
কলকাতা: হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য ভাস্কর গুপ্ত। তাঁকে দেখতে শনিবার হাসপাতালে আসেন যাদবপুরের পড়ুয়ারা। উপাচার্যের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাতের পর আন্দোলনরত পড়ুয়ারা জানিয়ে দিলেন, আলোচনার দাবি নিয়ে নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসছেন না তাঁরা।
গত ১ মার্চ ওয়েবকুপার বার্ষিক সাধারণ সভা ঘিরে উত্তপ্ত হয়েছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে শারীরিক হেনস্থার অভিযোগ ওঠে। এমনকি, ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য ভাস্কর গুপ্তকে শারীরিকভাবে হেনস্থা করা হয় বলে অভিযোগ। আবার শিক্ষামন্ত্রীর গাড়ির তলায় চাপা পড়ে এক ছাত্র জখম হন বলে অভিযোগ। অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগে তপ্ত যাদবপুর।
এই পরিস্থিতিতে গত বুধবার যাদবপুরের উপাচার্যের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চেয়েছিলেন আন্দোলনরত পড়ুয়ারা। সেদিন বিকেল চারটে পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিলেন উপাচার্যকে। কিন্তু, ওইদিন সকালেই রক্তচাপ ওঠানামা করায় ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই আপাতত চিকিৎসাধীন তিনি। এদিন হাসপাতালে উপাচার্যকে দেখতে আসেন আন্দোলনরত পড়ুয়ারা।
এদিন উপাচার্যের সঙ্গে হাসপাতালে দেখা করার পর অভিনব বসু, দেবার্ঘ্য যশরা বলেন, ” উপাচার্যর শারীরিক অবস্থা নিয়েই বেশিরভাগ কথাবার্তা হয়েছে। তাছাড়া প্রতিদিন ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে এফআইআরের সংখ্যা বাড়ছে। শোনা যাচ্ছে, ইউএপিএ ধারাও দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। এ সব বিষয়ই উপাচার্যকে জানানো হয়েছে।”
তবে আলোচনার দাবি নিয়ে নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসছেন না তাঁরা। উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করার পর তাঁরা বলেন, “সোমবার দুপুর ১টা পর্যন্ত ডেডলাইন যা ছিল, তা থাকছে। আমরা উপাচার্যকে জানিয়েছি, এই মুহূর্তে যা পরিস্থিতি তাতে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসা জরুরি। উপাচার্য যদি নিজে না বৈঠক করতে পারেন, তাহলে তাঁর প্রতিনিধি কারও সঙ্গেও আলোচনায় বসা যেতে পারে। আমরা আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান চাইছি।”