
কলকাতা: অটোর পারমিট দেওয়া নিয়ে ইউনিয়নের দুই গোষ্ঠীর বিবাদের জের। বাঘাযতীন-রানিকুঠি রুটে অটো চলাচল বন্ধ। ইউনিয়নের দুই গোষ্ঠীর ভূমিকায় বচসা ও ধাক্কাধাক্কি। বিধায়ক পাপিয়া অধিকারীর ভূমিকায় তীব্র ক্ষোভ অটো চালকদের একাংশ। এই সব ঝামেলার জেরে রীতিমতো বন্ধ বাঘাযতীন-রানিকুঠি রুটে অটো। সমস্যায় সাধারণ মানুষজন।
CITU-র তরফে অভিযোগ, রুট পারমিট ছাড়াই একটি অটোকে এখানে চলতে দেওয়া হচ্ছে। এরপর সেই অটোটিকে বন্ধের চেষ্টা করা হয়। পরবর্তীকালে বিধায়ক পাপিয়া অধিকারীকে পুরো বিষয়টি জানানো হয়। তিনিও পুরো বিষয়টি দেখবেন বলে খবর। এ দিকে, বিজেপির অটো ইউনিয়নের দাবি, ওই ব্যক্তিকে রুট-পারমিট ছাড়াই চালাতে দিতে হবে। এই নিয়েই দু’পক্ষের মধ্যে মারপিট শুরু হয়। খবর সংগ্রহেও বাধ দেওয়ার অভিযোগ। বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। প্রায় ২৫০ অটো বন্ধ।
আহত অটো চালক বলেন, “হঠাৎ করে দেখি ১০ থেকে ১২টি বাইক এসেছে। আমরা ওইখানে দাঁড়িয়ে ছিলাম। হুট করে বলছে লাইন বন্ধ, লাইন বন্ধ। অটো চালানো যাবে না। ওইখানে একজন বয়স্ক মানুষ ছিলেন। তাঁকে ধরে মারধর করা হচ্ছিল। আমায়ও অটোর পিছনে ফেলে মেরেছে।” CITU-র এক সদস্য বলেন, “রুটের পারমিট নেই, একটা বেআইনি গাড়ি দেখি চলছে। হঠাৎ একটা পোস্টার ফেলা হয়েছে। তারপর দেখি বেআইনি ওই অটোটা চলাচল করছে। সব কিছু একটা প্রসেসিং এর ব্যাপার। বিক্ষোভ দেখানোর পর মারধর করা হয়েছে।” বিজেপি অটো ইউনিয়নের এক সদস্য বলেন, “যাকে অটো চালাতে দিচ্ছে না তিনি একজন বয়স্ক লোক। তখন তিনি MLA-ম্যামের কাছে গিয়ে বলেছেন যে আমায় অটো চালাতে দিচ্ছে না। এরপরই ম্যাম নিজের লেটার প্যাডে লিখে দেন ওঁকে অটো চালাতে দেওয়া হোক। এরপর যখন উনি গাড়ি চালাতে আসেন তখন ওই সকল লোকজন বলেন, কে পাপিয়া অধিকারী চল ফোট এখান থেকে। এটা কি একজন MLA-কে বলা যায়।”