
কলকাতা: হালতুতে স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে আত্মঘাতী অটোচালক। আত্মহত্যার প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল অটোচালক সোমনাথ রায়ের মামা-মামিকে। এবার গ্রেফতার করা হল লোন রিকভারি এজেন্টকে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম চঞ্চল মুখোপাধ্যায়।
প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার কসবার হালতুতে বাড়ির ভিতর থেকে অটোচালক সোমনাথ রায়, তাঁর স্ত্রী সুমিত্রা ও তাঁদের তিন বছরের শিশুপুত্রের দেহ উদ্ধার হয়। অত্যন্ত মর্মান্তিক ছিল সেই ছবি। ছেলের দেহ বুকে কাপড় দিয়ে বেঁধে নিজের গলায় ফাঁস লাগিয়েছিলেন সোমনাথ। আর পাশেই ছিল স্ত্রীর ঝুলন্ত দেহ।
দেওয়ালে লেখা ছিল তিন জনের নাম। তাঁদের মধ্যে দু’জন মামা-মামি। তাঁরা সোমনাথের পাশেই থাকতেন। প্রতিবেশী ও আত্মীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, যে বাড়িতে সোমনাথ থাকতেন, সেটি তাঁর নামে ছিল না। জমি জায়গা নিয়ে মামা-মামিদের সঙ্গে অশান্তি ছিল সোমনাথের। সে কথা প্রতিবেশীরাও জানতেন। দেহ উদ্ধারের পর সেই মামা-মামির ওপর ক্ষোভ উগরে দেন প্রতিবেশীরা। এরপর পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করে। জানা যায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারিও সোমনাথের বাড়িতে এক ব্যক্তি এসেছিলেন। সোমনাথের বাজারে কিছু ঋণ ছিল। অভিযোগ, সেই ব্যক্তিও বাড়িতে এসে অপমানজনক কথাবার্তা বলেন। মামা-মামির পাশাপাশি দেওয়ালে লেখা ছিল আরও একজনের নাম। জানা যাচ্ছে, তিনিই লোন রিকভারি এজেন্ট চঞ্চল। এই নিয়ে এই ঘটনায় মোট ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।