IS Terrorist in Kolkata: দিঘার হোটেল থেকে ধরা পড়া আব্দুল আর মুসাভিরের IS সদস্য! এ রাজ্যেও কি রয়েছে নেটওয়ার্ক

IS Terrorist in Kolkata: ২০২০ সালে দেশ ছাড়ার পর ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে তাঁরা ফের দেশে ফেরেন বলে জানা গিয়েছে। এরপরই চেন্নাইকে কেন্দ্র করে তাঁরা অপারেশনের ছক কষছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ীই বিস্ফোরণ ঘটানো হয় বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

IS Terrorist in Kolkata: দিঘার হোটেল থেকে ধরা পড়া আব্দুল আর মুসাভিরের IS সদস্য! এ রাজ্যেও কি রয়েছে নেটওয়ার্ক
দুই অভিযুক্তের জঙ্গি যোগ!Image Credit source: GFX- TV9 Bangla

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Apr 12, 2024 | 6:26 PM

কলকাতা: দিঘার হোটেল থেকে বিস্ফোরণের মূল অভিযুক্তরা গ্রেফতার হওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজ্যে। একে একে সামনে আসছে তথ্য, যা রীতিমতো উদ্বেগজনক। এনআইএ সূত্রের খবর, বেঙ্গালুরুর রামেশ্বর ক্যাফেতে বিস্ফোরণের ঘটনায় যে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁরা আইএস জঙ্গি মডিউলে সদস্য। জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে তাঁদের যোগ থাকার কথা জানতে পেরেছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, আব্দুল মাথিন ত্বহা ও মুসাভির হুসেন সাজিব ২০২০ কর্নাটক আইএস মডিউলের সদস্য। আরও জানা গিয়েছে, আইএস মডিউল সামনে আসার পর দু’জনেই দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান।

২০২০ সালে দেশ ছাড়ার পর ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে তাঁরা ফের দেশে ফেরেন বলে জানা গিয়েছে। এরপরই চেন্নাইকে কেন্দ্র করে তাঁরা অপারেশনের ছক কষছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ীই বিস্ফোরণ ঘটানো হয় বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। ২০২০ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে ৩ লক্ষ টাকা ক্রিপ্ট কারেন্সি মারফত পায় তারা। আইএসকেপি হ্যান্ডলার কর্নেলের কাছ থেকে ওই ক্রিপ্টোকারেন্সি এসেছিল তাঁদের হাতে।

এনআইএ-র দেওয়া তথ্য বলছে, ২ লক্ষ টাকা খরচ করা হয়েছিল লজিস্টিক সাপোর্টের জন্য। অপারেশনের পর ৭ মার্চ পর্যন্ত চেন্নাইতে ছিলেন তাঁরা। তারপর দক্ষিণের কয়েকটি ডেরা ঘুরে আশ্রয় নেন পশ্চিমবঙ্গে। পর্যটক পরিচয়ে কলকাতা এবং রাজ্যের একাধিক পর্যটন কেন্দ্র ঘুরে দিঘায় যান আব্দুল মাথিন ত্বহা ও মুসাভির হুসেন সাজিব। এখানেই প্রশ্ন উঠছে, আইএস নেটওয়ার্ক কি তাহলে এ রাজ্যেও আছে? সেইরকম কোনও স্লিপার সেল কি এদের দুজনকে সাহায্য করেছে এ রাজ্যে? সেই উত্তর খুঁজছেন গোয়েন্দারা। জানা গিয়েছে, এই মডিউলের অধিকাংশ সদস্য আইটি কর্মী বা ইঞ্জিনিয়ার।

Follow Us