অযথা চিন্তার কিছু নেই। দেশের প্রায় সর্বত্র আড়াই দিনের মধ্য়ে থাকা স্বাভাবিক ডেলিভারি প্রক্রিয়া বজায় রয়েছে। পাশাপাশি, ভারতে অপরিশোধিত তেল সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।” কিন্তু যেখানে ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের জেরে সপ্তাহ আগে বন্ধ হয়েছে হরমুজ প্রণালী। সেই সময় কোথা দিয়ে অপরিশোধিত তেলের আমদানি করছে নয়াদিল্লি?
পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক জানিয়েছে, হরমুজের পরিবর্তে বিকল্প পথে অপরিশোধিত তেল সংগ্রহের কাজ চলছে। পাশাপাশি, সরকারি তৎপরতায় বেড়ে গিয়েছে ২৫ শতাংশ এলপিজি উৎপাদন। এদিন যৌথ সচিব বলেন, “তথ্যগত অসঙ্গতির জেরে কিছু জায়গায় মানুষ অযথা গ্যাস বুকিং করছেন। কিন্তু উদ্বেগের কারণ নেই। গৃহস্থের জন্য ডেলিভারি প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রয়েছে।” এই আতঙ্কের কারণে বেশ কিছু রাজ্যে তৈরি হচ্ছে কালোবাজারি ও মজুতদারি। নয়াদিল্লি সূত্রে খবর, ইতিমধ্য়ে প্রতিটি রাজ্যকে সেই গ্যাস ও জ্বালানির কালোবাজারি রুখতে পদক্ষেপ করতে বলেছে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক।
গোটা বিশ্বের ৫৫ শতাংশ অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ নির্ভর করে থাকে হরমুজ প্রণালির উপর। ভারতে আসা ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল আসে এই পথেই। যদিও পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের যৌথ সচিব জানিয়েছেন, “এই পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে যে বিরাট বিপদ এগিয়ে এসেছে এমনটা নয়। ভারতের দৈনিক ৫৫ লক্ষ ব্যারল অপরিশোধিত তেলের প্রয়োজন। আমরা হরমুজের পরিবর্তে থাকা বিকল্প পথগুলি ব্যবহার করে যথেষ্ট তেল মজুত করেছি।”