Abhishek Banerjee Office: বিলবোর্ড খোলার পরই ফের অভিষেকের অফিসে ঝুলল তৃণমূলের ব্যানার, হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ কালীঘাট তৃণমূলের

Abhishek Banerjee Office Chaos: বিলবোর্ড খুলে ফেলার ঘটনায় কলকাতা হাই কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে কালীঘাট তৃণমূল। দ্রুত শুনানি চেয়ে ই-মেইল মারফত আবেদন করেছেন তৃণমূলের আইনজীবী অর্ক নাগ। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি জানান, আগামিকাল ওই বিষয়ে মামলা করার জন্য মেনশন করা যাবে।

Abhishek Banerjee Office: বিলবোর্ড খোলার পরই ফের অভিষেকের অফিসে ঝুলল তৃণমূলের ব্যানার, হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ কালীঘাট তৃণমূলের
ক্যামাক স্ট্রিটে তুলকালামImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: শুভশ্রী রায়চৌধুরী

Aug 27, 2026 | 11:31 PM

কলকাতা: বিকেলে অভিষেকের ক্যামাক স্ট্রিট দফতরের বিলবোর্ড খুলে দিয়েছিলেন কলকাতা পুরসভার কর্মীরা। রাতে ফের নতুন করে টাঙিয়ে দেওয়া হল অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের ব্যানার। বৃহস্পতিবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে অবৈধ বিল বোর্ড ভাঙার ঘটনাকে ঘিরে তুলকালাম পরিস্থিতি তৈরি হয় ক্যামাক স্ট্রিটে। পুরসভা কর্মীদের গায়ে হাত তোলা থেকে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১২ জনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ-তৃণমূল সংঘাতের জল গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত। ঘটনায় কলকাতা হাই কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে কালীঘাট তৃণমূল।

কী ঘটেছে ক্যামাক স্ট্রিটে?

ঝামেলার সূত্রপাত ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসের হোর্ডিংকে ঘিরে। পুরসভার কর্মীদের অভিযোগ, এই হোর্ডিং অবৈধ। তা নিয়ে পুলিশের তরফ থেকে তাদের কাছে অভিযোগ আসে। তার ভিত্তিতেই হোর্ডিং খুলতে আসেন তাঁরা। পুরসভার কর্মী বলেন, “আমাদের কাছে ওপর থেকে অর্ডার এসেছে। ওই বিল বোর্ডটা সরিয়ে দেওয়ার জন্য। এটা বেআইনি, এর অনুমতি নেই। ওদের বক্তব্য হচ্ছে, আমাদের অর্ডারের মধ্যে ওনার ছবি নেই। সেই ছবি করিয়ে আবার আনা হচ্ছে।” কিন্তু, অভিযোগ, অফিসে ঢুকতেই বাধা পান পুরসভার কর্মীরা। পুলিশের সঙ্গে তীব্র বচসা শুরু হয় তৃণমূল কর্মীদের। অফিসে পৌঁছন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েনরা। অফিসে জোর করে ঢুকতে গেলে পরিস্থিতি ভয়ংকর হয়ে ওঠে। তারপর দেড় ঘণ্টা ধরে চলতে থাকে পুলিশের সঙ্গে ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসের কর্মীদের হাতাহাতি। অভিযোগ, উর্দি পরা পুলিশের গায়ে হাত তোলা হয়। কলার টেনে হিঁচড়ে চলতে থাকে কিল চড় ঘুষি। শেষমেশ পৌনে ছ’টার পর পুলিশ পুরসভার কর্মীরা ভিতরে ঢোকেন। বিল বোর্ড গ্যাস কাটার দিয়ে কাটা হয়।

অভিষেকের দাবি, অভিযোগ কবে হয়েছে, তার কোনও তথ্য নেই। তিনি বলেন, “ওঁরা ভুলে গিয়েছেন, ওদের মাইনা সাধারণ মানুষের করের টাকায় হয়। কোন পার্টি কোথায় হোর্ডিং লাগাবে, এই রাস্তা জুড়ে তো ওদের হোর্ডিং। আমার অফিসের বাইরে আমি কী বোর্ড লাগাব, সেটা ওরা ঠিক করবে? এটা গণতন্ত্রের নমুনা। অর্ডার ঠিক করতে নিয়ে গিয়েছে। বিল বোর্ড বাইরে, ভিতরে ঢুকবেন কেন? অভিযোগ কবে হয়েছে, তার ডিটেইলসও নেই।” পরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে আইনি লড়াইয়ের হুঁশিয়ারি দেন। অভিষেক বলেন, “আমরা আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। শুক্রবার যা হওয়ার হবে। আমরা বিচারব্যবস্থায় বিশ্বাসী। হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্ট যত দূর যেতে হয় যাব।”

হাইকোর্টে মামলা

বিলবোর্ড খুলে ফেলার ঘটনায় কলকাতা হাই কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে কালীঘাট তৃণমূল। দ্রুত শুনানি চেয়ে ই-মেইল মারফত আবেদন করেছেন তৃণমূলের আইনজীবী অর্ক নাগ। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি জানান, আগামিকাল ওই বিষয়ে মামলা করার জন্য মেনশন করা যাবে। সেক্ষেত্রে, শুক্রবার মামলা দায়ের হতে পারে আদালতে।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us